19/01/2023
১২০ বছর আগে, খাজা সলিমুল্লাহ ১ লক্ষ ১২ হাজার টাকা দান করেছিলেন বুয়েটের (BUET) জন্য। তখন সেটার নাম বুয়েট ছিলো না। ছিলো ঢাকা সার্ভে স্কুল। সেটাকে তিনি রূপ দিলেন আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে। (খাজা সলিমুল্লাহার বাবার নাম ছিলো আহসানউল্লাহ)
আজ থেকে ১২০ বছর আগে, ১ টাকার মূল্য কতো ছিলো ভাবতে পারেন? —আজকের দিনের আনুমানিক কয়েকশ টাকা।
১৯০৮ সালে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক সভায় বিনা বেতনে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার দাবি তুলেন তিনি। —চিন্তা করা যায়!
পূর্ব বাংলায় কোন ইউনিভার্সিটি নেই। সলিমুল্লাহ সেটা মানতে পারলেন না। কি করা যায়, সে নিয়ে ভাবতে থাকলেন। ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি, তখনকার ভাইস রয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আসেন। হার্ডিঞ্জের সামনে দাবি নিয়ে দাঁড়ানোর মতো সাহস পূর্ব বাংলায় যদি কারো থাকে, সেটা একমাত্র সলিমুল্লাহর। তার বয়স তখন চল্লিশ বছর। সে সময়ের ১৯ জন প্রখ্যাত মুসলিম লিডার নিয়ে তিনি হার্ডিঞ্জের সাথে দেখা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি তুলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অন্যতম অগ্রদূত তিনি।
সলিমুল্লাহ ছিলেন আদ্যোপান্ত শিক্ষানুরাগী। পূর্ব বাংলায় শিক্ষার বিস্তারের জন্য, পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠিকে শিক্ষিত করার লক্ষ্যে তিনি বহু বৃত্তি, বহু প্রকল্প চালু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা এবং ঢাকা সার্ভে স্কুলকে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে রূপ দেয়া ছিলো তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান।
শিক্ষাকে যদি জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়, তাহলে পূর্ব বাংলার সেই মেরুদণ্ড তৈরিতে সলিমুল্লাহর চেয়ে বড়ো ভূমিকা সম্ভবত বিংশ শতকে খুব বেশি কেউ রাখেনি। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তিনি মারা যান। আরো কিছুদিন বেঁচে থাকলে হয়তো পূর্ব বাংলার শিক্ষার জন্য আরো বহুকিছু করে যেতেন।
নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুরের মৃত্যুবার্ষিকী ছিলো ১৬ জানুয়ারি। তাঁর জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা।( সংগ্রহ
06/05/2022
কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও? তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রাখো। কারণ প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না”।
06/05/2022
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বোল কানে কানে
যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
বোল কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বোল কানে কানে
আধো আধো বোল
যে কথার কলি সখি আজও ফুটিল না
শরমে মরম পাতে দুলে আনমনা
যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকেরও আঁচল
যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকেরও আঁচল
বোল কানে কানে
যে কথা লুকানো থাকে লাজনত চোখে
না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
যে কথাটি ধরে রাখে অধরেরও কোল
যে কথাটি ধরে রাখে অধরেরও কোল
বোল কানে কানে
যে কথা কহিতে চাহ বেশভূষার ছলে
যে কথা প্রকাশ তব দেহে পলে পলে
যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল
বোল কানে কানে
04/05/2022
একলা ঘর
ধূলো জমা গীটার
পড়ে আছে লেলিন
পড়ে আছে শেক্সপিয়ার
টিশার্ট জিন্সগুলো
দেরাজে আছে
শুধু মানুষটা তুই নেইতো
নেইরে কাছে
ও বন্ধু তোকে
মিস করছি ভীষণ
তোকে ছাড়া কিছুই
আর জমেনা এখন
ও বন্ধু তোকে
মিস করছি ভীষণ
তোকে ছাড়া কিছুই
আর জমেনা...
তোকে ছাড়া হয়না টিউন
হয়না লেখা
বৃষ্টির সাথেও এখন
হয় না দেখা
থমকে যাই হয় মনে
এই বুঝি এসে ডাক দিবি
থমকে যাই পরক্ষণে
কেনো হয় যে এমন
ও বন্ধু তোকে
মিস করছি ভীষন
তোকে ছাড়া কিছুই
আর জমে না এখন
ও বন্ধু তোকে
মিস করছি ভীষন
তোকে ছাড়া কিছুই
আর জমে না...
একলা ঘর
ধূলো জমা গীটার
পড়ে আছে লেলিন
পড়ে আছে শেক্সপিয়ার
টিশার্ট জিন্সগুলো
দেরাজে আছে
শুধু মানুষগুলো নেইতো
নেইরে কাছে
ও বন্ধু তোদের
মিস করছি ভীষণ
তোদের ছাড়া কিছুই
আর জমেনা এখন
ও বন্ধু
মিস করছি ভীষন
তোদের ছাড়া কিছুই
আর জমে না...
04/05/2022
দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায়
দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায়
দেখা হবে বন্ধু নাটকীয় কোনো বিনয়ী ভঙ্গিতে
ভালোবাসার শুভ্র ইঙ্গিতে
দেখা হবে বন্ধু নিয়ত প্রতিদিন পাশ কেটে যাওয়া
সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায়
দেখা হবে বন্ধু
শ্লোগান মুখর কোনো এক পথো মিছিলে
ব্যস্ততা থেকে ধার দিলে
দেখা হবে বন্ধু
ভীষণ খেয়ালী মনের আতিথেয়তায়
উচ্ছাসে প্রনয় প্রাক্কালে
দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায়
দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায়