19/05/2024
প্রথমে একটি খেজুর নিন।
তারপর খেজুরের ভিতরের আঁটিটা হাতে নিন।
দেখবেন সেটা একটা হালকা আবরণে বেষ্টিত।
এরপর সেটার পেটের কাটা অংশের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন একটা সুতা আলগা হয়ে আছে।
তারপর পেটের উল্টা দিকের ঠিক মাঝখানে দেখবেন একটা বিন্দু আছে।
এবার নিচের আয়াত তিনটা মনযোগ দিয়ে লক্ষ্য করুন।
(এক)
وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِ مَا يَمْلِكُونَ مِن قِطْمِيرٍ (فاطر: ১৩
“আর তোমরা আল্লাহ ব্যতিত যাদেরকে ডাকো, তারা খেজুরের তুচ্ছ আঁটির আবরণেরও অধিকারী নয়।“
এখানে ‘ক্বিতমির’ শব্দটিই হলো সেই আবরণ যার দ্বারা খেজুরের আঁটি বেষ্টিত থাকে।
(দুই)
فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُولَٰئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلا (الإسراء: ৭১
“যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেওয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি ‘ফাতিল’ পরিমানও জুলুম করা হবেনা।“
আর এখানে ‘ফাতিল’ হলো সেই আলগা সুতা যা আঁটির পেটের কাটা অংশে দেখা যায়।
(তিন)
وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَٰئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا ( النساء: ১২৪
কোনো পুরুষ কিংবা নারী ইমান থাকা অবস্থায় যদি ভালো কাজ করে, তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি ‘নাক্বির’ পরিমান জুলুম করা হবেনা।“
আর এখানে ‘নাক্বির’ মানে হলো আঁটির পিঠের ঠিক মাঝখানে থাকা সূক্ষ্ম বিন্দুটি।
সুবহানাল্লাহ, কি অনন্য আর নিখুঁত উপমা দিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা!
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম!
©
19/04/2024
আলেম শূন্য মসজিদ-মাদরাসা কমিটিকে আপনি কিভাবে দেখেন!
মসজিদ-মাদরাসা কমিটিতে কমপক্ষে ৬০% আলেম থাকা উচিত বলে মনে করি, আপনার মতামত কি?
আলিম শূন্য মসজিদ কমিটি হওয়ার কারণে দিন দিন মসজিদ গুলো আবাদশূন্য হয়ে যাচ্ছে।
আর আলিম শূন্য মাদ্রাসা কমিটি হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত মাদ্রাসাগুলো অবক্ষয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আল্লাহ তুমি হেফাজত করো।
19/04/2024
ওস্তাদগনের প্রতি রসূল স. এর নির্দেশ -
"বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকেরা তোমাদের কাছে দ্বীনী জ্ঞান অর্জনের জন্য আসবে, তোমরা তাদের যত্ন নিও!"
17/04/2024
আমরা যারা মাদরাসায় পড়াই, বছরের শুরুতেই একটা হিসাব মাথায় রাখলে সুবিধা হবে। পুরো বছরে আমরা আসলে মোট কয়টা ক্লাস পাই?
একটু খতিয়ে দেখা যাক।
● মাদরাসাগুলো পরিচালিত হয় চান্দ্র ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। এখানে সৌর বছর থেকে দশ দিন কম। ৩৫৫ দিন। ফলে বছরের হিসেব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ দিন শেষ।
● ক্লাস পুরোদমে শুরু হতে হতে ১৫ শাওয়াল। ১৫ দিন কমলো।
● কুরবানির আগে চারদিন। কুরবানির দিনসহ ছুটি ১০ দিন। মোট ১৪দিন।
● প্রথম সাময়িকে খেয়ার ১০দিন, পরীক্ষা ১০ দিন, বন্ধ ৭ দিন। মোট ২৭ দিন।
● দ্বিতীয় সাময়িক সেম--২৭ দিন।
● ইজতেমা উপলক্ষ্যে ক্লাস বন্ধ থাকে মিনিমাম ৫দিন।
● অভিভাবক সম্মেলন উপলক্ষ্যে মিনিমাম ২ দিন।
● শিক্ষাসফর উপলক্ষ্যে মিনিমাম ৩ দিন।
● বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে আগ পরে মিলিয়ে মিনিমাম ৭দিন।
● বিভিন্ন জাতিয় ও ধর্মীয় ছুটি দিবস উপলক্ষ্যে মিনিমাম ৬ দিন।
● তারবিয়তি মজলিস বা বড় কোন ব্যক্তির আগমন বা বিশেষ কোন উপলক্ষ্যে ধরা যাক সারা বছরে ৪দিন।
● বার্ষিক পরীক্ষায় খেয়ার কমপক্ষে ২০ দিন।
● বার্ষিক পরীক্ষা ১০ দিন।
● শাবান মাসের ১৫ তারিখ থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বার্ষিক ছুটি টানা ৪৫ দিন।
সবগুলো যোগ করলে ক্লাস বন্ধ থাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯৫ দিন।
৩৬৫ থেকে ১৯৫ বাদ দিলে হাতে থাকে ১৭০। মানে ৫ মাস ২০ দিন।
● এই সাড়ে পাঁচ মাসে শুক্রবার আসবে কমপক্ষে ২৩ টি। ফলে ১৭০ থেকে আরো তেইশ দিন বাদ। হাতে রইলো ১৪৭.
● ব্যক্তিগত অসুস্থতা বা পারিবারিক ব্যস্ততায় সারা বছরে হয়তো আরো ৫দিন মিস হবে।
সব মিলিয়ে মোটামুটি ১৪০ দিন আপনি ক্লাস করানোর সুযাগ পাবেন। এর মধ্যে বছরের শুরুর কমপক্ষে ৫ দিন আপনি মুকাদ্দিমার নানান বিষয় আলোচনা করবেন। মূল কিতাবটা পড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন ১৩৫ দিন। আমার মনে হয় না এর চেয়ে একদিন বেশি পড়ানোর ফুরসত বের করা সম্ভব।
এখন ধরুন, আপনার যিম্মাদারিতে হেদায়া-২টা এলো। এর পৃষ্ঠাসংখ্যা সম্ভব ৩৩০ বা এরকম কাছাকাছি। এর মানে কিতাবটি শেষ করতে হলে আপনাকে বছরের একদম শুরুর ক্লাস থেকেই প্রতিদিন ২ পৃষ্ঠার বেশি করে পড়াতে হবে।
আপনার ভাগে ছোট বড় যে কিতাবেই আসুক, একদম শুরুতেই ১৩৫ দিন মাথায় রেখে পুরো কিতাবটি ভাগ করে ফেলুন। এরপর সে অনুযায়ী নিয়মিত পড়ান। না হয় বছর শেষের এই তাড়াহুড়া বা কিতাব শেষ করতে না পারার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।
পাশাপাশি হিসাবটা সচেতনভাবে সামনে থাকলে আপনি কী পরিমাণ আলোচনা করবেন, কোন আঙ্গিকের আলোচনা করবেন, এ ব্যাপারগুলোতে একটা যৌক্তিক পরিমিতিতে যেতে পারবেন।
বছরের শুরুতে আমরা যখন একটি কিতাবের দায়িত্ব পাই, মনে হয় পুরো একটা বছর হাতে আছে। অবচেতনের এই ভুল উপলব্ধি শুরুর দিকের ক্লাসগুলোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। কিন্তু বছর শেষে আমরা বেশি দূর আগাতে পারি না। তাড়াহুড়ো করে কোনভাবে একটা পরিমাণ পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়।
এটা সত্য, কিতাবের সব অংশ সমান সময় দিয়ে পড়ানো হয়তো আবশ্যক নয়; কিন্তু সেটাও যেন এই ১৩৫ দিনের পরিকল্পার ভিতরে থেকে হিসেবের মধ্য দিয়েই হয়।
নিজের জন্যই রিমাইন্ডার দিয়ে রাখলাম মূলত।
- মুহতারাম Saber Chowdhury
16/04/2024
দেশব্যাপী কওমী মাদরাসা সমূহে ভর্তি কার্যক্রম চলছে আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় আজই ভর্তি নিশ্চিত করুন।
11/04/2024
🌙তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম🌙
┏━━━━━━━━┓
💚💛ঈদ মোবারক💛💚
┗━━━━━━━━┛
10/04/2024
ঈদের সুন্নাহ 🌙
১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।
২. মিসওয়াক করা।
৩. গোসল করা।
৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।
৫. সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় খাবার কিংবা বিজোড় সংখ্যক খেজুর খাওয়া।
৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে এক সা পরিমাণ ফিতর আদায় করা।
১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা।
১১. যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা।
১২. পায়ে হেঁটে যাওয়া।
১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে তাকবীর পড়তে থাকা।
08/04/2024
অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে অবহেলা করতে নেই।
05/04/2024
১০টি জিনিসের সাথে ১০টি জিনিস না থাকলে কোনো লাভ নেই:
১) বুদ্ধির পাশাপাশি তাকওয়া না থাকলে
২) মুখস্থের পাশাপাশি বুদ্ধি না থাকলে
৩) তীব্র আক্রমণের পাশাপাশি তীব্র মনোবল না থাকলে
৪) সৌন্দর্যের পাশাপাশি মিষ্টতা না থাকলে
৫) বংশমর্যাদার পাশাপাশি আদবকেতা না থাকলে
৬) আনন্দ বিনোদনের পাশাপাশি নিরাপত্তা না থাকলে
৭) ধনাঢ্যতার পাশাপাশি বদান্যতা না থাকলে
৮) ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি বিনয় না থাকলে
৯) অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সম্পদ না থাকলে
১০) প্রচেষ্টার পাশাপাশি (আল্লাহর) তাওফীক না থাকলে
— ইবনুল মুক্বাফ্ফা
সূত্র: আল-আদাবুস সগীর
23/03/2024
১২ রমাযানে দ্রুত বিয়ের জন্য একটি পরীক্ষিত আমল
এইটা একটা পরীক্ষিত আমল। বহু বছর থেকে এ আমলটি জামেয়া দারুল উলূম কারচি'র সাবেক শাইখুল হাদীস ও সদর মুফতী রফী উসমানী রহ. এর পক্ষ হতে প্রচারিত। আরও অনেক বুযুর্গদের এটি মুজাররাব। অগণিত মানুষ এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন।
যেসব অভিভাবক অবিবাহিত ছেলে মেয়েদের বিবাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন, তারা আমলটি করতে পারেন। বিবাহ উপযুক্ত ছেলে মেয়েরাও নিজেদের জন্য এটি করতে পারেন।
শরীয়তের বিধান তথা ফরজ ওয়াজিব সুন্নাত মনে না করে স্রেফ বুুযুর্গদের পরীক্ষিত আমল হিসাবে করতে কোনো অসুবিধা নেই। ইনশাআল্লাহ, দ্রুত সুফল লাভ করবেন।
এই আমলটি রমাযানের ১২ তারিখের রাতে তারাবীহের পরে অথবা শেষরাতে তাহাজ্জুদের সময় করতে হবে।
আমলের নিয়মঃ-
১) প্রথমে ১০১ বার দরূদ শরীফ পড়বে।
২) এরপর ১২ রাকাআত নফল নামায পড়বে, দুই দুই রাকাআত করে। প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহার পর ১২ বার সুরা ফীল পড়বে।
৩) নামায শেষে পুনরায় ১০১ বার দরূদে ইবরাহীমী পড়বে।
৪) এরপর নবীজির (সা.) এর প্রতি আমলটির ঈসালে সওয়াব করবে।
৫) বিয়ের জন্য কিছুক্ষণ দুআ করার পর কোনো কথাবার্তা না বলে ঘুমিয়ে পড়বে।
নোটঃ দারুল উলূম করাচির দারুত তাসনীফের সদস্য মাওলানা মাহমূদ হাসান হাফি. এর মাধ্যমে আমলটির সনদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
16/02/2024
আইমান একাডেমী - একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা মিশন।
আমাদের বিভাগসমূহ -
১-মক্তব বিভাগ।
২- নূরানী বিভাগ।
৩- নাজেরা বিভাগ।
৪- হিফজ বিভাগ।
৫- কিতাব বিভাগ।
৬- বিষয়ভিত্তিক খন্ডকালীন বিশেষ কোর্স।
আমাদের সেবা সমূহ -
✓ আবাসিক - অনাবাসিক।
✓ বালক - বালিকা শাখা।
✓ অনলাইন - অফলাইন।
✓ ফুল টাইম - পার্ট টাইম।
✓ আজীবন গাইডলাইন।
✓ প্রশ্নোত্তর পর্ব।
✓ অভিভাবকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ।
✓ প্রত্যেক কোর্সের শিট প্রদান।
✓ প্রত্যেক ক্লাসের ভিডিও সংরক্ষণ এবং বিতরণ।
✓ অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী।
✓ দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ।