20/10/2025
As Salamualikum.
প্রিয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ,
এই পেজটি Wafaa Hifz International School-এর পুরনো অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ।
দীর্ঘদিন আমরা এই পেজটির অ্যাক্সেস পাইনি, যার কারণে অনেকের ইনবক্স ও মেসেজের উত্তর দিতে পারিনি।
আমরা এই অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি (Apology) এবং আপনাদের ধৈর্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। 💐
📢 বর্তমানে আমাদের নতুন অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু হয়েছে, যেখানে নিয়মিত স্কুলের একাডেমিক, ভর্তি ও ইভেন্ট আপডেট প্রকাশ করা হচ্ছে।
👉 অনুগ্রহ করে নিচের লিংকে গিয়ে আমাদের নতুন পেজটি Follow করুন:
🔗 Wafaa Hifz International School ( https://web.facebook.com/wafaahifzinternationalschool )
🌐 Official Website: www.wafaa.school
📞 Contact: [+8801896065454]
আপনাদের অব্যাহত সহযোগিতা, ভালোবাসা এবং আস্থার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। ❤️
— Administration
Wafaa Hifz International School
Wafaa Hifz International School
An Islamic English Medium School With Hifz Initiative
11/08/2020
সহজাত বৈশিষ্ট্যের মত আমরা বড়রা স্বভাবজাত কিছু ভুল করে ফেলি। দশ বারো বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানদের কোন কাজেই হাত লাগাতে দিই না এমনকি নিজ হাতে খেতে পর্যন্ত শেখাই না অথচ হঠাত একদিন চেয়ে বসি তারা সবকাজে সব্যসাচী হবে। মা বাবার সাথে বিশেষত মায়ের সাথে এই নিয়ে দ্বন্দ্বটা শুরু হয় সাধারণত সন্তানের টিনএজ বয়সে এসে। অথচ আমরা খেয়াল করলে দেখব সন্তানের বয়স ২ প্লাস হয়ে গেলেই তারা নিজেরা সব কাজ করতে চায়। বাচ্চার লার্নিং এর সাইকোলজিক্যাল ডেভলেপমেন্ট হাতেকলমে মূলত তখন থেকেই শুরু হয়। তারা সিদ্ধান্ত দিতে চায়, নিজের ইচ্ছার শক্তিশালি প্রকাশ দেখা যায়, লার্নিং বাই ডুয়িং এর একটা অদম্য আত্মপ্রকাশ ঘটে। দুঃখের বিষয় হলেও সত্যিটা হলো ঐ অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে বদরাগ/জেদ বলে এবং অতটুকু বয়সে অনাহূত ক্ষতির আশঙ্কায় আমরা বাচ্চাদের কোন কাজই করতে দিই না। ভাবছেন "ওমা! ২ বছরের একটা বাচ্চা আবার কি কাজ করবে!"
টিনএজে এসে "কেন কোন কাজ করো না/পারো না তুমি? " বলতে হত না যদি ওর দুই তিন বছর বয়সের কাজ করার ইচ্ছা ও আগ্রহকে আমরা পাত্তা দিয়ে মোটর স্কিলকে দক্ষ হওয়ার সুযোগ দিতাম। পানি খাওয়ার সময় ওর গ্লাসটা ওকেই ধরতে দিন, নিজের জামা নিজেই পরুক না, জামার বোতামগুলোও ওকেই লাগাতে দিন, বাইরে যাবার সময় ওর জুতাটা ওকেই পরতে দিন… এগুলো সময়সাপেক্ষ, কিন্তু ওই সময়টুকু দিলেই দেখবেন কয়েকমাসের মধ্যে সে কাজগুলো কি দক্ষতায় শিখে গেছে এবং বাড়তি পাওনা হল সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে! আমাদের কাজ হলো তার নিরাপত্তাটুকু নিশ্চিত করে তাকে কাজ করতে দেয়া।
বাচ্চারা যত বেশি মোটর স্কিলে দক্ষ হয়ে ওঠে তত দ্রুত যেকোন কাজ আয়ত্তে আনতে পারে।
আসুন দেখি বয়স ভিত্তিক কোন কাজগুলোতে তাদের এলাউ করা যেতে পারে:
৪-৫ বছর : বোতলের মুখ লাগানো, পানি ঢেলে খাওয়া, নিজের খাবার নিজে খেয়ে নেয়া, জামা পরা, জিপ/বোতাম লাগানো, খেলনা গুছিয়ে রাখা, জুতার ফিতা বাধা, কাউকে পানি এনে দেয়া ইত্যাদি।
৬ বছর : উপরের কাজগুলি সহ কাপড় গোছানো, বাগানে পানি দেয়া, বই গোছানো, ফার্ণিচার মোছা, নিজে নিজে বাথরুমে যাওয়া ইত্যাদি।
৭-৮ বছর : উপরের কাজগুলি সহ দরকারি জিনিস আগায়ে দেয়া, টেবিলে খাবার নেয়া, নিজের প্লেট ও থালাবাটি ধোয়া, ঘর ঝাড়ু দেয়া, ঘর মোছা, নিজের কাপড় ধোয়া, কাপড় শুকিয়ে আনা ইত্যাদি।
৯-১০ বছর : উপরের কাজগুলি সহ রান্নায় সাহায্য করা, ২-১ টা আইটেম রান্না বা বেকিং শেখা, ঘর গুছিয়ে রাখা, হিসাব রাখতে পারা ইত্যাদি।
আমাদের করণীয় :
- প্রতিটি কাজের জন্য পয়েন্ট সিস্টেম করা যেতে পারে, সপ্তাহ বা মাস শেষে পয়েন্ট হিসেব করে তাদের পছন্দসই উপহারের ব্যবস্থা করা । এতে তারা কাজ করতে আগ্রহী হবে।
- নিজে থেকে কোন কাজ করতে চাইলে এলাউ করা, নিরুতসাহিত না করা।
- প্রশংসা করা। ভুল করলে আমরা বকা দিতে ভুলি না কিন্তু ভাল করলে প্রশংসা করতে চাই না, এটা খুবই নেতিবাচক আচরণ । অথচ প্রশংসা পেলে উতসাহ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
- ভুল করলে খোঁচা না দেয়া বা অপমান না করা। বরং সঠিকটা শিখিয়ে দেয়া।
- নিজে কোন কাজ করার সময় অবশ্যই তাদের সাহায্য নেয়া, অংশগ্রহণমূলক কাজগুলো তারা আরও দ্রুত শিখে নিতে পারে।
- ছেলে এবং মেয়ে উভয় সন্তানকে কাজ করতে উতসাহিত করা।
- শতভাগ পারফেক্ট না চাওয়া। ছোটরা করতে করতেই একদিন পারফেক্ট হবে।
- সবসময় পজিটিভ থাকা, ধৈর্যের সাথে তাদের কাজের সুযোগ দেয়া।
Formal schooling will make you a living; Home schooling will make you a fortune.
09/08/2020
Formal schooling will make you a living; Home schooling will make you a fortune.
08/08/2020
যাতে তোমরা আফসোস না কর তার উপর যা তোমাদের থেকে হারিয়ে গেছে এবং তোমরা উৎফুল্ল না হও তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তার কারণে। আর আল্লাহ কোন উদ্ধত ও অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না।
(সূরা আল-হাদিদ, ৫৭:২২)
06/08/2020
So that you may not grieve for what has escaped you, nor be exultant at what He has given you; and Allah does not love any arrogant boaster (Surah Al-Hadid, Verse 23)
01/08/2020
On this blessed occasion of Eid, wishing you and your family joy, happiness, peace and prosperity! Eid Mubarak!
29/07/2020
করোনাভাইরাস আমাদের যেসব মূল্যবান শিক্ষা অর্জন করতে শেখায় তার অন্যতম শিক্ষাগুলো হলো:
১) আমাদের সব কাজের একটা এক্সিট ওয়ে চিন্তা করে রাখা উচিত। যাতে কাজটি না হলে আমরা অন্যটি নিয়ে চিন্তা করতে পারি।
২) সব ইনভেস্টমেন্ট একজায়গায় করা উচিত নয়। তা না হলে একবারেই সব লসও হতে পারে।
৩) ভোগের উদ্দেশ্য না রেখে সামান্য হলেও সঞ্চয় করা প্রয়োজন যাতে ইমার্জেন্সিতে কাজে লাগে।
৪) অপ্রয়োজনিয় ব্যয় পরিহার করা জরুরি।
৫) আয় থেকে ব্যয় যাতে কোন ভাবেই বেশি না হয়, বাৎসরিক হিসাবে।
৬) কাউকে খুশি করার জন্য বা লজ্জায় সামর্থ্যের বাইরের খরচ করা অনুচিত।
৭) নিজের বিপদের কথা কাউকে শেয়ার করতে নেই। এমনকি নিজের বারাকার কথাও না। অন্যথায় তাদের আপসোসে আপনার বারাকা নষ্ট হতে পার।
৮) বিপদে হতাশ না হওয়া। আল্লাহর রহমতের আশা করা। ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সাথে সামনের দিকে পা বাড়ানো।
৯) সচ্ছলতার সময়ও আল্লাহকে বেশি বেশি স্বরণ করা।
আসুন মসিবতের সময়কে রহমতের সময় হিসেবে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। আগামির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করি।
26/07/2020
"সন্তান আপনাদের দায়িত্ব আমাদের-আপনাদের, উভয়ের"।
উভয়ের প্রচেষ্টা আর দায়িত্বশীল আচরণেই তৈরি হবে আমাদের স্বপ্নের আগামি প্রজন্ম আর আপনাদের কাঙ্ক্ষিত সুসন্তান। বাংলাদেশ পাবে একজন সুনাগরিক আর মানবজাতি পাবে একজন মানবিক গুণ সম্পন্ন প্রগতিশীল মানুষ।
"সন্তান আপনাদের দায়িত্ব আমাদের"! এই স্লোগান আমাদের নয়।
15/03/2020
হে আল্লাহ! এই ছোট ছোট মাসুম বাচ্চাগুলোর হাতের উসিলায় আমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দিন। আপনার আজাব থেকে আমাদের সকলকে রক্ষা করুন আমিন।
মহামারির দোয়া পড়ছে আমাদের কলিজার টুকরোগুলা। অনেক বেবিরা আসেনি। নিজ থেকেই স্কুল অফ রাখছে অভিভাবকগণ। তার মাঝে এই বেবিগুলো আসছে রেগুলার। ওদের তাই দোয়াটা মেমোরাইজ করায়ে দিলাম।
আল্লাহ আমাদের বেবিদের উসিলায় আমাদেরকেও হিফাজত করুন। আমিন।