15/01/2021
Elevate Your Social Media ⭐️⭐️⭐️⭐️⭐️
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Tutor Link, Educational consultant, Narayanganj.
15/01/2021
Elevate Your Social Media ⭐️⭐️⭐️⭐️⭐️
লকডাউন অবস্থায় আপনি কি আপনার সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে চিন্তিত ?
14/07/2020
করোনা ভাইরাস এবং আমাদের বাচ্চাদের নিরাপদ রাখা নিয়ে কিছু কথা | | Corona Virus [COVID-19] করোনা ভাইরাস এবং আমাদের বাচ্চাদের নিরাপদ রাখা নিয়ে কিছু কথা | | Corona Virus [COVID-19] , , , , #সচেতনতা , #করোনাভাই...
14/07/2020
স্কুল বন্ধ তাই বলে কি বাচ্চাদের বাড়িতে পড়ালেখা বন্ধ থাকবে?
মোটেও না!!!
আরো কতদিন স্কুল বন্ধ থাকবে কেউ জানে না।
আমরা যারা অভিভাবক আছি আমাদের উচিত বাচ্চাদের সিলেবাস
অনুযায়ী পড়ানো। তা না করলে যখন স্কুল খুলবে বাচ্চারা মনোযোগ
হারিয়ে ফেলবে।তখন শত চেষ্টা করলেও মনোযোগ ফিরিয়ে আনা
বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াবে। এখন অলস সময় বাচ্চাদের ভিতর
বিভিন্ন প্রকার নেতিবাচক অভ্যাস তৈরী হয়ে যেতে পারে যা
সারাজীবন প্রভাব বিস্তার করতে পারে তাই সন্তানের ভবিষ্যতের
জন্য আপনাকে এখনি সচেতন হতে হবে। পরিবারের প্রত্যেকে
এখন শিক্ষক হয়ে জান, সময় করে বাচ্চাদের পড়ার টেবিলে বসেন
অথবা আশেপাশের কলেজ- ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের
অনুরোধ করে সাময়িক সময়ের জন্য গৃহশিক্ষক করে নিন।
14/07/2020
করোনা ভাইরাস কিভাবে ছড়ায় Coronavirus disease (COVID-19)
14/07/2020
করোনা মহামারির আশঙ্কায় বাংলাদেশ। আতঙ্কে আছে মানুষ। এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার ও দেশবাসী। কভিড-১৯-এর কারণে অর্থনীতি, ব্যবসা, পর্যটন এবং শিক্ষা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। করোনা দুর্যোগে সরকারের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক এই ব্যবস্থা। সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। এমনকি এইচ সি পরীক্ষাও স্থগিত । কবে নাগাদ হবে সরকার ডিসিশন নিতে পারছে না । শিক্ষার্থীরা ক্লাস এবং পরীক্ষার অনিশ্চয়তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে। অলস সময় পার করছে এবং সেশন-জ্যাম নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা স্কুলে পড়াশোনা না করতে পারায় তারা মানসিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
দিন দিন জ্যামিতিক হারে মৃত্যু এবং করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলছে। যেকোনো স্তরের শিক্ষার্থীরা কভিড-১৯ দ্বারা সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই সরকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে কভিড-১৯ নিয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। কভিড-১৯-এর কারণে অনলাইন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কিছু সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অনলাইনে ক্লাস নেওয়া শুরু করছেন এবং কিছু শিক্ষক অনলাইন অ্যাসাইনমেন্ট এবং হোমওয়ার্ক নিচ্ছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকরা টিভিতে ক্লাস নিচ্ছেন।
কভিড-১৯ মহামারিতে বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি শিক্ষার্থীর শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অতীতে এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। উন্নত দেশ যেমন চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের ই-লার্নিং সিস্টেম চালু করছে। চীন জুম অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইন শিক্ষা চালাচ্ছে এবং এটি অত্যন্ত কার্যকর। তবে এর জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডিভাইসে উচ্চ ইন্টারনেট গতিসম্পন্ন সংযোগ থাকা প্রয়োজন।
চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষার সুবিধাও রয়েছে। প্রথমত, শিক্ষককে অনলাইনে মানিয়ে নিতে তাঁর কোর্স আপডেট করতে হয়। অনলাইন শিক্ষা প্রচলিত পদ্ধতি থেকে পৃথক, যা অনলাইন শিক্ষাদানে কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত বা কী অন্তর্ভুক্ত করবে না সে সম্পর্কে শিক্ষকরা গভীরভাবে চিন্তা করে থাকেন। তাই পাঠদানের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। শিক্ষককে অনলাইনে পাঠদানের জন্য কোর্সের গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পুনরায় ডিজাইন করতে হয়, যা তাকে নতুনভাবে ক্লাস নিতে অনুপ্রেরণা দেয়। দ্বিতীয়ত, অনলাইন শিক্ষা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিক্ষকরা ভিডিও লেকচার শিট এবং পিপিটি তৈরি করেন, যাতে শিক্ষার্থীরা কোর্সের বিষয় একাধিকবার দেখতে বা বিশ্লেষণের সুযোগ পেয়ে থাকে। প্রযুক্তি-চালিত বিশ্বে কিভাবে অনলাইন এবং শ্রেণিকক্ষে উভয় ক্ষেত্রে শিক্ষা গ্রহণ করবে সে সম্পর্কে এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা নতুন ধারণা লাভ করতে পারে।
বর্তমানে যেহেতু সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘকাল বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে, তাই বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যতে দিনে ও রাতে দুই শিফট চালু ও সেশনজট কমাতে ঐচ্ছিক এবং সাপ্তাহিক ছুটি সাময়িকভাবে বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষকরা যদি নিয়মিত ঘণ্টার বেশি ক্লাস নেন, তবে তাঁদের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধার বিষয়ে চিন্তা করতে হবে। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকভাবে এসব বিষয় বিবেচনা করা উচিত এবং শিক্ষা খাতের জন্য উপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। দেশের উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। উপাচার্য এবং অন্যান্য প্রশাসনের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানসম্পন্ন শিক্ষক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।
সার্বিক বিবেচনায় অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া দরকার। উদাহরণস্বরূপ, আমি ফেসবুক গ্রুপে একটি স্ট্যাটাস দিই যে আমার বিভাগে যাদের আর্থিক অসচ্ছলতা রয়েছে, তাদের আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়, যেখানে ৫৫৯ সদস্য রয়েছে। আমি ২০ জন শিক্ষার্থী পাই। তার মানে ৩.৫ থেকে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যায় রয়েছে। তাহলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র একই রকম বা একটু বেশি হবে বলে মনে করি। যদি সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৪ শতাংশ দরিদ্র শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দিতে পারে; অনলাইন শিক্ষা সেক্ষেত্রে বেশি কার্যকর হতে পারে। অন্যথায় কিছু শিক্ষার্থী অনলাইন শিক্ষা এবং পাঠদান থেকে বঞ্চিত হবে।