10/06/2025
কওমী মাদ্রাসার কোরবানির চামড়া কালেকশন নামক আত্মমর্যাদাহীন কাজটি বন্ধ হবে কবে?
এ কাজটি বন্ধ করে দেন বললেতো আবার আকাবীর আকাবীর করেন অথচ বিশ্ববিখ্যাত আকাবীরগণ এ ব্যাপারে কি বলে গেছেন পড়ুন👇
🟩👉 মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেন:
"চামড়ার দান নেওয়ার জন্য মুসলমানদের ইজ্জত নষ্ট করা, দ্বীনকে হেয় করা — এটা বরদাশত করা যায় না। দান যদি ইজ্জতের সাথে না আসে, তবে সেই দান গ্রহণ করাও উচিত নয়।"
(ইসলাহি খুতবাত, খণ্ড ৭)
🟩👉 সাইয়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. বলেন:
"কোরবানির চামড়ার মতো একটি সামান্য বস্তু নিয়ে দ্বীনের এত বড় প্রতিষ্ঠানের মান-মর্যাদা নষ্ট করা উচিত নয়। দরকার হলে আমরা নিজ হাতে পরিশ্রম করে রোজগার করব,
কিন্তু আল্লাহর এই পবিত্র দ্বীনের কাজকে মানুষের দৃষ্টিতে হালকা করে তুলব না।"
🟩👉 শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া কান্ধলভী (রহ.) বলেন:
"আজকাল চামড়ার জন্য মাদ্রাসার সম্মান হুমকির মুখে পড়েছে। কেউ কেউ দ্বীনের নামে, মাদ্রাসার নামে এমনভাবে চামড়া কালেকশন করছে, যেন এটি একটি ব্যবসা বা মৌসুমি ক্যাম্পেইন! দ্বীনের জন্য যদি সম্মান না থাকে, তাহলে সে দ্বীনের খেদমতে বরকতও থাকবে না।"
(উৎস: তার বিভিন্ন চিঠি ও “আবরে আতীক” সংকলনের মধ্য থেকে, ইলমি মজলিসে বর্ণিত)
🔹 তিনি আরও বলেন:
"দরকার হলে আমরা কষ্ট করব, কৃচ্ছতা সাধন করব, কিন্তু দ্বীন ও উলামায়ে কেরামের মান-মর্যাদা কোনভাবেই নষ্ট হতে দেব না।"
🟩👉 শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) বলেন:
> "চামড়ার জন্য দ্বীনের ইজ্জত বিসর্জন দেওয়া যাবে না। দরকার হলে মাদ্রাসা বন্ধ করে দাও, কিন্তু দ্বীনের নাম নিয়ে হাত পাতবে না।"
📚 (বিভিন্ন মাহফিল, ওয়াজ ও ব্যক্তিগত বৈঠকে এই কথাটি তিনি বারবার উচ্চারণ করতেন।)
🔹 তিনি আরও বলতেন:
> "আজ আমরা আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে মানুষকে কী দেখাচ্ছি? চামড়ার জন্য হট্টগোল, ঝগড়া, অপমান — এ দ্বীনের মেহনত কি এজন্যই ছিল?"