Putia High School Alumni Association

Putia High School Alumni Association পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন এবং বর্তমান শিক্ষার্থী সবাইকে স্বাগতম।

it's page for all the student's of putia high school.....student like this page and connect to their school and friend's...........

* ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক (গণিত) এবং আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষাগুরু  #বাবু_রতন_চন্দ্র_দা...
25/09/2026

* ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক (গণিত) এবং আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষাগুরু #বাবু_রতন_চন্দ্র_দাস‌ ২০২৫ সালের আজকের এই দিনে সকালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
স্যারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী স্যারকে অনেক ভয় পেতেন। স্যারের ভয়ে অনেকে পড়া ভুলে যেতেন। কিন্তু তিনি ছিলেন আমার ছাত্র জীবনের অনুপ্রেরণা। স্যারের কাছ থেকে ইন্সপায়ার্ড হয়েই শিক্ষকতায় ০৭টি বছর কাটিয়েছিলাম। এর মধ্যে দুই বছর আপনার সহচর্য পেয়েছিলাম।
আমার জীবন থেকে একজন মেন্টর কে হারালাম। ওপাড়ে ভালো থাকবেন স্যার।

আমাদের ক্ষমা করে দিবেন স্যার। দূরে অবস্থান করার কারণে স্যারকে শেষ দেখাটাও দেখতে পারলাম না। এই আক্ষেপটা থেকে যাবে। ‌🥲🥲🥲

ছোটবেলায় পড়েছিলাম, কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। স্যার আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন উনার সুন্দর কর্মের জন্য।

ছবি এবং লেখা: Maruf Ibrahim
প্রাক্তন ছাত্র এবং সাবেক সহকারী শিক্ষক
পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার "৭০ বছর" পূর্তিতে " #প্লাটিনাম_জয়ন্তী - ২০২৬"...
17/09/2026

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার "৭০ বছর" পূর্তিতে " #প্লাটিনাম_জয়ন্তী - ২০২৬" প্রোগ্রামকে সাফল্যমন্ডিত করতে প্রাথমিক আলোচনা সভার স্মৃতি।

যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে প্রোগ্রামটি সফল হয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এখন শুধুমাত্র অপেক্ষা আগামী ২০৩০ সালে আমাদের পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার "৭৫" বছর পূর্তি উপলক্ষে আরও একটি "প্লাটিনাম জয়ন্তী - ২০৩০" প্রোগ্রামের।

সেই পর্যন্ত সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

🌹 শুভেচ্ছান্তে 🌹
প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপন কমিটি - ২০২৬
পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সকল।

✍🏻  #সকল অভিভাবক‌গণের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।*************************************** সকল ছাত্র-ছাত্রীদের  সম্মানিত অভিভাবকগণ...
04/09/2026

✍🏻 #সকল অভিভাবক‌গণের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।
***************************************
সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সম্মানিত অভিভাবকগণকে অতি বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, আপনাদের সন্তানদের প্রতি নজর দেন, নিয়মিত খোঁজ খবর রাখেন, সারাদিন কি করল, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন।

সাথে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখার জন্য অনুরোধ করা হ'ল :-

০১. সে কখন স্কুলে যায়,

০২. স্কুল থেকে কখন বাসায় ফিরে,

০৩. স্কুলে আসার সময় মোবাইল ফোন ও ব্লুটুথ ইয়ার ফোন নিয়ে আসে কি না।

০৪. মাথার চুল স্বাভাবিক আছে কি না,

০৫. যদি প্রাইভেট পড়ে, কোথায় প্রাইভেট পড়ে, কখন পড়ে, সেখানে যোগাযোগ রাখবেন,কোন স্যার পড়ান এবং সে স্যারের মোবাইল নম্বর টা রাখবেন।
হঠাৎ মাঝে মাঝে কল করে অবস্থান জানার চেষ্টা করুন।

০৬. মাঝে মধ্যে তাকে না জানিয়ে স্কুলে আসবেন,

০৭. শ্রেণি শিক্ষকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন,

০৮. কার সাথে মিশে জানতে চেষ্টা করবেন,

০৯. প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দিবেন না,

১০. মাঝে মধ্যে স্কুল ব্যাগ ও মানিব্যাগ(যদি থাকে) চেক করবেন, বর্তমান সময়ে কিছু কিশোর গ্যাং নামে কিছু চক্র ওতপেতে আছে ভালো ছাত্রদের নিয়ে টাকা বা নেশা জাতীয় দ্রব্য দিয়ে আকর্ষণ করে পরবর্তী তাদের বিপদগ্রস্ত করে যেনো না ফেলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

১১. স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিরুৎসাহিত করবেন, যদি কোন তথ্যের ----
প্রয়োজন হয় তবে আপনি পাশে থেকে সহায়তা করবেন।

১২. আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন, আসা-যাওয়া নিশ্চিত করবেন,

১৩. যে কোনো সমস্যা সম্পর্কে জানতে শ্রেণি শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে যোগাযোগ করে এটার সত্যতা যাচাই করবেন।

১৪. সূর্য ওঠার আগেই আপনার সন্তানকে জাগিয়ে দিন।

১৫. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তাগিদ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নীতি অনুযায়ী চলার তাগিদ দিতে হবে।

১৬. রাতে বাসায় পড়া নিশ্চিত করতে হবে।

১৭. আপনার সন্তান বিদ্যালয় থেকে দেওয়া ২৪ঘন্টার রুটিন অনুযায়ী চলে কি-না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,রুটিন বিষয়ে প্রয়োজনে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করবেন।

১৮. সম্মানিত অভিভাবক মন্ডলীগণ আপনার প্রিয় সন্তানের দিকে খেয়াল করতে ভুলবেন না।

১৯. আপনার সন্তান বাসায় পড়া লেখায় অমনোযোগী হয়ে থাকলে বা বাবা, মায়ের কথা ভালোভাবে শুনছেনা
বা পরীক্ষার খাতায় নাম্বার কত পেলো তাহা সঠিক জানাচ্ছে না আপনি বুঝতে পারলে দয়া করে বিদ্যালয়ে আসবেন বিষয় গুলো শেয়ার করতে ভুলবেন না।

সর্বোপরি আপনার সন্তানকে সময় দিন, কাছ থেকে ভালমন্দ বুঝানোর চেষ্টা করুন, যাতে সে বুঝতে পারে ও একজন ভালো মানুষ এবং মানব সম্পদ হিসেবে তৈরি হতে পারে।
সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সফলতার সৌভাগ্য দান করুন, আমিন। 🤲🤲🤲
শুভকামনা সকলের জন্য🌺💞

✍🏻 মারুফ ইব্রাহিম
প্রাক্তন ছাত্র এবং প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক।
পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।

দেখতে দেখতে ২০২৬ সালটা চলে যাচ্ছে।এ বছরই অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার "৭০"বছর পূর্তিতে "প্লাটিনাম জয়ন্তী - ২০২৬" অনুষ্ঠা...
30/08/2026

দেখতে দেখতে ২০২৬ সালটা চলে যাচ্ছে।
এ বছরই অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার "৭০"বছর পূর্তিতে "প্লাটিনাম জয়ন্তী - ২০২৬" অনুষ্ঠানের এর আয়োজন করা হয়েছিল গত ২২শে মার্চ, ২০২৬ রোজ রবিবার ঈদুল ফিতরের পরদিন।

স্বল্প সময়ের মধ্যে এত বড় একটা আয়োজন করতে অনেকটা হিমশিম খেতে হয়েছে আয়োজক কমিটি এবং অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সকলকে। এরপরেও আয়োজক কমিটি সহ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আপনাদের সকলকে সুন্দর একটা প্রোগ্রাম আমরা উপহার দিতে পেরেছিলাম। এই প্রোগ্রামকে সফল করতে যারা বিভিন্নভাবে সময় ও শ্রম দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। প্রোগ্রামটি যারা আয়োজন করেছিলেন ওনাদের কোন প্রকার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই কতিপয় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহায়তায় সকাল ০৮ঃ০০টা থেকে রাত ০৯ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রোগ্রাম চলমান রেখেছিলেন।

অত্র বিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীবৃন্দ দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে কবরবাসী হয়েছেন তাদের সকলের আত্মার শান্তি কামনা করছি, সৃষ্টিকর্তা যেন উনাদেরকে জান্নাত বাসী/স্বর্গবাসী করেন। আর যারা জীবিত আছেন তাদের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

কেমন ছিলো আমাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার" ৭০ বছর" পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত " প্লাটিনাম জয়ন্তী - ২০২৬" অনুষ্ঠান!!!
নিজেদের মতো করে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সকলে স্মৃতিচারণ করুন আপনার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাললাগার অনুভূতিগুলো।

পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা এই  #শ্রীচরণ_দেবনাথ কাকার দোকান থেকে ঝ...
25/08/2026

পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা এই #শ্রীচরণ_দেবনাথ কাকার দোকান থেকে ঝালমুড়ি, খিড়া , আমড়া, কটকটি ,চানাচুর, ডাল ভাজা, কালো হজমি, তিতাস ঝাল চকলেট, সন্দেশ, মিষ্টিগজা, নারিকেলের নারু, তেঁতুল মাখা, ইত্যাদি খাইনি।
পুটিয়া স্কুলের জন্মলগ্ন থেকেই কাকা আমাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। সকলের কাছে তিনি #শ্রীচা কাকা নামেই পরিচিত।

কাকার প্রতি অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাই সেই সাথে ওনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

কাকাকে নিয়ে আপনাদের অনুভূতি কমেন্টে দুই লাইন লিখে যান।

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল - ২০২৬পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,শিবপুর, নরসিংদী।ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের মতামত জানাবেন।
25/08/2026

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল - ২০২৬
পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,
শিবপুর, নরসিংদী।

ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের মতামত জানাবেন।

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১০ আগস্ট ২০২৬। আজ সোমবার মাধ্যমিক...
27/07/2026

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১০ আগস্ট ২০২৬। আজ সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ২০ জুলাই এসএসসির ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। ১৮ জুলাই বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, ২০ তারিখে ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে না। তবে জুলাইয়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের জন্য তাঁরা প্রস্তুত আছেন।
এর আগে গত ৮ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।

বাংলাদেশে এখন বড় দুশ্চিন্তা চলছে।অনেক শিক্ষার্থী নাকি এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে না।খবরটা শুনে আমি খুব চিন্তিত হলাম। তারপর আ...
04/07/2026

বাংলাদেশে এখন বড় দুশ্চিন্তা চলছে।
অনেক শিক্ষার্থী নাকি এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে না।

খবরটা শুনে আমি খুব চিন্তিত হলাম। তারপর আরও চিন্তিত হলাম এই ভেবে যে, এখনো এত শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে কেন।

আমাদের দেশে পরীক্ষা এক আশ্চর্য জিনিস।

পরীক্ষা দিলে কী হয়, কেউ জানে না। না দিলে কী হয়, সেটাও কেউ জানে না। তবে পরীক্ষা দিতে হয়। কারণ পরীক্ষা না দিলে সমাজ কষ্ট পায়।

সমাজের কষ্ট বড় কষ্ট।

একজন ছাত্র বারো বছর স্কুলে যায়। তারপর দুই বছর কলেজে যায়। তারপর চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। চার বছর সাধারণত ছয় বছরে শেষ হয়। এরপর সে চাকরি খোঁজে। চাকরি তাকে খোঁজে না।

তারপর সে বুঝতে পারে, শিক্ষা তাকে মানুষ করেছে। শুধু বাজারযোগ্য মানুষ করেনি।

এটা অবশ্য ছোটখাটো সমস্যা।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এখানে সবাই খুব ব্যস্ত। ছাত্র ব্যস্ত, শিক্ষক ব্যস্ত, কোচিং সেন্টার ব্যস্ত, গাইড বই ব্যস্ত, অভিভাবক ব্যস্ত, মন্ত্রণালয় ব্যস্ত। শুধু শিক্ষাটা একটু অবসরপ্রাপ্ত অবস্থায় আছে।

শিক্ষা এখন আর শেখার ব্যাপার না। শিক্ষা এখন প্রস্তুতির ব্যাপার।

ক্লাসের প্রস্তুতি। পরীক্ষার প্রস্তুতি। বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি। ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি। চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি। জীবনের প্রস্তুতি নিতে নিতে জীবনটা শেষ হয়ে যায়।

তারপর একদিন দেখা যায়, যার জন্য এত প্রস্তুতি নেওয়া হলো, সে জিনিসটা আর বাজারে নেই।

একসময় বাবা-মায়েরা ভাবতেন, ছেলে পড়াশোনা করলে চাকরি পাবে। এই বিশ্বাসটা খুব সুন্দর ছিল। বাংলাদেশের অনেক সুন্দর জিনিসের মতো এটাও এখন জাদুঘরে রাখা উচিত।

গ্রামের কৃষক তার ছেলেকে মাঠ থেকে তুলে স্কুলে দিয়েছে। কারণ মাঠে কাজ করা সম্মানের না। ছেলে যদি পড়াশোনা করে, সে একদিন কোট-টাই পরে অফিসে যাবে।

সমস্যা হলো, কোট আছে। টাই আছে। অফিস নেই।
আর অফিস থাকলেও দরজার সামনে লেখা থাকে: অভিজ্ঞতা চাই।
ছেলেটি ভাবে, আমি তো জীবন দিয়েছি। এটা কি অভিজ্ঞতা না?
রাষ্ট্র বলে, না। এটা সিলেবাস।

আমরা এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা বানিয়েছি, যেখানে একজন ছাত্র বারো বছর ইংরেজি পড়ে ইংরেজিতে নিজের নামের বাইরে আর কিছু বলতে ভয় পায়। বারো বছর বাংলা পড়ে একটা পরিষ্কার আবেদনপত্র লিখতে পারে না। বারো বছর গণিত পড়ে দোকানের লাভ-ক্ষতি বুঝতে পারে না।

তবু সে পাস করে।
কারণ পাস করা আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য। শেখা ঐচ্ছিক।

এই দেশে মূল বই পড়া একধরনের বিলাসিতা। সাজেশন আছে, শর্টকাট আছে, ফাইনাল সাজেশন আছে, শতভাগ কমন আছে। কমন না পড়লে ছাত্রের দোষ। কমন পড়লে শিক্ষার জয়।

তারপর আমরা অবাক হয়ে বলি, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে না কেন।

কারণ তারা হয়তো প্রথমবারের মতো অঙ্কটা মিলিয়ে দেখছে।

এইচএসসি পাস করলে কী হবে?

তারপর অনার্স।
অনার্স করলে কী হবে?

তারপর মাস্টার্স।
মাস্টার্স করলে কী হবে?

তারপর বিসিএস কোচিং।
বিসিএস না হলে?

তারপর হতাশা।
হতাশা না হলে?

মধ্যপ্রাচ্য।

মধ্যপ্রাচ্য না হলে?

হ্যালো বাইক।

হ্যালো বাইক না হলে?

পরিবারের কাছে প্রতিদিন ছোট হয়ে যাওয়া।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ব্যবস্থায় ছাত্র যদি পরীক্ষা না দেয়, সে কি ব্যর্থ? নাকি সে খুব অল্প বয়সে বাস্তববাদী হয়ে গেছে?

আমি শিক্ষা ব্যবসার মানুষ। তাই কথাটা আমার আরও সাবধানে বলা উচিত।

কোচিং সমস্যা না। এডটেক সমস্যা না। সমস্যা হলো—যে শিক্ষা নিজে দাঁড়াতে পারে না, তাকে টিউশন, কোচিং, গাইড, সাজেশন, মডেল টেস্ট আর মোটিভেশন দিয়ে কাঁধে করে বহন করতে হয়।

সমস্যা হলো, আমরা শিক্ষাকে দক্ষতায় পরিণত করতে পারিনি।

সমস্যা হলো, আমরা সার্টিফিকেট দিয়েছি, কিন্তু সক্ষমতা দিইনি।

সমস্যা হলো, আমরা ছাত্রকে বলেছি পড়ো, জীবন বদলাবে।

তারপর জীবন না বদলালে বলেছি তুমি যথেষ্ট ভালো করে পড়োনি।

এই কথাটা বড় অন্যায়।

সব ছাত্র ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-ব্যাংকার হবে না। দরকারও নেই। কিন্তু সব ছাত্রের হাতে একটা বাস্তব দক্ষতা থাকা দরকার। কেউ ভাষায় দক্ষ হবে, কেউ প্রযুক্তিতে, কেউ কারিগরি কাজে, কেউ কৃষি-ব্যবসায়, কেউ কনটেন্টে, কেউ সেলসে, কেউ ডিজিটাল অপারেশনে, কেউ ছোট ব্যবসায়।

এইচএসসি যদি শুধু আরেকটা পরীক্ষার নাম হয়, তাহলে প্রশ্ন থাকবে কেন দেবে?

কিন্তু এইচএসসি যদি জীবনের পরবর্তী দরজা খুলে দেয়, তাহলে কেউ পালাবে না।

মানুষ শিক্ষা থেকে পালায় না।
মানুষ পালায় প্রতারণা থেকে।

তাই ৩৬% শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি, এটা শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান না।

এটা একটা নীরব গণভোট।

বিষয়: বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে কি না।

ফলাফল এখনো প্রকাশ হয়নি।

তবে গ্রামের চায়ের দোকানে, শহরের বেকার মেসে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে, বাবার ঋণের খাতায় এবং মায়ের দীর্ঘশ্বাসে ফলাফল বহুদিন আগেই টানানো আছে।

সব কিছু কেমন যেনো হাই পাওয়ারের চশমার মত লাগছে!!! আমাদের ব্যক্তিগত কিছু যুক্তি, যুক্তিগুলো হচ্ছে:-১. বিল্লাল স্যার ১০১৫ স...
29/06/2026

সব কিছু কেমন যেনো হাই পাওয়ারের চশমার মত লাগছে!!!
আমাদের ব্যক্তিগত কিছু যুক্তি, যুক্তিগুলো হচ্ছে:-

১. বিল্লাল স্যার ১০১৫ সাল থেকে এই বিদ্যালয়ে আছে কিন্তু ওনার ব্যক্তিগত ভাবে ( আন্তরিক) কোনো শিক্ষক বন্ধু দেখিনি যিনি ওনার মৃত্যুর পর বলেছেন বা কোথাও পোস্ট করেছেন যে, স্যার তাদের সাথে ওনার ডিপ্রেশনের কথা শেয়ার করতে! ওনার কি এত বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠা কাছের বন্ধু মহল তৈরি হয়নি!!

২. ওনার স্ত্রী মৃত্যুর ০৪/০৫ দিন পর মামলা করলেন এক জনের নামে! অথচ আমরা দেখিছি কয়েকটা কমেন্ট লেখা তিনজনের নাম তাহলে বিল্লাল স্যার স্ত্রী যখন জানেন বাকি নাম গুলো কারা তাদের নামে কেনো মামলা করেন নি? একজনকে কেনো মানহানী সমস্যায় ভোগ করতে হচ্ছে!

৩. বাংলাদেশ প্রতিটা স্বামী স্ত্রী তাদের সমস্যা, বিপদ সব কিছু একে অপরের সাথে শেয়ার করেন। তাহলে বিল্লাল স্যারের বউ যদি ওনার স্বামী কেনো কি কারনে আত্মহত্যা করেছেন তা সবার সামনে কেনো প্রকাশ করছেননা?

৪. একটা মানুষ এক দুই দিনের ডিপ্রেশনে এমন সিন্ধান্ত নেন না। বিল্লাল স্যার যথেষ্ঠ শিক্ষিত লোক ওনাকে যদি ওনার প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মানসিক চাপ দিয়ে থাকে তাহলে ওনি কেনো চুপ ছিল! ওনি মাধ্যমিক অফিসারকে কেনো ওনার সমস্যা শেয়ার করেননি!

৫. আচ্ছা ধরলাম মাধ্যমে অফিসার ওনার কথা আমলে নেননি ওনি ইউএনও স্যারকে কিছু জানিয়েছেন?
ওনি স্কুলের কমিটিকে কিছু জানিয়েছেন?
আমরা ওনার ছাত্রী সমান হয়ে বুঝি কাউকে কিছু না শেয়ার করলেও বাবা,মা, ভাই, বোন,বউ, স্বামী এরা আমাদের কাছের আপন তাদের কাছে ডিপ্রেশনে শেয়ার করলে মন হালকা হয়, কই ওনার তো এমন কোনো কিছুই শুনিনি!!!

৬. একটা চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করা এইটা যেমন ওনার জন্য এতোদিনের অর্জিত সম্মান নষ্ট হয়ে যাওয়া ঠিক তেমন সঠিক সত্যি প্রকাশ না করে সঠিক তদন্ত না করে আরেক জন সম্মানিত ব্যক্তিকে দিনের পর দিন অসম্মান আর অপমানের মুখে দাড় করিয়ে ওনার পরিবারের হয়তো আরো ভুল কাজটি করছেন।

বিল্লাল স্যারের পরিবার যদি জানেন চিরকুটে কি লেখা ছিল তা সবার সামনে বলুন। আপনি একজনকে মামলায় ফাসিয়ে চুপ করে বসে আছেন!
প্রধান শিক্ষকের নামে করা মামলা সত্যি আদৌ কিনা তা তদন্ত করা আইনের কাজ। আইন সঠিক তদন্ত করে আমাদের শিবপুরবাসীকে এই হাই পাওয়ারের চশমার ঘোলাটে থেকে বের করুন।

স্যারের দীর্ঘ সময় চাকরি জীবনে খুবই ন্যায়পরায়ন একজন শিক্ষক এবং আমাদের অত্র অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের আলোকবর্তিকা হিসেবে ছিলেন এমনকি উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে তিনি একাধিকবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হেসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।

এমন একজন গুণী শিক্ষকের সম্মানহানি হোক তা কখনোই কারো কাম্য হতে পারে না। কোন ঘটনার সত্যতা আইনে উদঘাটিত/প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে দোষারোপ করা অন্যায়।

#সংগৃহীত

জনাব নূর উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর ( বাদল ) স্যার দীর্ঘ  প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সফ...
26/06/2026

জনাব নূর উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর ( বাদল ) স্যার দীর্ঘ প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী পুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সফলতার সাথে শিক্ষকতা করেছেন এবং প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে তিনি কর্মরত আছেন। সম্প্রতি শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত সহকারী প্রধান শিক্ষক বিল্লাল স্যার আত্মহত্যা করার ঘটনায় একটা পক্ষ আমাদের প্রিয় স্যার কে দোষারোপ করা সহ বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন। এমনকি আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী উল্লেখ করে ওনার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

স্যারের দীর্ঘ সময় চাকরি জীবনে খুবই ন্যায়পরায়ন একজন শিক্ষক এবং আমাদের অত্র অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের আলোকবর্তিকা হিসেবে ছিলেন এমনকি উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে তিনি একাধিকবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হেসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।

এমন একজন গুণী শিক্ষকের সম্মানহানি হোক তা কখনোই কারো কাম্য হতে পারে না। কোন ঘটনার সত্যতা আইনে উদঘাটিত/প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে দোষারোপ করা অন্যায়।

Address

Putia, Shibpur
Narsingdi
1600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Putia High School Alumni Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category