ঘাস ফুল
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ঘাস ফুল, Tutor/Teacher, Narsingdi.
29/08/2025
জীবন সুন্দর ❗
শক্তিশালী সন্তান গড়ে তোলার উপায়- তিন চক্র!🧘♂️🧘♀️
#কূজন 🐦🌿
19/05/2025
for H.S.C 🍁
13/05/2025
একজোড়া বাবা-মা। তাঁদের যাবতীয় মোহ ধ্যানজ্ঞান সন্তানের সাফল্য নিয়ে। সন্তান ক্লাসে রোল ১ কিনা। কোচিংয়ে ঠিকঠাক টিচারের বাহবা পায় কিনা। গানের স্কুলে ভর্তি করিয়েছি, কেমন গায়? আবৃত্তি শিখতে পাঠিয়েছি, কেমন আওড়ায়? ছবি আঁকাআঁকিতে আট নয় বছরেই ভ্যানগগ-ভিঞ্চি হয়ে উঠছে কিনা? অলিম্পিয়াডে গিয়ে গোল্ড মেডেলটা বগলদাবা করছে কিনা? দাবা তবলা জলরঙ হাইজাম্প - সবখানে সন্তান ১ নংয়ে থাক চাই ই চাই। তাঁদের সব চিন্তাভাবনা এসব ‘সন্তানভিত্তিক সাফল্য’ ঘিরেই।
কিন্তু সন্তানকে ঘিরে চিন্তাভাবনা কতটুকু?
সন্তানকে পাশে বসিয়ে পুরনোদিনের কাহিনী শোনানো, ছেলেবেলার গল্প করা। কিংবা সন্তানের ছোট মনের ছোট ছোট ভাবনাগুলো কান পেতে শোনা, তার ব্যর্থতাকেও হাসিমুখে মেনে নেয়া - একাজ কজনে পারেন? কজন সন্তানকে নিজের মতো সময় দেন? কজন সন্তানের সাথে মন খুলে আড্ডা দেন?
ম্যাক্স ৬/৭ বছর থেকেই সন্তান ও পিতামাতার মাঝে দূরত্ব বাড়তে থাকে। পাতলা হতে থাকে নাড়ির টান। মাঝে এসে জায়গা নেয় গোল্ডেন এ+। কিংবা মোবাইল। কিংবা নানা রঙের গাইডবই বা গেমিং পিসি।
বাবামার সাথে সন্তানের সম্পর্ক টা হয়ে দাঁড়ায় ইনভেস্টর আর ইনভেস্টমেন্টের। বাবামা ইনভেস্ট করবেন। সন্তান সাফল্য দিয়ে সেটা রিটার্ন দিবে।
সন্তানের সাফল্যে বাবামার সুখ কিংবা তৃপ্তিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু সন্তানের সাফল্যই যদি বাবামার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান হয় তবে সেটা এলার্মিং।
সাদা বাংলায় এটাকে বলে ‘মোহ’।
মোহ ভয়াবহ। একবার ধরলে শেষ।
স্কুলে ফার্স্ট? বাহ এইতো আমার ছেলে/মেয়ে সেরা। এবার নাচে ফার্স্ট হও তো।
আচ্ছা নাচেও সেরা। বাহ! আচ্ছা দাবাতে একটু ঘোড়ার চালটা দাও তো!
দাবাতেও ভালো? বাহ! ভাবী শুনছেন, আমার ছেলেটা যেটা দিই সেটাতেই ফার্স্টক্লাস!
এরপর মোহ একাডেমিক পড়া, নাচ, দাবা হয়ে গান, ছবি, অলিম্পিয়াড হয়ে সীরাত কতদিকে যে দৌড়তে থাকে ইয়ত্তা নেই।
কোনো একটাতে পতন হলে আসে বিপদ! মোহভঙ্গ। মোহভঙ্গ থেকে রাগ, ক্রোধ। পাশের বাসার ছেলেটা তো ফার্স্ট হয়েছে। তুই পারস না কেনো? যা ওর পা ধোয়া পানি খেয়ে আয়।
আস্তে আস্তে দূরত্ব ভাবে। একসময় সন্তান সরে আসে৷ বাবামা যতই কাছে আসতে চায় আসতে পারেনা। দেয়াল তোলা হয়ে গেছে। চাওয়া পাওয়ার দেয়াল। সন্তান তখন ভাবে,
ভালো রেজাল্ট = ভালো বাবামা
খারাপ রেজাল্ট = খারাপ বাবামা।
প্রকৃতি শূন্যতা পছন্দ করেনা - হুমায়ুন আহমেদ বলেছিলেন। সন্তানের এই শূন্যতার জায়গা নেয় দারুণ দারুণ কিছু বন্ধু। দারুণ কিছু অভ্যাস (দারুণ মানে বুঝে নিন)। কিংবা বাবামা যেটা চাইতেন - ভালো ক্যারিয়ার।
ভালো ড্যান্সার, ভালো সিংগার, ভালো দাবাড়ু, ভালো বক্তা, ভালো একাডেমিয়ান হওয়ার আগে ভালো মানুষ হওয়াটা জরুরী।
এর উদাহরণ এখানে আনবোনা। যারা লেখাটা পড়ছেন তারা প্রত্যেকেই নিজের জীবনে এমন উদাহরণ পাবেন। ছেলে হয়তো ফাটাফাটি রকম প্রতিষ্ঠিত না, কিন্তু বাবা মা ভাইবোন স্ত্রী বন্ধু কলিগ সবার প্রতি তাঁর যত্ন শ্রদ্ধা স্নেহ সম্মান যথেষ্ট।
আবার ছেলে ফাটাফাটি রকমের প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বাবামার প্রতি দায়িত্ব বলেন বা কর্তব্য বলেন বা শ্রদ্ধা এসব জায়গায় রেজাল্ট জিরো। ঘোড়ার ডিম।
মোহ খুব খারাপ। মোহ চোরাবালির মত৷ পড়তেই থাকবেন পড়তেই থাকবেন।
ষড়রিপুর ব্ল্যাক হর্স। যাকে কেউ গোনায় ধরেনা কিন্তু দিনশেষে সবাইকে খেয়েদেয়ে শেষ করে দেয় তার নাম ‘মোহ’।
বিশ্বজয়ের মোহের তালে পড়ে হিটলার রাশিয়া আক্রমণ করে মরলেন।
আরো চাই আরো চাই - এর মোহে মোহে জাপানি জেনারেল তোজো হঠাৎ দেখলেন ফাঁসির দড়ি তাঁর গলায়।
গ্রীস জয়ের মোহে ভুগতে ভুগতে শেষমেশ দারিয়ুস শয্যা নিলেন। সেই শয্যা ছেড়ে আর ওঠা হলোনা।
অমরত্বের মোহে আবিষ্ট কিন শি হুয়াং চামড়ায় পারদ ঢোকাতে ঢোকাতে একসময় দেখলেন অমরত্ব তো বওত দূরে, মৃত্যুটাই বরং কাছে চলে আসছে।
সুজলা সুফলা দেশ গঠনের মোহে ডুবে থাকা পল পট হঠাৎ দেখলেন তাঁর দুহাতে লক্ষ মানুষের তরল রক্ত।
সন্তানের মোহে ধৃতরাষ্ট্র ডুবলেন, সূচাগ্র মেদিনীর মোহে দূর্যোধন পতিত হলেন, যুদ্ধজয়ের মোহে অশ্বত্থামা মহাপাপ করলেন, বন্ধুত্বের মোহে কর্ণ জান খোয়ালেন আর পরস্ত্রীর মোহে জয়দ্রথের মাথা উড়ে গেল।
একইসাথে জুয়ার মোহে যুধিষ্ঠির, রূপের মোহে দ্রৌপদী, অস্ত্রের মোহে অর্জুন কিংবা বলের মোহে ভীম - পতন তো কাউকেই রেহাই দেয়নি।
একইভাবে সন্তানকে গোল্ডেন এ+ পাওয়ানো আর ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট বানানোর মোহ থেকেও আধুনিক বাবামারা বাঁচতে পারবেননা।
সন্তান আগে মানুষ হোক। তারপর জ্ঞানী হোক।
সন্তানকে পড়ার টেবিলে বসান। কিন্তু সেইসাথে নিজের কোলেও বসান।
সন্তানের জন্য বিশ হাজার দিয়ে টিউটর রাখুন। কিন্তু একইসাথে সন্তানকে নিয়ে বিশ টাকা রিকশাভাড়া করে কোথাও ঘুরে আসুন।
মোহে মোহে ডুবে থাকলে মোহও একদিন কালরাত হয়ে সন্তানকে যন্ত্র বানিয়ে আপনাকে দিয়ে বলাবে -
“আমার ছেলেটা, আমার মেয়েটা এমন হলো কেনো?”
@...🖋️ শত্রুঘ্ন অর্পিত
12/04/2025
★এস.এস.সি - ২০২৬ ইং
★সংক্ষিপ্ত সিলেবাস
07/02/2025
আপনার নিজের জন্য কি ছয়টা মাস সময় হবে?
একবার ভেবে দেখুন। শুধু ছয় মাস। খুব বেশি না।
এই ছয় মাসে নিজের জীবনের অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সরিয়ে রেখে শুধুমাত্র নিজের জন্য সময় দিবেন।
কী করবেন এই সময়ে? নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলবেন।
আমরা প্রায়ই বলি, “সময় পাই না।” কিন্তু সত্যি কি পাই না, নাকি সময়টা এমন কাজে নষ্ট করি, যেগুলো থেকে আমাদের জীবনে কিছুই যোগ হয় না?
ফালতু আড্ডা, অর্থহীন দুশ্চিন্তা, কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করা—এসব বাদ দিলে দেখবেন, আপনার হাতে কত সময় পড়ে থাকে।
চলুন, ছয় মাসের জন্য একটা নতুন পরিকল্পনা করি। এই পরিকল্পনা যদি মেনে চলতে পারেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একেবারে অন্য রকম হয়ে যাবে।
১. ফালতু আড্ডাকে ‘না’ বলুন।
বন্ধু ফোন দিয়ে বলল, “চল, টো টো করে ঘুরি, আড্ডা দিই।” আপনি জানেন, সেই আড্ডা থেকে কোনো কাজের কথা উঠবে না, শুধু সময় নষ্ট। এখন কী করবেন?
বিনয়ের সঙ্গে বলুন, “না রে ভাই, আজ পারব না।” প্রথমে কঠিন লাগবে, কিন্তু একবার চেষ্টা করে দেখুন। প্রতিবার না বলার পর যখন দেখবেন আপনার সময়টা সৃজনশীল কাজে যাচ্ছে, তখন গর্ব অনুভব করবেন।
২. নিজের স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিন।
আপনার কোনো স্বপ্ন আছে, তাই না? হয়তো একটা বই লেখা, নতুন কোনো স্কিল শেখা, বা একটা ব্যবসা শুরু করা। কিন্তু দিনের শেষে সময় আর এনার্জি না থাকায় সেটাকে দমিয়ে রাখেন। এবার সেই স্বপ্নের দিকে সময় দিন।
ছোট ছোট অংশে ভাগ করে প্রতিদিন কাজ করুন। ছয় মাস পরে যখন দেখবেন, আপনার কাজ এগিয়ে গেছে, তখন নিজেকে ধন্যবাদ দিবেন।
৩. যে পরিবেশ আপনাকে গ্রো করতে দেয় না তা থেকে বের হয়ে আসুন।
আপনার আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে, যারা সবসময় শুধু নেগেটিভ কথা বলে, আপনাকে হতাশ করে? কিংবা এমন পরিবেশ যেখানে বসে শুধু সময় নষ্ট হয়?
এই ছয় মাসের জন্য তাদের থেকে দূরে থাকুন। নিজেকে এমন মানুষের সঙ্গে যুক্ত করুন, যারা আপনাকে উৎসাহ দেয়, অনুপ্রাণিত করে।
৪. দৈনন্দিন কাজগুলো গুছিয়ে নিন।
দিনের কাজগুলোর একটা তালিকা করুন। সকালে উঠে ভাবুন, “আজ কী কী করব?” আর সেটা সময়মতো শেষ করুন।
রাতের শেষে যখন দেখবেন, আপনার সব কাজ শেষ হয়েছে, তখন একটা আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। আর সেই আত্মবিশ্বাস আপনাকে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৫. নিজের শরীরের যত্ন নিন।
এটা খুব জরুরি। আপনার শরীর যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে কোনো কাজই এগোবে না। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।
আর মনের যত্ন নিতে প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট ধ্যান করুন। দেখবেন, আপনার মন শান্ত থাকবে, আর কাজে মনোযোগ আরও বাড়বে।
৬. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নিন।
ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম—এগুলো যতটুকু দরকার ততটুকুই ব্যবহার করুন। এই ছয় মাসে ঠিক করুন, দিনে এক ঘণ্টার বেশি এদের পেছনে সময় দেবেন না।
এই সময়টা বরং কিছু শিখতে ব্যয় করুন। একটা অনলাইন কোর্স করতে পারেন, বা একটা নতুন বই পড়া শুরু করতে পারেন।
৭. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন।
নতুন কিছু শেখা মানেই নতুন দরজা খোলা। ছয় মাসের জন্য একটা পরিকল্পনা করুন। প্রতিদিন একটা নতুন স্কিল শেখার চেষ্টা করুন। হয়তো এটা কুকিং, হয়তো ডিজিটাল মার্কেটিং, কিংবা কোনো নতুন ভাষা।
ছয় মাস পরে দেখবেন, আপনি নিজেই একটা সম্পদে পরিণত হয়েছেন।
ভাবুন তো, ছয় মাস পরে আপনি কোথায় দাঁড়াবেন?
ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়। কিন্তু এই সময়টা যদি ঠিকমতো ব্যবহার করেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একদম নতুন মোড় নেবে। আপনি হয়তো নিজের স্বপ্নের একদম কাছে পৌঁছে যাবেন।
জীবনটা ছোট।
কিন্তু আমরা এটাকে আরও ছোট করি অপ্রয়োজনীয় কাজে।
ছয় মাসের জন্য নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণ নিন।
নিজের স্বপ্ন, নিজের লক্ষ্য, নিজের ভবিষ্যতের জন্য সময় দিন।
ছয় মাস পর যখন আয়নায় নিজেকে দেখবেন, তখন একজন বদলে যাওয়া মানুষকে দেখতে পাবেন—আর সেই মানুষটি হবে আপনারই আপডেটেড ভার্সন।
তো? এই ছয় মাসের যাত্রা শুরু করবেন কবে?
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হয়তো আজ থেকেই শুরু হতে পারে।
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Narsingdi