Hadith

Hadith

Share

সহিহ হাদিস সমুহ প্রচার করা একমাত্র লক্ষ্য ইনশাআল্লাহ....

02/10/2022
30/09/2022

ধীরে ধীরে রাসুল (সাঃ) এর অনেক হাদিস আমরা ভুলেই যাচ্ছিঃ-

১। মাঝে মাঝে বৃষ্টির পানিতে ভেজা।
(সহীহ মুসলিম- ৮৯৮)

২। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
(বুখারী- ৫২১১)

৩।বৃষ্টি হলে দোয়া করা।
(সহীহ বুখারী- ১০৩২)
(বৃষ্টি হল আল্লাহর রহমত। এই সময় দোয়া কবূল হয়ে থাকে।)

৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা।
খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
(মুসলিম- ২০৬৪)

৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না।
(বায়হাকী- ১৭৫৯৫)
(জানিনা, তার পরেও অহেতুক তর্ক না করা। ইসলাম তর্ক অপছন্দ করে।)

৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা।
আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
(মুসলিম- ২৫৩১)

৭। খুব খুশি হলে সাজদায় লুটিয়ে পড়া।(শুকরিয়া আদায় করা)
(মুখতাসার যাদুল মা' আদ- ১/২৭)

৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।( খুব বেশি গরম খাবার না খাওয়া। )
(বায়হাকি-৪২৮)

৯। নফল ও সুন্নাহ নামাজ গুলো নিজের ঘরে পড়া।
(বুখারী- ৭৩১)

১০।ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এবং ঘর ফিরে দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।
(মুসনাদে বাযযার- ৮৫৬৭)

১১।দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা।
(এখানে শু ,বুটের এর কথা বলা হয়েছে।স্যান্ডেল বা চটির কথা নয়)
(আবু দাউদ- ৪১৩৫)

১২। যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া। (সম্পূর্ণরূপে পেট ভরে না খাওয়া)
(তিরমিযী- ২৪৭৮)

১৩। ফজরের নামাজের পর নামাজের স্থানে বসে তসবি পড়া।
অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।
(আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯)

১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শেখা।
(মুসনাদে আহমাদ- ২১৬১৮)

১৫। বাড়ীতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
(তাবরানী- ৬১৩৯)

১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া।
(মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮)

১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
(ফাতহুল বারি- ১১/১১০)

১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
(আবু দাউদ- ৪১৬০)

১৯।যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।(তাই কষ্ট আসলে ধৈর্য ধরা ও আল্লাহর ওপরে খুশি থাকা)
(বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)

২০।রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ
আমি টেক(হেলান) লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ করি না।
(বুখারি, হাদিস নং: ৫১৯০)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুক।
আমীন।

05/09/2022

ইস্তেগফারের ফজিলত:
১.গু'নাহ মা'ফ হয়ে যায়।
২. এর মাধ্যমে বালা-মুসিবত দূর হয়।
৩. রিজিক প্রশস্ত হয়।
৪. পরিবারে শান্তি আসে।
৫. শরীরে ঈ'মানি শ'ক্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. হৃদয় স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।
৮. চিন্তা-পেরেশানি দূর হয়।
৯.রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।
১০.সুসন্তান লাভ হয়।
১১.নদী-নালা প্রবাহিত হয়
১২.সম্মানিতদের সম্মান বৃদ্ধি হয়।
১৩.আ'জাব-গ'জব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
১৪.মুস্তজাবুদ দাওয়ার গুন অর্জন হয়।(অর্থাৎ, ইস্তেগফার পাঠকারী এমন হয়ে যাবেন,যখন তিনি কোনো দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবেন।
১৫.পর'কালে জা'ন্নাত লাভ হয়।
[সূরা হুদঃ৫২,সূরা আনফালঃ৩৩,সুনানে আবু দাউদ,সুনানে নাসাই,সূরা নূহঃ১০-১২,সূরা হুদঃ৩]

আল্লাহ আমাদের বেশী বেশী ইস্তেগফার করার তাওফিক দান করুক।
----------------------------------------(আমিন)

13/08/2022

হিসনুল মুসলিম

দোআ: [১২৯] ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” [১]

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” [২]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ القَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’

আস্তাগফিরুল্লা-হাল ‘আযীমল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কায়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।” [৩]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।” [৪]

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দো‘আ কর।” [৫]

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।” [৬]

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সবচেয়ে ভালো দোআ হল সায়্যিদুল ইস্তিগফার।

এর জন্য ২৭.৬ নং দো'আ দেখুন। [৭]

[১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭।
[২] মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২
[৩] আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ।
[৪] তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪
[৫] মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২
[৬] মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২ ইবনুল আসীর বলেন, «ليُغان على قلبي»এর অর্থ হচ্ছে, ঢাকা পড়ে যায়, পর্দাবৃত হয়ে যায়। উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা যিক্‌র, নৈকট্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন। তাই যখন কোনো সময় এ ব্যাপারে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটত অথবা ভুলে যেতেন, তখনি তিনি এটাকে নিজের জন্য গুনাহ মনে করতেন, সাথে সাথে তিনি ইস্তেগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার দিকে দ্রুত ধাবিত হতেন। দেখুন, জামে‘উল উসূল ৪/৩৮৬।
[৭] বুখারি ৭/১৫০

08/08/2022

৩০ জন ফেরেশতা সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা
করার আমল ইন শা আল্লাহ ❤️

رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ

উচ্চারণ : ‘রাব্বানা ওয়া লাকালহামদ হামদান কাছিরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি।’

অর্থ : ‘হে আমাদের প্রভু! আর আপনার জন্যই সব প্রশংসা; অধিক প্রশংসা; পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা।’

হজরত রিফাআহ ইবনু রাফি যুরাক্বি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, একবার আমরা নবিজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে নামাজ আদায় করলাম। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বললেন-
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

তখন পেছন থেকে এক সহাবি বললেন-
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ

নামাজ শেষ করে তিনি (নবিজী) জিজ্ঞাসা করলেন, কে এরূপ বলেছিল ?
সেই সাহাবি বললেন- ‘আমি।’
তখন তিনি (নবিজী) বললেন, আমি দেখলাম ত্রিশ জনের অধিক মালাইকাহ (ফেরেশতা) এর (তাসবিহ-এর) সওয়াব কে আগে লিখবেন; তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন।’ (বুখারি)

08/05/2022

★ উচ্চস্বরে আমিন বলার হাদীসসমূহ,,

০১) বুখারি ১ম খন্ড ১০৮ পৃষ্ঠা
০২) মুসলিম শরীফ ১৭৬ পৃষ্ঠা
০৩) আবু দাউদ ১৩৪ পৃষ্ঠা
০৪) তিরমিজি ৫৭,৫৮ পৃষ্ঠা
০৫) নাসায়ী ১৪০ পৃষ্ঠা
০৬) ইবনে মাজাহ ৬২ পৃষ্ঠা
০৭) মুয়াত্তা মালেক ১০৮ পৃষ্ঠা
০৮) বায়হাকী ২য় খন্ড ৫৯ পৃষ্ঠা
০৯) দার কুৎনী ১২৭ পৃষ্ঠা
১০) মেশকাত ১ম খন্ড ৭৯,৮০ পৃষ্ঠা
১১) যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ১৩২ পৃষ্ঠা
১২) মাসনাদে ইমাম শাফী ২৩ পৃষ্ঠা
১৩) ইবনে আবি শায়বা ২৮ পৃষ্ঠা
১৪) ফাতহুল বারী ২য় খন্ড ২৬৭ পৃষ্ঠা
১৫) হিদায়া দিরায়াহ ১০৮ পৃষ্ঠা
১৬) আবকারুল মিনান ১৮৯ পৃষ্ঠা
১৭) ফাতহুল বায়ান ৩৪ পৃষ্ঠা
১৮) মুহাল্লা ২৬৩ পৃষ্ঠা
১৯) রাফউল ওজাজাহ ৩০০ পৃষ্ঠা
২০) তোহফাতুল আহয়াজি ১ম খন্ড ২০৮ পৃষ্ঠা
২১) তানভীরুল হায়ালেক ১০৮ পৃষ্ঠা
২২) মন্তাকা ৫৯ পৃষ্ঠা
২৩) নায়লুল আওতার ২য় খন্ড ২৪৪ পৃষ্ঠা
২৪) আহকাম ২০৭ পৃষ্ঠা
২৫) আততার গীব ২৩ পৃষ্ঠা
২৬) সবুলুস সালাম ২৪৩ পৃষ্ঠা
২৭) কানজুল ওম্মাল ৫৯ পৃষ্ঠা
২৮) জামেউল ফায়ায়েদ ৭৬ পৃষ্ঠা
২৯) তাল খিসুল হাবীর ৯০ পৃষ্ঠা
৩০) আউনুল মাবুদ ২৫২ পৃষ্ঠা
৩১) তায়সীরুল ওসুল ২১৭ পৃষ্ঠা
*** হানাফী মাযহাবের কেতাবগুলিতেও উচ্চস্বরে আমীন
১) আইনুল হেদায়া ১ম খন্ড ৩৬৫ পৃষ্ঠা
২) নুরুল হেদায়া ৯৭ পৃষ্ঠা
৩) ফতহুল কাদীর ৩৬৩ পৃষ্ঠা
৪) মাদারেজুন্নবুয়াত ৪০১ পৃষ্ঠা
৫) তানবীরুল আইনাইন ৪১ পৃষ্ঠা
৬) গুনিয়াতুত তালেবীন ১১ পৃষ্ঠা
৭) তাহকীকুল কালাম ১০ পৃষ্ঠা
৮) তালিকুল মুমাজ্জাদ ১০৫ পৃষ্ঠা (ভারতের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হাই লাক্ষ্ণৌভী হানাফী )
ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর উস্তাদ আতা ইবনে আবি রাবাহ (রহঃ) বলেন -
"আমি মসজিদুল হারাম কাবা শরীফে কমপক্ষে দশ' জন সাহাবীকে আর বিভিন্ন দিনে হাজার হাজার সাহাবীকে এমন অবস্থায় পেয়েছি যে, যখন ইমাম "অলাদ্দৌলীন" বলতেন তখন আমি তাদের আমীনের প্রতিধ্বনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত শুনতাম" [বায়হাকী ২য় খন্ড ৫৯ পৃষ্ঠা, আইনী ৬ষ্ঠ খন্ড ৪৮ পৃষ্ঠা, ফাতহুল বারী ২য় খন্ড ২৬৭ পৃষ্ঠা]
বিঃ দ্রঃ এখনো আরবের প্রতিটা মসজিদে উচ্চ স্বরে লম্বা করে আ-মি-ন বলে সবাই।

©️

18/04/2022

দান সাদাকার ক্ষেত্রে মুসলিম নারীদের ভূমিকা কেমন ছিলো

15/04/2022

❝ তিন ও চার রাকাত সালাতের শেষ তাশাহুদে বসার নিয়ম ❞

শেষ তাশাহ্হুদে বসার নিয়ম হল- বাম পা ডান পায়ের নীচ দিয়ে বের করে দিয়ে নিতম্বের উপর বসা। এটাই সুন্নাত। [বুখারী হা/৮২৮, ১ম খন্ড, পৃঃ ১১৪, (ইফাবা হা/৭৯০, ২/১৪৪ পৃঃ); মিশকাত হা/৭৯২; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৭৩৬, ২/২৫২ পৃঃ, ‘ছালাতের বিবরণ’ অনুচ্ছেদ। আবুদাঊদ হা/৯৬৩, ৯৬৪, ৯৬৫, ১/১৩৮ পৃঃ; ছহীহ ইবনে হিববান হা/১৮৬৭; ছহীহ ইবনে খুযায়মাহ হা/৬৪৩ ও ৭০০]

যেমন,

وَإِذَا جَلَسَ فِى الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ قَدَّمَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَنَصَبَ الأُخْرَى وَقَعَدَ عَلَى مَقْعَدَتِهِ

‘আর যখন রাসূল (ছাঃ) শেষ রাক‘আতে বসতেন তখন বাম পাকে সামনে বাড়াতেন এবং ডান পা খাড়া রাখতেন। আর তিনি তার নিতম্বের উপর বসতেন’।
[বুখারী হা/৮২৮, ১ম খন্ড, পৃঃ ১১৪, (ইফাবা হা/৭৯০, ২/১৪৪ পৃঃ]

উক্ত আমল ছিল রাসূল (ছাঃ)-এর নিয়মিত আমল। হাদীছটি দশ জন ছাহাবী কর্তৃক সত্যয়নকৃত। কিন্তু উক্ত সুন্নাত আজ সমাজ থেকে বিদায় নিয়েছে। অধিকাংশ মুছল্লী আমল করে না।

12/04/2022

রমজানের প্রথম ১০ দিন মাগফিরাত এর, দ্বিতীয় 10 দিন রহমতের,আর তৃতীয় ১০ দিন নাজাতের,এ হাদীস সহিহ নয়....

11/04/2022

"আল্লাহর কাছে জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নামে থেকে পানাহ চাওয়ার দোয়া"
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে দোয়াটি মুখস্ত করার তৈফিক দান করুন, আমিন।

10/04/2022

প্রত্যেকটা জাল হাদিস সহিহ হাদিসের বিরুদ্ধে চলে যায়..

Want your school to be the top-listed School/college in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Narayanganj