20/04/2025
ছাত্র জনতার চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।
এই প্রথম রাজনৈতিক দলগুলো জনগনকে ভয় পেতে শুরু করেছে। জনগন তার শক্তি বুঝতে পারতেছে। কারণ জনগনের অন্তরের কথা প্রতিধ্বনিত করার কন্ঠ আছে।
এইটাই বিপ্লব, এইটাই নতুন বাংলাদেশের সুচনা।
14/11/2024
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত একটি কম্বো!
গতকাল রাতে স্বপ্নে গিয়েছিলাম। ঘড়িতে রাত প্রায় সাড়ে দশটা বাজে।
তেমন কোন ভিড় ছিল না।তবে যে কয়জন কাস্টমার দেখলাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে সারাদিন কাজ করে রাতে এই কম্বো কিনে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে!
কারো হাতে ১৪০টাকার কম্বো দুইটা তো কারো হাতে তিনটা আবার কারো হাতে একটা!
বিশ্বাস করবেন না যারা মাসে একবার গরুর মাংস কেনার কথা ভাবতেও পারতো না তারা এখন এই কম্বো কিনে নিয়ে গরুর মাংসের স্বাদ পাচ্ছে ♥️
আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে দেখলাম এ যেন অন্যরকম চোখের শান্তি 🙂
যাদের সামর্থ্য আছে মাসে ২-৫কেজি গরুর মাংস কিনে খাওয়ার তাদের কাছে এই কম্বোর মূল্য হয়তো খুবই নগণ্য কিন্তু কালকে যে মানুষগুলোকে আমি এই কম্বো কিনে নিয়ে যেতে দেখলাম আসলে এই কম্বো এই মানুষ গুলোর জন্যই♥️
আমাদের উচিত স্বপ্নকে ধন্যবাদ জানানো। তারা এত সুন্দর একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ♥️
19/04/2024
৫০ বছর আগে জন্মাইলে বড় বাচা বেচে যাইতাম।
গ্রামে থাকতাম, পুকুরে নেমে ডুব দিয়ে গোফের উপর কাদার লেয়ার ফেলতাম।
স্কুলে যাওয়ার বদলে নারকেল চুরি করতাম, কলাগাছের কলা চুরি করতাম। কাদার ভেতর লুটোপুটি করতাম।
পরের দিন স্কুলে গিয়ে স্কুলে না আসার কারনে স্যারের ঠেংগানী খাইতাম।
এরপর স্কুলে যাওয়াই বন্ধ করে দিতাম।
বাপের সাথে মাঠে যাইতাম, ধান লাগাইতাম।
পাট লাগাইতাম, মাছ ধরতাম জাল দিয়ে।
নদীতে নেমে আচ্ছা মত ডুবাইতাম।
২০-২২ বছর বয়সে বিয়ে করতাম।
ঘর হইত মাটির।
বৃস্টি হইলে চুয়ে চুয়ে পানি পড়তো খড়ের চাল দিয়ে,
চালে উঠে সেটা ঠিক করতাম।
সকাল হইলে পান্তা ভাত দেখে বউ রে খানিক্ষন ঝাড়তাম।
এরপর না খেয়েই মাঠে জাইতাম,
কাদায় নেমে কাজ করতাম।
পাশের বাড়ির ভাবি এসে বউ কে বুদ্ধি দিত,
তোমার জামাই ডা ভালো না, খালি চিল্লায়।
বউ উত্তর দিতো, ব্যাটা মানুষ এক্টু এমুন হয় ই।
এমনে মানুষটা বালা আছে।
নারকেলের মত, বাইরে শক্ত, ভেতরে টলটলা পানি।
এরপর দুপুরে বাসায় এসে ঠিক ই দেখতাম খাওন রেডি।
প্লেট ভর্তি ভাত আর খেতের সব্জি সাথে নিজের ধরে আনা মাছ। আর মুর্গির ডিম।
সপ্তাহে এক দিন মুর্গির মাংস।
সাপ্তাহিক হাটে গিয়ে হাট করতাম।
দুই আনা দাম কমানোর জন্য হেব্বি মুলামুলি করতাম।
বউ এর জন্য লাল ফিতা আর প্লাস্তিকের লাল চুরি আইনা দিতাম।
সেই রাতে বউ খুশিতে বাক বাকুম করতো।
টেনশান নাই,রোগ বালাই হইলে কবিরাজের অসুধ খাইতাম।
মাঠে কাজ করে পায়ে ইনফেকশান হয়ে গেলে তুতে লাগাইতাম শিশি থেকে।
লাইফ ক্যারিয়ার সাক্সেস, পিজ্জা বার্গার, আইফোন,
ম্যাকবুক, ফেসবুক, ড্রোন,
মাসের বাসা ভাড়া, গাড়ি ,বাইক,
পশ লাইফ , কিসু নিয়ে কোন চিন্তা নাই।
গার্ল ফ্রেন্ড এর বাপ স্টাব্লিশড না হইলে বিয়ে দিবেনা সেই চিন্তা নেই।
গাড়ি বাড়ির চিন্তা নেই।
কোথাও বুশ গিয়া কই বু*ম ফুডাইসে কে কারে এটাক দিসে , দুনিয়া নিয়া চিন্তা নাই, কে ভাইরাল হইলো নাকি কারেন্ট ইস্যু কি , এসব ভাবার টাইম নাই। সন্ধার পরেই ঘুম।
বাসা ভাড়া দেয়ার পেরা নাই।
বাবা মা ছেড়ে দুরে একলা থাকা নেই।
চিন্তা নেই,কাজ করো খাও ঘুমাও, আর বছর বছর বাচ্চা পয়দা করো,
হার্ট এটাক, হার্টে ব্লক, অফিসের প্যারা,বসের ঝাড়ি,
এসব নেই।
আহা,লাইফ অয়াজ দেয়ার।
আন্ড আম এ লিটিল বিট লেট ইন দিজ প্লানেট।
01/01/2024
সব শেষে শুভ হোক এসেছে যে বছর,(২০২৩)
যে চলে গেল সে না হয় যাক (২০২৪)
আমার মন খারাপের ঘর,একজীবনে অমরত্ব পাক।
30/07/2023
ফ্যাসিবাদ আসলে কি!!! আসুন জেনে নেই...
ফ্যাসিবাদ (ইংরেজি: Fascism) হচ্ছে র্যাডিক্যাল কর্তৃত্বমূলক জাতীয়তাবাদের একটি রূপ।যা বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ইউরোপে খ্যাতি লাভ করে। ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালিতে ফ্যাসিবাদ উৎপত্তি লাভ করে জাতীয় সিন্ডিক্যালবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে। ইতালিতে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ অবধি বেনিটো মুসোলিনি (১৮৮৩- ১৯৪২) Fascismo নামে যে মতাদর্শ ও আন্দোলনের সূত্রপাত ও প্রচলন করেন তার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Fascism। মুসোলিনি লিখেছেন, 'ফ্যাসিবাদ হলো একাধারে কর্ম ও চিন্তা'।
এটি বিশেষভাবে বামপন্থী রাজনীতির উপাদান গ্রহণের মাধ্যমে ডানপন্থী রাজনীতিতে অবস্থান গ্রহণ করে; এবং এটি ছিল সমাজতন্ত্র, উদারতাবাদ, সাম্যবাদ, ডানপন্থী রক্ষণশীল, গণতান্ত্রিকের বিরোধী। যদিও ফ্যাসিবাদকে বাম-ডান রাজনীতিতে সাধারণভাবে দূর ডানে জায়গা দেয়া হয়, কতিপয় স্ব-ব্যাখ্যাত ফ্যাসিবাদী এবং কিছু মন্তব্যকারীরা বলেছেন যে এই বিবরণ যথার্থ নয়।এটি মুলত রাষ্ট্রের সকল মানুষকে একাত্ব করে একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। এই কাজে তারা নির্ভর করে একটি বিশেষ বাহিনী বা গোষ্ঠীর উপর যারা পূর্বে রাজনৈতিক অঙ্গনে ততটা প্রভাবশালী ছিল না। যাদের এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা থাকে তারাই পরবর্তীকালে রাষ্ট্র নেতৃতে অগ্রনী দায়িত্ব নেয়।
সেই রাষ্ট্র তখন প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক সহিংসতা, যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদকে অনুমোদন দেয় এবং রাষ্ট্রের মতে নতুনভাবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য এগুলো মৌলিক বিষয়। ফ্যাসিবাদী মতাদর্শ অনুযায়ী উচ্চবিত্ত বা প্রভাবশালী রাষ্ট্রের (তারা নিজেদেরকেও এই শ্রেণীতে রাখে) উচিত অন্য দুর্বল বা যাদের অর্থনীতি তেমনটা মজবুত নয় এমন রাষ্ট্র বা জাতিকে দখল করে স্থানচ্যুত করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফ্যাসিবাদীরা অন্য সংস্কৃতির প্রতি অশ্রদ্ধাশীল হয়ে থাকে এবং জাতি ও সংস্কৃতিকে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে।
দেশের সকল শ্রেণীর মানুষকে একাত্ব করাই অর্থাৎ শ্রেণীবিভাজন দূর করে রাষ্ট্র পরিচালনা করাই ফ্যাসিবাদের লক্ষ্য। অনেক বিশ্লেষকের মতে ফ্যাসিবাদ পুঁজিবাদ ও সাম্যবাদের মাঝখানে অবস্থিত বা তৃতীয় “অবস্থান’’ বলেও উল্লেখ করেছেন। ফ্যাসিবাদী অর্থনীতি স্বনির্ভরতার উপর গুরত্ব দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফ্যাসিবাদী সরকার সামরিকায়নিত হয় বা সামরিক বাহিনীর ওপর অতিনির্ভর ও আস্থাশীল।
ইতালির জাতীয় শ্রমিক আন্দোলন জাতীয়তাবাদ থেকে ফ্যাসিবাদ উত্থান হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে কোন রাজনৈতিক দলই খোলাখুলিভাবে নিজেদের ফ্যাসিবাদী বলে দাবি করতে চায় না। এখন সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলো বিরোধী দলের প্রতি ঘৃণা বা রাগ প্রকাশের জন্য এই শব্দ ব্যবহার করে। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে জার্মানির অ্যাডলফ হিটলার এবং ইতালির বেনিতো মুসোলিনি উল্লেখযোগ্য।
ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী জনগণের সামনে সোনালি অতীতের গল্প হাজির করে এবং জাতিকে সেই সোনালি অতীতের মতো উজ্জল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখায়। ফ্যাসিবাদের মূল সুবিধাভোগী হয় শহর কেন্দ্রীক শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলো এবং সিভিল ও সামরিক আমলাতন্ত্র। ফ্যাসিবাদ যখন নিরাপদ ও শক্তিশালী অবস্থানে উপনীত হয়, তখন নাগরিক ও সামরিক প্রশাসন কোন একটি রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় বসায় এবং রক্ষা করে এ উদ্দেশ্যে যে রাজনৈতিক গোষ্ঠীটি তাদের সমস্ত কর্মকান্ডের আইনগত, রাজনৈতিক ও ভাবাদর্শগত বৈধতা দিবে।