শিক্ষণীয় ও জ্ঞান মূলক গল্প

শিক্ষণীয় ও জ্ঞান মূলক গল্প Educational videos, stories and pictures are posted here. With that educational story we can correct

15/03/2026

ডিজিটাল ভিক্ষুক

11/03/2026

ঈদের কেনাকাটায় নকল টাকা হতে সাবধান

#নকলটাকা #জালটাকা

05/03/2026

কুত্তায় করে কি

আমার সন্তানকে এ বছর প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তি করিয়েছি। সন্তানের বয়স ৬ বছরে পা দিয়েছে, শিক্ষার্থীর মা শিক্ষার্থী কে সঙ্গে ...
27/02/2026

আমার সন্তানকে এ বছর প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তি করিয়েছি। সন্তানের বয়স ৬ বছরে পা দিয়েছে, শিক্ষার্থীর মা শিক্ষার্থী কে সঙ্গে করে নিয়ে যায় স্কুলে।

সমস্যা: ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী কোন কিছু লিখতে না পারলে শিক্ষার্থীর মা'কে ক্লাসে ডেকে নিয়ে অপমান করে। যেমন, আপনার ছেলে কিছুই পারে না, আপনার ছেলের পাশে বসে ছেলেকে লেখান, আপনার ছেলেকে প্রাইভেট দেন।

আমার মতে এত ছোট শিশুদের শেখানোর কৌশল টা এমন হওয়া উচিত নয়,
আমার মতে একটি মাত্র অক্ষর বোর্ডে অথবা বড় একটি অক্ষর হাতে ধরে বার বার উচ্চারণ করানো উচিত শেখানোর কৌশল হিসেবে।

হয়তোবা এর থেকেও ভালো কৌশল থাকতে পারে।

আপনাদের মতামত কি?

25/02/2026

সৌদি আরবে বসবাসকারী এক প্রবাসী বলছেন:

একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস।

একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।”

গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।”

আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?”

তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।”

বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?”

তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।”

তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?”

তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।”

এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?”

বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।”

তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”

এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?”

আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।”

এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল:

“যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।”

আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।”

সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল:

“যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”

এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন।

© Rekaul SK

23/02/2026

আমি আমার পরিবারকে বাঁচাতে এক ধনী বৃদ্ধকে বিয়ে করেছিলাম।
কিন্তু আমাদের বিয়ের প্রথম রাতেই বুঝে গিয়েছিলাম—এই বিয়েটা স্বাভাবিক নয়।
অন্ধকার ঘরে বসে সে শুধু বলেছিল,
“ঘুমাও… আমি তোমাকে দেখতে চাই।”
কথাগুলো ছিল শান্ত, ধীর… অথচ অদ্ভুতভাবে ভয়ংকর।
তার কণ্ঠে কোনো কামনা ছিল না, কোনো অধিকারবোধও না—ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।
আর সেই শূন্যতা আমার বুকের ভেতর কাঁপন তুলেছিল।
সকালের আলো ফোটার আগেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম,
এই বিয়েটা কখনোই শুধু টাকার জন্য ছিল না।
আমাদের জীবন তখন ভেঙে পড়েছিল।
বাবার দেনা, বাড়ি বাজেয়াপ্ত, চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে আমরা একদিনেই নিঃস্ব হয়ে যাই।
সম্মান, অহংকার, স্বপ্ন—সবকিছু গিলে ফেলেছিল বাস্তবতা।
শুধু একটা প্রশ্ন বাকি ছিল—
কীভাবে বাঁচব?
ঠিক তখনই সে এলো।
দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়।
প্রায় সত্তর বছরের একজন নিঃসঙ্গ মানুষ।
স্ত্রী বহু বছর আগে মারা গেছে, কোনো সন্তান নেই, বিশাল বাড়িতে একা থাকে।
সে সাহায্যের হাত বাড়াল।
বাবার দেনা শোধ করবে, থাকার বাড়ি দেবে, চিকিৎসার সব খরচ নেবে।
শুনতে যেন অলৌকিক দয়া।
কিন্তু সেই দয়ার সঙ্গে জুড়ে ছিল এক শর্ত—
আমাকে তাকে বিয়ে করতে হবে।
সেদিন আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখেছিলাম।
একজন মেয়ে, যার স্বপ্ন ছিল, বয়স ছিল, জীবন ছিল—
আর এক মুহূর্তে সবকিছু ত্যাগ করতে যাচ্ছিল শুধু পরিবারের জন্য।
আমি রাজি হয়েছিলাম।
ভালবাসা থেকে নয়, ইচ্ছা থেকে নয়—
বরং দায়িত্ব থেকে।
ত্যাগ থেকে।
এবং ভয় থেকে।
নিজেকে বোঝালাম—
সে বয়স্ক… হয়তো বেশি দিন বাঁচবে না।
আমার কষ্টের বিনিময়ে অন্তত পরিবার বাঁচবে।
বিয়ের প্রথম রাতেই আমি জমে গিয়েছিলাম।
বিছানার কোণে বসে হাঁটু জড়িয়ে রেখেছিলাম।
হৃদপিণ্ড এত জোরে ধুকপুক করছিল যেন সে দরজা খুললেই শুনতে পাবে।
তারপর দরজা খুলল।
সে ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল।
কোনো তাড়াহুড়া নেই, কোনো অস্বস্তিকর দৃষ্টি নেই।
হাতে শুধু একটা চেয়ার।
সে চেয়ারটা বিছানার পাশে রেখে বসল।
তারপর শান্ত স্বরে বলল,
“আজ রাতে আমাদের মধ্যে কিছুই হবে না। তুমি ঘুমাও।”
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
“আপনি… এখানে ঘুমাবেন না?”
সে মাথা নাড়িয়ে বলল,
“না। আমি শুধু তোমাকে ঘুমাতে দেখতে চাই।”
সেই মুহূর্তে আমার শরীরের রক্ত যেন ঠান্ডা হয়ে গেল।
এটা কেমন আচরণ?
দয়া?
নাকি কোনো অদ্ভুত মানসিকতা?
পরের রাতেও একই ঘটনা।
তারপরের রাতেও।
চেয়ার। নীরবতা। স্থির দৃষ্টি।
সে কখনো আমার কাছে আসেনি,
কখনো আমাকে স্পর্শ করেনি,
কখনো এমনকি আমার সাথে অপ্রয়োজনীয় কথাও বলেনি।
শুধু বসে থাকত।
যতক্ষণ না আমি ঘুমিয়ে পড়ি।
ধীরে ধীরে আমার ভয় বদলে যেতে লাগল।
ভয় থেকে কৌতূহল,
কৌতূহল থেকে অস্বস্তি,
আর অস্বস্তি থেকে এক অজানা রহস্যের অনুভূতি।
আমি ভাবতে শুরু করলাম—
সে কি মানসিকভাবে অসুস্থ?
নাকি আমার কাছে লুকিয়ে আছে কোনো অতীতের গল্প?
চতুর্থ রাতে ঘটনাটা ঘটল।
গভীর রাতে হঠাৎ অনুভব করলাম,
আমার পাশে কেউ নড়ছে।
কানের কাছে ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ।
ধীরে, কর্কশ, ক্লান্ত।
আমি চমকে চোখ খুললাম।
সে আমার খুব কাছে।
এতটাই কাছে যে তার পুরোনো কোলোনের গন্ধ স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম।
চোখ দুটো লাল, ক্লান্ত, অথচ অদ্ভুত কোমল।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টা ছিল না তার কাছে থাকা।
ভয়ংকর ছিল—
তার চোখে পানি।
সে কাঁপা গলায় খুব আস্তে বলল,
“তুমি যখন ঘুমাও… তোমাকে ঠিক আমার মেয়ের মতো লাগে।”
আমার বুকের ভেতর কিছু যেন ভেঙে পড়ল।
সে ধীরে ধীরে বলল,
“আমার একটা মেয়ে ছিল। তোমার বয়সী।
একদিন অসুস্থ হয়ে আমার চোখের সামনে ঘুমিয়ে পড়েছিল…
আর আর কখনো জাগেনি।
সেদিন থেকে আমি ঘুমাতে পারি না।
কারণ ভয় হয়—
যাকে ভালোবাসি, সে ঘুমিয়ে গেলে আর জেগে উঠবে না।”
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম।
তারপর সে চেয়ারটা আরও কাছে টেনে নিয়ে বলল,
“আমি তোমাকে কিনিনি।
আমি তোমাকে বাঁচিয়েছি—কারণ তোমার চোখে আমি বেঁচে থাকার লড়াই দেখেছি।
আর প্রতিরাতে বসে থাকি… শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্য—
তুমি শ্বাস নিচ্ছো, তুমি বেঁচে আছো, তুমি নিরাপদ।”
সেদিন প্রথমবার আমি তাকে ভয় পাইনি।
বরং বুঝেছিলাম—
কখনো কখনো সবচেয়ে অদ্ভুত মানুষগুলোই
সবচেয়ে ভাঙা হৃদয়ের মানুষ হয়।
আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম টাকার জন্য।
কিন্তু সে আমাকে ছুঁয়েও দেখেনি সম্মানের কারণে।
আর সেই রাতেই আমি বুঝেছিলাম—
এই বিয়ে ছিল না কোনো লেনদেন,
ছিল এক নিঃসঙ্গ মানুষের নীরব আর্তনাদ,
যে শুধু আরেকটা প্রিয় মানুষকে হারাতে।

13/02/2026

আমেরিকার বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসামীর উপর একটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব করলেন । কয়েদীকে শোনানো হলো ফাঁসির বদলে তোমাকে বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করিয়ে হত্যা করা হবে।

কয়েদীকে চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেয়া হলো, তারপর তার চোখে পট্টি বেঁধে বিষাক্ত কোবরা সাপ না এনে তার বদলে দুটি সেফ্টি পিন ফুটানো হলো। ফলে কয়েক
সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েদির মৃত্যু হলো ৷ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল সাপের বিষ রয়েছে তার শরীরের মধ্যে। প্রশ্ন হলো এই বিষ কোথা থেকে এলো, যা ঐ কয়েদীর প্রাণ কেড়ে নিল।

বলা হয় সেই বিষ তার নিজের শরীর থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল।আমাদের সংকল্প থেকে positive এবং negative এনার্জির সৃষ্টি হয়। আর সে এনার্জি আমাদের শরীরে হরমোনের উৎপত্তি করে ৷ 75% রোগের মূল কারণ হলো আমাদের negative চিন্তাধারা। মানুষ নিজের চিন্তাধারা থেকে ভস্মাসূর হয়ে নিজ প্রজাতিকে বিনাশ করছে। আপনার চিন্তাধারা সর্বদা positive রাখুন এবং খুশী থাকুন।

২৫ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা ভাবি যে '‘মানুষ কি মনে করবে!" ৫০ বছর আমরা ভয় পাই ‘মানুষ কি ভাববেন!‘ ৫০ বছর পরে আমরা বুঝতে পারি ‘'কেউ আমার কথা চিন্তাই
করেনি৷‘' কিন্তু তখন তেমন কিছু করার থাকে না!

তাই ইচ্ছেশক্তিকে কখনোই থামতে দেয়া যাবে না। কে কি বলে তা নিয়ে না ভেবে নিজের পজিটিভ চিন্তাগুলো নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই সফলতা (Desired Goal) ধরা দিবে।


゚viralシalシ

ঘি দিয়ে নিম পাতা ভাজলেও যেমন মিঠা হয়না,ঠিক তেমনি মন্দ লোকের স্বভাব কখনো পরিবর্তন হয়না।
11/02/2026

ঘি দিয়ে নিম পাতা ভাজলেও যেমন মিঠা হয়না,
ঠিক তেমনি মন্দ লোকের স্বভাব কখনো পরিবর্তন হয়না।

তসবি রেখে গালিব বলেন,যিনি আমাকে হিসাব ছাড়া দেনতাকে কেন গুনে গুনে ডাকবো?
06/02/2026

তসবি রেখে গালিব বলেন,
যিনি আমাকে হিসাব ছাড়া দেন
তাকে কেন গুনে গুনে ডাকবো?

05/02/2026

Address

Narail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিক্ষণীয় ও জ্ঞান মূলক গল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to শিক্ষণীয় ও জ্ঞান মূলক গল্প:

Shortcuts

Share