This is the most significant community of Freelancers in 2014 Narayanganj.
চাকুরীই যেখানে ব্যবসায়, ব্যবসায় যেখানে চাকুরী
আমাদের দেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশ অপার সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অধিক হওয়ায় প্রচুর জনশক্তি ও মেধা রয়েছে। যদি একটি মৌলিক পরিকল্পনা গ্রহন করা যায় তাহলে এই জনশক্তি ও মেধা কে ব্যবহার করে এই দেশকে উন্নতির সর্বোচ্চ সীমায় পৌছে দেয়া যাবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে বেকারত্ব বাংলাদেশের একটি বৃহত্তম সমস্যা ও অভিশাপ। ইতিমধ্যে দেখা যা
চ্ছে কিছু শিক্ষিত বেকার জনশক্তি তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন কাজ না থাকায় নানা ধরনের সন্ত্রাসী বা জঙ্গী কার্যক্রমে জড়িয়ে যাচ্ছে। তারা তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য হতাশায় ভোগে এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ, সন্ত্রাসী ও জঙ্গী কর্মকান্ডে জড়ায়। এটা আমাদের দেশ, জাতি ও সমাজের জন্য খুবই উদ্যোগের বিষয়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে একটা মহৎ পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে যাতে এসব সমস্যার সমাধানসহ এদেশের শিক্ষিত বেকার সমস্যার সমাধান হয়।
লক্ষ্য
১. ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্য ও প্রযুক্তিগত মেধাস্বত্বা বৃদ্ধি;
২. ফ্রিল্যান্সার মার্কেট বিষয়ক জ্ঞান সবার জন্য উন্মুক্তকরন;
৩. দারিদ্রতা হ্রাস ও মানব সম্পদ উন্নয়ন
৪. স্থানীয় পর্যায়ে আয় বৃদ্ধিকরনে সহায়তাকরন;
৫. বিভিন্ন ধরনের অবৈধ, সন্ত্রাসী ও জঙ্গী কর্মকান্ড থেকে স্থানীয় যুব-সমাজকে পৃথককরন;
৬. বৈদেশিক মুদ্রা আয়করন;
৭. ২০২২ সালের মধ্যে এসডিজি পূরণ
তথ্য প্রযুক্তিখাতে বেশীর ভাগ উদ্যোগই রাজধানী ভিত্তিক যা বিকেন্দ্রিয়করন আবশ্যক। ফ্রিল্যান্সিংভিত্তিক মোট আয়ের প্রায় ৮০ ভাগই রাজধানী থেকে আয় করা হয়। কিন্তু যেহেতু এই খাতে বড় বিনিয়োগ কিংবা বিশাল কর্মপরিসরের প্রয়োজন পড়েনা সেহেতু বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকেই ফ্রিল্যান্সিং আয় করা সম্ভব। এতে রাজধানীসহ জেলা শহরে জনসংখ্যার যে চাপ তা ক্রমশঃ হ্রাস পাবে এবং স্থানভিত্তিক উন্নয়ন বৈষম্য কম হবে। প্রথাগতভাবে মেধাবি যুবসমাজ চাকরী কিংবা ব্যবসায়ের জন্য রাজধানী এবং অনান্য জেলা শহরে আসে। আমরা যদি ইউনিয়ন পর্যায়ে এইখাতকে বিস্তৃত করতে পারি তবে শ্রেনী বৈষম্য হ্রাস পাবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সমাধা হবে।
বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযোগ চলছে। অপার সম্ভাবনাময় এই খাত বাংলাদেশকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছে দিতে পারে। সার্বিক সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জকে তথ্য-প্রযুক্তি শহর হিসেবে তৈরি করা সম্ভব। এখানে থাকবে আইটি বিশেষজ্ঞ, অন লাইন এক্সপার্ট, দক্ষ ফ্রিলান্সার, ওয়েব ডেভলপার, সফটওয়ার ডেভলপার, অন লাইন মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি। আরও বিভিন্ন প্রযুক্তি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যেমন সফ্টওয়্যার ফার্ম, ICT LAB, IT সেন্টার, ICT পার্ক ইত্যাদি। সর্বোপরি নারায়ণগঞ্জকে বাংলাদেশের সিলিকন ভ্যালিতে রূপান্তর করা অসম্ভব নয়। সবাই একটু সাহায্যের হাত বাড়ালেই সম্ভব।
স্বপ্ন পূরণের ঠিকানাঃ