27/01/2026
ওর নাম আহমদ। সে কথা বলতে পারে না, ভালোভাবে হাঁটতেও পারে না, কলম ধরতেও পারে না। কিন্তু স্কুলে আসে সবসময়।আমরা ডাকলে সে মুচকি হাসে। কখনো লজ্জা পেলে মায়ের আচলের নিচে আশ্রয় নেয়—এই ছোট্ট আচরণেই প্রকাশ পায় তার নিষ্পাপ ও পবিত্র হৃদয়।
আহমদ স্কুলে আসতে খুব ভালোবাসে। স্কুলের সময় হলে সে মাকে অস্থির করে তোলে—জ্ঞান ও সান্নিধ্যের প্রতি এই আগ্রহ সত্যিই প্রশংসনীয়। আজ যখন অন্য শিক্ষার্থীরা লেখা দেখাচ্ছিল, তাদের দেখে আহমদও নিজের খাতা এগিয়ে দিল। সামর্থ্যের সীমার মধ্যেও শেখার এই আগ্রহ দেখে মন ভরে গেল। খাতা দেখার পর আহমদের মুখে যে আনন্দ ফুটে উঠল, তা ছিল আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।
সবচেয়ে অনুপ্রেরণার জায়গা হলো তার মা। কোনো ক্লান্তি নেই তার চোখে। সন্তান কথা বলতে পারে না, হাঁটতে পারে না, কলম ধরতে পারে না—তবুও সন্তানের মন ভালো রাখার জন্য, সুস্থ বিনোদনের জন্য এবং নৈতিকতা শেখানোর জন্য নিয়মিত স্কুলে নিয়ে আসেন। এমন ধৈর্য ও ত্যাগ নিঃসন্দেহে ইবাদতের শামিল।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“সন্তানের জন্য মায়ের কষ্ট জান্নাতের পথ সহজ করে দেয়।”
এমন সব মায়েদের প্রতি রইল গভীর সম্মান ও দোয়া। আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁদের ধৈর্যের উত্তম প্রতিদান দান করেন, সন্তানদেরকে তাঁদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রহমতের কারণ বানান। আমিন। 🤲