18/05/2026
বাংলাদেশে আজ ২৯ জিলকদ (১৮ মে)। আজ সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আজ সূর্যাস্তের আগেই নখ-চুল ইত্যাদি কেটে পরিচ্ছন্ন হয়ে নিই। জিলহজের চাঁদ দেখা গেলে আমরা আর নখ-চুল কাটব না। একবারে ঈদুল আজহার দিন কুরবানি করে এরপর আবার কাটা যাবে।
এই সুন্নাত পালনে সচেষ্ট হই।
08/03/2026
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত,
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كُلَّ لَيْلَةٍ جَمَعَ كَفَّيْهِ ثُمَّ نَفَثَ فِيهِمَا فَقَرَأَ فِيهِمَا {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ} ، وَ{قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} ، وَ{قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ} ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا مَا اسْتَطَاعَ مِنْ جَسَدِهِ يَبْدَأُ بِهِمَا عَلَى رَأْسِهِ وَوَجْهِهِ وَمَا أَقْبَلَ مِنْ جَسَدِهِ يَفْعَلُ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ.
প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শয্যা গ্রহণকালে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে দু’হাত একত্রিত করে হাতে ফুঁক দিয়ে সমস্ত শরীরে হাত বুলাতেন। মাথা ও মুখ থেকে শুরু করে তাঁর দেহের উপর হাত বুলাতেন এবং তিনবার এরূপ করতেন।
সহীহ বুখারী, হাদীস ৫০১৭ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত) ৪৬৪৮
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
06/03/2026
হযরত কুতায়বা ইবন সাঈদ ও মুহাম্মদ ইবন আদম ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন:
إِنَّ الْمُقْسِطِينَ عِنْدَ اللَّهِ تَعَالَى عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ عَلَى يَمِينِ الرَّحْمَنِ الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيهِمْ وَمَا وَلُوا
সুবিচারক লোক আল্লাহ তা’আলার নিকট তাঁর ডান হাতের দিকে নূরের মিম্বরের উপর উপবিষ্ট থাকবে। যারা তাদের বিচারকার্যে, পরিবারে ও দায়িত্বভুক্ত বিষয়ে ইনসাফ রক্ষা করে।
নাসাঈ শরীফ: ৫৩৮৭
27/02/2026
হযরত আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
يَحْضُرُ الْجُمُعَةَ ثَلاَثَةُ نَفَرٍ رَجُلٌ حَضَرَهَا يَلْغُو وَهُوَ حَظُّهُ مِنْهَا وَرَجُلٌ حَضَرَهَا يَدْعُو فَهُوَ رَجُلٌ دَعَا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِنْ شَاءَ أَعْطَاهُ وَإِنْ شَاءَ مَنَعَهُ وَرَجُلٌ حَضَرَهَا بِإِنْصَاتٍ وَسُكُوتٍ وَلَمْ يَتَخَطَّ رَقَبَةَ مُسْلِمٍ وَلَمْ يُؤْذِ أَحَدًا فَهِىَ كَفَّارَةٌ إِلَى الْجُمُعَةِ الَّتِى تَلِيهَا وَزِيَادَةُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ وَذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ (مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا)
মসজিদে জুমার নামাজে তিন ধরনের লোক এসে থাকে। এক শ্রেণির লোক জুমায় উপস্থিত হয়ে এদিক-ওদিক ঘুরাফেরা করে এবং অনর্থক কথা বলে। আরেক শ্রেণীর লোক জুমায় এসে দু‘আ ইত্যাদিতে মশগুল থাকে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের দুআ কবুল করতে পারেন, আবার নাও করতে পারেন। আরেক ধরনের লোক মসজিদে উপস্থিত হয়ে খুতবা পাঠের সময় নিশ্চুপ থাকে, অন্যের ঘাড়ের উপর দিয়ে চলাফেরা করে না এবং কাউকে কষ্ট দেয় না। ঐ ব্যাক্তির জন্য বিগত জুমা হতে এ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরো তিনদিন পর্যন্ত এ নীরবতা গুনাহের কাফফারা হবে। কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যাক্তি একটি নেকীর কাজ করবে বিনিময়ে তাকে তার দশ গুন সওয়াব দেয়া হবে”।
সুনানে আবু দাউদ ১১১৩
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
পাদটীকা:
মসজিদে গিয়ে কাউকে কষ্ট দেয়া বা কাউকে ডিঙ্গিয়ে সামনে যাওয়া নিষেধ। মসজিদে প্রবেশ করে যেখানে জায়গা পাওয়া যাবে সেখানেই বসে পড়তে হবে। অবশ্য শুরু থেকেই প্রত্যেকের এমন ভাবে বসা উচিত যেন সামনের কাতারগুলোতে ফাঁকা জায়গা না থাকে। যেন পিছন থেকে মানুষকে ডিঙ্গিয়ে সামনে আসার প্রয়োজন না হয়। এ বিধান জুমা-সহ সকল নামাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
18/02/2026
বাংলাদেশের আকাশে রমযান মাসের চাঁদ দেখা গেছে
আহলান সাহলান - মাহে রমযান
"আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশে আজ সন্ধ্যায় ১৪৪৭ হিজরির রমযান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সূত্র: দৈনিক আমারদেশ ওয়েবসাইট।
আল্লাহ আমাদেরকে রমযান মাসের তাকওয়া ও বরকত হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
11/02/2026
"হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
إِنَّمَا مَثَلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ كَمَثَلِ صَاحِبِ الْإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ عَاهَدَ عَلَيْهَا أَمْسَكَهَا وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ
স্মৃতিতে কোরআনের রক্ষকদের উদাহরণ হইতেছে রশিতে বাধা উট রক্ষকের ন্যায়—যদি উটের প্রতি সদা লক্ষ্য রাখে উহাকে আবদ্ধ রাখতে পারে, আর যদি উহাকে ছাড়িয়া দেয়, উহা পালাইয়া যায়।
মিশকাত: ২১৮৯"
03/02/2026
শবে বরাতের ফজিলত: করণীয় ও বর্জণীয়
"লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা শবে বরাত বর্তমানে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে! কেউ কেউ এই রাতটিকে শবে ক্বদরের চেয়েও ফজিলত ও বরকতের হিসাবে পালন করেন। আবার আরেক দল শবে বরাতকেই অস্বীকার করেন। এ রাতের ফজিলত, বরকত সম্পর্কে যা সহীহ হাদীসে বলা হয়েছে; সেগুলোকেও যেন মানতে চান না।
আমরা এই প্রান্তিকতা থেকে বের হয়ে এসে সহীহ হাদীসের আলোকে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের পক্ষপাতি। সহীহ ও আমলযোগ্য হাদীসে এ রাতের যে ফজিলত ও আমলের কথা বর্ণিত আছে আমরা সেগুলোকে অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। শবে বরাত কেন্দ্রীক হালুয়া রুটি, আতশবাজি, আলোকসজ্জা, দলে দলে সারা রাত রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো, মসজিদে মসজিদে বিশেষ তবারক-খাওয়া দাওয়াত উৎসব -- এসকল কাজ থেকে বিরত থাকব।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে লাইলাতুন নিসফ মিন শাবানের ফজিলত ও বরকত হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমীন"
30/01/2026
হযরত আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যাক্তি বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে এমন একটি আমল শিক্ষা দিন, যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। উপস্থিত লোকজন বললঃ তার কী হয়েছে? তার কী হয়েছে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার একটি বিশেষ প্রয়োজন আছে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ
تَعْبُدُ اللَّهَ لاَ تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيمُ الصَّلاَةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصِلُ الرَّحِمَ، ذَرْهَا
তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তার সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবে।
সহীহ বুখারী: ৫৯৮৩
16/01/2026
"পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اَنْفِقُوْا مِنْ طَیِّبٰتِ مَا كَسَبْتُمْ وَ مِمَّاۤ اَخْرَجْنَا لَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ ۪ وَ لَا تَیَمَّمُوا الْخَبِیْثَ مِنْهُ تُنْفِقُوْنَ وَ لَسْتُمْ بِاٰخِذِیْهِ اِلَّاۤ اَنْ تُغْمِضُوْا فِیْهِ ؕ وَ اعْلَمُوْۤا اَنَّ اللّٰهَ غَنِیٌّ حَمِیْدٌ ۲۶۷
হে মুমিনগণ! তোমরা যা-কিছু উপার্জন করেছ এবং আমি তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যা-কিছু উৎপন্ন করেছি, তার উৎকৃষ্ট জিনিসসমূহ থেকে একটি অংশ (আল্লাহর পথে) ব্যয় কর। আর এরূপ মন্দ জিনিস (আল্লাহর নামে) দেওয়ার নিয়ত করো না যা (অন্য কেউ তোমাদেরকে দিলে ঘৃণার কারণে) তোমরা চক্ষু বন্ধ না করে তা গ্রহণ করবে না। মনে রেখ, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, চিরপ্রশংসিত।
সূরা বাকারা, আয়াত : ২৬৭"
13/01/2026
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَ اتَّقُوْا یَوْمًا تُرْجَعُوْنَ فِیْهِ اِلَی اللّٰهِ ۫ۗ ثُمَّ تُوَفّٰی كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَ هُمْ لَا یُظْلَمُوْنَ۠۲۸۱
"তোমরা সেই দিনকে ভয় করো, যখন তোমাদের সকলকে আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে। অতঃপর প্রত্যেক ব্যক্তিকে পরিপূর্ণরূপে দেয়া হবে যা সে অর্জন করেছে, আর তাদের প্রতি কোনো জুলুম করা হবে না।"
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮১
সূত্র : তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন