#টিচিং— পেশা কি সফল #পেশা ?🤔
অনেকেই বলেন, স্টুডেন্ট পড়ানো এক ধরনের নেশা।
বিশেষ করে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন, একবার টিউশন শুরু করলে, চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এটা ছাড়াই যায় না।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ স্টুডেন্ট HSC পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ স্টুডেন্ট কোনো না কোনোভাবে টিচিং পেশার সাথে জড়িয়ে পড়ে।
আমাদের আশেপাশেই এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত স্টুডেন্ট পড়াচ্ছেন এবং ভালো একটা financial support-ও পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই—
👉 টিচিং প্রফেশনে আসলে কতটা সফল হওয়া যায়?
👉 ক্যারিয়ার হিসেবে এটা কতটা সিরিয়াস?
👉 একজন টিচার চাইলে সর্বোচ্চ কত আয় করতে পারেন?
👉 আর আমাদের দেশে এই পেশাটাকে আসলে কতটা সম্মানজনকভাবে দেখা হয়?
এই ভিডিওতে আমরা এই প্রশ্নগুলোর বাস্তব উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি এর পরিচালক মোহাম্মদ #নাঈম খান #স্যার থেকে।
আপনার মতামত এবং কোচিং বা স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করতে না পারা প্রশ্নগুলো কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না 💬
চেষ্টা করবো পরবর্তী ভিডিওতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ স্যারের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরতে।
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like & Share করে অন্যদেরও ভাবার সুযোগ করে দিন 🙌
আর এমন real-life based content পেতে Follow করুন ❤️
Araf Hossain
Goal of 2026: Create more visual stories✌️
Full Video Link: https://youtu.be/8s_--ixQnzI?si=E-rnHY9012u2qcYO
#টিচিং— পেশা কি সফল #পেশা ?🤔
অনেকেই বলেন, স্টুডেন্ট পড়ানো এক ধরনের নেশা।
বিশেষ করে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন, একবার টিউশন শুরু করলে, চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এটা ছাড়াই যায় না।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ স্টুডেন্ট HSC পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ স্টুডেন্ট কোনো না কোনোভাবে টিচিং পেশার সাথে জড়িয়ে পড়ে।
আমাদের আশেপাশেই এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত স্টুডেন্ট পড়াচ্ছেন এবং ভালো একটা financial support-ও পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই—
👉 টিচিং প্রফেশনে আসলে কতটা সফল হওয়া যায়?
👉 ক্যারিয়ার হিসেবে এটা কতটা সিরিয়াস?
👉 একজন টিচার চাইলে সর্বোচ্চ কত আয় করতে পারেন?
👉 আর আমাদের দেশে এই পেশাটাকে আসলে কতটা সম্মানজনকভাবে দেখা হয়?
এই ভিডিওতে আমরা এই প্রশ্নগুলোর বাস্তব উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি এর পরিচালক মোহাম্মদ #নাঈম খান #স্যার থেকে।
আপনার মতামত এবং কোচিং বা স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করতে না পারা প্রশ্নগুলো কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না 💬
চেষ্টা করবো পরবর্তী ভিডিওতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ স্যারের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরতে।
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like & Share করে অন্যদেরও ভাবার সুযোগ করে দিন 🙌
আর এমন real-life based content পেতে Follow করুন ❤️
Full Video Link: https://youtu.be/8s_--ixQnzI?si=E-rnHY9012u2qcYO
#টিচিং— পেশা কি সফল #পেশা ?🤔
অনেকেই বলেন, স্টুডেন্ট পড়ানো এক ধরনের নেশা।
বিশেষ করে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন, একবার টিউশন শুরু করলে, চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এটা ছাড়াই যায় না।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ স্টুডেন্ট HSC পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ স্টুডেন্ট কোনো না কোনোভাবে টিচিং পেশার সাথে জড়িয়ে পড়ে।
আমাদের আশেপাশেই এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত স্টুডেন্ট পড়াচ্ছেন এবং ভালো একটা financial support-ও পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই—
👉 টিচিং প্রফেশনে আসলে কতটা সফল হওয়া যায়?
👉 ক্যারিয়ার হিসেবে এটা কতটা সিরিয়াস?
👉 একজন টিচার চাইলে সর্বোচ্চ কত আয় করতে পারেন?
👉 আর আমাদের দেশে এই পেশাটাকে আসলে কতটা সম্মানজনকভাবে দেখা হয়?
এই ভিডিওতে আমরা এই প্রশ্নগুলোর বাস্তব উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি এর পরিচালক মোহাম্মদ #নাঈম খান #স্যার থেকে।
আপনার মতামত এবং কোচিং বা স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করতে না পারা প্রশ্নগুলো কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না 💬
চেষ্টা করবো পরবর্তী ভিডিওতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ স্যারের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরতে।
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like & Share করে অন্যদেরও ভাবার সুযোগ করে দিন 🙌
আর এমন real-life based content পেতে Follow করুন ❤️
👉 CHAPTERS
00:00 Intro
00:47 Home Lesson Tutorial
01:16 পোড়ানো শুরু কোথা থেকে?
01:36 একজন শিক্ষক, শিক্ষকতা পেশায় কতটা সফল হতে পারে?
02:10 শিক্ষক তো অনেক আছেন, কিন্তু কোয়ালিটিফুল শিক্ষক কতজন আছেন?
03:55 SSC & HSC শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন কিভাবে দেন?
04:27 একজন টিচার চাইলে মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা উপার্জন করতে পারেন?
05:12 বাংলাদেশে শিক্ষকতা পেশাকে কতটা সফল পেশা হিসেবে মনে করেন অভিভাবকরা?
05:51 একজন অভিভাবক কোন ৩টি বিষয় বিবেচনা করে কোনো কোচিংয়ে ভর্তি করাবেন?
06:32 আপনার Story শেয়ার করতে চান? Inbox করুন
#টিচিং— পেশা কি সফল #পেশা ?🤔
অনেকেই বলেন, স্টুডেন্ট পড়ানো এক ধরনের নেশা।
বিশেষ করে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন, একবার টিউশন শুরু করলে, চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এটা ছাড়াই যায় না।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ স্টুডেন্ট HSC পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ স্টুডেন্ট কোনো না কোনোভাবে টিচিং পেশার সাথে জড়িয়ে পড়ে।
আমাদের আশেপাশেই এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত স্টুডেন্ট পড়াচ্ছেন এবং ভালো একটা financial support-ও পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই—
👉 টিচিং প্রফেশনে আসলে কতটা সফল হওয়া যায়?
👉 ক্যারিয়ার হিসেবে এটা কতটা সিরিয়াস?
👉 একজন টিচার চাইলে সর্বোচ্চ কত আয় করতে পারেন?
👉 আর আমাদের দেশে এই পেশাটাকে আসলে কতটা সম্মানজনকভাবে দেখা হয়?
এই ভিডিওতে আমরা এই প্রশ্নগুলোর বাস্তব উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি এর পরিচালক মোহাম্মদ #নাঈম খান #স্যার থেকে।
আপনার মতামত এবং কোচিং বা স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করতে না পারা প্রশ্নগুলো কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না 💬
চেষ্টা করবো পরবর্তী ভিডিওতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ স্যারের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরতে।
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like & Share করে অন্যদেরও ভাবার সুযোগ করে দিন 🙌
আর এমন real-life based content পেতে Follow করুন ❤️
👉 CHAPTERS
00:00 Intro
00:47 Home Lesson Tutorial
01:16 পোড়ানো শুরু কোথা থেকে?
01:36 একজন শিক্ষক, শিক্ষকতা পেশায় কতটা সফল হতে পারে?
02:10 শিক্ষক তো অনেক আছেন, কিন্তু কোয়ালিটিফুল শিক্ষক কতজন আছেন?
03:55 SSC & HSC শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন কিভাবে দেন?
04:27 একজন টিচার চাইলে মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা উপার্জন করতে পারেন?
05:12 বাংলাদেশে শিক্ষকতা পেশাকে কতটা সফল পেশা হিসেবে মনে করেন অভিভাবকরা?
05:51 একজন অভিভাবক কোন ৩টি বিষয় বিবেচনা করে কোনো কোচিংয়ে ভর্তি করাবেন?
06:32 আপনার Story শেয়ার করতে চান? Inbox করুন
Day 03: Daily Vlog in Teaching for 12 Days at মারকাযুত তাহযীবিল ইসলামী বাংলাদেশ
Day 02: Daily Vlog in Teaching for 12 Days at মারকাযুত তাহযীবিল ইসলামী বাংলাদেশ
Day 01: Daily Vlog in Teaching for 12 Days at মারকাযুত তাহযীবিল ইসলামী বাংলাদেশ
05/03/2026
Alhamdulillah for everything
একজন আদর্শ শিক্ষক, বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে, কেবল পাঠদান করেন না বরং তাদের চরিত্র ও মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা রাখেন। বাচ্চাদের শিক্ষক হিসেবে প্রতিদিনের তালিকায় এই ৫টি কাজ রাখা অত্যন্ত জরুরি:
১. হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানানো
বাচ্চারা স্কুলে আসার পর শুরুতেই যদি আপনার পক্ষ থেকে একটি উষ্ণ হাসি বা ইতিবাচক অভিবাদন পায়, তবে তারা মানসিকভাবে নিরাপদ বোধ করে। এটি তাদের শেখার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয় এবং আপনার সাথে একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করে।
২. সক্রিয়ভাবে কথা শোনা (Active Listening)
বাচ্চারা অনেক গল্প করতে পছন্দ করে। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় বের করে তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন। যখন একজন শিশু বুঝতে পারে যে তার শিক্ষক তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন তার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়।
৩. ইতিবাচক উৎসাহ প্রদান
ছোট ছোট সাফল্যের জন্যও বাচ্চাদের প্রশংসা করুন। "খুব ভালো করেছ" বা "তুমি আরও ভালো পারবে"—এই ধরণের ইতিবাচক শব্দগুলো তাদের কাজে অনুপ্রাণিত করে। প্রতিদিন অন্তত প্রতিটি বাচ্চাকে কোনো না কোনো ছোট বিষয়ের জন্য সৎ প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।
৪. ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখা
বাচ্চারা ভুল করবেই—এটাই স্বাভাবিক। একজন শিক্ষক হিসেবে প্রতিদিন নিজের ধৈর্যশক্তির চর্চা করা প্রয়োজন। রাগ না করে শান্তভাবে তাদের ভুল সংশোধন করে দেওয়া এবং সঠিক পথ দেখানোই একজন সফল শিক্ষকের বড় গুণ।
৫. নিজের প্রস্তুতি ও সৃজনশীলতা
প্রতিদিন ক্লাসে যাওয়ার আগে পাঠ্যবইয়ের বাইরেও কিছু সৃজনশীল খেলার বা গল্পের প্রস্তুতি রাখা উচিত। বাচ্চারা একঘেয়েমি পছন্দ করে না, তাই প্রতিদিন নতুন কিছু বা মজার উপায়ে শেখানোর চেষ্টা করলে তারা পড়াশোনাকে ভয় না পেয়ে আনন্দ হিসেবে গ্রহণ করবে।
> মনে রাখবেন: বাচ্চারা আপনার কথা থেকে যতটা শেখে, তার চেয়ে বেশি শেখে আপনার আচরণ দেখে।
24/02/2026
আজকে ক্লাসে লিখতে দেওয়ার সাথে সাথে সবার মধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ দেখা যায়। সেই আনন্দ ধীরে ধীরে সবার মধ্যেই উপলব্ধি করা যাচ্ছিল। বাচ্চাদের লিখতে দিলে তারা শুধু লিখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তারা গল্প করে, একে অপরকে খোঁচা দেয়, বিভিন্ন দুষ্টামি তে জড়িয়ে পড়ে সাথে লিখতেও থাকে। এগুলো এখন তাদের প্রতিদিনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এসব কিছুর মধ্যে যে বিষয়টা কমন, সেটা হচ্ছে তাদের শেষ পর্যন্ত লেখা শেষ করে দেখানো।
গত ক্লাসে যখন বলা হয় সবার আগে যারা লেখা দেখাবে তাদেরকে চকলেট পুরস্কার দেওয়া হবে, তারপর থেকে তাদের লেখার গতি আরো বেড়ে যায়।
যদি এভাবেই তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলতে থাকে ইনশাল্লাহ একদিন তাদের যেই পড়ালেখার উন্নতি হচ্ছে তা স্পষ্ট ভাবে দেখা যাবে।
সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন এবং সকল ওস্তাদদের জন্যও দোয়া করবেন।
মারকাযুত তাহযীবিল ইসলামী বাংলাদেশ
21/02/2026
ক্লাসে সবার আগে হাতের লেখা দেখানোর কারণে, প্রথম পাঁচজনকে চকলেট পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ক্লাসে দ্রুত এবং সুন্দর হাতের লেখার জন্য পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি কেবল একটি চকলেট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর পেছনে গভীর শিক্ষামূলক উদ্দেশ্য থাকে।
নিচে এই ধরনের কাজের উপকারিতা এবং কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
১. ছাত্রদের মাঝে কী কী উপকার হয়?
এই ধরনের ছোট পুরস্কার শিক্ষার্থীদের মানসিক এবং আচরণগত উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখে:
* স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা: এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি করে। সহপাঠীদের এগিয়ে যেতে দেখে অন্যরাও নিজেদের উন্নত করার প্রেরণা পায়।
* কাজের গতি বৃদ্ধি: সবার আগে কাজ শেষ করার তাগিদ থেকে শিক্ষার্থীদের লেখার গতি বাড়ে, যা পরীক্ষার হলে সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনায় (Time Management) সাহায্য করে।
* একাগ্রতা ও মনোযোগ: দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে লেখার জন্য শিক্ষার্থীকে পুরো মনোযোগ কাজের ওপর দিতে হয়। এটি তাদের ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করে।
* আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: পুরস্কার পাওয়ার ফলে শিক্ষার্থীর নিজের দক্ষতার ওপর আস্থা বাড়ে। এটি তাদের পরবর্তী কাজগুলো আরও আগ্রহের সাথে করতে উৎসাহিত করে।
২. এমন কাজ করার মূল কারণ কী?
শিক্ষক যখন এই ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করেন, তখন তার কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে:
* উৎসাহ প্রদান (Motivation): পড়াশোনা অনেক সময় একঘেয়ে হতে পারে। চকলেট বা ছোট কোনো পুরস্কার সেই একঘেয়েমি কাটিয়ে পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করে তোলে।
* সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা: ক্লাসের সবাই যেন অলসতা না করে দ্রুত কাজে হাত দেয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এটি একটি কার্যকর কৌশল।
* ভালো অভ্যাসের স্বীকৃতি: শুধু লেখা নয়, যেকোনো ভালো কাজের তাৎক্ষণিক স্বীকৃতি দিলে সেই অভ্যাসটি শিক্ষার্থীর মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।
* ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি: পুরস্কার এবং প্রশংসা ক্লাসের পরিবেশকে প্রাণবন্ত ও আনন্দময় রাখে, যা শেখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Chasara
Narayanganj
1421
Opening Hours
| 11:00 - 00:00 |