সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার

সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার

Share

"মেধা তোমাদের তা বিকাশের দ্বায়িত্ব আম? Best coaching center

Photos from সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার's post 26/05/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা! 🥰

জ্ঞান ও ত্যাগের আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি জীবন! 💫
​যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ও সঠিক দিকনির্দেশনায় আমাদের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখে, সেই প্রিয় শিক্ষকবৃন্দের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।

21/04/2026


উত্তরপত্রের কাভার পৃষ্ঠায় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ভুল হলে করণীয়:
* রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা বিষয় কোড লিখতে ভুল হলে ভুলটি একটানে কেটে সঠিকটি লিখতে হবে।
* বৃত্ত (bubble) ভরাটে ভুল হলে তা ইরেজার, ব্লেড বা সাদা ফ্লুইড ব্যবহার করে মুছা যাবে না।
* ভুল বৃত্তটি না কেটে সঠিক বৃত্তটি ভরাট করতে হবে, এক্ষেত্রে প্রয়োজনে একই সারিতে একাধিক বৃত্ত থাকতে পারে।

21/04/2026

এই শহরে নেই মায়ের মতো চাঁদ.!🤍🥹

16/04/2026
Photos from সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার's post 16/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ, সিপিএইচডি কোচিং সেন্টারের বর্ষসেরা শিক্ষার্থী ও এ মাসের সেরা শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান। ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ বৃদ্ধি করে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তোলা আমাদের উদ্দেশ্য। এসএসসি ও এইচএসসি ব্যাচে পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল।

Photos from সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার's post 10/04/2026

হার-জিত বড় কথা নয়, লড়াইটাই আসল। ক্রিকেট মানেই শেষ বল পর্যন্ত আশা রাখা। 🏏💪

09/04/2026

মোবাইল আসক্তি দূর করতে সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার মাঠের খেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্ভুদ্ধ করে। শারিরীক ও মানসিক বিকাশের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে নতুন প্রজন্ম।

Photos from সিপিএইচডি কোচিং সেন্টার's post 26/03/2026

সিপিএইচডি কোচিং সেন্টারের পক্ষ হতে সকল শহিদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছি।

26/03/2026

২৫শে মার্চ রাতে তরুণীদের ধরে এনে ২৬শে মার্চ জীবন্ত অবস্থায় স্তন কেটে আলাদা করা হয়েছিলো। উপুড় করে শুইয়ে পশ্চাৎদেশের মাংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে!

যে সমস্ত মহিলারা আত্মরক্ষার জন্য জোরাজুরি করে তাদের কয়েকজন কে জোর করে রাস্তায় চিৎ করে শুইয়ে দুদিকে পা টেনে ধরে যো'নিপথে লোহার রড ঢুকিয়ে হত্যা করা হয়! কারো কারো হাত পিছনে বেঁধে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারা হয়!

মায়েদের কোল থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়ে টেনে হেঁচড়ে ছুড়ে মেরে চোখের সামনে দ্বিখন্ডিত করা হয়! সেই নির্মম মুহূর্তে বাঙালি যারা প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছে তখন বিহারিরা অধিক উল্লাসে হাসিতে তাদের নির্মমতা দ্বিগুন করেছে!

সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় "একটি বাড়ি থেকে পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা সবাইকে ধরে আনা হয়! তারপর সবাইকে সবার সামনে কাপড় খুলতে বলা হয়! এতে তারা আপত্তি জানালে তাদের পরনের কাপড় খোলা হয়! এবং ছেলেকে মায়ের সাথে, মেয়েকে পিতার সাথে ধ'র্ষণে লিপ্ত করা হয়! তারা অস্বীকৃতি জানালে সবার সামনে পিতাকে এবং পুত্র কে টুকরো টুকরো করে কেটে মা এবং মেয়ে দুজনের চুলের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় বেঁধে বিহারীরা ধরে নিয়ে যায়!

২৬শে মার্চ বুড়িগঙ্গার তীরে যতোদূর চোখ যায় শুধুই লাশ! রাস্তা ঘাটে পড়ে আছে যত্রতত্র শিশু, কিশোর, যুবক, যুবতী, বৃদ্ধ নানা বয়সের সারি সারি বিকৃত লাশ! একই স্থানে দেখা যাচ্ছিলো মেয়েদের উলঙ্গ অবস্থায় লাশের স্রোত! এমন ও চোখে পড়েছে, "যাদের স্তন, যো'নিপথ, উরু প্রভৃতি স্থান ছিন্ন ভিন্ন! বর্বর পশুরা হত্যা করার আগে কুরেকুরে খেয়েছে! যথেচ্ছ ভাবে ধ'র্ষণ করে গুলিতে ঝাঁঝরা করেছে!

লক্ষ্মীবাজার মোড়ে এমন অনেক যুবকের লাশ পড়েছিলো যাদের বুক চিড়ে হৃদপিন্ড বের করে পায়ের গিট আর হাতের কবজি ভাঙা! মিশনারী স্কুল, জজ কোর্ট, পোগোজ হাইস্কুল, ঠাটারি বাজার, গোপিবাগ নয়াবাজার, তাহেরবাগ, টিপু সুলতান রোড, গুলিস্তান প্রভৃতি স্থানে শুধুই মৃতদেহ!
রায়সাহেব বাজার ব্রিজ পার হয়ে দেখেন উৎসব মুখর বিহারীদের! সেকি বিভৎস নৃত্য, লাফালাফি!

কয়েকজন বাঙালি কে ধরে এনেছে এরা! যাদের পিছন থেকে হাত বাঁধা! কারো শরীরে কোনো কাপড় নেই! এদেরকে কেউ চড় মারছে কেউ লাথি মারছে!
একজনের পুরু'ষাঙ্গে ইট বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে! দাঁড়িয়ে থাকা একজনে বুকে হঠাৎই ছোরা বসালো একজন!

রাজারবাগ পুলিশ লাইনে শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫ যে মার্চ রাত থেকেই স্কুল কলেজের মেয়েদের ধরে এনেছিলো তারা! ট্রাকে তুলে এনে পছন্দ মত মেয়েদের টেনে হিঁচড়ে নামাতো! প্রকাশ্যে এদের পোশাক খুলে গাছের আড়ালে, দেয়ালের পাশে ধর্ষণ করতো!

ধর্ষণ করার পরে হেড কোয়ার্টারের চার তলায় নিয়ে উলঙ্গ অবস্থায় লোহার রডের সাথে চুল শক্ত করে বেঁধে পুনরায় শুরু করলো নির্যাতন!
শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেলেদের ধরে আনলো। কারো পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হতো, কারো মুখে গরম পানি ঢালা হতো!
কারো হাত পায়ে গিট মেরে গুড়িয়ে ফেলা হতো!

পরাদেশী নামে একজন ডোম শাঁখারী পট্টির এক বাড়িতে যান। ঐ বাড়ি থেকে অপরূপ সুন্দরী একটি মেয়ের লাশ তুলে আনেন! মেয়েটির স্তন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে! যৌ'নাঙ্গ সম্পূর্ণ রূপে থেতলানো!
.
মুখ বাহু উরুতে জমাট বাঁধা রক্ত! সমস্ত শরীরে কামড়ের চিহ্ন! তিনি আরো বলেন, আরমানিটোলার এক বাড়িতে দশ এগারো বছরের এক ফুটফুটে মেয়ের কথা! মেয়েটির সম্পূর্ণ শরীর ক্ষতবিক্ষত! নরপশুরা মেয়েটিকে ধর্ষণ শেষে দুদিক থেকে পা ধরে নাভি পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলেছে!
.
মিটফোর্ড হাসপাতালের বর্ণনা দিতে গিয়ে পরদেশী ডোম বলেন, “আমাদের ট্রাক সকাল ন’টার সময় মিটফোর্ড হাসপাতালের লাশ ঘরের সামনে উপস্থিত হলে আমরা ট্রাক থেকে নেমে লাশ ঘরে ঢুকি। লাশ ঘরে লাশের উপর লাশের পাহাড় দেখে ভড়কে যাই। সব লাশের বুক এবং পিঠ মেশিন গানের গুলিতে ঝাঁঝরা। প্রায় এক/ দেড়শ’ যুবক-যুবতী ও ছাত্র-ছাত্রীর বীভৎস লাশ দেখে গা ছমছম করে উঠল।

আমার সুপারভাইজারের নির্দেশে আমি লাশ ঘরের ভিতরে গিয়ে প্রতি লাশের পা ধরে টেনে বের করি। বাইরে দাঁড়ানো অন্যান্য সুইপার লাশগুলো দাঁড়ানো ট্রাকে উঠিয়েছে। আমি ও আমার সঙ্গীরা দেখলাম যে, প্রতি লাশের বুক ও পিঠ মেশিন গানের শত শত গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বহু মা, বোন ও শিশুর লাশ এভাবে তোলার পর একটি উলঙ্গ লাশ তুলতে গিয়ে কেঁদে ফেললাম।”

পরদেশী ডোম আরেক বর্ণনায় শাঁখারিবাজারের বর্ণনায় আরও লিখেছেন '২৯ মার্চ সকালে পৌরসভা অফিসে ডিউটিতে গেলাম। আমাকে ট্রাক দিয়ে লাশ তোলার জন্য আরও কয়েকজন সুইপারের সঙ্গে যেতে বলা হল শাঁখারী বাজারে। জজ কোর্টের সামনে আগুনের শিখা তখনও দাউ দাউ করে জ্বলছিল। তার চারদিকে পাক সেনারা টহলে মোতায়েন ছিল।

সে জন্য ট্রাক নিয়ে সে পথ দিয়ে শাঁখারী বাজারে যেতে পারিনি। পাটুয়াটুলী ঘুরে আমরা শাঁখারী বাজারের পশ্চিম দিক দিয়ে পাটুয়াটুলী পুলিশ ফাঁড়ি পার হয়ে শাঁখারী বাজারের ভিতরে যেতে পারি। সেখানে ট্রাক থেকে নেমে আমরা শাঁখারী বাজারের ঘরে ঘরে গেলাম।

প্রতিটি ঘরে দেখলাম মানুষের লাশ। নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, বালক-বালিকা, শিশু-কিশোরের গুলীবিদ্ধ বীভৎস পচা লাশ। মেয়েদের অধিকাংশ লাশ সম্পূর্ণ উলঙ্গ পড়ে আছে দেখলাম। অন্যান্য স্থানের মত এখানেও দেখলাম তাদের বুক থেকে স্তন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে তুলে নেয়া। আমরা উলঙ্গ সুন্দরী তরুণীদের পাছার ও উরুর মাংসও খাবলা খাবলা করে কেটে নেয়া অবস্থায় দেখলাম।

ফুলের মত সুন্দরী কিশোরী ও তরুণীদের মুখ ও ঠোঁট পশুর মত দাঁত দিয়ে কামড়ানো দেখলাম। কারও কারও যোনিপথে লাঠি ঢুকানো দেখলাম। বহু পোড়া, ভস্ম লাশ সেখানে দেখলাম।

২৫শে মার্চের কদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খবর আসে, এক মেজরের কাছে! মৃত মানুষের গন্ধে থাকা যাচ্ছেনা! অবিলম্বে লাশ তুলে ফেলা হোক! এ পর্যন্ত তারা শুধু শহরেই লাশ তোলার কাজ করে যাচ্ছিলো!

এ সংবাদ পাওয়ার পর চুন্নু, পরদেশী, রনজিৎ, মধুরাম, দুখিরাম সহ আরো কয়েকজন ডোম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়! প্রথমে তারা রোকেয়া হলে প্রবেশ করে!
কিন্তু হলের কোনো কক্ষেই লাশ ছিলোনা! কেননা ২৫শে মার্চ রাতেই হলে অবস্থানরত ছাত্রীদের পাকিরা তুলে নিয়ে যায়!
.
তিনি বলেন, এসময় তারা হলের চারতলার ছাদে গিয়ে দেখতে পান সেখানে অনেকগুলো ছাত্রীর লাশ ছড়ানো ছিটানো! তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই! অথচ এরা মরলো কিভাবে?
এই প্রশ্নের জবাবে এক সৈন্য বলে, এদেরকে আমরা উপভোগ করেছি! তারপর যৌনা'ঙ্গে বেয়নেট ঢুকিয়ে হত্যা করেছি!
এদের কারো পরনে কোনো কাপড় ছিলোনা! তাদের আশেপাশে দুএকটা সেলোয়ার কামিজ ছিলো!

রাবেয়া খাতুন কাজ করতেন রাজারবাগ ক্যান্টিনে! তিনি বলেন, তিনি দেখতে পান ট্রাকে এবং জিপে করে প্রায় পঞ্চাশ জন মেয়েকে আনা হয়েছে! এদেরকে একটি কক্ষে রাখা হলো! প্রায় প্রত্যেকের হাতে বই খাতা ছিলো!

একদল সেনা কুকুরের মতো হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়লো তাদের উপর! প্রথমে জানোয়ার গুলো সমস্ত মেয়েদের পরনের কাপড় খুলে উলঙ্গ অবস্থায় সবাইকে মাটিতে শুয়ে পড়তে নির্দেশ দিলো! নির্দেশ অমান্য করলে লাথি মেরে ফেলে ধর্ষণ করেছিলো!
তিনি বলেন প্রতিটি মেয়ের শরীর থেকে রক্ত ঝরছিলো! যোনিপথে বেয়নেট ঢুকিয়ে তাদের হত্যা করা হয়!

২৫শে মার্চ রাত যদি হয় গণহত্যার রাত তবে ২৬শে মার্চ দিনটি ছিলো মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষণের ভয়ংকর নিকৃষ্ট অধ্যায়ের সূচনা।

তথ্য সূত্র - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র অষ্টম খন্ড।

যাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে, মনে হচ্ছে এমন ঘটনা আসলেই ঘটেছে কিনা, কিংবা এসব গাল গল্প কিনা, তারা দয়া করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র অষ্টম খন্ডের ২৪ পৃষ্ঠা থেকে ৫১ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পড়বেন। এখানে ঘটনাগুলোর বেশীরভাগ বিবরণই সেখানে রয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রের অষ্টম খণ্ডটি যতবারই পড়ি, ততোবারই যেন কাঁদতে থাকি। একী নৃশংসতা, একই বর্বরতা।

ছবিটি - শিল্পী হামিদুর রহমানের আঁকা 'বীরাঙ্গনা ১৯৭১' চিত্রকর্ম।

Want your school to be the top-listed School/college in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Sumillpara, Adamjee Nagar, Siddhirganj
Narayanganj
1431