Govt. tolaram college

Govt. tolaram college

Share

tolaram college information

27/11/2025

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।
from

18/10/2025

🤔 আপনার ডায়াবেটিসের আসল কালপ্রিট(Culprit) কে⁉️ মিষ্টি বা ভাত নয়, আপনার পেটই পর্দার পেছনের আসল খেলোয়াড়!

"পেটের সাথে -ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স" এর সম্পর্ক— এ এক অদৃশ্য ষড়যন্ত্র, যা আপনার সুগার ও ওজনের আসল নিয়ন্ত্রক! 🚦⚖️

🔺 পেটের চর্বি কি চুম্বকের মতো আটকে আছে, কিছুতেই যাচ্ছে না?
🔺 ভাত বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর কি প্রচন্ত ঘুম পায়? 😴
🔺 ঘাড়ে, গলায় বা বগলে কি কালো ছোপ পড়ছে?
🔺 ছোট ছোট আঁচিল ও Skin Tag কি বাড়ছে?
🔺 মিষ্টি বা ভাজাপোড়া খাওয়ার জন্য কি মন সারাক্ষণ ছটফট করে? 🍩
🔺 খাওয়ার একটু পরেই কি আবার ক্ষুধা লাগে?
🔺 খান কিন্তু সারাদিন শরীরে শক্তি পান না, ক্লান্ত লাগে?
🔺 ওজন কমাতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন?
🔺 কাজে মন দিতে পারছেন না, মনোযোগ হারিয়ে ফেলছেন (Brain Fog)?
🔺মাসের পর মাস ডাক্তার দেখাচ্ছেন, ওষুধ খাচ্ছেন, কিন্তু সমাধান মিলছে না?

আপনি হয়তো ভাবছেন—"সব দোষ আমার খাদ্যাভ্যাসের আর অলসতার!" 😔

কিন্তু সত্যিটা হলো, আপনার খাদ্যাভ্যাস বা শরীরচর্চার চেয়েও বড় একজন খেলোয়াড় আছে, যে আপনার পুরো শরীরকে ভেতর থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে!
আর সেই মাস্টারমাইন্ড কে জানেন?
👉 আপনারই অন্ত্র বা Gut—আপনার শরীরের সবচেয়ে ক্ষমতাধর "সুগার কন্ট্রোল সিস্টেম"!

🏙️ চলুন, আবার আমাদের "শরীর নামক শহরে" ফিরে যাই!
আগের লেখায় আমরা জেনেছিলাম, অন্ত্র হলো এই শহরের প্রধান গেট।
এবার ভাবুন—
শহরের প্রতিটি ফ্যাক্টরির (কোষ) জন্য শক্তির প্রয়োজন, যার কাঁচামাল হলো গ্লুকোজ (চিনি)। আর এই কাঁচামাল ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন ট্রাফিক পুলিশ (ইনসুলিন) আছে, যে সিগন্যাল দিয়ে রাস্তা ক্লিয়ার করে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি শহরের প্রধান গেটই (অন্ত্র) ভেঙে যায়, তখন কী হবে?
👉 শহরের নিরাপত্তা, ট্রাফিক সিস্টেম—সবকিছুর চাবি আসলে ঐ গেটের হাতেই!

💥 Gut–Insulin Axis: পর্দার আড়ালের যুদ্ধ ⚔️
আপনার অন্ত্রে বাস করে কোটি কোটি জীবাণুর এক বিশাল সমাজ—Gut Microbiome।
এই সমাজে যখন ভালো নাগরিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া) বেশি থাকে, তখন শহরের ট্রাফিক সিস্টেম (ইনসুলিন সেনসিটিভিটি) একদম নিখুঁত চলে।
কিন্তু যখন দুর্নীতিবাজ সদস্য (খারাপ ব্যাকটেরিয়া) বেড়ে যায়, তখনই শুরু হয় আসল বিশৃঙ্খলা!
🔹 খারাপ খাদ্যাভ্যাস, স্ট্রেস বা অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে অন্ত্রের ভালো জীবাণুরা মারা যায়।
🔹 এর ফলে অন্ত্রের ভেতরের দেয়ালে ছিদ্র তৈরি হয়, যাকে বলে "লিকি গাট" (Leaky Gut)।
🔹 এই ভাঙা গেট দিয়ে ক্ষতিকর টক্সিন (বিষ), হজম না হওয়া খাবার ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া সরাসরি রক্তে ঢুকে পড়ে!
এটাকে বলা হয় “Inflammatory Cascade” বা প্রদাহের বন্যা—
একবার এই বন্যা শুরু হলে, আপনার ইনসুলিন সিস্টেম নড়বড়ে হয়ে যায়!

🚨 Gut নষ্ট হলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কীভাবে হয়?👇

১️⃣ লিকি গাট (Leaky Gut):
ভাঙা গেট দিয়ে LPS (Lipopolysaccharide) নামক টক্সিন রক্তে প্রবেশ করে। শরীর এই টক্সিনকে শত্রু ভেবে এক জরুরি অবস্থা জারি করে, যাকে বলে Inflammation (প্রদাহ)। এই প্রদাহের আগুনে কোষগুলো এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে, তারা ইনসুলিনের সিগন্যাল আর শুনতে পায় না। ফলাফল—ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স!

২️⃣ Dysbiosis (খারাপ ব্যাকটেরিয়ার রাজত্ব):
খারাপ ব্যাকটেরিয়ারা চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে আরও শক্তিশালী হয় এবং এমন কিছু রাসায়নিক তৈরি করে যা সরাসরি ইনসুলিনের কাজে বাধা দেয়। অন্যদিকে, ভালো ব্যাকটেরিয়ার অভাবে হজমশক্তি কমে যায়, ফলে রক্তে হঠাৎ করে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়।

৩️⃣ বিপাকীয় বিপর্যয় (Metabolic Chaos):
আপনার অন্ত্রের জীবাণু নির্ধারণ করে আপনার শরীর চর্বি জমাবে নাকি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করবে। খারাপ গাট মানে ধীরগতির মেটাবলিজম, যা পেটের জেদি চর্বি ও ওজন বৃদ্ধির মূল কারণ।

🌿 🧩শহরটাকে এই বিপর্যয় থেকে কীভাবে বাঁচাবেন?

আপনার ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের চিকিৎসা শুরু হোক শহরের গেট (Gut) মেরামত দিয়ে!

🧩 ধাপ ১: ভাঙা গেট মেরামত করুন 👇
লিকি গাট সারানোর জন্য সেরা "সিমেন্ট" হলো:
Bone Broth (হাড়ের স্যুপ): এটি কোলাজেন ও গ্লুটামিনে ভরপুর।
ফার্মেন্টেড খাবার: প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস।
কলা ও ফাইবার: ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাবার।

🧩 ধাপ ২: দুর্নীতিবাজদের শহরে ঢোকা বন্ধ করুন 👇
🚫 বাদ দিন:
প্রসেসড চিনি ও মিষ্টি পানীয়
গ্লুটেন (আটা, ময়দা, পাউরুটি, বিস্কুট)
ডেইরি (প্যাকেটজাত দুধ, চিজ)
সয়াবিন ও অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত তেল
ফাস্টফুড ও ভাজাভুজি

🧩 ধাপ ৩: শহরে ভালো নাগরিকের সংখ্যা বাড়ান 👇
🌱 অন্ত্রের ভালো জীবাণু বাড়াতে খান:
প্রচুর ফাইবার: সব ধরনের শাক, সবজি, ইত্যাদি।
প্রিবায়োটিকস: পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচাকলা, ওটস।
ফার্মেন্টেড ফুড: ঘরে পাতা টক দই, পান্তা ভাত, কিমচি, আচার।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: দেশি ঘি, নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম, অ্যাভোকাডো।

🧩 ধাপ ৪: শহরে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনুন 👇
মানসিক চাপ কমান: মেডিটেশন, প্রার্থনা, যোগব্যায়াম করুন।
পর্যাপ্ত ঘুমান: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অপরিহার্য।
হালকা ব্যায়াম: প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন।
প্রকৃতির কাছে যান: সবুজ পরিবেশে সময় কাটান।

🧩 ধাপ ৫: শরীরের বিপদ সংকেত শুনুন
যখন অন্ত্র অসুস্থ হয়, শরীর আপনাকে ছোট ছোট সিগন্যাল পাঠায়—
পেটে গ্যাস, হজমের সমস্যা, ত্বকের সমস্যা, ক্লান্তি, মিষ্টির লোভ, ওজন বৃদ্ধি—এগুলো হলো "গাটের SOS (Save Our Souls) অ্যালার্ম" 🚨

🚩🚠📣 শুধু ওষুধ দিয়ে ব্লাড সুগার কমানোটা হলো উপসর্গকে চেপে রাখা। শহরের গেট মেরামত না করে শুধু ট্রাফিক পুলিশ বাড়িয়ে দিলে যেমন জ্যাম কমে না, তেমনি অন্ত্রকে সুস্থ না করে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

💚 Arif Holistic Health Center-এর বার্তা:
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কোনো হরমোনের রোগ নয়, এটি মূলত অন্ত্রের অসুস্থতার একটি বিপাকীয় প্রকাশ। আপনার অন্ত্র যখন সুস্থ থাকবে, তখন আপনার কোষগুলো ইনসুলিনের কথা আবার শুনতে শুরু করবে।
তাই শুরু হোক “Gut First Revolution”—যেখান থেকে আপনার শক্তি, ওজন, মেটাবলিজম ও সার্বিক স্বাস্থ্য—সব ফিরে আসবে নিজের প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণে।

✨🌿 শেষ কথা
পরেরবার যখন ব্লাড সুগার বা পেটের চর্বি নিয়ে চিন্তা করবেন, তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পেটে হাত রাখুন—
কারণ সেখানেই লুকিয়ে আছে আপনার সুস্থতার আসল চাবিকাঠি—আপনার গাট! 👑

আপনার অন্ত্রকে ভালোবাসুন, আপনার শরীর আপনাকে আজীবন ধন্যবাদ জানাবে! ☘️💚

Collected

(Sweets of Bangladesh )
ঢাকা: ১৭-অক্টোবর ২০২৫

30/06/2024

—✨💘𝗣𝗲𝗼𝗽𝗹𝗲 𝘁𝗵𝗶𝗻𝗸 𝗱𝗶𝗮𝗺𝗼𝗻𝗱𝘀 𝗮𝗿𝗲 𝗰𝗼𝗮𝗹 𝗶𝗳 𝘁𝗵𝗲𝘆 𝗮𝗿𝗲 𝗲𝗮𝘀𝘆 𝘁𝗼 𝗳𝗶𝗻𝗱!🖤✨

- ☺️✨💔সহজে পাইলে মানুষ হীরাকেও কয়লা ভাবে!🙂✨💜

28/03/2024

নিজেকে যেভাবে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখবেন।
১) প্রথমে এক গ্লাস পানি নিন।
২) তাতে কিছু কাঁদা মাটি ছেড়ে দিন।
৩) এবারে চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন।
কি দেখলেন? পানি ঘোলা হয়ে গেছে তাইতো?

এখন একে পরিষ্কার করার জন্য নাড়াচারা করতে'ই থাকুন।
পরিষ্কার না হয়ে, আরো ঘোলা হয়ে গেলো তাইতো?
🌧️🌧️🌧️🌧️
এখন কিছুই না করে রেখে দিন। আস্তে আস্তে দেখবেন পানি পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
ভাবছেন পানি ঘোলা আর পরিষ্কারে আমার কি হবে?
🌨️🌨️🌨️🌨️
ঘোলা পানি হলো আপনার দুশ্চিন্তা। মনে রাখবেন,আপনি যতই ঘাটাবেন ততই দুশ্চিন্তার কাঁদায় ডুবতে থাকবেন।
🌨️🌨️🌨️🌨️
যাই হোক না কেনো ছেড়ে দিন আল্লাহর উপর,, নামাজ পরেন,, আল্লাহ কে ডাকেন, ভরসা টা রাখেন,, আল্লাহ তায়ালা ঠিক'ই একদিন সব ঠিক করে দিবেন।
ইন'শা'আল্লাহ।🌸

28/10/2022

অনেক দিন আগেকার কথা। ক্লাস চলছে।🌿🌿

শিক্ষক:- আজ আমরা একটু ইংরেজি শিখবো আর কবিতা লেখাও শিখবো। ঠিক আছে?
ছাত্রছাত্রীরা সমস্বরে - হ্যাঁ মাস্টারমশাই।

শিক্ষক:- ঘটনাটা হচ্ছে একটি একাকী মেয়ে মাঠে কাজ করছে। তাকে আমরা দেখছি। সে আপন মনে গান গেয়ে গেয়ে ফসল তুলছে। আমরা চাইছি কেউ যেন তাকে বিরক্ত না করে। তাকে আপন মনে কাজ করতে দাও। চুপচাপ তার পাশ দিয়ে চলে যাও। এই ঘটনাটাকে আমরা কবিতার মতো করে বর্ণনা করবো। ঠিক আছে?
সবাই আবার সমস্বরে - হ্যাঁ।

শিক্ষক:- এটা কিন্তু খুব বিখ্যাত এক কবিতা। একটু পরেই আমি কবি আর কবিতার নাম বলছি। প্রথমে আমরা বলব - তাকে মাঠে দেখো। এখানে তাকে মানে ওই মেয়েটির কথা বলা হয়েছে। গদ্য লিখলে আমরা বলতাম - মাঠে একাকী একটি মেয়ে কাজ করছে। তাকে ওখানে দেখো বা দেখতে পাচ্ছি। কবিতা বলে আমরা লাইনটাকে একটু ওলটপালট করে দিচ্ছি ।

আমরা প্রথমে বলছি - তাকে মাঠে দ্যাখো। এর ইংরেজি কী হবে?
জনৈক ছাত্র - See her in the field.
শিক্ষক:- খুব ভালো। আচ্ছা I see-এর পরিবর্তে আমরা অন্য কোন ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করতে পারি কি?
একজন ছাত্র বলল - Look her in the field.
শিক্ষক:- Look at her in the field. Look কথাটার পরে একটা at বসাতে হবে। তাহলে লাইনটা হবে look at her in the field. ঠিক আছে?
ছাত্ররা - ঠিক আছে।
শিক্ষক:- আর কোন শব্দ ব্যবহার করা যায় কি? আমাদের কবি কিন্তু লিখেছেন behold her in the field. শুনতে কত ভালো লাগছে, তাই তো?
ছাত্র - হ্যাঁ, মাস্টারমশাই।
শিক্ষক:- এবার লাইনটাতে আমরা আরও একটা শব্দ যোগ করব। যদি তাকে মাঠে একাকী দেখো, তাহলে কী ইংরেজি হবে?
ছাত্র - Behold her alone in the field.
শিক্ষক:- বাহ! খুব ভালো। তবে আমাদের কবি লিখেছেন behold her single in the field.
ছাত্র - তার মানে একাকী শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে আমরা single কথাটা ব্যবহার করতে পারি?
শিক্ষক:- একদম পারি। তুই একদম ঠিক কথা বলেছিস। তাহলে আমাদের লাইনটা কী দাঁড়ালো? Behold her single in the field. বেশ। তা কাকে দেখছি? Young একটি পাহাড়ি মেয়েকে। সেটার ইংরেজি কী হবে? এখানে পাহাড়ি বলতে কিন্তু highland, mountain বা hill নয়।
ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে কেউ একজন বলল that highland girl. কেউ কেউ বলল that girl of highland.
শিক্ষক:- আচ্ছা এই that-এর বদলে অন্য কোন শব্দ তোরা কি কেউ জানিস যেটা এখানে ব্যবহার করা যায়?
ছাত্ররা সবাই চুপ।

শিক্ষক:- বেশ, আমি বলে দিচ্ছি শব্দটা হল yon. আর girl এর পরিবর্তে অন্য কোন শব্দ তোরা জানিস?
আবারও সবাই চুপচাপ।

শিক্ষক:- আমি তোদের একটা ধরতাই দিই, ইংরেজিতে একে বলে clue. এটা তো কবিতাটার দ্বিতীয় লাইনের শেষ শব্দ। চতুর্থ লাইনের শেষ শব্দটা হচ্ছে pass. তাহলে তার সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে একটা শব্দ বলতো যার মানে girl. অথচ ছন্দ মেলে pass-এর সঙ্গে। কেউ জানিস?
সবাই চুপচাপ। একজন শুধু বলল lass.

শিক্ষক:- এই তো! ভেরি গুড। আর এখানে আমরা একাকী মেয়ে বলতে আর কিন্তু single শব্দটা ব্যবহার করব না। একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ভালো শোনায় না। আমরা এর পরিবর্তে ব্যবহার করব solitary শব্দটা। তাহলে পুরো লাইনটা কী দাঁড়ালো?
Behold her single in the field
yon solitary highland lass.
ঠিক আছে‌। এবার আমরা তৃতীয় লাইনটা লিখব। সেটা হচ্ছে যে সে একাকী শস্য কাটতে কাটতে গান করছে। এর আগে আমরা একাকী বোঝাতে single আর solitary শব্দ দুটো ব্যবহার করেছি। তাই সেগুলো তো আর ব্যবহার করা যাবে না। তাহলে এখানে অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করা যাবে কি?
কেউ হাত তুললো না।

শিক্ষক:- এখানে লাইনটা হবে 'শস্য কাটতে কাটতে গান গাইছে' এই লাইনটা হবে reaping and singing. আর একাকী কথাটার অনুবাদ হবে by herself. তাহলে পুরো লাইনটা কী দাঁড়ালো? Reaping and singing by herself. বেশ । এর পরের লাইনটা হচ্ছে কবি বলছেন - হয় এখানে দাঁড়াও অথবা চুপচাপ চলে যাও। তার অনুবাদ কী হবে?

একজন ছাত্র উঠে দাঁড়িয়ে বললো – Either.
শিক্ষক হাত তুলে বাধা দিলেন:- কবিতাতে either or এই কথাগুলো ভালো শোনায় না। কবি কি লিখেছেন শোন। Stop here or gently pass. কেমন সুন্দর না? তাহলে সব মিলিয়ে কী দাঁড়ালো? এই, তুই বল তো।
একজন উঠে দাঁড়িয়ে বললো -
Behold her single in the field
Yon solitary highland lass,
Reaping and singing by herself
Stop here or gently pass.

শিক্ষক:- তোরা জানিস, এই কবিতার নাম কী আর কবিই বা কে?
ছাত্রছাত্রীরা চুপচাপ।

শিক্ষক:- এই কবিতাটি William Wordsworth-এর লেখা আর কবিতার নাম হলো The Solitary Reaper. মনে থাকবে?

এটা অনেকদিন আগেকার কথা। স্থান শান্তিনিকেতন আর শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

02/10/2022

বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।

পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।

এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।

সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷

এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি।
রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই।
যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান।

আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে।

আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন। কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।

12/07/2022

🌀⏩গাড়ির নাম্বার প্লেটের মধ্যে (ক,গ,ভ,ঘ)এইরকম বর্ণমালা দ্বারা কি বোঝায় জানেন কী⁉️
🔘🍒🍒🔘🔘🔘🔘
প্রতিটি গাড়ির নাম্বার প্লেট অনেকটা একইরকম দেখতে হলেও সেগুলোর নাম্বার কিন্তু আলাদা। সাদা এবং সবুজ এই দুইরঙের নাম্বার প্লেট আছে। সাদা রঙের নাম্বারপ্লেট ব্যক্তিগত গাড়িতে ব্যবহার হয় এবং সবুজ রঙ ভাড়ায় চালিত যানবাহনে ব্যবহার হয়। যেমন- ঢাকা মেট্রো- গ ৪৫-৭৬৫৯, ঢাকা মেট্রো- খ ৩১-২৫০২ ইত্যাদি। এখানে- ঢাকা মেট্রো বলতে বোঝানো হয়েছে, গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটনের আওতাধীন। পরবর্তী ‘৪৫’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘৭৬৫৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

নাম্বার প্লেট লেখার ফরম্যাট:
ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির নাম্বার নির্ধারণ করার জন্য বিআরটিএ (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি) কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। ফরম্যাটটি হল-
শহরের নাম, গাড়ির ক্যাটাগরি এবং গাড়ির নাম্বার।
এই ফরম্যাটের মাঝের অংশে গাড়ির ক্যাটাগরি বুঝাতেই বাংলা বর্ণগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বিআরটিএ যখন কোন গাড়িকে অনুমোদন দিয়ে থাকে, তখন গাড়ির ধরণ অনুসারে গাড়িকে একটি নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে স্থান দেয়া হয়ে থাকে। কোন গাড়ি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ছে, সেই ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির জন্য একটি বর্ণ নির্ধারণ করা হয়। নাম্বারপ্লেট প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নিয়ম অনুসারে মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, বাকি ১৮টি ক্যাটাগরিই জনসাধারণের গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

গাড়ির ১৯টি ক্যাটাগরি নিম্নরুপ-

ক –
প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নাম্বারপ্লেটে 'ক' বর্ণমালা ব্যবহার হয়ে থাকে

খ –
প্রাইভেটকার, ১০০০-১৩০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নাম্বারপ্লেটে ‘খ’ বর্ণমালা থাকে।

গ –
প্রাইভেটকার, ১৫০০ সিসি থেকে ২০০০ সিসি’র আগপর্যন্ত ইঞ্জিন সাইজের গাড়ির জন্য নির্ধারণ বর্ণ হলো 'গ'।

ঘ –
এসইউভি, ক্রসওভার এইধরনের গাড়িতে 'ঘ' বর্ণ ব্যবহার হয়।

চ –
ব্যক্তিগত এমপিভি, ভ্যান, অর্থাৎ সহজ বাংলা ভাষায় মাইক্রোবাসের নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয় ব্যঞ্জবর্ণ ‘চ’।

ছ –
ভাড়ায় চালিত ভ্যান অথবা মাইক্রোবাস যেগুলো, সেগুলোর নাম্বার প্লেটে থাকে ‘ছ’ বর্ণ এবং নাম্বার প্লেট সবুজ রঙের হয়ে থাকে। টেম্পো/লেগুনার জন্যও এই বর্ণটি নির্ধারিত।

জ –
ছোটসাইজের বাস অথবা মিনিবাসের ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য নাম্বার প্লেটে বাংলা বর্ণমালার ৮ নাম্বার বর্ণ ‘জ’ ব্যবহার হয়।

ঝ –
বড় বাস বা কোস্টার বাসের নাম্বার প্লেটে থাকে ‘ঝ’ বর্ণটি।

ট –
'ট' দিকে ট্রাক হয়। আবার ট্রাক এর রেজিষ্ট্রেশন ও 'ট' বর্ণ দিয়েই হয়।

ঠ –
'ঠ' কমার্সিয়াল ডাবল কেবিন পিকআপ ট্রাক এর নাম্বার প্লেট এর শুরুর বর্ণ

ড-
মাঝারি সাইজের ট্রাকে ব্যবহৃত হয় ‘ড’ বর্ণটি।

ন –
ছোট পিকআপ ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারণ বর্ণ হলো 'ন'।

প –
'প' হলো ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি।

ভ –
২০০০ সিসি অধিক সাইজের ইঞ্জিনযুক্ত ব্যক্তিগত গাড়ি বুঝাতে গাড়ির নাম্বার প্লেটে ‘ভ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ম –
পণ্য পরিবহন এবং ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত পিক-আপ গাড়িতে বাংলা বর্ণমালার ‘ম’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

দ –
প্রাইভেট বা নিজস্ব পরিবহন সিএনজি এর নাম্বার প্লেটে শহরের নামের পর ‘দ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়।

থ –
ভাড়ায় চলিত সিএনজির ক্ষেত্রে ‘থ’ বর্ণ ব্যবহার হয়।

হ –
'হ' বর্ণটি মোটরবাইকের জন্য প্রযোজ্য। ৮০ - ১২৫ সিসি’র মোটরবাইক নাম্বারপ্লেট ‘হ’ বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

ল –
১৩৫ সিসির অধিক ইঞ্জিন যুক্ত মোটরবাইকের নাম্বারপ্লেট এ 'ল' বর্ণ থাকে।

ই –
সাধারণত গ্রামেগঞ্জে চলাচল করে, ভটভটি টাইপের ছোট সাইজের ট্রাকের নাম্বারপ্লেট ‘ই’ বর্ণের হয়ে থাকে।

য-
'য' বর্ণ শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়িতে ব্যবহার হয়। কার্যালয়ের গাড়িগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করতে নাম্বার প্লেটে ‘য’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে

® COLLECTED

23/06/2022

পদ্মা সেতুর ভাড়ার আপডেট
🍒🍒🍒☕🍒🍒🍒🍒

ঢাকা হতে পদ্মা সেতু হয়ে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসের পূর্বের প্রকাশিত ভাড়া আবারো পুননির্ধারণ করা হয়েছে। নিম্নে পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার তালিকা দেয়া হলোঃ

সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - বরিশালঃ- ৪২১/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - বরিশাল - কুয়াকাটাঃ- ৭০১/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - গোপালগঞ্জঃ- ৩৯২/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - খুলনাঃ- ৫৩৭/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - শরীয়তপুরঃ- ২২৬/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - বরিশাল - পিরোজপুরঃ- ৫৩২/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - গোপালগঞ্জ - পিরোজপুরঃ- ৫৮৩/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - বরিশাল - পটুয়াখালীঃ- ৫১৯/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - মাদারীপুরঃ- ৩১৩/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - গোপালগঞ্জ - খুলনা - সাতক্ষীরাঃ- ৬৫৪/- টাকা
সায়েদাবাদ - পদ্মা সেতু - ভাঙ্গা - ফরিদপুরঃ- ২৯২/- টাকা
চট্টগ্রাম - পদ্মা সেতু - গোপালগঞ্জ - খুলনাঃ- ১১৫০/- টাকা
চট্টগ্রাম - পদ্মা সেতু - বরিশালঃ- ১০৩৪/- টাকা
চট্টগ্রাম - পদ্মা সেতু - বরিশাল - কুয়াকাটাঃ- ১৩১৪/- টাকা
কক্সবাজার - চট্টগ্রাম - পদ্মা সেতু - বরিশালঃ- ১৩৪৯/- টাকা
কক্সবাজার - চট্টগ্রাম - পদ্মা সেতু - খুলনাঃ- ১৪৬৫/- টাকা

পদ্মা সেতুর উদ্ভোধন উপলক্ষে আগামী ২৪শে জুন সকাল হতে ২৬শে জুন সকাল ৬ টা পর্যন্ত সে সেতুর সঙ্গে যুক্ত এক্সপ্রেস ওয়ে তে ট্রাক এবং কাভার্ডভ্যান চলাচল নিষেধ রয়েছে।পদ্মা সেতু উদ্ভোধনের দিন ২৫ তারিখ ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের তিনটি সেতুতে টোল আদায় বন্ধ থাকবে এবং সাধারণ যান চলাচল বন্ধ থাকবে। সেতু তিনটি হলো বুড়িগঙ্গা সেতু, ধলেশ্বরী সেতু ও আড়িয়াল খাঁ সেতু।
🏫🏫🍋🍋

20/08/2021
27/07/2021

বিবেক কে সুস্থ রাখুন:

★৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলতে পারি,
কিন্তু এসি ছাড়া তারাবীহ নামাজ পড়তে পারি না!

★রেস্টুরেন্টে খেয়ে ওয়েটারকে ১০০ টাকা বকশিস দিতে পারি,
কিন্তু রেস্টুরেন্টের সামনে রৌদ্রে দাড়িয়ে থাকা ভিক্ষুকটিকে ১০ টাকা দিতে পারি না!

★ বাড়ির দারোয়ান কে ৭ হাজার টাকা বেতন দিতে পারি,
কিন্তু মসজিদের ইমাম সাহেবের ৩০০ টাকা বেতন দিতে পারিনা!

★ঈদের শপিং এ নিজের বাচ্চার জন্য ১০ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি,
কিন্তু বাড়িতে কাজের মেয়েটির জন্য ১ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি না!

★শপিং মলে মানসম্মানের ভয়ে দরাদরি না করে ১ হাজার টাকার জিনিস দেড় হাজার টাকায় কিনতে পারি,
কিন্তু তরকারি বাজারে ৩০ টাকার টমেটো ৩২ টাকা চাইলেই বিক্রেতাকে মেরে বসি!

★২০০ টাকার বাস ভাড়া ২০০০ টাকা দিয়ে কার নিয়ে যেতে পারি,
কিন্তু রিক্সাওয়ালা ১০ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই থাপ্পর দিতে দেরি করি না!

★শরীর পরিস্কার রাখার জন্য হাজার টাকার সাবান/ ফেইসওয়াস ব্যবহার করতে পারি,
কিন্তু সম্পদ পরিস্কার/পবিত্র করার জন্য দরিদ্রকে
যাকাত দিতে পারি না!

কোথায় মানবতা, কোথায় মনুষত্ব?🌱

Want your school to be the top-listed School/college in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Narayanganj
1400