22/05/2024
শিক্ষকতা আর অন্য কোন চাকরি করা এক নয়
আমার এমনটাই বোধ হয়,
শিক্ষক, একজন শিক্ষার্থীকে
গড়ে তোলেন, তুলতে চান সত্যিকার মানুষ হিসেবে।
শিক্ষার্থীকে দেখতে চান
একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে,
সমাজে দেখতে চান, গর্ব করার মত ব্যাক্তিত্ব হিসেবে।
তাইতো, যখন কোন ছাত্র অথবা ছাত্রী নিজ নিজ অবস্থানে সফলতা অর্জন করে, তখন শিক্ষকগণ গর্ব করে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর সফলতার গল্প অন্যদের নিকট বলতে থাকেন এবং সুখ অনুভব করতে থাকেন।
এ যেনো, সন্তানের সফলতায় পিতা মাতার সুখানুভূতি।
সফল ব্যাক্তিরা বেশীর ভাগই তাদের অতীত ভুলে যান না।
সত্যি কথা বলতে তারা তাদের অতীত কে
ভুলতে চান না।
সেই অতীতের একটা বড় অংশ জুড়ে থাকে প্রাইমারি, হাই স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আদর,শাসনের এবং অবদানের স্মৃতি।
শিক্ষকগণও ভুলতে পারেন না তাদের স্নেহ আদরে বাধ্য শিক্ষার্থীদের।
গল্প বা ইতিহাস এ পর্যন্ত ঠিক আছে।
কিন্তু, আমি শঙ্কিত বর্তমান প্রজন্মকে নিয়ে।
তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে গেলে মনে হয় এ প্রজন্ম এক আবেগহীন, আদর্শহীন, শিষ্টাচার বহির্ভূত, দড়ি ছেড়া গরুর ন্যায় গন্তব্যহীন ছুটে চলা ভয়ংকর একদল বুনো ষাঁড়।
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার,
সুস্থ বিনোদনের অভাব,
মূল্যবোধহীন সমাজ ব্যবস্থা,
শুধু ভালো ফলাফলের অসুস্থ প্রতিযোগিতা,
রাজনৈতিক ব্যবসায়ীদের দ্বারা অসুস্থ রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য কিশোরদের ব্যবহার করা
এসব কিছু, এরকম আরও অনেক কিছু মিলিয়ে
নতুন প্রজন্ম অতিক্রম করছে এক মহা সংকটময় সময়।
আর, সেই সংকট মোকাবেলা করতে করতে দেশ, সমাজ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সহ সবাই আজ ক্লান্ত।
এর মধ্যে, সবচেয়ে বেশি বাজে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন শিক্ষকরা।
শিক্ষকরা, আজ অসহায়।
নেশাখোর, বেয়াদব, কিশোর গ্যাং এর সদস্য, রাজনৈতিক দলের পাতিনেতাদের চামচাদের নিকট।
তাই, শিক্ষকগন এখন শিক্ষকতা করতে না পেরে শুধু চাকরি করে যাচ্ছেন।
#
ব্যাক্তিগত অভিমত
Copy