চলো ভগবান কে জানি

চলো ভগবান কে জানি জ্ঞান অমুল্য সম্পদ, পুরো পৃথিবী অস্ত্র দিয়ে নয়, জ্ঞান দিয়ে শাসন করা হচ্ছে। তাই শিক্ষা কখনই কমে না, জানার কোনো বয়স হয়না। হরেকৃষ্ণ❤️ চলো ভগবান কে জানি 👏
(1)

শ্রীকৃষ্ণের ১০৮ নাম 👈শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন | ১যশোদা রাখিল নাম যাদু বাছাধন || ২উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল | ...
04/09/2026

শ্রীকৃষ্ণের ১০৮ নাম 👈

শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন | ১
যশোদা রাখিল নাম যাদু বাছাধন || ২
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল | ৩
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল || ৪
সুবল রাখিল নাম ঠাকুর কানাই | ৫
শ্রীদাম রাখিল নাম রাখাল রাজা ভাই || ৬
ননীচোরা নাম রাখে যতেক গোপিনী | ৭
কালসোনা নাম রাখে রাধা-বিনোদিনী || ৮
কুব্জা রাখিল নাম পতিত-পাবন হরি | ৯
চন্দ্রাবলী নাম রাখে মোহন-বংশীধারী || ১০
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া | ১১
কৃষ্ণ নাম রাখে গর্গ ধ্যানেতে জানিয়া || ১২
কণ্বমুনি নাম রাখে দেব-চক্রপাণি | ১৩
বনমালী নাম রাখে বনের হরিণী || ১৪
গজদন্তী নাম রাখে শ্রীমধুসূদন | ১৫
অজামিল নাম রাখে দেব নারায়ণ || ১৬
পুরন্দর নাম রাখে দেব শ্রীগোবিন্দ | ১৭
দ্রৌপদী রাখিল নাম দেব দীনবন্ধু || ১৮
সুদাম রাখিল নাম দারিদ্র-ভঞ্জন | ১৯
ব্রজবাসী নাম রাখে ব্রজের জীবন || ২০
দর্পহারী নাম রাখে অর্জ্জুন সুধীর | ২১
পশুপতি নাম রাখে গরুড় মহাবীর || ২২
যুধিষ্ঠির নাম রাখে দেব যদুবর | ২৩
বিদুর রাখিল নাম কাঙাল ঈশ্বর || ২৪
বাসুকি রাখিল নাম দেব-সৃষ্টি-স্থিতি | ২৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ধ্রুবের সারথি || ২৬
নারদ রাখিল নাম ভক্ত প্রাণধন | ২৭
ভীষ্মদেব নাম রাখে লক্ষ্মী-নারায়ণ || ২৮
সত্যভামা নাম রাখে সত্যের সারথি | ২৯
জাম্বুবতী নাম রাখে দেব যোদ্ধাপতি || ৩০
বিশ্বামিত্র নাম রাখে সংসারের সার | ৩১
অহল্যা রাখিল নাম পাষাণ-উদ্ধার || ৩২
ভৃগুমুনি নাম রাখে জগতের হরি | ৩৩
পঞ্চমুখে রামনাম গান ত্রিপুরারি || ৩৪
কুঞ্জকেশী নাম রাখে বলী সদাচারী | ৩৫
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নৃসিংহ-মুরারি || ৩৬
বশিষ্ঠ রাখিল নাম মুনি-মনোহর | ৩৭
বিশ্বাবসু নাম রাখে নব-জলধর || ৩৮
সম্বর্ত্তক রাখে নাম গোবর্দ্ধনধারী | ৩৯
প্রাণপতি নাম রাখে যত ব্রজনারী || ৪০
অদিতি রাখিল নাম অরাতি-সূদন | ৪১
গদাধর নাম রাখে যমল-অর্জ্জুন || ৪২
মহাযোদ্ধা নাম রাখে ভীম মহাবল | ৪৩
দয়ানিধি নাম রাখে দরিদ্র সকল || ৪৪
বৃন্দাবনচন্দ্র নাম রাখে বৃন্দাদূতী | ৪৫
বিরজা রাখিল নাম যমুনার পতি || ৪৬
বাণীপতি নাম রাখে গুরু বৃহস্পতি | ৪৭
লক্ষ্মীপতি নাম রাখে সুমন্ত্র-সারথি || ৪৮
সন্দীপনী নাম রাখে দেব অন্তর্যামী | ৪৯
পরাশর নাম রাখে ত্রিলোকের স্বামী || ৫০
পদ্মযোনি নাম রাখে অনাদির আদি | ৫১
নট-নারায়ণ নাম রাখিল সম্পাতি || ৫২
হরেকৃষ্ণ নাম রাখে প্রিয় বলরাম | ৫৩
ললিতা রাখিল নাম দূর্ব্বাদল শ্যাম || ৫৪
বিশাখা রাখিল নাম অনঙ্গমোহন | ৫৫
সুচিত্রা রাখিল নাম শ্রীবংশীবদন || ৫৬
আয়ান রাখিল নাম ক্রোধ-নিবারণ | ৫৭
চন্ডকেশী নাম রাখে কৃতান্ত-শাসন || ৫৮
জ্যোতিষ্ক রাখিল নাম নীলকান্তমণি | ৫৯
গোপীকান্ত নাম রাখে সুদাম-ঘরণী || ৬০
ভক্ত গণ নাম রাখে দেব জগন্নাথ | ৬১
দুর্ব্বাসা রাখেন নাম অনাথের নাথ || ৬২
রাসেশ্বর নাম রাখে যতেক মালিনী | ৬৩
সর্ব্বযজ্ঞেশ্বর নাম রাখেন শিবানী || ৬৪
উদ্ধব রাখিল নাম মিত্র-হিতকারী | ৬৫
অক্রূর রাখিল নাম ভব-ভয়হারী || ৬৬
গুঞ্জমালী নাম রাখে নীল-পীতবাস | ৬৭
সর্ব্ববেত্তা নাম রাখে দ্বৈপায়ন ব্যাস || ৬৮
অষ্টসখী নাম রাখে ব্রজের ঈশ্বর | ৬৯
সুরলোকে নাম রাখে অখিলের সার || ৭০
বৃষভানু নাম রাখে পরম-ঈশ্বর | ৭১
স্বর্গবাসী নাম রাখে সর্ব্ব পারাত্পর || ৭২
পুলোমা রাখেন নাম অনাথের সখা | ৭৩
রসসিন্ধু নাম রাখে সখী চিত্রলেখা || ৭৪
চিত্ররথ নাম রাখে অরাতি-দমন | ৭৫
পুলস্ত্য রাখিল নাম নয়ন-রঞ্জন || ৭৬
কশ্যপ রাখেন নাম রাস-রাসেশ্বর | ৭৭
ভান্ডারীক নাম রাখে পূর্ণ শশধর || ৭৮
সুমালী রাখিল নাম পুরুষ-প্রধান | ৭৯
পুরঞ্জন নাম রাখে ভক্তগণ-প্রাণ || ৮০
রজকিনী নাম রাখে নন্দের দুলাল | ৮১
আহ্লাদিনী নাম রাখে ব্রজের গোপাল || ৮২
দেবকী রাখিল নাম নয়নের মণি | ৮৩
জ্যোতির্ময় নাম রাখে যাজ্ঞবল্ক্য মুনি || ৮৪
অত্রিমুনি নাম রাখে কোটি চন্দ্রেশ্বর | ৮৫
গৌতম রাখিল নাম দেব বিশ্বম্ভর || ৮৬
মরীচি রাখিল নাম অচিন্ত্য-অচ্যুত | ৮৭
জ্ঞানাতীত নাম রাখে সৌনকাদি-সুত || ৮৮
রুদ্রগণ নাম রাখে দেব মহাকাল | ৮৯
বসুগণ নাম রাখে ঠাকুর দয়াল || ৯০
সিদ্ধগণ নাম রাখে পুতনা-নাশন | ৯১
সিদ্ধার্থ রাখিল নাম কপিল তপোধন || ৯২
ভাগুরি রাখিল নাম অগতির গতি | ৯৩
মত্স্যগন্ধা নাম রাখে ত্রিলোকের পতি || ৯৪
শুক্রাচার্য্য রাখে নাম অখিল-বান্ধব | ৯৫
বিষ্ণুলোকে নাম রাখে শ্রীমাধব || ৯৬
যদুগণ নাম রাখে যদুকুলপতি | ৯৭
অশ্বিনীকুমার নাম রাখে সৃষ্টি-স্থিতি || ৯৮
অর্য্যমা রাখিল নাম কাল-নিবারণ | ৯৯
সত্যবতী নাম রাখে অজ্ঞান-নাশন || ১০০
পদ্মাক্ষ রাখিল নাম ভ্রমর-ভ্রমরী | ১০১
ত্রিভঙ্গ রাখিল নাম যত সহচরী || ১০২
বঙ্কচন্দ্র নাম রাখে শ্রীরূপমঞ্জরী | ১০৩
মাধুরী রাখিল নাম গোপী-মনোহারী || ১০৪
মঞ্জুমালী নাম রাখে অভীষ্ট পূরণ | ১০৫
কুটিলা রাখিল নাম মদনমোহন || ১০৬
মঞ্জরী রাখিল নাম কর্ম্মবন্ধ-নাশ | ১০৭
ব্রজবধূ নাম রাখে পূর্ণ অভিলাষ || ১০৮

 # # # 🌺 মা মনসার ১০৮ নাম ও অর্থ১. **মনসা** — মনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।২. **পদ্মা** — পদ্মের মতো পবিত্র ও সুন্দরী।৩. **পদ্ম...
18/08/2026

# # # 🌺 মা মনসার ১০৮ নাম ও অর্থ

১. **মনসা** — মনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
২. **পদ্মা** — পদ্মের মতো পবিত্র ও সুন্দরী।
৩. **পদ্মাবতী** — পদ্মে বিরাজমান দেবী।
৪. **বিষহরি** — বিষ নাশ করেন যিনি।
৫. **বিষহরা** — বিষের প্রভাব হরণকারিণী।
৬. **বিষনাশিনী** — বিষ ধ্বংসকারিণী।
৭. **নাগেশ্বরী** — নাগদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
৮. **নাগমাতা** — নাগদের মাতা।
৯. **নাগকন্যা** — নাগকুলের কন্যা।
১০. **নাগেশী** — নাগদের রক্ষাকর্ত্রী।
১১. **জরৎকারু** — জরৎকারু মুনির সঙ্গে সম্পর্কিত দেবী।
১২. **জরৎকারুপ্রিয়া** — জরৎকারু মুনির প্রিয়।
১৩. **আস্তিকমাতা** — ঋষি আস্তিকের জননী।
১৪. **শৈবী** — শিবের সঙ্গে সম্পর্কিত দেবী।
১৫. **শৈবকন্যা** — শিবের কন্যারূপে পূজিতা।
১৬. **শিবপ্রিয়া** — শিবের প্রিয়।
১৭. **শিবানী** — শিবের শক্তিরূপা।
১৮. **গৌরী** — উজ্জ্বল ও পবিত্র রূপের অধিকারিণী।
১৯. **ভগবতী** — পরম শক্তিসম্পন্ন দেবী।
২০. **জগন্মাতা** — সমগ্র জগতের মাতা।
২১. **জগদম্বা** — জগতের অম্বা বা জননী।
২২. **জগদ্ধাত্রী** — যিনি জগতকে ধারণ করেন।
২৩. **বিশ্বমাতা** — সমগ্র বিশ্বের মাতা।
২৪. **বিশ্বেশ্বরী** — বিশ্বের অধিষ্ঠাত্রী ঈশ্বরী।
২৫. **মহামায়া** — মহাশক্তির মায়াময়ী রূপ।
২৬. **মহাদেবী** — মহান দেবী।
২৭. **মহাশক্তি** — পরম শক্তির আধার।
২৮. **আদ্যাশক্তি** — সৃষ্টির আদিম শক্তি।
২৯. **দেবী** — ঐশ্বরিক শক্তির অধিষ্ঠাত্রী।
৩০. **সিদ্ধিদাত্রী** — ভক্তকে সিদ্ধি প্রদানকারিণী।
৩১. **বরদায়িনী** — বর প্রদান করেন যিনি।
৩২. **মঙ্গলদায়িনী** — মঙ্গল ও কল্যাণ প্রদানকারিণী।
৩৩. **মঙ্গলচণ্ডী** — মঙ্গলদায়িনী শক্তিরূপা।
৩৪. **দুঃখহন্ত্রী** — দুঃখ দূর করেন যিনি।
৩৫. **বিপদনাশিনী** — বিপদ থেকে রক্ষা করেন যিনি।
৩৬. **ভয়হারিণী** — ভয় দূর করেন যিনি।
৩৭. **রোগনাশিনী** — রোগ ও কষ্ট নিবারণকারিণী।
৩৮. **বিষহন্ত্রী** — বিষের বিনাশকারিণী।
৩৯. **বিষহারিণী** — বিষের কষ্ট হরণকারিণী।
৪০. **ভক্তবৎসলা** — ভক্তদের প্রতি স্নেহশীলা।
৪১. **ভক্তপ্রিয়া** — ভক্তদের ভালোবাসেন যিনি।
৪২. **ভক্ততারিণী** — ভক্তকে বিপদ থেকে উদ্ধারকারিণী।
৪৩. **করুণাময়ী** — অসীম করুণার অধিকারিণী।
৪৪. **দয়াময়ী** — দয়ায় পরিপূর্ণ দেবী।
৪৫. **দীনদয়ালিনী** — অসহায় ও দীনদের প্রতি দয়াশীলা।
৪৬. **আশ্রয়দাত্রী** — আশ্রয় প্রদানকারিণী।
৪৭. **অভয়দায়িনী** — ভয়মুক্তির আশীর্বাদ দেন যিনি।
৪৮. **সুখদায়িনী** — সুখ প্রদানকারিণী।
৪৯. **শান্তিদায়িনী** — শান্তি প্রদানকারিণী।
৫০. **কল্যাণময়ী** — কল্যাণে পরিপূর্ণ দেবী।
৫১. **সৌভাগ্যদায়িনী** — সৌভাগ্য প্রদানকারিণী।
৫২. **সন্তানদায়িনী** — সন্তানলাভের আশীর্বাদ প্রদানকারিণী।
৫৩. **ধনদায়িনী** — সমৃদ্ধি ও ঐশ্বর্য প্রদানকারিণী।
৫৪. **যশোদায়িনী** — যশ ও সম্মান প্রদানকারিণী।
৫৫. **ঐশ্বর্যদায়িনী** — ঐশ্বর্য প্রদানকারিণী।
৫৬. **সিদ্ধেশ্বরী** — সিদ্ধির অধিষ্ঠাত্রী ঈশ্বরী।
৫৭. **সিদ্ধিদায়িনী** — সিদ্ধি প্রদানকারিণী।
৫৮. **বরপ্রদা** — অভীষ্ট বর প্রদানকারিণী।
৫৯. **বরদা** — বরদানকারী দেবী।
৬০. **কামদা** — ন্যায়সঙ্গত ইচ্ছা পূরণকারিণী।
৬১. **কামরূপিণী** — ইচ্ছানুযায়ী রূপ ধারণকারিণী।
৬২. **ইচ্ছাময়ী** — পরম ইচ্ছাশক্তির রূপ।
৬৩. **ত্রিনয়নী** — তিন নয়নের অধিকারিণী।
৬৪. **চণ্ডিকা** — শক্তিশালী ও উগ্র দেবীরূপ।
৬৫. **চণ্ডী** — অসুর ও অশুভ শক্তির বিনাশকারিণী।
৬৬. **উগ্রচণ্ডা** — প্রবল শক্তির উগ্ররূপা।
৬৭. **ভদ্রকালী** — কল্যাণময়ী কালীরূপা।
৬৮. **কালিকা** — শক্তির কালীরূপ।
৬৯. **দুর্গা** — দুর্গতি থেকে রক্ষা করেন যিনি।
৭০. **দুর্গতিনাশিনী** — দুর্গতি ও বিপদ নাশকারিণী।
৭১. **মহিষমর্দিনী** — অশুভ শক্তি দমনকারিণী।
৭২. **শক্তিরূপিণী** — পরম শক্তির প্রকাশ।
৭৩. **তেজস্বিনী** — দিব্য তেজে উজ্জ্বল।
৭৪. **মহাবলা** — অপরিসীম শক্তির অধিকারিণী।
৭৫. **মহাশক্তিধারিণী** — মহান শক্তি ধারণকারিণী।
৭৬. **কৃপাময়ী** — কৃপায় পরিপূর্ণ।
৭৭. **দুঃখহারিণী** — দুঃখ ও কষ্ট হরণকারিণী।
৭৮. **পাপহারিণী** — পাপ ও অশুভ কর্ম থেকে মুক্তিদাত্রী।
৭৯. **পুণ্যদায়িনী** — পুণ্যলাভের আশীর্বাদ প্রদানকারিণী।
৮০. **মুক্তিদায়িনী** — মুক্তির পথ প্রদর্শনকারিণী।
৮১. **মোক্ষপ্রদায়িনী** — মোক্ষ প্রদানকারিণী।
৮২. **জ্ঞানদায়িনী** — জ্ঞান প্রদানকারিণী।
৮৩. **বিদ্যাদায়িনী** — বিদ্যা ও শিক্ষার আশীর্বাদদাত্রী।
৮৪. **বুদ্ধিদায়িনী** — শুভ বুদ্ধি প্রদানকারিণী।
৮৫. **ধর্মদায়িনী** — ধর্মের পথে পরিচালনাকারিণী।
৮৬. **সত্যরূপিণী** — সত্যের প্রতীক ও প্রকাশ।
৮৭. **সতী** — পবিত্র ও নিষ্ঠাবতী দেবী।
৮৮. **পতিব্রতা** — স্বামীর প্রতি একনিষ্ঠা ও সতীত্বের প্রতীক।
৮৯. **পত্নী** — পত্নীরূপে পূজিতা।
৯০. **নাগভূষণা** — নাগকে অলংকাররূপে ধারণকারিণী।
৯১. **নাগবাহনা** — নাগকে বাহনরূপে ধারণকারিণী।
৯২. **নাগমালিনী** — নাগমালায় অলংকৃতা।
৯৩. **ফণিধারিণী** — সর্পের ফণা ধারণকারিণী।
৯৪. **ফণিমাতা** — সর্পকুলের মাতৃরূপা।
৯৫. **পদ্মহস্তা** — হাতে পদ্মধারিণী।
৯৬. **পদ্মাসনা** — পদ্মাসনে বিরাজমানা।
৯৭. **পদ্মলোচনা** — পদ্মের মতো সুন্দর নয়ন যার।
৯৮. **পদ্মমুখী** — পদ্মের মতো সুন্দর মুখমণ্ডল যার।
৯৯. **পদ্মবদনা** — পদ্মের মতো মনোহর বদন যার।
১০০. **কমলিনী** — কমলের মতো পবিত্র ও সুন্দরী।
১০১. **কমললোচনা** — কমলের মতো কোমল নয়ন যার।
১০২. **রত্নময়ী** — অমূল্য রত্নের মতো মহিমান্বিতা।
১০৩. **রত্নেশ্বরী** — রত্নের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
১০৪. **দেবসেনা** — দেবশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত মহীয়সী।
১০৫. **নাগলোকেশ্বরী** — নাগলোকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
১০৬. **পাতালেশ্বরী** — পাতাললোকের অধিষ্ঠাত্রী শক্তি।
১০৭. **সর্বরক্ষাকরী** — সকলকে রক্ষা করেন যিনি।
১০৮. **মনসাদেবী** — ভক্তের মঙ্গল ও বিষভয় নাশকারিণী দেবী।

🙏 **জয় মা মনসা।**
🌺 **মা মনসাদেবীর চরণে শতকোটি প্রণাম।**

#মনসাপূজা

জয় জগন্নাথ 🙏🙏
14/08/2026

জয় জগন্নাথ 🙏🙏

12/08/2026

আজ ১২ আগস্ট সূর্য গ্রহন জানুন সঠিক সময়

কামিকা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য:শ্রাবণ কৃষ্ণপক্ষীয়া কামিকা একাদশীর কথা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ-সংবাদে বলা হ...
09/08/2026

কামিকা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য:

শ্রাবণ কৃষ্ণপক্ষীয়া কামিকা একাদশীর কথা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ-সংবাদে বলা হয়েছে।

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন-হে গোবিন্দ! হে বাসুদেব! শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম এবং মাহাত্ম্য সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। তা শুনতে আমি অত্যন্ত কৌতুহলী।
প্রত্যুত্তরে ভক্তবৎসল ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে রাজন! পূর্বে দেবর্ষি নারদ প্রজাপতি ব্রহ্মাকে এই প্রশ্ন করলে তিনি যে উত্তর প্রদান করেছিলেন আমি এখন সেই কথাই বলছি। আপনি মনোযোগ সহকারে তা শ্রবণ করুন।
একসময় ব্রহ্মার কাছে ভক্তশ্রেষ্ঠ নারদ জিজ্ঞাসা করলেন-হে ভগবান! শ্রাবণ
মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি, এর আরাধ্য দেবতা কে, সেই ব্রতের বিধিই বা কিরকম এবং এই ব্রতের ফলে কি পুণ্য লাভ হয় তা সবিশেষ জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা জানালে আমার জীবন ধন্য হবে।
শ্রীনারদের কথা শুনে ব্রহ্মা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হলেন। তিনি বললেন-হে বৎস! জগৎ জীবের মঙ্গলের জন্য আমি তোমার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিচ্ছি, তুমি তা শ্রবণ কর।
শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘কামিকা’ নামে জগতে প্রসিদ্ধা। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। ভগবান শ্রীহরির পূজা-অর্চনা অপরিমিত পূর্ণ ফল প্রদান করে। গঙ্গা গোদাবরী কাশী নৈমিষ্যারণ্য পুষ্কর ইত্যাদি তীর্থ দর্শনের সমস্ত ফল একমাত্র কৃষ্ণপূজার মাধ্যমে কোটিগুণ লাভ করা যায়।
সাগর ও অরণ্য যুক্ত পৃথিবী দানের ফল, দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে এই ব্রত পালনে লাভ হয়। যারা পাপপূর্ণ সাগরে নিমগ্ন এই ব্রতই তাদের উদ্ধারের একমাত্র সহজ উপায়। এইরকম পবিত্র পাপনাশক শ্রেষ্ঠ ব্রত আর জগতে নেই। শ্রীহরি স্বয়ং এই মাহাত্ম্য কীর্তন করেছেন। রাত্রি জাগরণ করে যারা এই ব্রত পালন করেন তাঁরা কখনও দু:খ-দুর্দশাগ্রস্ত হন না। এই ব্রত পালনকারী কখনও নিম্নযোনি প্রাপ্ত হন না।
কেশবপ্রিয়া তুলসীপত্রে যিনি শ্রীহরির পূজা করেন পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি পাপে নির্লিপ্ত থাকেন। তুলসীপত্র দিয়ে বিষ্ণুপূজায় ভগবান যেমন সন্তুষ্ট হন, মণিমুক্তাদি মূল্যবান রত্ন মাধ্যমেও তেমন প্রীত হন না। যিনি কেশবকে তুলসীমঞ্জরী দিয়ে পূজা করেন তার জন্মার্জিত সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ব্রহ্মা বললেন-হে নারদ! যিনি তুলসীকে প্রত্যহ দর্শন করেন তার সকল পাপরাশি বিদূরিত হয়ে যায়, যিনি তাঁকে স্পর্শ করেন তার পাপমলিন দেহ পবিত্র হয়, তাঁকে প্রণাম করলে সমস্ত রোগ দূর হয়, তাঁকে জল সিঞ্চন করলে যমও তার কাছে আসতে ভয় পান। শ্রীহরিচরণে তুলসী অর্পিত হলে ভগবদ্ভক্তি লাভ হয়। তাই হে কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী তোমায় প্রণাম করি।
যে ব্যক্তি হরিবাসরে ভগবানের সামনে দীপদান করেন চিত্রগুপ্তও তাঁর পু্ণ্যের সংখ্যা হিসাব করতে পারে না। তার পিতৃপুরুষেরাও পরম তৃপ্তি লাভ করেন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে রাজন! আমি আপনার কাছে সর্বপাপহারিনী ‘কামিকা’ একাদশীর মাহাত্ম্য বর্ণনা করলাম। অতএব যিনি ব্রহ্মহত্যা ভ্রুণহত্যা-পাপবিনাশিনী, মহাপুণ্যফলদায়ী এই ব্রত পালন করবেন ও এই মাহাত্ম্য শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ অথবা শ্রবণ করবেন তিনি সর্বপাপ থেকে মুক্ত হযে বিষ্ণুলোকে গমন করবেন।

Har Har Mahadev🙏🙏
04/08/2026

Har Har Mahadev🙏🙏

**রথযাত্রার মাহাত্ম্য | কেন রথযাত্রা এত পবিত্র? **নমস্কার। হরে কৃষ্ণ।**আজকের ভিডিওতে আমরা জানব **রথযাত্রার মাহাত্ম্য**, ...
16/07/2026

**রথযাত্রার মাহাত্ম্য | কেন রথযাত্রা এত পবিত্র?
**নমস্কার। হরে কৃষ্ণ।**

আজকের ভিডিওতে আমরা জানব **রথযাত্রার মাহাত্ম্য**, কেন এই উৎসবকে হিন্দু ধর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহোৎসব বলা হয়, এবং কেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত রথের দড়ি টানতে এত আগ্রহী।

---

# # রথযাত্রা কী?

রথযাত্রা হলো ভগবান **জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা দেবীর** মহাপবিত্র রথে আরোহণ করে মন্দির থেকে গুণ্ডিচা মন্দিরে গমন করার উৎসব।

পুরীর এই মহোৎসব হাজার হাজার বছর ধরে পালিত হয়ে আসছে। ভক্তদের বিশ্বাস, এই যাত্রায় ভগবান নিজেই তাঁর ভক্তদের কাছে আসেন। যারা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন না, তারাও যেন ভগবানের দর্শন লাভ করতে পারেন—এই করুণার প্রকাশই রথযাত্রা।

---

# # রথযাত্রার আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, রথযাত্রা কেবল একটি উৎসব নয়; এটি ভক্তি, প্রেম ও আত্মসমর্পণের প্রতীক।

ভগবান জগন্নাথ যখন রথে চড়ে বের হন, তখন তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ধনী-গরিব—কোনো ভেদাভেদ করেন না। তিনি সকলকে সমানভাবে আশীর্বাদ করেন।

---

# # রথের দড়ি টানার মাহাত্ম্য

ভক্তদের বিশ্বাস, আন্তরিক ভক্তিভরে রথের দড়ি টানলে—

* বহু জন্মের পাপ ক্ষয় হয়।
* ভগবানের বিশেষ কৃপা লাভ হয়।
* সংসারের অশান্তি দূর হয়।
* জীবনে শুভ শক্তির আগমন ঘটে।
* ভক্তির পথ সুগম হয়।

তবে মনে রাখতে হবে, এসবের মূল ভিত্তি হলো **আন্তরিক ভক্তি**। শুধু দড়ি টানাই নয়, ভগবানের প্রতি প্রেম ও বিশ্বাসই আসল বিষয়।

---

# # গুণ্ডিচা মন্দিরে যাওয়ার রহস্য

গৌড়ীয় বৈষ্ণব ব্যাখ্যায়, পুরীর শ্রীমন্দিরকে দ্বারকা এবং গুণ্ডিচা মন্দিরকে বৃন্দাবনের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

রথযাত্রায় ভগবান জগন্নাথের গুণ্ডিচা গমনকে শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবনে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। তাই এই যাত্রা ভক্তদের কাছে প্রেম, বিরহ ও মিলনের এক অপূর্ব লীলা।

---

# # শাস্ত্রের শিক্ষা

বিভিন্ন বৈষ্ণব গ্রন্থে রথযাত্রার দর্শন ও ভক্তিভরে অংশগ্রহণের মহিমা বর্ণিত হয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস, ভগবানের নামসংকীর্তন, দর্শন এবং আন্তরিক ভক্তি মানুষের হৃদয়কে পবিত্র করে এবং ঈশ্বরের প্রতি প্রেম জাগিয়ে তোলে।

---

# # রথযাত্রার দিনে কী করবেন?

* সকালে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরুন।
* ভগবান জগন্নাথের পূজা করুন।
* তুলসী পাতা ও ফল নিবেদন করুন।
* "হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র" জপ করুন।

**মহামন্ত্র:**

**হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে।।**

* সম্ভব হলে রথযাত্রায় অংশ নিন।
* ভক্তদের সঙ্গে নামসংকীর্তন করুন।
* দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে খাদ্য বা বস্ত্র দান করুন।

---

# # উপসংহার

রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভগবান ও ভক্তের ভালোবাসার এক চিরন্তন মিলন। এই দিনে আমরা যদি আন্তরিকভাবে ভগবানের শরণ গ্রহণ করি, তাঁর নাম স্মরণ করি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করি, তবে আমাদের জীবনও ভক্তি, শান্তি ও আনন্দে ভরে উঠতে পারে।

**হরে কৃষ্ণ। জয় জগন্নাথ।**

---

#রথযাত্রা #জয়জগন্নাথ #বাংলাভক্তি

বৃহস্পতিবার মা লক্ষ্মী ও নারায়ণের চরণ চিহ্ন দর্শন করে ভক্তিভরে প্রণাম করে শুরু করুন। 🙇🌿এই দর্শনের সাথে সাথে নিচের এই মন্...
09/07/2026

বৃহস্পতিবার মা লক্ষ্মী ও নারায়ণের চরণ চিহ্ন দর্শন করে ভক্তিভরে প্রণাম করে শুরু করুন। 🙇🌿
এই দর্শনের সাথে সাথে নিচের এই মন্ত্র দুইটি উচ্চারণ করে প্রণাম করলে সংসারে সুখ শান্তি বিরাজ করবে।

নারায়ণ প্রণাম মন্ত্র:-

ওঁ নমো নারায়ণায়।
অথবা
শান্তাকারং ভুজগশয়নং পদ্মনাভং সুরেশংবিশ্বাধারং গগনসদৃশং মেঘবর্ণং শুভাঙ্গম্।লক্ষ্মীকান্তং কমলনয়নং যোগিভির্ধ্যাতগম্যংবন্দে বিষ্ণুং ভবভয়হরং সর্ব্বলোকৈকনাথম্।।

মা লক্ষ্মী প্রণাম মন্ত্র:-

ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্য্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্ব্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোহস্তুতে।।

সবাই মা লক্ষ্মীর কৃপায় ভালো থাকুন।
জয় জয় রাধাবল্লভ শ্রীহরিবংশ🌺🌿

সোমবার মহাদেবের বার — এই ৭টি কাজ করলে মহাদেবের বিশেষ কৃপা লাভ হতে পারে 👇হর হর মহাদেব!সনাতন ধর্মে সোমবারকে ভগবান শিবের অত...
15/06/2026

সোমবার মহাদেবের বার — এই ৭টি কাজ করলে মহাদেবের বিশেষ কৃপা লাভ হতে পারে 👇

হর হর মহাদেব!
সনাতন ধর্মে সোমবারকে ভগবান শিবের অত্যন্ত প্রিয় দিন হিসেবে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে ভক্তিভরে মহাদেবের পূজা করলে জীবনের অনেক বাধা দূর হয়, মন শান্ত হয় এবং সংসারে সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পায়। মহাদেব অল্পেই সন্তুষ্ট হন, তাই তাঁকে বলা হয় "ভোলেনাথ"। আন্তরিক ভক্তি থাকলে তিনি দ্রুত ভক্তের প্রার্থনা শুনে থাকেন।আজকের এই ভিডিওতে আমরা জানবো সোমবারে এমন কিছু কাজের কথা, যা করলে মহাদেব খুশি হন এবং তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা যায়।১. ভোরে উঠে স্নান করে "ওঁ নমঃ শিবায়" জপ করুনসোমবার সকালে সূর্যোদয়ের আগে বা যতটা সম্ভব ভোরে উঠে স্নান করুন। এরপর পরিষ্কার পোশাক পরে ভগবান শিবের নাম স্মরণ করুন।"ওঁ নমঃ শিবায়" মন্ত্রটি শিবের সবচেয়ে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় মন্ত্রগুলোর একটি। এই মন্ত্র জপ করলে মন শান্ত হয়, নেতিবাচক চিন্তা দূর হয় এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।প্রতিদিন ১০৮ বার বা সামর্থ্য অনুযায়ী যতবার সম্ভব এই মন্ত্র জপ করতে পারেন।২. শিবলিঙ্গে জল অর্পণ করুনসোমবারে শিবলিঙ্গে জল অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।একটি পাত্রে পরিষ্কার জল নিয়ে ধীরে ধীরে শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন এবং মনে মনে বলুন—"হে মহাদেব, আমার জীবনের সমস্ত অশান্তি দূর করুন।"জল অর্পণের সময় "ওঁ নমঃ শিবায়" মন্ত্র জপ করলে আরও ভালো বলে বিশ্বাস করা হয়।৩. বেলপাতা নিবেদন করুনমহাদেবের সবচেয়ে প্রিয় পত্র হলো বেলপাতা।শাস্ত্র অনুযায়ী তিনটি পত্রযুক্ত বেলপাতা মহাদেবকে নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ।বেলপাতা নিবেদন করার সময় বলুন—"ওঁ নমঃ শিবায়"বিশ্বাস করা হয়, বেলপাতা নিবেদন করলে পাপক্ষয় হয় এবং জীবনের বাধা-বিপত্তি কমে।৪. গরিব ও অসহায় মানুষকে সাহায্য করুনমহাদেব শুধু মন্দিরের পূজায় খুশি হন না, মানুষের সেবাতেও তিনি সন্তুষ্ট হন।সোমবারে যদি সম্ভব হয়—ক্ষুধার্ত কাউকে খাবার দিনদরিদ্র মানুষকে সাহায্য করুনপশুপাখিকে খাবার দিনঅসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানসত্যিকারের দয়া ও মানবসেবা মহাদেবের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।৫. শিবচালিসা বা শিবের কীর্তন শুনুনসোমবারে কিছু সময় ভগবানের জন্য রাখুন।শিবচালিসা পাঠ করতে পারেন অথবা শিবের ভজন ও কীর্তন শুনতে পারেন।যখন মন ভগবানের চিন্তায় নিমগ্ন হয়, তখন মানসিক অশান্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে।অনেক ভক্ত বিশ্বাস করেন, শিবের নামগান ঘরের পরিবেশকেও পবিত্র করে।৬. মিথ্যা, রাগ ও অহংকার থেকে দূরে থাকুনমহাদেব সত্য ও সরলতার প্রতীক।সোমবারে বিশেষভাবে চেষ্টা করুন—মিথ্যা কথা না বলতেকাউকে কষ্ট না দিতেঅকারণে রাগ না করতেঅহংকার না করতেভক্তি শুধু পূজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের আচরণও ভগবানের প্রতি ভক্তির প্রকাশ।৭. উপবাস বা সংযম পালন করুনঅনেক ভক্ত সোমবার ব্রত বা উপবাস পালন করেন।যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে পারেন না, তারা নিরামিষ আহার গ্রহণ করতে পারেন এবং সারাদিন ভগবানের নাম স্মরণ করতে পারেন।উপবাসের মূল উদ্দেশ্য হলো শরীর ও মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভগবানের প্রতি মনোযোগ বাড়ানো।মহাদেব কেন ভোলেনাথ?মহাদেবকে বলা হয় "ভোলেনাথ" কারণ তিনি খুব সহজেই ভক্তের ভক্তিতে সন্তুষ্ট হন।পুরাণে বহু কাহিনী আছে যেখানে দেখা যায়, আন্তরিক ভক্তি দেখে মহাদেব দ্রুত আশীর্বাদ দিয়েছেন।তাঁর কাছে ধন-সম্পদ, বড় আয়োজন বা জাঁকজমক নয়, বরং ভক্তের সত্যিকারের ভালোবাসাই সবচেয়ে মূল্যবান।জীবনে কষ্ট এলে কি করবেন?আমাদের জীবনে সুখ-দুঃখ, লাভ-ক্ষতি, সফলতা-ব্যর্থতা আসতেই থাকে।যখন খুব কষ্ট আসে, তখন অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন।সেই সময় মহাদেবের এই শিক্ষা মনে রাখুন—ধৈর্য ধরুন, সৎ পথে চলুন এবং ভগবানের উপর বিশ্বাস রাখুন।আজ কষ্ট থাকলেও আগামীকাল ভালো সময় আসতে পারে।মহাদেবের একটি অনুপ্রেরণামূলক বাণী"যে ব্যক্তি নিজের কর্মকে সৎ রাখে এবং অন্যের অমঙ্গল কামনা করে না, আমি সর্বদা তার পাশে থাকি।"এই শিক্ষা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ভগবানের কৃপা পেতে হলে আগে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।সংসারে সুখ ও শান্তির জন্য কি করবেন?সোমবারে মহাদেবের পূজার পাশাপাশি—পরিবারের সবাইকে সম্মান করুনবাবা-মায়ের আশীর্বাদ নিনকাউকে অপমান করবেন নাঈর্ষা ও হিংসা থেকে দূরে থাকুনপ্রতিদিন কিছু সময় প্রার্থনা করুনএগুলো শুধু ধর্মীয় কাজ নয়, সুন্দর জীবন গড়ার পথও বটে।শেষ কথাপ্রিয় দর্শক, মনে রাখবেন—মহাদেবের কৃপা পাওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নিষ্কলুষ ভক্তি ও সৎ জীবনযাপন।সোমবারে ভক্তিভরে "ওঁ নমঃ শিবায়" জপ করুন, শিবলিঙ্গে জল অর্পণ করুন, বেলপাতা নিবেদন করুন, মানুষের সেবা করুন এবং সর্বদা সত্যের পথে চলুন।বিশ্বাস করা হয়, এইসব শুভ কাজ মানুষের মনে শান্তি আনে এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রেরণা দেয়।হর হর মহাদেব! জয় ভোলেনাথ!

Address

Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চলো ভগবান কে জানি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to চলো ভগবান কে জানি:

Shortcuts

Share

Category