Knowledge is power

Directions

Knowledge is power knowledge is the best Policy..

Must be remember....
25/01/2021

Must be remember....

05/01/2021

এই ১২টি ফজিলতপূর্ণ আমল যা আপনার সারাবছরের_ই দৈনন্দিন রুটিনে থাকা উচিত :

★আমলঃ- ১
প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে "আয়াতুল কুরসি' পাঠ করা।

ফজিলতঃ-
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সলাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করে, মৃত্যু ছাড়া আর কোন কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।”

👉[নাসাঈ, ইবনু হিব্বান, হাদীসটি সহীহ, শায়খ আলবানী]


★আমলঃ- ২
প্রতিদিন মাত্র বারো রাকাত সুন্নাত নামাজ; প্রতিদান হল "জান্নাতের মহল"।

আম্মাজান আয়েশা (রাযিঃ) হইতে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ১২ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ নামাজ নিয়মিত আদায় করবে তার জন্য আল্লাহতায়ালা জান্নাতে মহল নির্মান করবেন।
সুন্নাত নামাজগুলো হলো:
৪ রাকাত যোহরের পূর্বে, ২ রাকাত যোহরের পর, ২ রাকাত মাগরিবের পর, ২ রাকাত ইশার পর, ২ রাকাত ফজরের পূর্বে।
👉[সুনানে নাসায়ী, তিরমিযী]


★আমলঃ- ৩
প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষেঃ-

৩৩ বার সুবহানাল্লাহ,
৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্,
৩৩ বার আল্লাহু আকবার

এবং ১বার এই দোয়াটি পড়া "লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর" পাঠ করে সর্ব মোট ১০০বার পূর্ণ করবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ হইয়া যাবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমতুল্য হয়।
👉(মুসলিম, মিশকাত তাহকীক ৯৬৭/৩০৫)


★আমলঃ- ৪
প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদাত পাঠ করা।

"উচ্চারনঃ-আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসুলূহু'

ফজিলতঃ-
"যে ব্যাক্তি ওযু করার পড় কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করবে ঐ ব্যাক্তির জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং যে কোন দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে:
👉[সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২৩৪]


★আমলঃ- ৫
প্রত্যেক সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করা। ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দুয়া।
~~~~~
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻰْ ﻵ ﺇِﻟﻪَ ﺇﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻰْ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮْﺫُﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃﺑُﻮْﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻰَّ ﻭَﺃَﺑُﻮْﺀُ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻰْ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْﻟِﻰْ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮْﺏَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ -
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা সানা‘তু। আবুউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বি যাম্বী ফাগফিরলী ফা ইন্নাহূ লা~ ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
👉[সহীহ বুখারী ৬৩০৬]


★আমলঃ- ৬
সুরা ইখলাস পাঠ করা – ১০ বার, না পারলে প্রতিদিন অন্তত ৩ বার।

ফজিলতঃ- আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা আল-ইখলাস পড়তে শুনেছেন। অতঃপর সকালে মহানবী (সা.)-কে এ বিষয়টি অবহিত করা হলো। মহানবী (সা.) তখন বলেন, ওই সত্তার শপথ, যার কুদরতের হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ সুরা কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
👉(সহিহ বুখারি : ৫০১৩, আবু দাউদ : ১৪৬১, নাসায়ি : ২/১৭১, মুআত্তা মালেক : ১/২০৮


★আমলঃ- ৭
প্রত্যেক নামাজের পর এবং দোআর আগে ১ বার করে দৈনিক মিনিমাম ১০ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা।(দরুদে ইব্রাহিম যেটা নামাজে পড়া হয়, ঐটা পড়ার চেষ্টা করা।
(৫ ওয়াক্ত✘অন্তত ২বার করে=মোট ১০বার)

ফজিলতঃ- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন।”
👉[সহিহ মুসলিম: ৪০৮]

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি স্তর উন্নীত করবেন।’’
👉[নাসায়ি: ১২৯৭, মুসতাদরাক হাকিম: ১/৫৫০, সহিহ ইবনু হিব্বান: ৯০৪, হাদিসটি সহিহ]

অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, একবার দরুদ পাঠ করলে আল্লাহ্ ৭০ বার তার প্রতি রহমত পাঠাবেন এবং ফেরেশতাগণ ৭০ বার রহমতের দু‘আ করবেন।
👉[মুসনাদ আহমাদ: ২/১৭২, আত তারগিব: ৬৮০, হাদিসটি হাসান]


★আমলঃ- ৮
"যে ব্যক্তি নিচের দু'আটি সকাল ও বিকাল তিনবার করে বলবে, আল্লাহর কাছে তার অধিকার হয়ে যায় তাকে কিয়ামতের দিন সন্তুষ্ট করা।"

কিয়ামতের দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের দু'আটি হলো-

رَضِيْتُ بِاللّٰهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيْنًا وَّبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا

উচ্চারণ: রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যান

অর্থ: আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবীরূপে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।

দু'আটি সকালে ও সন্ধ্যায় তিন বার পড়তে হবে।

👉রেফারেন্স:
---------------
আহমাদ ৪/৩৩৭; নং ১৮৯৬৭; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৪; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৮; আবু দাউদ, ৪/৩১৮, নং ১৫৩১; তিরমিযী ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৯।


★আমলঃ- ৯
১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
যে ব্যাক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার করে ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী’ পড়বে।তার গোনাহ মাফ হইয়া যাইবে,যদিও তা সাগরের ফেনা থেকেও বেশী হয়’।
👉(বুখারী ও মুসলিম)


★আমলঃ- ১০
প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
👉[সহিহ তারগিব,হাকিম ৩৮৩৯]


★আমলঃ- ১১
সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়া – রাতে ঘুমানোর আগে ১ বার।

সূরা বাকারা'র শেষ ২ টি আয়াতের ফজিলত:

যে ব্যক্তি রাতে 'সূরা বাকারা'র শেষ ২ টি আয়াত পাঠ করবে , তার জন্য সে দুটি যথেষ্ট হবে ।
সে রাতে অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবেলায় যথেষ্ট হবে বা তাহাজ্জুদ সলাতের সোওয়াব লাভ করবে ।
👉[রিয়াদুস স্বলেহীন হা/১০২৪ , বুখারী হা/৪০০৮ ]

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আসমান-যামীন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব হতে তিনি দু‘টি আয়াত নাযিল করছেন। সেই দু‘টি আয়াতের মাধ্যমেই সূরা আল-বাক্বারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দু‘টি আয়াত তিলাওয়াত করা হয় শাইতান সেই ঘরের নিকট আসতে পারে না।
👉[জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৮৮২]


★আমলঃ- ১২
রাতের_বেলা_একশত_আয়াত_তেলাওয়াত

ফজিলত :
তামীম দারী রা.থেকে বর্ণিত , নবী(সা:)বলেছেন,
যে ব্যক্তি একরাতে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করবে,সেই ব্যক্তিরর আমলনামায় ঐ রাতের ইবাদত বন্দেগী ও নফল সলাত এর সোয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে।

👉সূত্র আহমদ:১৬৯৫৮,নাসাঈ কুরবা:১০৫৫৩, ত্বাবারানী:১২৩৮,সিলসিলাহ সহীহ :৬৪৪

Option 1 :
সুরা ইখলাস (ক্বুলহু আল্লাহ) ২৫ বার পরলে ১০০ আয়াত পড়া হয়,,
এই ফজিলত পূর্ণ আমল টি করবেনতো??

OPTION 2 :
১.সূরা মুলক--------------------৩০ আয়াত।
২.সূরা কাহাফ-------------------প্রথম১০আয়াত।
৩.সূরা ফাতিহা-------------------৭আয়াত।
৪.সূরা কাফিরুন-----------------৬আয়াত।
৫.সূরা ইখলাস(৩বার)--------------১২আয়াত।
৬.সূরা ফালাক(৩বার) --------------১৫ আয়াত।
৭.সূরা নাস(৩বার)--------------------১৮আয়াত।
৮.বাকারার শেষ (২আয়াত)--------২ আয়াত।
--------------------------------------------------------------------------
সর্বমোট =১০০আয়াত

★নবীজি (সা.) বলেছেন, রাতে (কুল ইয়া আইয়্যু হাল কা-ফিরুন) (অর্থাৎ সূরা কা-ফিরুন) পাঠ করা শির্ক থেকে মুক্তি পেতে উপকারী।
👉(সহীহ তারগীব-৬০২)

✪বি:দ্র: যেকোনো সূরার যেকোনো আয়াত হলেই হবে।উপরের আয়াত গুলো দেওয়ার কারণ হলো ঐগুলোর আলাদা কিছু ফজিলতও আছে তাই একসাথে দুই ফজিলত ই পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ।

(কপি/পেস্ট,শেয়ার যা ইচ্ছা সদকায়ে জারিয়া হিসেবে করতে পারেন, কোন প্রকার ক্রেডিট লাগবে না)

সবশেষে #১২টি_আমলই রিপিট করা যাক এবং আপনারা রিমাইন্ডার হিসেবে নিচের অংশটুকু স্ক্রিনশট ও তুলতে পারেন :

১।আয়াতুল কুরসি
২।বারো রাকাত সুন্নাত নামাজ
৩।অযুর পর কালেমায়ে শাহাদাত
৪।৩৩ বার সুবহানাল্লাহ;৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ;৩৩ বার আল্লাহু আকবার; এবং ১ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর ।

৫।সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়িদুল ইস্তিগফার
৬।সুরা ইখলাস
৭।দশ বার মিনিমাম দরুদ শরীফ
৮।রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যান

৯।১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
১০।রাতে সূরা মুলক
১১।রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত।

04/01/2021

মহিলাদের জানা অজানা কয়টি হাদিস।।।।

🔘হাদিস নং ০১ঃ
"দেবর মৃত্যু সমতুল্য।মৃত্যু থেকে মানুষ যেভাবে পলায়ন বা সতর্কতা অবলম্বন করে এক্ষেত্রে তাই করতে হবে।"

🔘হাদিস নং ০২ঃ
"কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত হলে নিঃসন্দেহে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।"

🔘হাদিস নং ০৩ঃ
"তোমরা সেই মহিলাদের নিকট গমন করো নাহ যাদের স্বামীরা বিদেশে আছে কারণ,শয়তান তোমাদের রক্ত শিরায় প্রবাহিত হয়।"

🔘হাদিস নং ০৪ঃ-
"কোন অবৈধ নারীকে স্পর্শ করার চেয়ে মাথায় লোহার পেরেক পুঁতে যাওয়া ভালো।"

🔘হাদিস নং ০৫ঃ-
"রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী যাদেরকে আমি দেখিনি। তারা ভবিষ্যতে আসবে। প্রথম শ্রেণী হবে একদল অত্যাচারী, যাদের সঙ্গে থাকবে গরুর লেজের মত চাবুক যার দ্বারা তারা লোকদেরকে প্রহার করবে। আর দ্বিতীয় শ্রেণী হল সে নারীর দল, যারা কাপড় পরিধান করবে কিন্তু তবুও তারা উলঙ্গ অবস্থায় থাকবে, নিজেরা অন্যদের প্রতি আকৃষ্ট এবং অন্যদেরকেও তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে, যাদের মস্তক (খোঁপা বাধার কারণে) উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ বহু দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।”

🔘হাদিস নং ০৬ঃ-
"রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের বাহিরে দেখতে পান যে, নারীরা রাস্তায় পুরুষের সাথে মিশে গেছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের বলেন, তোমরা অপেক্ষা কর, কারণ, তোমাদের জন্য রাস্তার মাঝে হাটা উচিত নয়, তোমাদের জন্য হল রাস্তার পাশ। এ কথা শোনে নারী দেয়াল ঘেঁসে হাটা শুরু করে তখন দেখা গেল তাদের অনেকের কাপড় দেয়ালের সাথে মিশে যেত।"

🔘হাদিস নং ০৭ঃ-
"কোন মহিলা যেন মাহরাম পুরুষ ছাড়া একাকিনী সফর না করে, তার নিকট যেন মাহরাম ছাড়া কোনো বেগানা পুরুষ প্রবেশ না করে, এ কথা শোনে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি অমুক অমুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য সৈন্য দলে নাম লিখিয়েছি অথচ আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন এখন আমি কি করব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উত্তর দিলেন তুমি তার সাথে বের হও।"

🔘হাদিস নং ০৮ঃ-
"নারী গোপন জিনিস,সুতরাং যখন সে(বাড়ি হতে) বের হয়,তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে রমণীয় করে দেখায়।"

🔘হাদিস নং ০৯ঃ-
"রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেছেন যে, “আমরা যেন মহিলাদের নিকট তাদের স্বামীদের বিনা অনুমতিতে গমন না করি।”

🔘হাদিস নং ১০ঃ-
"প্রত্যেক চক্ষুই ব্যভিচারী। আর নারী যদি সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে পার হয়ে যায় তাহলে সে এক বেশ্যা। এমন কি এই অবস্থায় নামাযের জন্য যেতেও নিষিদ্ধ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,“যে মহিলা সেন্ট ব্যবহার করে মসজিদে যায়, সেই মহিলার গোসল না করা পর্যন্ত কোনো নামায কবুল হবে না।”

🔘হাদিস নং ১১ঃ-
"আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের কিছু অংশ লিপিবদ্ধ হয়েছে সে অবশ্যই তার মধ্যে লিপ্ত হবে। দুই চোখের ব্যভিচার হল দৃষ্টি, দুই কানের ব্যভিচার হল শ্রবণ, মুখের ব্যাভিচার হল কথা বলা, হাতের ব্যভিচার হল স্পর্শ করা এবং পায়ের ব্যভিচার হল খারাপ উদ্দেশ্যে অগ্রসর হওয়া। আর অন্তর আশা ও আকাঙ্ক্ষা করতে থাকে। লজ্জা স্থান তাকে বাস্তবায়ন করে অথবা মিথ্যায় পরিণত করে।"

🔘হাদিস নং ১২ঃ-
"যে নারী স্বগৃহ,স্বামীগৃহ বা মায়ের বাড়ি ছাড়া অন্য স্থানে নিজের পর্দা রাখে (কাপড় খোলে) সে তার ও তার রবের মধ্যকার পর্দা ও লজ্জাশীলতাকে বিদীর্ণ করে দেয়।"

🔘হাদিস নং ১৩ঃ
"কোন নারীর উপর তোমার দৃষ্টি পড়লে তার প্রতি বারবার দৃষ্টিপাত করো নাহ বরং নজর অতিসত্তর ফিরিয়ে নিও কারণ, তোমার জন্য প্রথমবার ক্ষমা, দ্বিতীয়বার নয়।"

🔘হাদিস নং ১৪ঃ-
"নারীদের বেশ ধারী পুরুষের উপর অভিশাপ এবং পুরুষদের বেশ ধারিণী নারীদের উপর আল্লাহর অভিশাপ।

🔘হাদিস নং ১৫ঃ-
"যে নারী তার মাথায় এমন চুল বাড়তি লাগায় যা তার মাথার নয়,সে তার মাথায় জালিয়াতি সংযোগ করে।"

ফুটনোট
১)বুখারী,৫২৩২,মুসলিম২১৭২,তিরমিযী,১১৭১
২) তিরমিযী,১১৭১
৩)তিরমিযী,১১৭২
৪)আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ,২২৬
৫)মুসলিম শরীফ,২১২৮
৬)আবু-দাউদ,৫২৭২
৭)বুখারী শরীফ,১৮৬২
৮)তিরমিযী শরীফ,১১৩৭
৯)তিরমিযী,২৭৭৯
১০)সহীহ আল-জামে আস-সগীর আযযিয়াদাতুহ,২৭০
১১)মুসলিম শরীফ,২৬৫৭
১২)তিরমিযী শরীফ,২৮০৩
১৩)আহমাদ শরীফ,১৩৬৯
১৪)সহীহ মুসলিম শরীফ,২৬৭৪,৬৮০৪
১৫)সহীহ আল-জামিউস সাগীর,২৭০৫

04/01/2021

শরীরে রোদ লাগাবেন কেন?

আমরা দিনের পর দিন রোদ থেকে বাঁচার উপায় খুঁজে চলেছি সানস্ক্রিন লোশনে, ছাতায়, এয়ার কন্ডিশনার সমৃদ্ধ ঘরে! অথচ প্রতিদিন আধঘণ্টা রোদে বেরলে মেলে হাজার উপকার।

বাংলায় অসূর্যস্পশ্যা নামে একটা কথা চালু আছে। শব্দটির বাংলা অর্থ— সূর্যের মুখ দেখেনি এমন অন্তঃপুরবাসিনী! এই বিশেষণটি নারীবিশেষে ব্যবহার হলেও এখন পুরুষ-স্ত্রী সকলেই সূর্যের স্পর্শ থেকে দূরেই থাকেন।
রোজই সূর্য ওঠে। অথচ তার মুখ আমরা ক’জনই বা দেখি! মুখ দেখা দূরে থাক, গায়ে রোদ লাগাতেই প্রবল অনীহা আমাদের!

অথচ কী আশ্চর্য ব্যাপার দেখুন, বাজারে একটা তেলের সঙ্গে পাউডার ফ্রি থাকলে আমরা দেড়গুণ দাম দিয়ে তেলের বোতল কিনে ফেলি! অথচ প্রকৃতির রোদ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী অজস্র উপাদান বিলিয়ে দিলেও আমরা নিতে চাইছি না! বরং উল্টে গায়ে যাতে রোদ না লাগে, সেইজন্য গায়ে লেপটে মেখে নিচ্ছি সানস্ক্রিন লোশন! অবশ্য রোদের ভয়টা একেবারে অমূলক নয়। কারো কারো ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ত্বকে রোদ পড়লে কিছু সমস্যা হয়। উদাহরণ হিসেবে—

ফটো পিগমেনটেশন বা ত্বকে গাঢ় কালো দাগ, ঘামাচি, ফোস্কা পড়ে যাওয়া, ট্যান, ফটো অ্যালার্জির কথা বলা যায়। তবে এই ধরনের রোগীর সংখ্যা অনেক নয়। বরং কিছু নিয়ম মেনে গায়ে রোদ লাগালে লাভবান হবেন সিংহভাগ মানুষ। অথচ আমরা বুঝতেই চাইছি না যে রোদের প্রতি ভবিষ্যতে এই উন্নাসিকতার ফলাফল বড় ভয়াবহ হতে চলেছে! কারণ রোদ গায়ে লাগালে পাওয়া যায় অসংখ্য সুফল।
আর রোদ ত্যাগ করলে কুফল।

আপাতত সুফলের দিকে তাকাই —
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: কিছু সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গায়ে রোদ লাগলে ‘টি সেল’গুলি প্রবলভাবে সক্রিয় হয়ে পড়ে। মনে রাখতে হবে, এই ‘টি সেল’ আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সংক্রমণের জায়গায় পৌঁছে সেখানকার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে বা সরাসরি জীবাণুর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয় টি সেল। তাই টি সেলের সক্রিয়তা বজায় থাকা দরকার।

ভিটামিন ডি: একমাত্র ভিটামিন ডি ত্বকে তৈরি হয় হয় রোদ পাওয়ার পরেই! ভিটামিন ডি-এর অভাবে অকালে হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এছাড়া সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় জানা যাচ্ছে, শরীরে ভিটামিন –ডি এর অভাবে মিসক্যারেজ হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।

অথচ সামান্য গায়ে রোদ লাগালে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব! বিদেশের বেশ কিছু গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, গ্রীষ্মে গায়ে ভালোভবে রোদ লাগালে রক্তে ভিটামিন ডি ৩-এর মাত্রা ভালো থাকে। শীতকালে এই ভিটামিন ডি ৩ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়!

ক্যান্সার প্রতিরোধে : বেশ কিছু সমীক্ষায় দাবি করা হচ্ছে ব্রেস্ট, কোলোন এবং প্রস্টেট ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে সূর্যের আলো।

ঘুমের হর্মোন : আমাদের শরীরের মেলাটোনিন নামে একটি হর্মোন ক্ষরিত হয়, যার কারণে আমাদের ঘুম আসে।

দিনের বেলায় প্রকৃতির উজ্জ্বল আলোয় কাজ করলে রাতে মেলাটোনিন ক্ষরণ ভালো হয়। খুব ভালো হয় ভোরের আলোয় জেগে উঠে দিন শুরু করলে। মেলাটোনিন আমাদের শারীরবৃত্তীয় ঘড়িটিকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

মন ভালো রাখতে: সঠিকভাবে সূর্যের আলো গায়ে পড়লে আমাদের শরীরে এন্ডোর্ফিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হর্মোনের কারণে আমাদের মেজাজ ভালো থাকে। জানার বিষয় হল, এন্ডোর্ফিন হর্মোন ব্যথা-যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। ডিপ্রেশন বা অবসাদ কাটাতেও রোদ খুব উপকারী।

রক্তচাপ কমাতে: রোদে থাকে অতিবেগুনি রশ্মি। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এই রশ্মির সংস্পর্শে আসলে ত্বক থেকে নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসৃত হয়। এই রাসায়নিকটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
পুরুষ হর্মোন: বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরন হর্মোনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকে যখন ভিটামিন ডি-এর মাত্রা অনুকূলে থাকে। আর ভিটামিন ডি’র প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক!

শ্বেতি সারাতে রোদ: আমাদের ত্বকে আছে মেলানোসাইট নামে কোষ। এই কোষ মেলানিন তৈরি করে। মেলানিন হল একধরনের রঞ্জক পদার্থ। এই রঞ্জক পদার্থের কারণে আমাদের দেহের রং কালো হবে না ফর্সা হবে তা নির্ভর করে। মেলানিন আসলে আমাদের ত্বক রক্ষা করে। আমরা যখন রোদে বের হই, তখন অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের ত্বকে পড়ে। এই রশ্মির কিছু কিছু খারাপ প্রভাবও আছে। সেই খারাপ প্রভাব থেকে আমাদের ত্বককে বাঁচাতে মেলানোসাইট কোষগুলি উদ্দীপিত হয়ে যায় ও বেশি করে মেলানিন তৈরি করে। এই কারণে রোদে বেরনোর পর কারও কারও ত্বক লাল লাল বা কালচে হয়ে যায়। শ্বেতি রোগে মেলানিন উৎপাদনে সমস্যা হয়। তাই ত্বকে এই ধরনের সমস্যা হলে চিকিৎসক রোগীকে রোদে থাকতে বলেন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।

ছোটদের জন্য রোদ্দুর
উচ্চতা বৃদ্ধিতে: কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চাদের গ্রোথ হর্মোনের ঘাটতি থাকে। এদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সমস্যা হয়। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, তাঁদের চিকিৎসার সময় দৈহিক বৃদ্ধির হার গ্রীষ্মকালে বেড়েছে! তাছাড়া ভিটামিন ডি ত্বকে তৈরি হয় আলট্রা ভায়োলেট রে পড়ার পরই। ভিটামিন ডি হাড়ের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে।

ছোটদের জন্ডিস : বাচ্চারা জন্মের পরই অনেক সময় জন্ডিসে আক্রান্ত হয়। এই জন্ডিস সারাতেও রোদ ভালো কাজে দেয়। তবে সরাসরি শিশুকে রোদে রাখলে চলবে না। বরং কাচের পাল্লা দেওয়া জানলার তলায় শিশুকে রাখুন মিনিট দশেক। বাচ্চা ভালো থাকবে।

কখন রোদে বেরবেন সকাল ১১টার পর অতিবেগুনি রশ্মির তলায় না যাওয়ায় ভালো। তাই সকাল ৮টার পর আধঘণ্টা রোদে কাটান। ওই সময়ে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব কম থাকে। ছোটরা মিনিট ১৫ রোদে কাটালেই চলবে। তবে একটু বড় বয়সের বাচ্চাকে রোদে খেলতে দিন। সমস্যা নেই।
------------------------------------

1.সকালের রোদের যত গুণ!

সকালের মিষ্টি রোদ একটি ব্যক্তির সামগ্রিক শরীরের পক্ষে বেশ উপযোগী। সকালের রোদ ভিটামিন ডি-তে পরিপূর্ণ থাকে। খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ করা যায় কিন্তু সকালের রোদের যে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় সেটি শরীরের বেশ সহায়ক। সম্ভবত ভিটামিন ডি অর্জনের একটি সহজ উপায় সকালের রোদ। শীত হোক বা গ্রীষ্ম সকালের রোদ সব ঋতুতেই উপকারী। শরীরের জন্য সকালের রোদ পোহানোর আরো কিছু সুবিধা রয়েছে:

(১) শরীরে অনাক্রমতা যোগায়:

সকালের সূর্যের আলো শরীরে অনাক্রমতা বা ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধি করে। সকালের রোদে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাক। ইমিউন সিস্টেম উন্নত করতে সহায়তা করে। শরীরের কোষ এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, শরীরের প্রতিরক্ষা বাড়ায়, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে, দেহকে সুরক্ষিত রাখে। এছাড়াও সকালের সূর্যালোক সহজাত ও অভিযোজিত অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

(২) হাড় গঠনে:

শরীরের হাড় গঠনের অন্যতম উপাদান হলো ভিটামিন ডি। সকালের সূর্যালোকে ভিটামিন ডি এর উপস্থিতিতে হাড়ে ক্যালসিয়াম যোগায়। যা বাচ্চাদের হাড় গঠনে সহায়তা করে। অনেক সময় ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি এর অভাবে বাচ্চাদের হাড় গঠন সঠিকভাবে হয় না বা এর ফলে ভবিষ্যতে নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে আর্থারিস, অস্টিওপোরোসিস, ফ্র্যাকচার এর মত রোগগুলোর ঝুঁকি কমায়। সকালে অন্তত ১০-১৫ মিনিটের রোদ পোহানো উচিত।

(৩) দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে:

একটা বয়সে এসে চোখের দৃষ্টি শক্তি একেবারে কমে আসে। ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এর ফলে এ ঘটনাটি ঘটে। ভিটামিন ডি-৩ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধ একটি মূল ফ্যাক্টর। সূর্য রশিতে থেকে এই ভিটামিন পাওয়া যায়। তাই বয়স্কদের প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট রোদ পোহানো উচিত। এতে দৃষ্টিশক্তি দীর্ঘদিন পর্যন্ত প্রখর থাকে। বিশেষ করে সূর্যোদয়ের সময়টা বেশি কার্যকরী।

(৪) শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় বৃদ্ধিতে:

সকালে সূর্যালোক শরীরের বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর জন্য দারুণ কার্যকরী। দেহকে সুস্থ রাখতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে বিপাক ক্রিয়া। বিপাক ক্রিয়ার হার ত্বরান্বিত করে সকালের সূর্যালোক। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি স্থূলতা দমনেও সহায়তা করে। ভিটামিন ডি অভাব গ্রস্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক ব্যক্তির চেয়ে চর্বি বেশি হবে। তাই স্থূল ব্যক্তি দৈনিক কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিট সকালের সূর্যালোকে হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। তাহলে ত্বকে জমে থাকা নাইট্রিক অক্সাইড এর দহনের ফলে চর্বি কমতে শুরু করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে সকালের মিষ্টি রোদ।

(৫) পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম:

সকালের রোদে হাঁটার অভ্যাস করলে কখনো ঘুমের ঘাটতি হয় না। অনেকের ঘুম না হওয়ার অভ্যাস থাকে এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও ভালো নয়। সকালের সূর্যালোকে হাটা একটি ব্যক্তির স্বাভাবিক ঘুম চক্র বজায় থাকে। পাশাপাশি শরীরবৃত্তীয় আচরণগত প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করে সকালের রোদ।

(৬) হাইপার টেনশন থেকে মুক্তি:

যখন একটি ব্যক্তি সকালে সূর্যালোকের মুখোমুখি হয় তখন শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড মুক্ত হতে শুরু করে, যা রক্তচাপ কমায় ও কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।



2.সকালের রোদের যত গুণ!

সংক্ষেপে বলা যায় সকালে সূর্যালোকটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সূর্যোদয়ের সময় কয়েক মিনিট রোদ আপনাকে ভিটামিন ডি উপভোগ করতে সাহায্য করে। সূর্যালোকে থাকা ভিটামিন ডি আপনাকে যে স্বাস্থ্য গুনগুলো দেয় তা অতুলনীয়। তবে সূর্যালোকের উত্থান ও তাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সূর্যের তাপ এর সুবিধা হ্রাস পায়।
----------------------
কতক্ষণ রোদ পোহাতে হবে, তা নির্ভর করবে আপনি পৃথিবীর কোন জায়গায় অবস্থান করছেন। এ নিয়ে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তেমন কোনো গবেষণা নেই। তবে অন্যান্য দেশের গবেষণার সঙ্গে তুলনা করে প্রতিদিন নিয়মিত প্রায় ৩০ মিনিট রোদ পোহানো প্রয়োজন হতে পারে বলে ধরে নেওয়া যায়। এ সময় শরীরের কমপক্ষে ১৮ শতাংশে রোদ লাগতে দিতে হবে। দুপুরের কাছাকাছি সময়, মানে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত রোদে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। আর বছরের গরম কালের সময়টুকু, অর্থাৎ এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাস রোদ থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময়।

দুপুরের কাছাকাছি সময়ে সূর্য যখন সবচেয়ে ওপরের দিকে থাকে, তখন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ভিটামিন ডি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। অন্যদিকে সূর্য পূর্ব-পশ্চিম আকাশে হেলে থাকলে তাতে যে অতিবেগুনি রশ্মি থাকে, তা পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে না। শীতকালের কম আর্দ্র ও কুয়াশাচ্ছন্ন দিনগুলোতে অথবা শীতপ্রধান দেশে অধিকাংশ সময় সূর্যালোকে যে অতিবেগুনি রশ্মি থাকে, তা ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

ত্বকের রং সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি তৈরিকে প্রভাবিত করে। ত্বকের রং যত গাঢ় (যদি ত্বকে বেশি মেলানিন থাকে), তা সূর্যালোক থেকে অতিবেগুনি রশ্মি প্রবেশে তত বেশি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। অর্থাৎ গায়ের রং যত কালো, তাকে তত বেশি সময় রোদে থাকতে হবে।

ডা. শাহজাদা সেলিম, সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
-------------

কোন সময়ের রোদে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়?

উত্তর : সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদ সবচেয়ে ভালো। এই সময় সূর্যের যে আলো আসে, সেটি ভালো। কেবল শীতকাল নয়, সব ঋতুতেই যদি আমরা কিছুক্ষণ রোদে বসি, পাঁচ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত সপ্তাহে দুবার, তাহলে উপকৃত হওয়া যায়।

আর ভিটামিন ডি হলো ফ্যাট সলিউবল। সে জন্য চর্বিযুক্ত মাছে ভিটামিন ডি থাকে। স্যামন, ম্যাকারল, মাংসের লিভার, মাছের তেল, পনির, সয়া, কমলার জুস ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

ডা. কমল কলি হোসেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ইনল্যান্ড

27/12/2020

আমরা মুসলমান; ;;;
নামধারী স্লোগানে ।
আমরা বিদ্রোহী; ;;
অন্যায় অত্যাচার দেখে, শান্তির প্রত্যয়ে ।
আমরা সাহসী; ;
মাজলুমের অত্যাচারে, নিজের পুরুষত্ব দেখিয়ে ।
আমরা নারী,
নিজের সতীত্ব ভুলে, পরপুরুষের মঞ্চে ।
আমরা শান্তিময়ী,
জনতার হক ছিনতাই, নিজের আধিপত্যে ।
আমরা আলো,
কুরআন সুন্নাহর বিপরীতার্থে আহ্বানে ।
এটাই কি আমাদের সান? ?
আমরাই কি মুসলমান !!!
আমরা অভিশপ্ত, ,
অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহ আগুনে ।
আমরাই কিয়ামতের আলামত ।।।।
জাহেলিয়া থেকেও নিকৃষ্ট জাতি ,
এক নামধারী মুসলমান ।।।।।।

WRITER REGARDS ::::: adhar rater mosafir......

25/12/2020
22/12/2020

আমাদের জিহ্বার পাপ কাজগুলো সংযত করলে, আমাদের দুনিয়ায় এবং আখিরাত সহজ হয়ে যাবে।
মহান আল্লাহ আমাদের জিহ্বা হেফাজত করার তাওফিক দান করুন।
সেগুলো হচ্ছে নিম্নোরূপঃ---
১) নাম বঙ্গ করা।
২।চোগলখোর করা
৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা।
৪) কাউকে গালি দেয়া।
৫) কারও নিন্দা করা।
৬) অপবাদ দেয়া।
৭) খারাপ ঠাট্টা করা।
৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া।
৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা।
১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা।
১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা।
১২) কারও গীবত করা।
১৩) খারাপ উপনামে ডাকা।
১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া।
১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা।
১৬) মিথ্যা স্বপ্ন বলা।
১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা।
১৮) জীহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহন করা বা খাওয়া।
১৯) জীহ্বা দিয়ে খরাপ অর্থে কাুউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো।
হাদিসটির উপর আমল করতে উদ্যোগী হই-।।।।।।।
★সাহাল ইবনে সায়াদ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, "যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ ( জিহ্বা ) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী অঙ্গ ( লজ্জাস্থান ) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।" [ বুখারী সরীফ- ৬৪৭৪ ]।

15/12/2020

অসাধারণ দেশাত্মবোধক গান।

জুমু'আাহ র সুন্নাহ গুলো জেনে নেই।
11/12/2020

জুমু'আাহ র সুন্নাহ গুলো জেনে নেই।

Address

Narsingdi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Knowledge is power posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category