11/06/2025
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা | One Time School পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Maijpara Degree College, Narail., College & University, Narail.
11/06/2025
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা | One Time School পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা
10/05/2025
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩ (৩য় ধাপ) | One Time School প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩ (৩য় ধাপ) Primary Assistant Teacher Registration Recruitment Exam 2023
17/05/2024
ভাবসম্প্রসারণ: তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? | One Time School উত্তমের আদর্শ অনুকরণীয় আর অধমের আদর্শ অবশ্যই পরিত্যাজ্য। অধমের অন্যায় আচরণের জবাবে ভাবসম্প্রসারণ: তুমি অধম, ত....
25/08/2023
আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রিয় স্যার, আর নেই, না ফিরার দেশে চলে গেলেন।
18/06/2022
মানুষের শরীর নিয়ে কিছু অজানা গুরুত্বপূর্ন তথ্যঃ-
১. জীবদ্দশায় একজন মানুষ প্রায় ১৫০ লাখ কোটি তথ্য মনে রাখতে পারে।
২. তৃষ্ণা পাওয়া মানে, শরীর ১ শতাংশ পানি এরমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে।
৩. মস্তিষ্ক প্রতি ঘন্টায় ২৭৪ কিলোমিটার বেগে স্নায়ুতে অনুভূতি প্রেরণ করতে পারে।
৪. ক্যামেরার পারিভাষায় মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগাপিক্সেলের।
৫. মানুষের নাক আর কানের বৃদ্ধি কখনো বন্ধ হয় না।
৬. মানুষের দেহের চার ভাগের এক ভাগ হাড়ই থাকে তার পায়ে।
৭. খাবার খেতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগলেও তা সম্পূর্ণ হজম করতে আপনার শরীরের প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে।
৮. মানুষের ডিএনএ-এর ৯৮.৪ শতাংশ শিম্পাঞ্জির সাথে এবং ৭০ শতাংশ জোঁকের সাথে মিলে যায়।
৯. মানুষের মস্কিষ্ক দিনের বেলার তুলনায় ঘুমের সময় বেশি সক্রিয় থাকে।
১০. মানুষের মস্তিষ্ক অক্সিজেন ছাড়া বড়োজোর পাঁচ থেকে দম মিনিট বেঁচে থাকতে পারে।
১১. জীবনে যদি একবারও চুল না কাটেন, তবে তা ৭২৫ কিলোমিটার লম্বা হবে।
১২. গন্ধ শুঁকেও ওজন কমানো সম্ভব!! আপেল আর কলার ঘ্রাণে নাকি ওজন কমে!
১৩. পৃথিবীতে একমাত্র একটি প্রাণীই চিৎ হয়ে ঘুমাতে পারে- মানুষ।
১৪. সুস্থ সবল কিডনি প্রতিদিন প্রায় ৩০০ বার মানুষের শরীরের রক্ত পরিষ্কার করে।
১৫. একজন মানুষের জীবদ্দশায় তার শরীর থেকে ২২ কিলোগ্রাম চামড়া খসে পড়ে।
১৬. মানুষের মস্কিষ্কের স্মৃতিশক্তি ধারণ ক্ষমতা ৪ টেরাবাইটেরও বেশি।
১৭. পাকস্থলীতে তৈরি অ্যাসিড লোহা পর্যন্ত গলিয়ে দিতে পারে।
১৮. মানুষের আঙুলের ছাপ তৈরি হয় মাত্র ৩ মাস বয়সে, তাও ভ্রুণ অবস্থায়।
১৯. মানুষের মুখের লালায় ওপিওরফিন নামে এক পেনকিলার পাওয়া যায়, যেটা মরফিনের থেকে ৬ গুণ বেশি শক্তিশালী।
২০. আমাদের মস্তিষ্কে যে বিদ্যুৎশক্তি আছে তা দিয়ে একটা ১০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালানো সম্ভব।
২১. মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের জিভে স্বাদকোরক (টেস্টবাড) কম থাকে।
২২. দাঁতের এনামেল মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্ত পদার্থ।
২৩. নিজের নাক টিপে ধরে রেখে গুনগুন করা অসম্ভব।
করোনা ভাইরাসের লক্ষনঃ-----
করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাই
অনুভব করতে পারেন:-------
০১। নাক দিয়ে জল পরা ।
০২। হাচি এবং কাশি ।
০৩। গলা ব্যাথা ।
০৪। শুকনা কাশি ।
০৫। শ্বাসকষ্ট ।
০৬। জ্বর(১০০ ডিগ্রি বা বেশি) ।
০৭। শ্বাস কষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে) ।
০৮। পাতলা পায়খানা ( severity বেশি হলে) ।
তাই উপরোক্ত লক্ষন যদি থাকে আপনার
প্রথম কাজ ঘরেই থাকুন ।
জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে ডাক্তারের কাছে আগেই আসার দরকার নেই । নিম্নোক্ত প্রেসক্রিপশনে সাতদিন ঔষধ খেতে থাকুন ।
Tab. Napa rapid 500mg/Napa Extend/ 665mg ( ভরা পেটে) ।
১+১+১-------------------- ৭দিন ।
Tab. Deslor / Tab. Fexo (120/180)
১+0+১-----------৭ দিন ।
Tab. Monas/Trilock/Lumona10mg
০+০+১----------৭দিন ।
Syp.Ambrox/ Dexpofen/Tuska plus
২ চামচ করে ৩ বেলা----------- ৭দিন
(কাশি বের হলে) ।
Tab.Ometid 20mg
১+০+১------------- ৭ দিন
( খাবার আগে) ।
যদি শ্বাসকস্ট হয় :------
Inhaler Bexitrol F
১ কাফ ১২ ঘন্টা পর পর ।
হাপানি রোগীরা বাড়িতে আগে থেকে অবশ্যই
নেবুলাইজার মেশিন রাখবেন এবং windal plus দিয়ে নেবুলাইজ করবেন ।
# অন্যান্যঃ----
প্রচুর পরিমান পানি খাবেন ।
গরম পানি খাবেন, গরম পানির কুলকুচি করবেন ।
৭ দিন ঘরে অবস্থান করবেন ।
মাস্ক পরিধান করবেন ।
হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে
পরিস্কার করুন ।
হাচি কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন ।
# দোয়াপড়ুন:---- বেশি বেশি (মুসলিমদের জন্য)ঃ
০১। আল্লাহুমা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি,ওয়াল জুনুনি,ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন শাইয়্যিল আসক্বম ।
০২। সুরা ফাতিহা প্রতিদিন ০৭ বার ।
০৩। সুরা ইখলাস ০৩ বার, সুরা ফালাক ০৩ বার, এবং সুরা নাস ০৩ বার করে পড়ুন ।
০৭ দিন পরও সুস্থ না হলে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার নির্দিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে যোগাযোগ করুন এবং আইডিসিআর এ ফোন দিয়ে তাদের আপনার অবস্থা বিষয়ে অবহিত করুন ।
আর করোনার লক্ষন গুলো আপনাদের মাঝে থাকলে আইইডিসিআর( IEDCR) খবর দিন ।
যোগাযোগ ঃ 16263,
# 01550064901-05
# 01401184551,
# 01401184554-56,
# 01401184559-60
# 01401184559-60
# 01401184563,
# 01401184568
# 01927711784-85
# 01937000011
# 01937110011
In sha Allah will save us from this disaster...
এটি শেয়ার করে সকলকে অবহিত করুন,
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে । **Dr. Sumaiya Simu**
টোটাল ডেথে ইতালি আজকে চায়নাকে ক্রস করে গেলো। ইতালির যে মানুষগুলো আইসিইউতে বেড না পেয়ে "লেফট টু ডাই" সিচুয়েশনে আছে তারা কেউ এক মাসে আগেও এ ব্যাপারটা দুঃস্বপ্নেও ভাবে নি হয়ত। ইভেন পুরো বিশ্বের কেউ ভাবে নি। আজ তারা পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে গেলো।
স্পেনে ডেথ রেট বাড়ছে। জার্মানিতে বাড়ছে। কিছু সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবী। তারা জানিয়ে দিচ্ছে করোনা এভাবে আগালে আমরা কতটুকু পেছাবো। কত সংখ্যায় মরবো, বিলুপ্ত হবো।
অদ্ভুত এক দুঃসময়ের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা। কবে এই অস্থির সময় শেষ হয়ে পৃথিবীতে স্বস্তি আসবে কেউ জানে না।
নিউজের হেডলাইনে আমেরিকাতে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়ার খবর দেখে যে মানুষটা প্রচণ্ড খুশি হয়ে যায়, ভেতরের খবর পড়ে সে যখন দেখে এই ভ্যাকসিন মার্কেটে আনতে দেড় বছর সময় লাগবে তখন সে পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী হয়ে যায়।
আমাদের টেস্ট করার কিট নেই। শুনলাম চায়না দেবে। আবার দেশেও কেউ বানিয়ে ফেলেছে। খুশি হলাম খুব। পরে জানলাম তাদের প্রডাকশনে যেতে দুই সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। সবগুলো পেতে মাসখানেক।
সপ্তাহের হিসাব মাসের হিসাবে এলোমেলো হয়ে যায় সব।
কেউ কেউ পৃথিবীর বয়সের হিসেব নিয়ে আসছে নিউজফিডে। কেউ আসছে অতিকায় ডায়নাসরের সার্ভাইভ থেকে বিলুপ্তির হিসেব নিয়ে। ক্যালকুলেশন করে তারা জানিয়ে দিচ্ছে, আমরাও বিলুপ্ত হচ্ছি। খুব সহজে, খুব কষ্টে।
আফটার করোনা এফেক্টের পর পৃথিবী হয়ত এক নতুন রাস্তায় হাঁটা শুরু করবে। মানুষ হয়ত আবারও বুঝতে পারবে মানুষের সবচেয়ে আপন প্রাণীটা হলো মানুষ। বাঁচতে হলে সবাইকে বাঁচাতে হবে।
অথচ আমরা এভাবে বিলুপ্ত হতে চাই নি। চলে যাওয়ার পরও নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ রেখে যেতে চেয়েছি। মেজবানের প্লেটে কিংবা মসজিদের সিমেন্টের বস্তায়।
হাজারো মানুষকে সাক্ষী রেখে নিতে চেয়েছি শেষ বিদায়।
সেই আমাদের বিদায় নেয়ার সিস্টেমটা পাল্টে গেলো হুট করে।
বিদায় নেয়ার আগে নাম প্রকাশ হচ্ছে না, লাশ প্রকাশ হচ্ছে না।
একা আসা মানুষেরা ফিরে যাচ্ছে একা হয়েই।
আমরাও হয়ত ফিরবো একা।
খুব নীরবে, খুব নিভৃতে।
কারও কফিনের উপর দু ফোঁটা চোখের পানি ফেলতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে...
তবুও অাসুন নিজের জায়গা থেকে সতর্ক হই এবং সচেতনা সৃষ্টি করি।
সংগৃহী
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
করোনা ভাইরাসের তীব্রতা দিন-দিন বাড়ছে, এক্ষেত্রে করনীয় কি? এরকম পরিস্থিতিতে একজন মূমিনের জন্য ইসলামের নির্দেশনা কি?
তাকদীরের ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস করা ঈমানের একটি অন্যতম রুকন। অতীতে যা ঘটেছে, বর্তমানে যা ঘটছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে সবই আল্লাহ তা‘আলার চোখের সামনে রয়েছে। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সবই তিনি সমানভাবে জ্ঞাত। প্রত্যেকটি মানুষ কখন জন্মাবে, কখন মারা যাবে আর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কোন মুহূর্তে কোন আমাল করবে সবই তাঁর জানা। মৃত্যুর পর কেউ জান্নাতে যাবে, না জাহান্নামে যাবে কিংবা প্রথমে জাহান্নামে যাওয়ার পর আবার জান্নাতে যাবে- এ সব কিছুই তাঁর জানা। মাতৃগর্ভে ১২০ দিন পর আল্লাহ ফেরেশতা পাঠিয়ে লিখিয়ে দেন কতটা রিযিক সে পাবে, কখন কোথায় মরবে, সে জান্নাতী হবে, না জাহান্নামী হবে।
তাকদীর নিয়ে এত কথা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা কি অবস্থায় আছি, কেমন আছি সকল বিষয় সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন আল্লাহ তা'য়ালা। সুতরাং তাকদীরের উপর পূর্ন বিশ্বাস রেখে আমাদের নিজস্ব আমল/ইবাদাতের মধ্যে ভূল আছে কিনা কিংবা আমরা সহিহ দ্বীনের পথে অটল আছি কি না এবং আমরা সুন্নাহ মোতাবেক নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি না সমস্ত কিছুই লক্ষ্য করতে হবে।
এখন করোনার কিছু বিষয় নিয়ে বলা যাক। করোনা ভয়াবহ সংক্রামক রোগ যার সঠিক চিকিৎসা এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। কিন্তু সতর্ক থাকলে প্রতিরোধ সম্ভব।
ইসলাম ধর্মে সংক্রামক রোগের স্থান নেই তা অনেক সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেমন- রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘দীন ইসলামে সংক্রামক ব্যাধি, কুলক্ষণ, পেঁচা পাখির ডাকের মন্দ প্রতিক্রিয়া, পেটে পীড়াদায়ক সাপ, নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও ভুত বা দৈত্য বলে কিছু নেই’। বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৭৮-৪৫৭৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত ৮ম খণ্ড, হা/৪৩৭৬-৭৭ ‘। ঊপদেশ, হাদিস নং ১৫৮।
আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নেই। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, "তবে প্রথমজনকে কে রোগ অনুপ্রবেশ করাল" ?
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুষ্ঠ রোগীর সাথে খেয়েছেন। আর তাকে বলেছিলেন, তুমিও খাও আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে এবং তারই ওপর তাওয়াক্কুল কর।
মা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেনঃ আমার মুক্ত দাসী আমার সাথে আমার প্লেটে খেত আমার পাত্রে পান করত এবং আমার বিছানায় ঘুমাত।
‘উমার রা. ও অন্যান্য সালাফ বলেন, কুষ্ঠরোগীর সাথে খাওয়া যায়। এসব বিষয়ের উপর আলোকপাত করলে বুঝা যায়, রোগ হলে ভয় না পেয়ে নিজ তাকদীরের উপর বিশ্বাস রেখে ধৈর্য্যের সাথে আল্লাহ কে ডাকতে হবে।
সুতরাং রোগ কে নয় বরং সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভয় আনতে হবে। রোগের প্রভাব কে নয় বরং সৃষ্টিকর্তার কাছে সুস্থ থাকার জন্য আশা/কামনা/দোয়া করতে হবে। রোগের কারনে আতংকিত হওয়া যাবে না, বরং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সুন্নাহ সমর্থিত পথে চলতে হবে।
◯◯ ‘করোনা’ নামক ধেয়ে আসা এক মহা বিপর্যের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানবজাতির করণীয় হল: মূমিনের জন্য ইসলামের নির্দেশনাঃ
◉ ১. সব ধরণের কুফরি, শিরক, নাস্তিকতা, অশ্লীলতা, হারাম ও অন্যায়-অপকর্ম পরিত্যাগ করে মহান স্রষ্টার একমাত্র মনোনীত জীবনাদর্শ ইসলামের পথে ফিরে আসা। ◉ ২. নিজেদের পাপাচার ও সীমালঙ্ঘনের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। ◉ ৩. বিপদ-বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য মহাশক্তিধর আল্লাহ কাছে দুআ ও আরোধনা করা। ◉ ৪. মহামারি আক্রান্ত এলাকায় গমন না করা এবং সেখানকার অধিবাসীগণ সেখান থেকে বের না হওয়া।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "যখন তোমরা কোনো অঞ্চলে মহামারী বিস্তারের সংবাদ শোন, তখন সে এলাকায় প্রবেশ করো না। আর তোমরা যেখানে অবস্থান কর, সেখানে মহামারী বিস্তার ঘটলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেও না"। (সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৬/ চিকিৎসা, হাদিস নম্বরঃ ৫৭২৮)
◉ ৫. এ বিশ্বাস রাখা যে, মহামারি মুমিনদের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। সে যদি এতে মারা যায় তাহলে সে শহীদের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে। যেমন: হাাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মহামারীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। জবাবে তিনি আমাকে বললেন, এটা একটি আজাব (শাস্তি)। তিনি যার উপর চান পাঠান। কিন্তু মু’মিনদের জন্য তা তিনি রহমত গণ্য করেছেন। তোমাদের যে কোন লোক মহামারী কবলিত এলাকায় সাওয়াবের আশায় সবরের সাথে অবস্থান করে এবং আস্থা রাখে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছেন তাই হবে, তাছাড়া আর কিছু হবে না, তার জন্য রয়েছে শাহীদের সাওয়াব। (সহিহ বুখারী)
মুসনাদে আহমদে আবূ আসীব থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মহামারি হল মু’মিনদের জন্য শাহাদাত এবং রহমত স্বরূপ আর কাফিরদের জন্য শাস্তি স্বরূপ।” (সহিহ তারগিব, হা/১৪০১)
◉ ৬. যত বালা-মুসিবত এবং বিপদ-বিপর্যয় যা কিছু আসুক না কেন ইমানদারের আতঙ্কিত ও হতাশ হওয়ার কোন কারণ নাই। বরং আত্মরক্ষার জন্য যথাসাধ্য দুনিয়াবি উপায়-উপকরণ গ্রহণের পাশাপাশি আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে এবং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তৎসঙ্গে আশা করতে হবে যে, এই বালা-মুসিবত এবং রোগ-ব্যাধীর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ মোচন করেন এবং আখিরাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
◉৭. এ বিষয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নির্দেশনা মেনে চলা এবং যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করা। --------------------------------------------
◯◯ করোনা ভাইরাস সহ সব ধরণের জটিল ও দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য বিশেষ কয়েকটি দুআ:
এই সংক্রামক ভাইরাস থেকে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে হাদিসে বর্ণিত নিম্নোক্ত দুআগুলো পাঠ করুন:
◈ ১ নং দুআ:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلاَءِ وَدَرَكِ الشَّقَاءِ وَسُوءِ الْقَضَاءِ وَشَمَاتَةِ الأَعْدَاءِ
“হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই, কঠিন বালা-মুসিবত, দুর্ভাগ্য ও শত্রুদের বিদ্বেষ থেকে।” [সহিহ বুখারি]
◈ ২ নং দুআ:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْبَرَصِ وَالْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئْ الأَسْقَامِ
“হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট শ্বেত রোগ, পাগলামি ও কুষ্ঠ রোগসহ সকল জটিল রোগ থেকে আশ্রয় চাই।” [সুনানে আবু দাউদ, হা/ ১৫৫৪]
◈ ৩ নং দুআ:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
“হে আল্লাহ, তোমার কাছে আমি দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করছি। [সুনানে তিরমিযী, হা/ ৩৫১৪]
◈ ৪ নং দুআ:
بِسْمِ اللّٰهِ الَّذِىْ لَا يَضُرُّ مَعَ اِسْمِه شَىْءٌ فِى الْأَرْضِ وَلَا فِى السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَيَضُرَّه شَىْءٌ
‘‘বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা- ইয়াযুররু মা‘আইস্মিহী শায়উন ফিল আরযি ওয়ালা- ফিস্সামা-য়ি, ওয়া হুওয়াস্ সামী‘উল ‘আলিম’’ (অর্থাৎ- আল্লাহর নামে শুরু করছি, যে নামের সাথে আসমান ও জমিনে কোন কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সব শুনেন ও জানেন।"
[তিরমিযী ৩৩৮৮, আবূ দাঊদ ৫০৮৮, ইবনু মাজাহ ৩৮৬৯, সহিহুল জামে, হা/ ৫৭৪৫]
এ দুআটি সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পাঠ করতে হবে।
◈ ৫ নং দুআ:
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
“আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের ওসিলায় তাঁর নিকট আমি তিনি যা সৃষ্টি করেছেন সেগুলোর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।’ (সাহিহ মুসলিম: ৪/২০৮১)
◈ ৬ নং দুআ: «أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ، مِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ»
আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে এবং যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, আর যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আর যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে, তার অনিষ্ট থেকে, দিনে রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাতের বেলায় হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে। তবে রাতে আগত কল্যাণকর আগমনকারী ব্যতীত, হে দয়াময়।” (হিসনুল মুসলিম : ২/১৪১)।
আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে তার মনোনীত একমাত্র জীবনাদর্শ মহান ইসলামের পথে ফিরে আসার তৌফিক দান করুন এবং তাদেরকে সব ধরণের বিপদ-বিপর্যয় থেকে রক্ষা করুন। আমীন।