HSC BATCH 2022

HSC BATCH 2022

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HSC BATCH 2022, Education & Learning, Narsingdi.

এটি একটি শিক্ষামূলক পেজ।
আপনাদের লেখাপড়ার বিষয়ে যে কোন পরামর্শের জন্য এখানে মেসেজ করতে পারেন অথবা জিজ্ঞাসা করতে পারেন। যতটুকু সম্ভব আপনাদেরকে সাহায্য করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

Photos from HSC BATCH 2022's post 27/06/2025

HSC EXAM 2025
Bangla 2nd Paper Final Suggestion



28/12/2024

আমি আর ৯৯ চাই না..

23/11/2024

লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।

শিল্পী পাবলো পিকাসো বিয়ে করেছিলেন ৭৬ বছর বয়সে।

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছবি আঁকতে শুরু করেছিলেন ৬১ বছর বয়সে।

সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পাওয়া মানুষটির নাম লিওনিদ হুরউইজ, তিনি মাত্র ৯০ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি বয়সে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন ইমানুয়েল রিভা, মাত্র ৮৫ বছর বয়সে!

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরেই আমরা ও আমাদের ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশ বলতে থাকি - আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা। এভারেস্টে উঠবো কীভাবে? বয়স আছে?

আমার এক বন্ধু জালাল আহমেদ হিমালয়ের চূড়ান্ত বিজয়ের কাছাকাছি গিয়েছিলেন ৬৫ বছর বয়সে; মাত্র গত বছরে। আমি তাঁর সহযাত্রী হতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হয়নি।

সবচেয়ে বেশি বয়সী যে মানুষটি এভারেস্টে উঠেছেন তাঁর নাম ইউকিরো মুইরা, তার বয়স ছিল মাত্র ৮১ বছর!

সবচেয়ে বেশি বয়সে সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন ডরিস লেসিং, মাত্র ৮৮ বছর বয়সে!

একবার না পারলে হাল ছেড়ে দিয়ে , দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার দরকার নেই। দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার আগে আমাদের আফসোস হওয়া উচিত - কি কি করিনি? কোথায় কোথায় যাইনি ? কেন এবং কেন যেতে পারিনি?

মক্কা মদিনা গিয়েছি কি?

স্নো ফল দেখেছি কি? আইফেল টাওয়ার দেখেছি কি?

সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় দেখেছি কি?

হাল ছেড়ে দিলে হবে না। জীবনটা এ প্লাস, বি প্লাসের না। কারণ সফলতার মার্কশিট বলে কিছু নেই। যদি থাকতো তাহলে ড্রপ আউট স্টুডেন্ট বিল গেটস বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হতেন না, মার্ক জুকারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্তফা দেওয়ার দশ বছর পর অনারারি ডক্টরেট ডিগ্রী পেতেন না অথবা মৃত্যুর পর ভ্যানগঘ পৃথিবীর সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ শিল্পী হতেন না।

জীবনের বেঁচে থাকার দিনগুলো সবচেয়ে আনন্দের হয়, জীবনের সবচেয়ে পরিশ্রম করার দিনগুলিতে, জীবনে বারবার হেরে যাওয়ার দিনগুলিতে। কতো দিন গেছে একটা অংক না পেরে ১৬ পাতা খরচ হয়েছে, মেলেনি! কতো দিন গেছে একটা ভালো লেখা লিখতে না পারার দুঃখে পুরো ডায়েরি কুচি কুচি করে ছিঁড়ে নতুন ডায়েরি নিয়ে বসতে হয়েছে!

আসলে জীবনটা রেস নয়, জীবনটা জার্নি!

✍️লেখাটি ভালো লাগলো তাই শেয়ার দিলাম।




28/10/2024

🏰 পরিশ্রম করুন, পরিশ্রম করেই সফল হতে হয়। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কখনও সফলতা আসে না।🥀

📎 মার্ক জুকারবার্গকে তার গার্লফ্রেন্ড যখন সকল সোশ্যাল সাইট থেকে ব্লক করে দেয়, তখন সে জেদ করে সবচেয়ে বড় সোশ্যাল সাইট ফেসবুক বানিয়ে ফেলে, যার মাধ্যমে সে ওয়ার্ল্ড এর টপ ফাইভ রিচম্যানদের একজন। আর আপনি হলে কি করতেন? শেভ করা ছেড়ে দিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে বলতেন বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর।

📎 টমাস আলভা এডিসন একটা বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করতে গিয়ে যতবার ব্যর্থ হয়েছেন এই পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ তত বছর বাঁচেওনি। ৯৯৯ বার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। আর আপনি? সফল হওয়ার আগে প্রশ্ন করুন নিজেকে কতবার চেষ্টাটা করতে পারবেন?

📎 শচীন টেন্ডুলকার জীবনে যতবার আউট হয়েছেন আপনি হয়তো ততবার ক্রিকেট খেলাও খেলেননি। কিন্তু দিন শেষে আজ শচীনকে সবাই ক্রিকেট নক্ষত্র হিসাবেই জানে।

📎 সাইকেল গ্যারেজে কাজ করা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্ল্যান করে যতবার চেষ্টা করে করে বিমান উড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন, আপনি ততবার প্ল্যান করে পাখির উড়াও দেখেননি। তবু তিনি বিমান টা আবিষ্কার করেই ছাড়লেন।

📎 ছোট বেলায় যেভাবে হাঁটতে না পারলে আবার চেষ্টা করতেন, পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেয়ে কান্না করতে করতে আবার দেয়াল ধরে হাঁটতে চাইতেন, এখন আবার সময় এসেছে দাঁতে দাঁত চেপে নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকার।

📎 সৃষ্টিকর্তাকে একবার জানান দেন সাকসেস আসার আগ পর্যন্ত আপনি থামবেন না, হেরে গেলেও না, বারবার ব্যর্থ হলেও না।

📎 যে যাই বলুক না কেনো, যেমন খুশি করুক না কেনো আপনি শুধু আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে অটুট থাকুন, বাকিটা সিস্টেম্যাটিক্যালি উপরওয়ালা আপনাকে দিয়ে দিবেন সংগৃহীত ও পরিমার্জিত।

সবার জন্য শুভকামনা। 🤲

©

17/10/2024

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল সেকেন্ড টাইমারদের জন্য কিছু কথা:

তোমরা যারা সেকেন্ড টাইম ভর্তি পরীক্ষা দিবে,তাদের এখন যে বিষয় গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন,তার কিছুটা বলতে চেষ্টা করছি-

️১) এই সময় যে জিনিসটা সব থেকে বেশি প্রয়োজন, তা হল মনোবল। তুমিও পারবে, এই রকম একটা জোর রাখবে মনে।বাকিটা আল্লাহর উপর।

২) তোমাদের একটা বিষয় বলছি।তোমরা প্রতিটা সাবজেক্টের যে কোন একটা ভাল মানের বই শেষ করো। আজ তোমাকে একজন বলছে এটা ভাল, সেটা পড়ছো। আবার কাল একজন আরেকটা বলছে, তখন ভাবছো এটা ভাল। এটা না করে একটা ভাল ভাবে শেষ করো। তারপর যদি মনে হয় তোমার কোন টপিকস ঘাটতি আছে, তখন সেটা অন্য বই থেকে সাহায্য নিতে পারো।

️৩) যারা মানবিক এর তারা সাধারণ জ্ঞান টা সহজ ভেবে ফেলে রেখ না। কারণ এটা তোমাকে পজিশন আগে আনতে সাহায্য করবে।

️৪) ইংরেজির যে টপিকস টা ভাল পারো বলে মনে হয়,সেটাও বার বার প্রেকটিস করো। যাতে সেই টপিকস থেকে যে কোন প্রশ্ন আসলে উত্তর দিতে পারো। ওই টপিকস এর প্রশ্ন যাতে কোন ভাবে ভুল বা মিস না হয়।

৫) বাংলার উপর সমান গুরুত্ব দাও।বাংলা ১ম পত্রের কবিতার লাইন গুলো ভাল করে দেখবে। আর লেখক পরিচিতি তো আছেই।

️৬) তোমরা ১ম বার পরীক্ষা দিয়ে অনেকটা বুঝে গেছো কোথায় তোমার ঘাটতি।যেটাতে ঘাটতি, সেটা ভাল করে পড়ো।

৭) চান্স পেতে হলে কিছুটা কৌশলী হতে হয় । কিছু কিছু নির্দিষ্ট জায়গা আছে যেখান থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন হয়। আর এই বিষয়গুলো তুমি নিজে বুঝতে না পারাটাই স্বাভাবিক । কিন্তু যারা কোচিং এ ক্লাস নেন তাঁরা অর্থাৎ কোচিং এর শিক্ষকরা এসব ব্যাপারে অনেক অভিজ্ঞ। তারা জানে কোন কোন বিষয়গুলো বেশি করে পড়াতে হবে। এই মুহুর্তে তোমার সঠিক গাইডলাইন প্রয়োজন । এজন্য কোচিং করতে পারলে সবচেয়ে বেটার হয় । সেট সম্ভব না হলে নিজের মত করে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে থাকো।

৮) প্রতিদিন মিনিমান ১০/১২ ঘন্টা, প্রয়োজনে ১৪/১৫ ঘন্টা মন দিয়ে পড়াশোনা করো। মনে রাখবে এটাই কিন্তু শেষ সুযোগ। মিস হলেই শেষ সকল স্বপ্ন।

শুভকামনা রইল সকলের জন্য। 🤲

15/10/2024

এইচএসসি ২০২৪
ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে..
সবার ফলাফল কমেন্টে জানান .....

13/10/2024

টমেটো: ২৮০ টাকা
মরিচ: ৫০০ টাকা
শিমের কেজি:৪৬০ টাকা
গাজর: ২০০ টাকা
ডিমের হালি: ৬০ টাকা
লাউ: ১০০ টাকা (প্রতি পিস)
বেগুন: ২০০ টাকা
কচুর ছড়ি: ৯০ টাকা
চিচিঙ্গা: ৯০ টাকা
পটল: ১২০টাকা
ঢেঁড়স: ১৩০ টাকা
ধনেপাতা :৭০০ টাকা
ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা
তেলাপিয়া :২৬০ টাকা
পাঙ্গাস :২৫০/২৬০ টাকা
পেঁয়াজ: ১৩০ টাকা
আলু:৯০ টাকা
বিশেষ দ্রষ্টব্য :এগুলো আজকে ঢাকা শহরের উত্তরা ৬ নাম্বার সেক্টরের বিডিআর কাঁচা বাজার থেকে আপডেটটা নেয়া আমি নিজে বাজার করতে গিয়েছিলাম তখন এই দামে কিনেছি কিছু সবজি মাছ মাংস।
এইদিকে আমার আয় বিগত ১০ বছরেও বাড়েনি। একটা অভ্যুত্থান, একটা বিপ্লব, একটা বিজয় যেনো চোখের সামনে মিলিয়ে যাচ্ছে। এইদেশে স্বাধীনতা বারবার এসেছে, তবে তা শুধুমাত্র একটা গোষ্ঠীর জন্য। হতদরিদ্ররা আজীবন শোষিত হয়ে আসছে। কখনো বৃটিশ, কখনও বা পাকিস্তান আবার কখনও স্বদেশী মোড়ল দর দ্বারা...




24/09/2024

বাসায় পড়ানোর সময় অভিভাবক খেয়াল করলেন যে, তাদের সন্তান
'ন্যাচার'কে 'নাটুরে' (Nature) বলে উচ্চারণ করছে!

কার কাছ থেকে উচ্চারণটি শিখেছে জানতে চাইলে সন্তান জানালো -
স্কুলের ইংরেজির শিক্ষকের কাছ থেকে।

ইংরেজি শিক্ষকের কাছে যেয়ে অভিভাবক বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলেন।

তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে জানালেন, "চিন্তার কোন কারণ নাই,
ছাত্ররা একটু 'মাটুরে' (Mature) হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"

বিষম খেয়ে অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের কাছে নালিশ করলেন - "কী ধরণের বিদ্যাপীঠ এটা, স্যার!
ছাত্র বলে 'নাটুরে', শিক্ষক বলেন 'মাটুরে'!"

শুনে প্রধান শিক্ষক উদাস হয়ে বললেন, "সবাই শুধু বড় বড় কথা বলে। একজনও ভাল 'লেকটুরে' (Lecture) দিতে পারে না।"

ক্ষিপ্ত অভিভাবক এবার উত্তেজিত হয়ে দেখা করলেন স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতির সংগে।

সভাপতি একটু হতাশ কণ্ঠে বললেন, "আমিও বুঝি। কিন্তু কী করবেন বলুন? এটাই যে এই অঞ্চলের 'কালটুরে' (Culture)।"

অভিভাবকের মাথায় চক্কর দিলো। তিনি কোনমতে লোকাল সাংসদের সাথে দেখা করলেন।

তিনি সব কিছু শুনে প্রবল চিৎকার, চেঁচামেচি করতে করতে বললেন, "আমি জানতাম,
আমি আগেই জানতাম, এই স্কুলটার নাই কোনো 'ফুটুরে' (Future)!"

অভিভাবক কাঁপতে কাঁপতে পড়ে গিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেললেন। জ্ঞান হারাতে হারাতে শুনতে পেলেন,
কে যেন বলছে, "ফেসবুকে দিবো... একটা ‘পিকটুরে’ (Picture) তুলে দে!"

ঐ স্কুলের মাঠে এখন 'এগ্রিকালটুরে' (agriculture) চর্চা হচ্ছে।
- Collected.
#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅




22/09/2024

রিলেশনে গোলমালের জের ধরে ক্যারিয়ার বিসর্জনের গল্পটা আজকাল ডাল ভাতের মতো হয়ে গেছে । একেবারেই সিম্পল আর খুব কমন ঘটনা । রিলেশনে টানা হেঁচড়া থেকে মানসিক অশান্তি । এরপর পড়াশুনায় ঢিল । ফলাফল হচ্ছে খারাপ রেজাল্ট এবং পরবর্তিতে ক্যারিয়ারে ঝামেলা তৈরি হওয়া ।

সব থেকে মেধাবী ছেলেটার যে পজিশনে থাকার কথা ছিল আজকে সে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় । অফিস টাইমে টং দোকানে বসে চা খায় ।

ক্লাসের সব থেকে ট্যালেন্টেড মেয়েটার সিজিপিএ 3.9 থেকে একটানে নেমে গেলো 3.1 এ । কেউ জানে না কেন এমন হয়েছে । মেয়ের এই পরিবর্তন দেখে বাপ মাও অবাক

আমার কেন জানি মনে হয় জীবনের একটা পর্যায়ে এসে স্বার্থপর হওয়া জরুরী । একটা সময়ে এসে ইমোশোন গুলোকে বস্তাবন্দি করে রাখা উচিত । একটা সময়ে রিলেশন ,ইথিক্স এই জিনিসগুলা বাদ দেয়া উচিত । মোস্ট অব দ্যা টাইম এইসব ইমোশন ভালো ফল বয়ে আনে না ।

ছেকা খেয়ে বেকা হয়ে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার যে গল্প গুলো প্রচলিত আছে সেগুলো খুব কম মানুষের জন্যই প্রযোজ্য । বেশিরভাগ মানুষ সত্যিকার অর্থেই ছেকা খেলে নিজের মাঝে আর ফিরে আসতে পারে না । কিংবা ফিরে এলেও অনেক দেরি হয়ে যায় । তখন কিছু করার থাকে না ।

মনটা হইতে হবে ইস্পাতের মতো ।
গার্ল ফ্রেন্ড কে আরেক ছেলের সাথে দেখার জন্য প্রস্তুত থাকুন । যে হাতগুলো নিয়ে আপনি খেলতেন সেই হাতগুলো এখন অন্যের দখলে । এইটা মেনে নিন । মেনে না নিলে আপনি ভেঙ্গে যাবেন । মেনে নিলে দুই দিন অশান্তিতে থাকবেন । তৃতীয় দিন থেকে ঠিকই শান্তিতে থাকবেন ।

যে ছেলেটার সাথে আপনার গল্প তৈরি হওয়ার কথা ছিল সে এখন বাইকের পেছনে আরেক মেয়েকে বসায় । এটা দেখার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন । যে কেয়ারটুকু আপনার পাওনা ছিল সেই কেয়ারটুকু এখন পাচ্ছে অন্য কেউ । ব্যাপারটা দেখুন এবং ভুলে যান । লুকিয়ে থাকার কোন মানেই হয় না । কিপ ওয়াচিং । একসময় দেখবেন ব্যাপারটা সয়ে গেছে । আগে মতো আর পেইন লাগবে না ।

একটা রিলেশন ,সেটা যদি দশ বছরের সম্পর্কও হয় তারপরেও এই জিনিসের জন্য নিজের ক্যারিয়ারের একটা সেকেন্ড নষ্ট করাও উচিত না । যে আপনাকে ছেড়ে গেছে সে কিন্তু আপনাকে ছাড়া ভালোই আছে । সে কিন্তু আনন্দেই আছে । ভালো নেই আপনি । কারন আপনি বোকা । বিসিএসের গুরুত্বপুর্ন পড়াটা ভুলে গেলেও আপনি নিজের প্রেমিকাকে ভুলতে পারেন না । সাধারন জ্ঞানের প্রশ্নের ফাঁকে ফাঁকে তার অসাধারন চেহারাটা ভেসে উঠে ।

বাইক দেখলে আপনার মন খারাপ হয়ে যায় । মনে পড়ে বয়ফ্রেন্ডের কথা । আপনার মতো ট্যালেন্টেড ছাত্রীর যে একটা উজ্জ্বল ক্যারিয়ার আছে সেটা আর মাথায় আসে না । নিজের স্বার্থে মানুষকে ছাড় দিতে শিখুন ।

অথচ জীবনটা কতো সুন্দর ।
আপনি তো সারাজীবন এনগেজড ছিলেন না । এমন একটা সময় ছিল যখন আপনি কারো হাত নিয়ে খেলতেন না । দিন কিন্তু কেটে যেতো ভালো ভাবেই । এমন একটা সময় ছিল যখন আপনি কারো বাইকের পেছনের সঙ্গি ছিলেন না । জীবন কিন্তু তখনও কেটে যেতো । নিজেকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার যে আনন্দ সেটা গ্রহন করতে শিখুন । দেখবেন বস্তাবন্দী ইমোশন আপনাকে আর কুপোকাত করতে পারছে না ।

বসুন, ১ টা ঘন্টার জন্য নিজেকে নিয়ে, দৃঢ়চিত্তে নিজের মনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করুন,অন্যের হাতের পুতুল হয়ে আর কতদিন?
আপনার নিজের সুখ - শান্তির চাবি অন্যের হাতে দিয়ে বসে আছেন, তাহলে সুখী হবেন কেমনে?
কেন আপনার সুখ অন্যের ওপর নির্ভর করবে?

যে আপনাকে আজকে তুচ্ছ মনে করে ফেলে দিয়েছে, সে দুই দিন পরে হলেও সুযোগ বুঝে একই কাজ করতো!

আপনি হয়তো মনে করতেছেন তাকে পেলে জীবনটা হয়ে যেত স্বর্গের মতো !
ভূল, মোহ কেটে গেলে সে ঠিকই অমানুষের মতো আচরণ করতো, টক্সিক মানুষের ভালোবাসার রং ক্ষণে ক্ষণে বদলায়!
তখন চোখের পানি ফেলতেন আর আফসোস করতেন।

ভাগ্য ভালো যে ক্যান্সারটা আগেই কেটে ফেলে দিচ্ছেন, না হলে একটা সময় এটা পুরোটা শরীরেই ছড়িয়ে পড়তো, তখন ফেরার আর কোন পথ থাকতো না ! বয়স, সময়, অভিজ্ঞতা হয়তো একদিন এসব বোকামি অনুধাবন করাতো, কিন্তু তখন বড্ড দেরি হয়ে যেত সংশোধনের জন্য!

মনে রাখবেন, পৃথিবীটা অনেক বড়, এখানে প্রেম ভালবাসা, আবেগ , সৌন্দর্য সবকিছুই থরে থরে সাজানো, মানুষ তার যোগ্যতা দিয়ে দাম চুকিয়ে ইচ্ছেমত ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়!

আপনি যদি আপনার নিষ্পাপ আবেগ ছেড়ে, উঠে না দাঁড়ান, তাহলে এভাবেই দর্শকের ভূমিকায় থেকে যেতে হবে বাকিটা জীবন! একটা সময় অনেক ভালো কিছু পাশ দিয়ে যাবে, কিন্তু যোগ্যতার অভাবে কিছুই কুড়িয়ে নিতে পারবেন না,শুধুই আফসোস করবেন!

আর এইসব কথার পরেও যদি উঠে দাঁড়ানোর সাহস না পান, তাহলে একবারের জন্য হলেও নিজের বাবা - মায়ের মলিন মুখগুলোর কথা চিন্তা করেন, যাদের স্বপ্নের পতাকাটা আপনার হাতে তুলে দেওয়া, আপনি হারার সাথে সাথে এই মানুষগুলোর ও হার নিশ্চিত হয়ে যাবে 🥲

এখন সিদ্ধান্ত নিন কোনটা আপনি চান ?

#সংগৃীত #𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅


21/09/2024

মানুষ যৌ*ন উ*ত্তে*জি*ত হয় ভাবনার উপর। সে কি ভাবছে তার উপর। আপনি নামাজ পড়া অবস্থায়ো যদি শ*য়*তা*ন অ*শ্লী*ল কিছু মনে করায় আর আপনি তাতে প্রভাবিত হলে নামাজেও উ*ত্তে*জি*ত হয়ে যাবেন।
আল্লাহর বিধিবিধান না মেনে যা ভালো লাগে তাই করতে থাকলে একজন পুরোপুরি শ*য়*তা*নে*র নিয়ন্ত্রনে থাকে। কিন্তু শ*য়*তা*ন*কে কখনো উপলব্ধি করতে পারে না। কারন সে তাই করছে যা শ*য়*তা*ন চাচ্ছে।
তখন সে বিভিন্ন ফি*ল্ম দেখে, না*চ গা*ন দেখে। এইসবে খো*লা*মে*লা পো*শা*কে অ*ন্ত"র*ঙ্গ দৃশ্য থাকে। এইসব দেখে সে যৌ*ন ম*জা অনুভব করে। এরপর শ*য়*তা"ন তাকে এইসব খালি ভাবাতে থাকে। তখন সে হ*স্ত*মৈ*থু*নে*র মতো বাজে অভ্যাস তৈরি করে বিশেষ অঙ্গের স্বাভাবিকতা হারিয়ে ফেলে।
সারাদিন অ*শ্লী*ল চিন্তার ভিতর নিজেকে ডুবিয়ে রাখে।
মোবাইলে অ*শ্লী*ল ভিডিও দেখে। মেয়েদের কা*ম*না*র দৃষ্টিতে দেখে। জে*না করার ইচ্ছা লালন করে। সুযোগ পেলে জে*না করে।
হ*স্ত*মৈ*থু*নে*র মতো বা*জে অভ্যাসের কারনে সে প্রতি মুহূর্ত এক ধরনের যৌ*ন অ*স্ব"স্তি অনুভব করে। ই*উ*রি*নে*র রাস্তায় জ্বা*লা*পো*ড়া করে। স*হ*বা*স করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। বিশেষ অঙ্গের আকৃতি নষ্ট করে ফেলে। বেঁচে থাকা দূর্বিষহ করে ফেলে।
ইসলামিক লাইফস্টাইলে একজন চিন্তার জগতে শুধু পরকাল রেখে হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে আদর্শ মেনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবসময় নামাজ জিকির আমলের ভিতর থাকে।
সব ধরনের পা*প থেকে বেঁচে থাকে। মেয়েদের সামনে দৃষ্টি সংযত রাখে। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখে। সবসময় পবিত্র থাকে।
ইসলামিক লাইফস্টাইলে যৌ*ন উ*ত্তে*জি*ত হবার মতো কোনো ঘটনাই ঘটবে না। ইসলামিক লাইফস্টাইলে একজনের মাঝে মাঝে স্ব*প্ন*দো*ষ হবে। বিয়ে করে স্ত্রী স*হ*বা*স শুরু করলে তখন এক ধরনের হালাল আকাংক্ষা থাকবে।
আপনি হ*স্ত*মৈ*থু*ন করে করে বিশেষ অঙ্গের বারোটা বাজিয়ে ফেললে ইসলামের কাছে নিজের ইচ্ছে কে পরিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করেন। ইসলাম মানার পাশাপাশি টানা এক দুই মাস কষ্ট করে হ*স্ত*মৈ*থু*ন না করে থাকলে আপনার বিশেষ অঙ্গ স্বাভাবিকতা ফিরে পাবে।
আর বিশেষ অঙ্গ স্বাভাবিকতা ফিরে পাবার পর থেকে আপনি নামাজের শান্তি পাবেন। জিকির আমলের শান্তি পাবেন।
নামাজ জিকির আমলের ভিতর থাকার মাধ্যমে শ*য়*তা*নে*র ধো*কা*য় অ*শা*ন্তি*র চিন্তা, অ*শ্লী*ল চিন্তা, ভ*য়ে*র চিন্তা, বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ চিন্তায় প্রভাবিত না হয়ে প্রতি মুহূর্ত নিজেকে ইসলামের শান্তি আর পবিত্রতার ভিতর রাখতে পারবেন।
মানুষ কত জ*ঘ*ন্য জ*ঘ*ন্য ভাবে যৌ*ন উ*ত্তে*জ*না দূর করে মৃ*তে*র সাথে, জী*ব*জ*ন্তু*র সাথে, রো*ব*টে*র সাথে, পু*তু*লে*র সাথে, একি লি*ঙ্গে"র সাথে।
এর কারন হল ইসলাম থেকে দূরে থেকে পুরোপুরি শ*য়*তা*নে*র নিয়ন্ত্রনে থেকে শ*য়*তা*নে*র ও*সো*য়া*সা*কে নিজের ভাবনা মনে করে এই ধরনের জ*ঘ*ন্য কাজগুলো মানুষ করে।
আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।

#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅



Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Narsingdi