14/01/2025
আপনি কি আপনার সৃজনশীলতার মাধ্যমে ডিজাইন তৈরি করতে আগ্রহী? ইভান'স আইটি ইনস্টিটিউটের গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স আপনাকে দিবে আপনার সৃজনশীলতা বাস্তবে রূপ দেওয়ার দক্ষতা!
আমাদের কোর্সে আপনি শিখবেন:
বেসিক ডিজাইন থিওরি: রঙ, ফন্ট, লেআউট, এবং কনসেপ্টের সাথে পরিচিতি।
অ্যাডোবি ফটোশপ ও অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর এর পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ।
লোগো ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং, পোস্টার, ব্যানার, ব্রোশিউর ডিজাইন, এবং আরও অনেক কিছু।
প্রাকটিক্যাল প্রোজেক্ট: ক্লাসের প্রতিটি পাঠ শেষে আপনার হাতে থাকবে প্রজেক্ট কাজ, যা আপনাকে আরও দক্ষ করবে।
সৃজনশীল পোর্টফোলিও তৈরি: আপনার ডিজাইন স্কিলসকে প্রফেশনালভাবে উপস্থাপন করার কৌশল।
কেন ইভান'স আইটি ইনস্টিটিউট?
অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক: ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টরা আপনাকে দক্ষ করে তুলবে।
সকল স্তরের জন্য কোর্স: আপনি যদি একজন শুরু করার দিকে থাকেন, তবুও কোনো সমস্যা হবে না! আমরা আপনাকে ধাপে ধাপে গাইড করব।
বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সিলেবাস: ইন্ডাস্ট্রি ট্রেন্ড এবং নতুন সফটওয়্যার ও টুলসের ওপর ফোকাস।
এখনই ভর্তি হন এবং ডিজাইনের দুনিয়ায় পা রাখুন!
যোগাযোগ করুন: 📞 01771-969997] অথবা ইনবক্স করুন
11/01/2025
900$ মিলিয়ন আয় করা Squid Game এর স্ক্রিপ্ট...
10 বছর ধরে রিজেক্টেড অবস্থায় পড়ে ছিলো!!
এখন 93 টা দেশের টপ চার্টে জায়গা করে নিয়েছে এই সিরিজ!!
বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে? তাই না?
Squid Game এর পরিচালক ছিলেন Hwang Donghyuk
তিনি এর স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন ২০০৯ সালে...আজ থেকে 16 বছর আগে!!
10 বছর বিভিন্ন স্টুডিতে ঘুরে ঘুরে রিজেক্টেড হয় তার এই স্ক্রিপ্ট!!
টাকার অভাবে ল্যাপটপ বিক্রি করে দিতে হয়েছিলো তাকে!
ভদ্রলোক কিন্তু দমে যান নাই!
আজ Squid Game একটা পপুলার সিরিজ।
---
হ্যারি পটারের নাম আমরা কে না জানি?
আমরা যেটা জানি না সেটা হলো...
লেখিকার টাইপরাইটার কেনার টাকা ছিলো না!!
তাই ১ম গল্প পুরোটাই তিনি হাতে লিখে শেষ করেন!
এই বইয়ের পান্ডুলিপি ১২ টা প্রকাশনী থেকে রিজেক্টেড হয়েছিলো!!
বলা হয়েছিলো এইরকম গল্প বাজারে চলবে না!
আজ হ্যারি পটারের বই সারা বিশ্বে ৫০০ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে,
৮০+ ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে...
বিলিয়ন ডলারের ফিল্ম ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়েছে!!
---
KFC কে তো সবাই চিনেন?
কিন্তু Colonel Sanders কে কয়জন চিনেন?
আমি নিশ্চিত আপনি এখনও ভাবছেন!
এই ভদ্রলোক তার জীবনে এত বেশী চাকরী এবং ব্যাবসায় ফেল মেরেছে...
যেটা হিসাবের বাইরে!!
ভদ্রলোকের বয়স তখন হয়ে গেছে ৬৫!!
এই বয়সে একটু ভাবেন তো....আপনার বা আমার কি অবস্থা হতো?
সে এই বয়সে এসে একটা ফ্রাইড চিকেনের রেসিপি বের করে!!
পুরো U.S. ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেকে অফার দেয় তার রেসিপি নেবার জন্য!
১০০০+ রেস্টুরেন্ট থাকে ফিরায় দেয়!!
আজকে KFC ১৪৫+ দেশে অপারেট করে!!
দুনিয়াজুরে আছে ২৪০০০+ আউটলেটস!
আমরা যখন কোন সফলতার কথা শুনি...
তার পেছনে কষ্টের গল্পগুলো আমরা শুনি না...বা শুনতে চাই না!
দুনিয়াতে সফল হবার রাস্তাটা কখনোই সোজা ছিলো না!! কখনোই না!!
এবং ট্রাস্ট মি...
এই রাস্তাটা সোজা হলে সফল হবার কোন মূল্যই কিন্তু তখন থাকতো না!!
আপনি একটা কিছু করতে যাবেন...
দেখবেন হাজারটা সমস্যা আপনার চারপাশ থেকে জড়ো হয়ে আসবে...
আপনাকে একদম থামিয়ে দেবে....আপনার মনে হবে এই বুঝি সব শেষ!!
The Unfair Advantage বইয়ে ৪ ধরনের সফল লোকের কথা পড়েছিলাম!
এর মধ্যে এক ধরনের লোক ছিলো,
"যাদের চেষ্টা বা পরিশ্রমের ফলে তাদের একমাত্র ডেস্টিনেশনই হয়ে যায় সফল হওয়া!"
প্রশ্নটা হচ্ছে...
সফল হবার জন্য সেই পরিশ্রমটুকু করেতে আপনি রাজি আছেন তো? ⚡️
Copied
08/01/2025
📚 "নতুন স্কিল শিখুন, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ুন! আমাদের কোর্সগুলো দেখুন আজই।"
13/10/2024
পৃথিবীটা আসলে ইলন মাস্কের মতো পাগলাটে মানুষরাই পরিবর্তন করে দেয়!
25/09/2024
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির অগ্রগতি একটি অবিস্মরণীয় গতি অর্জন করেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন উদ্ভাবন ঘটছে এবং প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে, শিক্ষার্থীরা অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে যে, কোন ক্ষেত্রটি তাদের জন্য সঠিক হবে—কম্পিউটার বিজ্ঞান নাকি সফটওয়্যার প্রকৌশল? এই ব্লগে, আমরা এই দুইটি ক্ষেত্রের মধ্যে প্রধান পার্থক্য, তাদের শিক্ষাক্রম, এবং ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
১. কম্পিউটার সায়েন্স
কম্পিউটার সায়েন্স একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্ষেত্র, যা গণনা এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের তত্ত্ব, প্রযুক্তি এবং অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করে। এটি একটি বিস্তৃত এবং মৌলিক শাখা, যা বিভিন্ন উপ-শাখায় বিভক্ত। এই ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত নিচের বিষয়গুলো অধ্যয়ন করে:
* **তত্ত্ব ও অ্যালগরিদম:** কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য মৌলিক তত্ত্ব এবং অ্যালগরিদম ডিজাইন করা হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কারণ এটি সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার উভয়ের কার্যক্ষমতা নির্ধারণ করে।
* **ডাটা স্ট্রাকচার:** ডাটা স্ট্রাকচার হল ডাটাকে সংগঠিত করার এবং প্রক্রিয়া করার একটি পদ্ধতি। এটি একটি সফটওয়্যারের কার্যকারিতা এবং দক্ষতা বাড়ানোর জন্য অপরিহার্য।
* **কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI):** এটি মেশিনের মাধ্যমে মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনুকরণের প্রযুক্তি। শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে।
* **নেটওয়ার্কিং ও সাইবার সিকিউরিটি:** কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং হল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার প্রক্রিয়া, এবং সাইবার সিকিউরিটি হল নিরাপত্তা প্রযুক্তির গবেষণা।
**পেশাদার সুযোগ:** কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা অনেক ধরণের পেশায় কাজ করতে পারেন। তারা ডাটা সায়েন্টিস্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপার, সিস্টেম বিশ্লেষক, এবং গবেষক হিসেবে কাজ করতে পারেন। তাদের গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও চাকরির সুযোগ রয়েছে।
২. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হল সফটওয়্যার উন্নয়নের পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করার একটি ক্ষেত্র। এটি ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, টেস্টিং, এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কাঠামো প্রদান করে। সফটওয়্যার প্রকৌশলের মূল উদ্দেশ্য হল উচ্চমানের সফটওয়্যার তৈরি করা যা কার্যকর এবং নির্ভরযোগ্য হয়। এখানে শিক্ষার্থীরা নিচের বিষয়গুলো অধ্যয়ন করে:
* **সফটওয়্যার উন্নয়ন জীবনচক্র (SDLC):** সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা এই পদ্ধতি শিখে থাকেন, যা সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা করে, যেমন পরিকল্পনা, বিশ্লেষণ, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, টেস্টিং, এবং রক্ষণাবেক্ষণ।
* **ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট:** সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা ডেটাবেস ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট এবং পরিচালনা সম্পর্কিত দক্ষতা অর্জন করেন, যা তথ্য সঞ্চয় ও পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
* **ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন:** ব্যবহারকারীদের জন্য সফটওয়্যারকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করে তোলার জন্য ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
* **সফটওয়্যার টেস্টিং:** সফটওয়্যারটি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা এবং ব্যবহারকারীর চাহিদা মেটাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন টেস্টিং পদ্ধতি শিখতে হয়।
**পেশাদার সুযোগ:** সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপার, প্রজেক্ট ম্যানেজার, QA ইঞ্জিনিয়ার, এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন। তারা বিভিন্ন শিল্পে কাজ করতে পারেন, যেমন ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা, এবং শিক্ষাক্ষেত্র।
৩. আপনার জন্য কোনটি সঠিক?
আপনার পছন্দের ক্ষেত্রটি নির্ভর করবে আপনার আগ্রহ এবং ক্যারিয়ার লক্ষ্যের উপর। যদি আপনি তত্ত্ব এবং প্রযুক্তির মৌলিক দিক নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে কম্পিউটার বিজ্ঞান আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। তবে যদি আপনি সফটওয়্যার তৈরি এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় আগ্রহী হন, তবে সফটওয়্যার প্রকৌশল আপনার জন্য সঠিক পছন্দ।
Collected
23/09/2024
সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার শর্ত:
১)দক্ষতা অর্জন : আপনি যেই বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান সেই বিষয়ে আপনার দক্ষতা থাকতে হবে নচেৎ কোন লাভ হবে না।
২। যোগাযোগের দক্ষতা: ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনার অনেকের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। English এও আপনার ভাল দক্ষতা লাগবে নচেৎ বাহিরের Client দের সাথে আপনি কথা বলতে পারবেন না।
৩। সময় জ্ঞান: আপনার Client কে আপনার কাজটি সময়মত জমা দিতেঁ হবে নচেৎ আপনি দ্বিতীয় বার থেকে কাজ নাও পেতে পারেন। কোন কাজ করতে আপনার কত সময় লাগতে পারে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। এতে করেআপনার সকল কাজ সঠিকভাবে ভাগ করে নিয়ে কাজটি যথাযথভাবে করতে পারবেন। তাছাড়া কাজ জমা দেয়ার ব্যাপারে সময়ানুবর্তীতা অবশ্যই প্রয়োজন।
৪। পুনরাই Check করা: আপনার কাজটি Client কে জমা দেয়ার আগে নিজে ভালভাবে দেখে নিন যে কোন ভুলত্রুটি আছ কিনা।
৫। প্রজেক্ট পরিচালনা: সকল ফ্রিল্যান্সিং কাজেরই আলাদা আলাদা প্রোজেক্ট থাকে। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার দায়িত্ব প্রোজেক্টগুলো সময়মতো এবং ক্লায়েন্টের শর্ত অনুযায়ী সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। তাই প্রতিটি প্রজেক্টের খুঁটিনাটি সকল বিষয় সম্পর্কে আপনাকে অবগত থাকতে হবে। সাথে প্রোজেক্ট পরিচালনার দক্ষতাও থাকতে হবে।
৬। সমস্যা সমাধানের দক্ষতা: ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার গন্ডীর ভেতরে থাকা সমস্যাগুলোর সঠিক সমাধানের ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
৭। কাজের পারিশ্রমিক ঠিক রাখা: ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার কোন কাজে কত পারিশ্রমিক পাবেন তা ঠিক করে নেওয়া।
৮। প্রচার: আপনার ব্যবসার মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে হবে। শুধু ফিল্যান্সার হলেও আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার সঠিক বিবরণ ক্লায়েন্টের কাছে তুলে ধরাও প্রচার-প্রসারের অন্তর্ভূক্ত। সকল প্রতিষ্ঠানে এসব দক্ষতার জন্য প্রতিটি সেক্টরে আলাদা আলাদা লোক নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদেরকে একাই উক্ত কাজগুলো করতে হয়। তাই ফ্রিল্যান্সিংকে একদমই সহজ করে দেখার কোনো উপায় নেই। বরং যোগ্যতা অর্জন করার উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের সফলতা নির্ভর করে।
16/09/2024
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোবাইল কোড :
প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে -
অস্ট্রিয়া (+43)
অস্ট্রেলিয়া (+61)
অ্যাঙ্গুইলা (+1)
অ্যাঙ্গোলা (+244)
অ্যান্টিগুয়া (+1)
অ্যান্ডোরা (+376)
আইভরী কোস্ট (+225)
আইল অভ ম্যান (+44)
আইসল্যান্ড (+354)
আজারবাইজান (+994)
আফগানিস্তান (+93)
আমেরিকান সামোয়া (+1)
আয়ারল্যান্ড (+353)
আরমেনিয়া (+374)
আরুবা (+297)
আর্জেন্টিনা (+54)
আলজেরিয়া (+213)
আলবেনিয়া (+355)
ইউক্রেন (+380)
ইকুয়েডর (+593)
ইতালী (+39)
ইথিওপিয়া (+251)
ইন্দোনেশিয়া (+62)
ইয়েমেন (+967)
ইরাক (+964)
ইরান (+98)
ইরিত্রিয়া (+291)
ইসরায়েল (+972)
উগান্ডা (+256)
উজবেকিস্তান (+998)
উত্তর কোরিয়া (+850)
উরুগুয়ে (+598)
এল সালভাদোর (+503)
এস্তোনিয়া (+372)
ওমান (+968)
ওয়ালিস এবং ফুটুনা (+681)
কঙ্গো রিপাবলিক (+242)
কমোরস (+269)
কম্বোডিয়া (+855)
কলম্বিয়া (+57)
কসোভো (+381)
কাজাখস্তান (+7)
কাতার (+974)
কানাডা (+1)
কিউবা (+53)
কিরগিজস্তান (+996)
কিরিবাতি (+686)
কুক দ্বীপপুঞ্জ (+682)
কুয়েত (+965)
কুরাসাও (+599)
কেইম্যান আইল্যান্ড (+1)
কেনিয়া (+254)
কেপ ভার্দে (+238)
কোস্টা রিকা (+506)
ক্যামেরুন (+237)
ক্রোয়েশিয়া (+385)
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো (+243)
গাম্বিয়া (+220)
গায়ানা (+592)
গিনি (+224)
গিনি-বিসাউ (+245)
গুয়াডেলোপ (+590)
গুয়াতেমালা (+502)
গুয়াম (+1)
গ্যাবন (+241)
গ্রাঞ্জি (+44)
গ্রানাডা (+1)
গ্রিস (+30)
গ্রীনল্যান্ড (+299)
ঘানা (+233)
চাদ (+235)
চিলি (+56)
চীন (+86)
চেক প্রজাতন্ত্র (+420)
জর্জিয়া (+995)
জর্ডান (+962)
জাপান (+81)
জাম্বিয়া (+260)
জার্মানি (+49)
জার্সি (+44)
জিবুতি (+253)
জিব্রাল্টার (+350)
জিম্বাবুয়ে (+263)
জ্যামাইকা (+1)
টার্ক্স এন্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জ (+1)
টুভালু (+688)
টোংগা (+676)
টোগো (+228)
ডেনমার্ক (+45)
ডোমিনিকা (+1)
ডোমিনিকান রিপাবলিক (+1)
তাইওয়ান (+886)
তাজিকিস্তান (+992)
তানজানিয়া (+255)
তিউনিসিয়া (+216)
তুরস্ক (+90)
তুর্কমেনিস্তান (+993)
তোকেলাও (+690)
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো (+1)
থাইল্যান্ড (+66)
দক্ষিণ আফ্রিকা (+27)
দক্ষিণ কোরিয়া (+82)
দক্ষিণ সুদান (+211)
নরওয়ে (+47)
নরফোক দ্বীপ (+672)
নর্থান মেরিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ (+1)
নাইজার (+227)
নাইজেরিয়া (+234)
নাউরু (+674)
নামিবিয়া (+264)
নিউ ক্যালেডোনিয়া (+687)
নিউই (+683)
নিউজিল্যান্ড (+64)
নিকারাগুয়া (+505)
নিরক্ষীয় গিনি (+240)
নেদারল্যান্ড (+31)
নেপাল (+977)
পর্তুগাল (+351)
পশ্চিম সাহারা (+212)
পাকিস্তান (+92)
পানামা (+507)
পাপুয়া নিউগিনি (+675)
পালাউ (+680)
পুনর্মিলনী (+262)
পুয়ের্তো রিকো (+1)
পূর্ব তিমুর (+670)
পেরু (+51)
পোল্যান্ড (+48)
প্যারাগুয়ে (+595)
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (+500)
ফরাসি গায়ানা (+594)
ফরাসি পলিনেশিয়া (+689)
ফারো দ্বীপপুঞ্জ (+298)
ফিজি (+679)
ফিনল্যান্ড (+358)
ফিলিপাইন (+63)
ফিলিস্তিন (+970)
ফ্রান্স (+33)
বতসোয়ানা (+267)
বলিভিয়া (+591)
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (+387)
বাংলাদেশ (+880)
বারবাডোস (+1)
বারমুডা (+1)
বাহরাইন (+973)
বাহামা (+1)
বুরুন্ডি (+257)
বুর্কিনা ফাসো (+226)
বুলগেরিয়া (+359)
বেনিন (+229)
বেলজিয়াম (+32)
বেলারুশ (+375)
বেলিজ (+501)
বোনায়ের, সিন্ট ইউস্টাসিয়াস ও
সাবা (+599)
ব্রাজিল (+55)
ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (+1)
ব্রিটিশ-ভারতীয় সমুদ্র এলাকা (+246)
ব্রুনাই (+673)
ভানুয়াতু (+678)
ভারত (+91)
ভিয়েতনাম (+84)
ভূটান (+975)
ভেনিজ়ুয়েলা (+58)
ভ্যাটিকান সিটি (+39)
মঙ্গোলিয়া (+976)
মন্টসেরাত (+1)
মন্টেনিগ্রো (+382)
মরক্কো (+212)
মরিশাস (+230)
মলদোভা (+373)
মাইক্রোনেশিয়ার জোটবদ্ধ রাষ্ট্র (+691)
মাদাগাস্কার (+261)
মায়ানমার (+95)
মায়োটি (+262)
মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (+1)
মার্টিনিক (+596)
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ (+692)
মালদ্বীপ (+960)
মালয়েশিয়া (+60)
মালাউই (+265)
মালি (+223)
মাল্টা (+356)
মিশর (+20)
মেক্সিকো (+52)
মেসিডোনিয়া (+389)
মোজাম্বিক (+258)
মোনাকো (+377)
মৌরিতানিয়া (+222)
ম্যাকাউ (+853)
যুক্তরাজ্য (+44)
যুক্তরাষ্ট্র (+1)
রাশিয়া (+7)
রুয়ান্ডা (+250)
রোমানিয়া (+40)
লাইবেরিয়া (+231)
লাওস (+856)
লাটভিয়া (+371)
লিচেনস্টাইন (+423)
লিথুয়ানিয়া (+370)
লিবিয়া (+218)
লুক্সেমবার্গ (+352)
লেবানন (+961)
লেসোথো (+266)
শ্রীলঙ্কা (+94)
সংযুক্ত আরব আমিরাত (+971)
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ (+677)
সাইপ্রাস (+357)
সাওতোম ও প্রিন্সিপ (+239)
সান ম্যারিনো (+378)
সামওয়া (+685)
সার্বিয়া (+381)
সিঙ্গাপুর (+65)
সিয়েরা লিওন (+232)
সিরিয়া (+963)
সিসিলি (+248)
সুইজারল্যান্ড (+41)
সুইডেন (+46)
সুদান (+249)
সুরিনাম (+597)
সেইন্ট বারথেলেমি (+590)
সেইন্ট মার্টিন (+590)
সেইন্ট মার্টিন (+599)
সেইন্ট হেলেনা (+290)
সেনেগাল (+221)
সেন্ট কিটস এবং নেভিস (+1)
সেন্ট পিয়ের ও মিকেলন (+508)
সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জ (+1)
সেন্ট লুসিয়া (+1)
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক (+236)
সোমালিয়া (+252)
সোয়াজিল্যান্ড (+268)
সৌদী আরব (+966)
স্পেন (+34)
স্লোভাকিয়া (+421)
স্লোভেনিয়া (+386)
হংকং (+852)
হন্ডুরাস (+504)
হাইতি (+509)
হাঙ্গেরি (+36)
Send a message to learn more
15/09/2024
October Admission is now Open.
Enroll now.
15/09/2024
এখন দেশেই অনলাইন আয়ের ৩ টি জনপ্রিয় মাধ্যম !
এইতো, কিছুদিন আগেও অনলাইন আয় মানেই বিদেশ ভিত্তিক চিন্তা ভাবনা ছিল। কিন্ত সেই ভাবনার দিন সম্ভবত শেষের দিকে চলে এসেছে। ভাবছেন যে, সেটা কিভাবে সম্ভব? চলুন জেনে নেই, যেভাবে খুলে গেল বাংলাদেশে অনলাইন আয়ের দুয়ার!
অনলাইন আয় সম্পর্কে যাদের ধারণা অস্পষ্ট। তাদের জন্য সহজ কথায় বলে রাখি, ইন্টারনেট ভিত্তিক যেকোন ইনকামকেই আমরা অনলাইন আয় বলে থাকি। আরও জানিয়ে রাখি, অনলাইনে আয়ের শত শত বৈধ/অবৈধ উপায় রয়েছে। অবৈধ বলছি কেন? একটি উদাহরণ দেই, ইন্টারনেটে অনেক বেটিং ওয়েবসাইট আছে, যেগুলোতে খেলা নিয়ে বাজি ধরেও প্রচুর ইনকাম করতে পারেন। যদিও সেগুলোর বৈধতা রয়েছে অনলাইনে। কিন্ত আমাদের দেশীয় চিন্তাধারায় কিন্ত সেই পথ অবৈধ। এরকম কয়েক শত অবৈধ পথ রয়েছে অনলাইন জগতে ইনকাম করার। যাক সেদিকে না যাই। এবার আসি গতানুগতিক কিছু মাধ্যমে। যে মাধ্যম গুলো ব্যবহার করেই কয়েক বছর থেকে আমাদের দেশে অনলাইন আয়ের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। যেমনঃ অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইনের মত অনেক আইটি ভিত্তিক কাজ করে দেওয়া, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, ইউটিউবিং ইত্যাদি।
এখন দেশেই অনলাইন আয়ের ৩ টি জনপ্রিয় মাধ্যম !
কিন্ত এতদিন ঐসব কাজের সেক্টরগুলো বলতে গেলে সবগুলোই বিদেশ নির্ভর ছিল। যেমনঃ আইটি সার্ভিসগুলোর দেশীয় বাজার তেমন ভাল ছিল না। তাই গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসে জব পাওয়া অনেক কঠিন ছিল। আবার ধরুন, আপনি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন? কিন্ত ইংরেজিতে লেখালেখিতে দক্ষ না। সেটাও বাঁধা হয়ে ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই দুয়ারটা সম্ভবত খুলে গেছে। যার কারণে আমাদের বাংলাদেশ ভিত্তিক কাজগুলোকেই সবাই বেছে নিচ্ছে অনলাইন আয়ের মাধ্যম হিসেবে। বিষয়টি আমাদের জন্য অনেক বড় একটা ইতিবাচক দিক হিসেবেই উঠে এসেছে। এরকমই ৩টি মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করব আজকের পোস্টে। যে মাধ্যমগুলো বাংলাদেশে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তো চলুন জেনে নেয়া যাকঃ
১। ইউটিউব
এখন দেশেই অনলাইন আয়ের ৩ টি জনপ্রিয় মাধ্যম !
ইউটিউব সম্পর্কে বলতে গেলে বাংলাদেশে বর্তমানে অনলাইন আয়ের মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে ইউটিউব। মোটা অংকের আয়ের পাশাপাশি মানসম্মত ভিডিও কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে নিজেকে জনপ্রিয় করে তোলা যায় বলেই ইউটিউব -কে বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। সাম্প্রতিক সময়ে, দেশীয় বাংলা কন্টেন্টের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় ইউটিউবাররা এখন নিজ ভাষাতেই ভিডিও কন্টেন্ট বানানোতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ফলে ইউটিউব থেকে আয়ের পথ বাংলাদেশে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হয়েছে। বছরখানেক আগে বাংলায় ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে আয় করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই ঐ সময় দেশীয় ইউটিউবারদেরকে বিদেশী কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে হত। ফলে অনেকেই সেসময় ইউটিউবকে আয়ের পথ হিসেবে নিয়ে খুব একটা সফলতার দেখা পান নি। বর্তমানে ইউটিউবে বাংলা কন্টেন্টের চাহিদাটা এতোটাই ইতিবাচক যে, অনেকেই ফুল টাইম প্রফেশন হিসেবে বেছে নিয়েছে ইউটিউব কে। মানসম্মত কন্টেন্ট সমৃদ্ধ একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে আপনি মাসে মিনিমাম ১৫-২০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে, মানসম্মত কন্টেন্ট এবং ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই। স্টুডেন্টদের জন্য পড়াশুনার পাশাপাশি ইউটিউবিং করে বেশ ভালো অংকের অর্থ আয় করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
২। ব্লগিং
এখন দেশেই অনলাইন আয়ের ৩ টি জনপ্রিয় মাধ্যম !
ব্লগিং বিষয়টার সাথে এখনও অধিকাংশ মানুষজনই অপরিচিত। সংক্ষেপে ব্লগিং বলতে, অনলাইনে লেখালেখি করাকেই বুঝায়। আপনারা অনেকেই জানেন, ব্লগিং করেও মাসে প্রচুর আয় করা সম্ভব। সেই পথটা বাংলাদেশীদের জন্য আরও বেশী সুগম করে দিয়েছে গুগল অ্যাডসেন্স। গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে বিশ্বসেরা টেক জায়ান্ট গুগলের অনলাইন বিজ্ঞাপন সংস্থা। তাঁরা অন্যের ওয়েবসাইট/ব্লগ সাইটে বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের মালিককে অর্থ আয়ের সুবিধা দেয়। কিন্তু, ২ মাস আগেও বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রকাশের অনুমোদন ছিল না গুগল অ্যাডসেন্সের। অবশেষে সেই দুয়ার খুলে চলতি বছরের গত ২৬ সেপ্টেম্বর তারিখে। বাংলা ভাষা ভিত্তিক কন্টেন্ট ও ওয়েবসাইটের চাহিদা বাড়ার কারণেই এমন ঘোষণা দেয় গুগল। তাই, আপনার যদি বাংলা কন্টেন্ট লেখালেখিতে আগ্রহ থাকে, চাইলেই একটি ব্লগসাইট/ওয়েবসাইট খুলে লেখালেখি শুরু করে দিন এবং গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজ করে মাস শেষে আয় করুন ভালো অংকের অর্থ। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের দেড় কোটি ওয়েবসাইটের পাবলিশাররা গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে। ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ঐ বছরে গুগল তাঁর পাবলিশারদেরকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পেমেন্ট দিয়েছে।
৩। আইটি প্রডাক্ট/সার্ভিস বিজনেস
এখন দেশেই অনলাইন আয়ের ৩ টি জনপ্রিয় মাধ্যম !
আইটি সেক্টরে আপনার ভালো দক্ষতা আছে? যেমন ধরুন, ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন? কিংবা গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ? আপনার জন্য এখন দেশেই রয়েছে ভালো চাহিদা। এতদিন আইটি এক্সপার্টদেরকে অনলাইনে গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসে অনেক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়ে বহু কষ্টে কাজ পেতে হত। কিন্তু দেশে এখন ব্যবসায় বাণিজ্য সম্প্রসারিত হওয়ায় সেই হারে বেড়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি ভিত্তিক বিভিন্ন সার্ভিসেরও চাহিদা। তাই আপনি চাইলেই আপনার আইটি স্কিলকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলতে পারেন আপনার সক্ষমতা অনুযায়ী ছোট/বড় কিংবা মাঝারি যেকোন আইটি সার্ভিস এন্ড সল্যুশনস প্রতিষ্ঠান। একটি উদাহরণঃ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ফেসবুক বিজ্ঞাপনের চাহিদা বহুগুণ বেড়েছে। ফলে অনেকেই ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ফেসবুকে অ্যাডভারটাইজিং সেবাটি দিচ্ছে। এছাড়াও বর্তমানে ওয়েব হোস্টিং বিজনেসও অনেক জনপ্রিয়! এভাবেই আপনি আপনার যেকোন আইটি স্কিল এখন দেশীয় বাজারেই কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। সেটিও বলতে গেলে অনলাইন আয়ের মধ্যেই পড়ে। এছাড়াও অনেকেই এখন ঘরে বসেই বিভিন্ন আইটি প্রডাক্ট বা গেজেট বিক্রির অনলাইন শপ গড়ে তুলে আয় করছে।
বাংলাদেশেই অনলাইন আয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনা!
সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়-বানিজ্যের প্রসার ঘটছে। কমছে বেকারত্ব। আর সেখানে তথ্যপ্রযুক্তির অবদান অনস্বীকার্য। তাই এখন অনলাইন আয়ের জন্য আর বিদেশ নির্ভরতা নয়! দেশেই খুলে যাচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক আয়ের নতুন নতুন সম্ভাবনা। তাই প্রস্তুত হোন, বেকারত্বহীন আগামীর বাংলাদেশের জন্য!
Collected
13/09/2024
Welocome to Evan's IT Institute..