28/05/2025
নারী হয়তো জানে না,
তাঁর চোখে লুকিয়ে থাকে এক নিঃশব্দ জাদু।
যা নিস্তব্ধ রাতের মতো কোমল,
আবার বজ্রাহত হৃদয়ের মতো গভীর।
এই চোখ গোধূলির রেখায় ফেলে ছায়া,
যেখানে মিশে থাকে প্রেমের রক্তিম আলো
আর অজানা বিষাদের ধূসরতা।
কল্পিত স্বপ্নের স্নিগ্ধতায় মোড়া মাদকতা।
নারী হয়তো জানে না,
তাঁর চোখে আছে এক চুম্বকীয় আকর্ষণ,
যা কঠিন থেকে কঠিনতর হৃদয়কেও
অগ্নিদগ্ধ লোহার মতো গলিয়ে দেয়—অনায়াসে।
নারীর চোখের গভীরতা বোঝা কঠিন নয়,প্রায় অসম্ভব।
এই চোখে কখনো জাগে অলৌকিক এক মায়া,
যা শিশিরকণার মতো নরম,
চোখের পাতায় জমে থাকা কাঁপা কাঁপা এক স্বপ্নীল ছায়া।
আবার কখনো কখনো,
এই চোখ ঝরায় নিঃশব্দ আর্তনাদ।
যেমন বর্ষার উদাস দুপুরে
ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু ঝরায় আকাশ।
বাতাসে ধূসরতার ছায়ায়, সে চোখ মেঘলা ভেলার আবাস।
নারীর চোখের কোণে লুকিয়ে থাকে এক চঞ্চল হাসি,
যা হাওয়ায় দুলে ওঠা কাঁচা পাতার মতো।
আবার কখনো তা হয়ে ওঠে অব্যক্ত যন্ত্রণার নীল ছায়া।
যেই চোখ নিরবে গিলে খায় শত-শত ব্যথা।
এই চোখ—ডাকে, টানে, বাঁধে
এক অদৃশ্য ফাঁদে।
যার আহ্বানে হারিয়ে যায় মুক্ত আত্মা।
যেখানে প্রেম আর ভয়, পাশাপাশি বসবাস করে।
নারীর এই রহস্যময়তা,
চোখের এই নিঃশব্দ ভাষা,
যে হৃদয় অনুভব করতে পারে,
সে-ই প্রকৃত অর্থে নারীকে উপলব্ধি করতে পারে।
কারণ,
নারীর চোখ শুধু চোখ নয়,
তাঁর চোখ এক গল্প...
এক গহীন সমুদ্র।
যেই সমুদ্রে কেউ একবার ডুবে গেলে,
সে—
সে চোখের মায়ার-মোহ
ছেড়ে বাঁচতে পারে না।
—
সংগৃহীত