20/02/2026
একুশ আমার চেতনা,
একুুশ আমার রক্ত দিয়ে কেনা মায়ের মধুর ভাষা!
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।
শিশু শিক্ষার আদর্শ প্রতিষ্ঠান। পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষার সু-ব্যবস্হা রয়েছে।
20/02/2026
একুশ আমার চেতনা,
একুুশ আমার রক্ত দিয়ে কেনা মায়ের মধুর ভাষা!
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।
14/02/2026
বইপাঠ মনন শুদ্ধতার অঙ্গীকার।
আজ হতে সাত বছর আগে বন্দরে অনুষ্ঠিতব্য বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছিল বর্ণমালা শিশু নিকেতন—সেই স্মৃতি আজও যেন হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে। ছোট্ট সোনামনিদের কোলাহল, নতুন বইয়ের ঘ্রাণ আর রঙিন স্টলের সাজসজ্জায় পুরো মেলাপ্রাঙ্গণ হয়ে উঠেছিল প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর।
বর্ণমালা শিশু নিকেতনের স্টলটি ছিল সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি দেয়ালিকা, চিত্রাঙ্কন, হাতের কাজ ও সুন্দর হাতের লেখার নমুনা সবার দৃষ্টি কাড়ে। ছোট্ট শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কবিতা পাঠ ও গল্প বলায় অংশ নিয়ে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছিল। তাদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা দেখে অভিভাবক ও অতিথিরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন।
মেলায় নতুন বইয়ের সমাহার ছিল জ্ঞান ও আনন্দের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। শিক্ষার্থীরা প্রিয় গল্পের বই হাতে নিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। শিক্ষকবৃন্দও শিশুদের বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে উৎসাহ দেন এবং বইয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে সুন্দর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সেদিনের বইমেলা শুধু একটি আয়োজনই ছিল না—এটি ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দঘন শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা। জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে সেই অংশগ্রহণ।
বর্ণমালা শিশু নিকেতনের সেই অংশগ্রহণ আজও প্রমাণ করে—বইই হলো মানুষের প্রকৃত বন্ধু, আর বইমেলা হলো জ্ঞানের উৎসব।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন ইউ.এন.ও মহোদয় পিন্টু বেপারী। আয়োজক হিসেবে ছিলেন Shah Ali Md Pintu Khan ভাই, বন্দর থানা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এবং সমমনা পাঠাগার এবং বন্দর থানা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর স্কুল সকল।
11/02/2026
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী।
বই হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার !
বাঙালির বিগত প্রাণের বইমেলায় বিদগ্ধ লেখক Farid M. Gazi এর প্রকাশিত বইসহ প্রিন্সিপাল ম্যাম Rubi Afrin।
পৃথিবীর আর সভ্য জাত যতই চোখের সংখ্যা বাড়াতে ব্যস্ত, আমরা ততই আরব্য উপন্যাসের এক-চোখ দৈত্যর মতো ঘোঁত ঘোঁত করি আর চোখ বাড়াবার কথা তুললেই চোখ রাঙাই।
চোখ বাড়াবার পন্হাটা কী? প্রথমত - বই পড়া, এবং তার জন্য দরকার বই কেনার প্রবৃত্তি।
সৈয়দ মুজতবা আলী
বাঙালি সাহিত্যিক
(১৯০৪-১৯৭৫)
চল চল চল
উর্ধ গগনে বাজে মাদল
05/02/2026
মুগ্ধতা ছড়ানো সব বই!
বৈচিত্র্যময় শিশুসুলভ বইয়ের পঠন শিশুমনে কেবল আনন্দই আনে না, কৌতূহল, কল্পনা আর জানার আগ্রহকে একসাথে আলোড়িত করে। রঙিন প্রচ্ছদ, সহজ ভাষা আর জীবনের ছোট ছোট গল্পে ভরা এসব বই শিশুদের মনকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল।
বর্ণমালা শিশু নিকেতন এর অন্যতম উপদেষ্টা ও শিক্ষানুরাগী এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক Farid M. Gazi এর পক্ষ থেকে স্কুলে অবস্হিত গাজী ইলিয়াছ স্মৃতি গ্রন্থাগারে উপহার দেওয়া এসব বই যেন শিশুদের হাতে তুলে দিলো নতুন এক স্বপ্নের দরজা। বইয়ের পাতায় পাতায় তারা খুঁজে পায় হাসি, প্রশ্ন আর উত্তর—যা ধীরে ধীরে গড়ে তোলে তাদের চিন্তাশীল ও মানবিক মন। এই মহতী উদ্যোগ শিশুদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি জ্ঞানের আলোয় তাদের ভবিষ্যৎকে আলোকিত করার এক অনন্য প্রয়াস।
আমাদের যুগে আমরা যখন খেলতাম পুতুল খেলা,
ওরা এ যুগে এখন জয় করবে কম্পিউটার আর টেসলা!
কম্পিউটার ক্লাসে ওদের হুটোপুটি!
29/01/2026
তোমরা যখন শিখছ পড়া
মানুষ হওয়ার জন্য
আমরা না হয় পাখিই হব
পাখির মতো বন্য!
- কবি আল মাহমুদ
যে মন নৃত্য করতে জানে, সে মন কখনো ক্লান্ত হয় না।
আমাদের বিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা!
25/01/2026
খোদা সত্য। এই নশ্বর রঙ্গমঞ্চে ক্ষুধাও অতি সত্য!
ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার খাবার সে তো পরম আরাধ্য।রেজাল্ট ভালো হওয়ায় কৃতজ্ঞতা আর আনন্দ ভাগাভাগি করতে গার্ডিয়ান সম্মানের সহিত সকল টিচারদের খাওয়ান। ধন্যবাদ সম্মানিত অভিভাবককে।
স্নেহ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভরা এই আয়োজন যেন ছিল এক হৃদ্যতার মিলনমেলা।
টিচারদের অক্লান্ত পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে এই আপ্যায়ন ছিল খুবই আন্তরিক ও মর্যাদাপূর্ণ।
হাসিমুখে একসাথে বসে খাওয়ার সেই মুহূর্তগুলো স্কুল–পরিবারের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
শিক্ষক ও অভিভাবকের এই সুন্দর সহমর্মিতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সমস্ত শিক্ষার্থী সুনাগরিক মেধাবী হিসাবে গড়ে উঠুক আমরা সে কামনা করি।
হারজিত চিরদিন থাকবে!
আজকে ওদের সাপ্তাহিক খেলার দিন।
19/01/2026
আমাদের বিদ্যালয়ের প্রাত্যাহিক সমাবেশ। ধন্যবাদ প্রিন্সিপাল ম্যামসহ Rubi Afrin অন্যান্য সকল শিক্ষক মহোদয়কে যারা নিম্মোক্ত সমস্তসূচী সুন্দরভাবে পালন করতে সহযোগিতা করেন।
প্রাত্যাহিক সমাবেশের উপকারিতা।
১. শৃঙ্খলা শেখায়
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোতে শিক্ষার্থীরা নিয়ম-কানুন মানতে শেখে।
২. সময়ানুবর্তিতা তৈরি করে
সমাবেশে নিয়মিত উপস্থিত থাকার মাধ্যমে সময়ের মূল্য বুঝতে শেখে।
৩. নৈতিক শিক্ষা দেয়
জাতীয় সংগীত, শপথ ও ভালো কথা শুনে শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে ওঠে।
৪. আত্মবিশ্বাস বাড়ায়
কবিতা পাঠ, বক্তব্য বা গান গাওয়ার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
৫. শারীরিক সতেজতা আনে
হালকা ব্যায়াম বা দোয়া পড়ার মাধ্যমে শরীর ও মন চাঙা হয়।
৬. দেশপ্রেম জাগ্রত করে
জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে দেশপ্রেমের অনুভূতি তৈরি হয়।
৭. সামাজিকতা শেখায়
বন্ধুদের সঙ্গে মিলেমিশে দাঁড়ানো ও একসাথে কাজ করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।
৮. মনোযোগ বাড়ায়
দিনের শুরুতেই সমাবেশে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে সাহায্য করে।
৯. নেতৃত্ব গুণ বিকাশ করে
সমাবেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে নেতৃত্বের গুণ তৈরি হয়।
১০. ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলে
দিনের শুরুটা সুন্দর হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আনন্দ নিয়ে ক্লাসে অংশ নেয়।
আমরাও পুরো বিষয় অনুসরণ করে তাদেরকে বিশ্ব নাগরিকের সোপান তৈরি করতে চাই।
18/01/2026
শীতের স্নিগ্ধ সকালে আয়োজন করা হয়েছিল এক সুন্দর আপ্যায়নের। পিঠাপুলির মিষ্টি ঘ্রাণে ভরে উঠেছিল চারপাশ। একদিন খাওয়ালো ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা পিঠা অন্য আরো একদিন ছিল গরম গরম খুদ ভাত। তার পাশে সাজানো ছিল নানা স্বাদের ভর্তা—আলু, বেগুন, সজ পাতা, কালো জিরা, বাদাম, ডাল, বিভিন্ন ধরনের শুঁটকি ও সরিষার ঝাঁজে মুখরোচক আয়োজন।
এই আয়োজনের মাধ্যমে গার্ডিয়ানরা আন্তরিকতার সঙ্গে টিচারদের খাইয়েছেন। শিক্ষক ও অভিভাবকের মিলিত হাসি, গল্প আর সৌহার্দ্যে পরিবেশ হয়ে উঠেছিল আরও প্রাণবন্ত। শীতের এই ছোট্ট আয়োজন শুধু খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার এক সুন্দর নিদর্শন হয়ে থাকবে আমাদের মনে।
| Monday | 07:40 - 13:00 |
| Tuesday | 07:40 - 13:00 |
| Wednesday | 07:40 - 13:00 |
| Thursday | 07:40 - 13:00 |
| Sunday | 07:40 - 13:45 |