03/09/2025
স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
One of the best school of narail district. For details :
http://www.dariapurss.edu.bd/
https://www.sohopathi.com/dariapur-secondary-school-2/
03/09/2025
স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
27/09/2024
আজ না ফেরার দেশে চলে গেলেন
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক/হিসাব রক্ষক বাবু সুভাস চক্রবর্তী। আজ সকাল ১০ টার দিকে স্ট্রক জনিত কারণে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান পরপারে। স্যারের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে, স্যারের হাত ধরেই অনেকের গান, নাটক, আবৃত্তির হাতে খড়ি হয়েছিল।
স্যারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
07/08/2024
যে কোন সমস্যায় পড়লে কল করুন নিচের নাম্বারে:
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
স্বাধীনতার অর্থ নই খুশিমত চলা!
ইচ্ছা মত যাকে তাকে দুপায়েতে দোলা।
স্বাধীনতার অর্থ হলো সবার মুখে ভাত! স্বদেশ সেবায় আত্বনিয়োগ প্রতি দিবষ রাত।
20/06/2024
রি-ইউনিয়ন: এসএসসি-২০০৬
"পুরানো সেই দিনের কথা, ভুলবি কিরে হায়
ও সেই চোখের দেখা প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়"
01/06/2024
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি।
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়
18/05/2024
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর এক সময়ের কৃতী শিক্ষার্থী জনাব মোঃ আজিজুল ইসলাম আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অভিনন্দন ও শুভকামনা নতুন প্রধান শিক্ষকের জন্য।
তাঁর এই দায়িত্ব গ্রহণ কালে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য গণ।
তবে এটা ভালো লাগছে যে, সবার শিরোমণি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষক, সেরা অবিভাবক, সবার শিক্ষাগুরু, যাঁর মেধা আর পরিশ্রমে এতো বছর ধরে নড়াইলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপিঠ হিসেবে মাথা উঁচু করে এই বিদ্যালয়টি দাঁড়িয়ে আছে, সেই জনাব আব্দুর সবুর মোল্ল্যা স্যার। স্যারের জন্য অনেক অনেক দোয়া।
12/05/2024
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২8 সালের ফলাফল: পাশের হার ৯৪%
A+ ৪ জন
A ১২ জন
A- ২০ জন
B ১৯ জন
C ৮ জন
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়
28/07/2023
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৩ সালের ফলাফল:
A+ ৭ জন
পাশের হার ৮১.৯৭%
01/07/2023
প্রকৌশলী ইব্রাহীম : হজে যেভাবে মৃত্যুর মিছিল থামিয়েছিলেন...
হজে শয়তানকে পাথর মারার স্তম্ভের নকাশাকার বাংলাদেশী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম!
বাংলাদেশের প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম, প্রচারবিমুখ একজন গুণী মানুষ!
পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে জামারাতে শয়তানকে পাথর মারার সময় অধিক মানুষের হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে অতীতে বহু মুসল্লি মারা গেছেন। বাংলাদেশের প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম সস্ত্রীক হজে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে মর্মাহত হয়ে চিন্তা করতে লাগলেন- কিভাবে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো যায়? দেশে ফিরে তিনি একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন (পরিকল্পনা) করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দিলেন। সেখান থেকে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে সৌদি সরকার এই প্রকল্পের যৌক্তিকতা উপলব্ধি করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
হজের সময় পাথর মারার জন্য প্রত্যেক হাজীকে সৌদি আরবের মিনায় তিনদিন অবস্থান করতে হয়। যে তিনটি স্তম্ভে পাথর মারতে হয়, তাকে বলা হয় জামারা বা পাথরের স্তূপ। এটা শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভ। প্রথম জামারার নাম জামরাতুল আকাবা, মধ্যেরটি উস্তা ও শেষেরটি উলা। একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব মোটামুটি ৩৩০ মিটার। পাথর মারার ক্ষেত্রে আগে কোনো নিয়ম ছিল না। যে যেদিক থেকে যে যেভাবে পারত, পাথর মারা শুরু করত এবং একপর্যায়ে বিশৃঙ্খলায় পদদলিত হয়ে অনেক হাজী প্রাণ হারাত।
মোহাম্মদ ইব্রাহীম ১৯৯৪ সালে প্রথম সস্ত্রীক হজ করতে গিয়ে লক্ষ্য করলেন- অদক্ষ ও অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে পদদলিত হয়ে প্রতিবছর অনেক প্রাণহানি ঘটছে। একই কারণে সেবার ২৭০ জন হাজী মারা যান।
বাংলাদেশে ফিরেই মোহাম্মদ ইব্রাহীম শয়তানকে পাথর মারার একটি মডেল (একমুখী বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা) তৈরি করলেন। তাঁর পরিকল্পনার চারটি ধাপ রয়েছে- ১. প্রতিটি জামারাকে বেড়া দিয়ে পরস্পর সংযুক্ত করতে হবে, যাতে উভয়দিকে দু’টি রাস্তার সৃষ্টি হয়। ২. জামারার দেয়াল মাত্র ছয় ফুট বাই ছয় ফুট ছিল, তা উভয়দিকে অন্তত ৩০ ফুট করে বাড়িয়ে নেওয়া। ৩. একমুখী ট্রাফিক সিগনালের ব্যবস্থা করা। ৪. এরপর মিনার দিকে ‘In’ ও অপর প্রান্তে ‘Out’ বসিয়ে জনতার স্রোত একমুখী চালনা করা- এদিক দিয়ে ঢুকে পাথর মেরে ওদিক দিয়ে বেরিয়ে যাবে; কেউ পেছনে ফিরবে না। এই হলো প্রস্তাবিত প্রকল্পের সারসংক্ষেপ।
এই পরিকল্পনা এতটাই নিখুঁত ছিল যে, খোদ সৌদি বাদশা ফাহাদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে "মুহিব্বুল খায়ের" হিসেবে উপাধিতে ভূষিত করে তাঁর জন্য উপহারসামগ্রী পাঠান। শুধু তাই নয়, পরে তাঁকে পবিত্র মক্কায় প্রকল্প-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। কাবা শরীফের তৎকালীন প্রধান ঈমাম শায়খ আবদুস সুবাইল বলেন, পৃথিবীর ১০ জন সেরা প্রকৌশলীদের মধ্যে ইব্রাহীম একজন। কেননা এর আগে হাজারো প্রকৌশলী হজ করে গেলেও কেউ কখনো এ বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি বা সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেননি।
মোহাম্মদ ইব্রাহীম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আলহাজ্ব মো. ইদ্রিস ছিলেন স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ১৯৬২ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বুয়েটে ভর্তি হলেও তৃতীয় বর্ষে ওঠার পর স্বাস্থ্যগত কারণে রাজশাহী বিআইটিতে মাইগ্রেশন নিয়ে তিনি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর জাপানে উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ করেন।
পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষা বিভাগ, বিআরটিসি, ওয়াপদা এবং সবশেষে বিসিআইসিতে কর্মরত ছিলেন। বিসিআইসি-এর প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর গ্রহণকারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইব্রাহীমের উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে How to build a nice home বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রাহে মক্কা রাহে মদিনা ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং, কোরানিক গাইড, হজ পরিক্রমা, স্বল্পমূল্যে গৃহনির্মাণ, আল কুরআনে আধুনিক বিজ্ঞান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাবুপুর গ্রামে ইসলামিয়া ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর অনুদানে কয়েকটি মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালিত হয়।
তাঁর নাম এখনো জামারাতে লেখা আছে। মিনায় বর্ধিত প্রকল্পের পাশে রাস্তার ধারে Engineer Ibrahim from Bangladesh লিখে সবুজ গালিচায় সাদা অক্ষরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মুসলিম বিশ্বে ‘আর্কিটেক্ট অব মডিফিকেশন প্লান অব জামারা’ নামে খ্যাতিমান এই মহান প্রকৌশলী ২০১৭ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।
প্রয়াত গুণী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম এঁর স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
#সংগৃহীত
25/06/2023
"পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়, ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়।"
দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর পুরতন শিক্ষার্থীদের (২০০৪-২০০৫ ব্যাচ) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে রি-ইউনিয়ন।
ঈদের দ্বিতীয় দিন, রোজ শুক্রবার সারাদিন হই-হুল্লোড়, ছুটোছুটি, আনন্দ, আড্ডা, গান।
সাথে থাকছে ব্যান্ড শিল্পী সোহাগের পরিবেশনায় বিশেষ কনসার্ট।
সবাইকে আমন্ত্রণ দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে।