Md. Sabbir Islam moon

Md. Sabbir Islam moon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Sabbir Islam moon, Educational consultant, passport office , naogaon, Naogaon.

28/12/2025

পুষ্টিহীন চাল

25/12/2025
25/12/2025

complementary food

17/12/2025

AIDS

নিপাহ ভাইরাস (Nipah Virus) হলো একটি অত্যন্ত মারাত্মক জুনোটিক ভাইরাস, অর্থাৎ প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।...
07/12/2025

নিপাহ ভাইরাস (Nipah Virus) হলো একটি অত্যন্ত মারাত্মক জুনোটিক ভাইরাস, অর্থাৎ প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে। এই ভাইরাস Paramyxoviridae পরিবারের Henipavirus গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

✔️ কোথা থেকে ছড়ায়?
নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো ফল-খেকো বাদুড় (Fruit Bat / Pteropus bat)।
ভাইরাসটি ছড়াতে পারে—

বাদুড়ের লালা বা নিঃসরণ-দূষিত ফল খেলে

সংক্রমিত শূকর বা অন্যান্য প্রাণীর সংস্পর্শে

একজন সংক্রমিত মানুষের কাছ থেকেও

✔️ লক্ষণ (Symptoms)
নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের ৪–১৪ দিনের মধ্যে দেখা দেয়—

জ্বর

মাথাব্যথা

শ্বাসকষ্ট

বমি

মাথা ঘোরা

স্নায়বিক সমস্যা (যেমন এনসেফালাইটিস – মস্তিষ্কে প্রদাহ)

গুরুতর হলে দ্রুত কোমা ও মৃত্যু ঘটতে পারে।

✔️ কতটা বিপজ্জনক?
নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার ৪০% থেকে ৭৫% পর্যন্ত হতে পারে।
এটি খুব দ্রুত ছড়ায় না, কিন্তু আক্রান্ত হলে রোগটি খুব মারাত্মক।

✔️ চিকিৎসা
বর্তমানে নিপাহ ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা ওষুধ নেই।
চিকিৎসা মূলত—

রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ

সাপোর্টিভ কেয়ার

আইসোলেশন
এর উপর নির্ভর করে।

✔️ প্রতিরোধ
বাদুড়-দূষিত বা কাটা অংশযুক্ত ফল না খাওয়া

কাঁচা খেজুর রস পান না করা

গৃহপালিত প্রাণীর অসুস্থতা লক্ষ করলে দূরে থাকা

সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি না যাওয়া

নিয়মিত হাত ধোয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মানা।

07/10/2025

দীর্ঘ সময় গ্যাসের ঔষধ খেলে কি কি ক্ষতি হয়

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে ।  নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে ম...
07/10/2025

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে ।
নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ।

১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬
ফোন: +880-2-55062350
ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd

২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-58151368, 02-48120079
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd

৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
ফোন: 02-8878155
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd

৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)
ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩
ফোন: 02-9668690
ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd

৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪
ফোন: 02-7215400
ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd

৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9122560
ওয়েবসাইট: https://shsmc.gov.bd

৭. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9137292
ওয়েবসাইট: https://www.nhf.gov.bd

৮. জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন: 02-9893491
ওয়েবসাইট: https://www.nicrh.gov.bd
এই হাসপাতালগুলোতে সকাল বেলা বহির্বিভাগে (OPD) মাত্র ১০ টাকায় টিকিট কেটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায় । ওষুধও অনেক সময় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয় ।

৯. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর:
০২-৫৮১৫১৩৬৮
০২-৪৮১২০০৭৯
০২-৪৮১১৮৮০৮
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd

১০. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর: ০২-৮৮৭৮১৫৫
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd

ছেলেদের থেকে মেয়েদের পর্ণগ্রাফির আসক্তি অনেক বেশি ভয়ঙ্কর!!!আপনি জানেন কী! পর্নোগ্রাফি অ্যাডিক্টেডদের প্রায় প্রতি ৩জনে ...
07/10/2025

ছেলেদের থেকে মেয়েদের পর্ণগ্রাফির আসক্তি অনেক বেশি ভয়ঙ্কর!!!

আপনি জানেন কী! পর্নোগ্রাফি অ্যাডিক্টেডদের প্রায় প্রতি ৩জনে ১জন নারী! অর্থাৎ নারীরাও এই নীল থাবায় ভয়ঙ্কর মাত্রায় আক্রান্ত!

অথচ অনেক ছেলেরা বিষয়টি স্বীকার পূর্বক এর থেকে ফিরে আসার কাউন্সিলিং চাইলেও মেয়েদের মধ্যে এ ব্যাপারটি তেমন দেখা যায় না। না তারা বিষয়টি সহজে স্বীকার করে, আর না তারা এর থেকে ফিরে আসার জন্য উল্লেখযোগ্য প্র‍্যাক্টিস করে। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন ডাটা তো সব ঠিকঠিক প্রকাশ করে দিচ্ছে।
দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণের বিষয় আসলে আমাদের মাইন্ড সবসময় ছেলেদের প্রতি ফোকাসড হয় যে—বিষয়টি ছেলেদের জন্য। মেয়েদেরও যে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তাদেরও যে চোখের গুনাহ হতে পারে—এটা আমরা থোরাই কেয়ার করি। যদিও ছেলেদের প্রতি দৃষ্টি দেয়া মেয়েদের প্রতি দৃষ্টি দেয়ার মতো ততটা সিরিয়াস নয়; কিন্তু বর্তমান যুগ সেটাকে সিরিয়াস পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।
অন্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রা. ও উম্মুল মুমিনীন(নবিজীর স্ত্রীগণ)এর ঘটনা আমাদের সামনে আছে।
উম্মুল মু’মিনীন হযরত উম্মে সালামা রা. বলেন, একদিন আমি ও মায়মূনা (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে ছিলাম। ইতিমধ্যে অন্ধ সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রা. এলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখনই আমাদেরকে পর্দা করতে বললেন। আমি আরজ করলাম, আল্লাহর রাসূল! তিনি তো অন্ধ! আমাদেরকে দেখছেন না! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না! (মুসনাদে আহমদ; জামে তিরমিযী; সুনানে আবু দাউদ)
কাজেই অপর পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেয়ার ব্যাপারে মেয়েদের অবশ্যই পর্দা করা উচিত। যা ফিতনাকে প্রশমিত করে।
মেয়েদের এই অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি ওপেন প্লেসের চেয়ে গোপনে বেশি মাত্রায় বিদ্যমান। আর সেটা ইলেক্ট্রিক ডিভাইসে। পর্নোগ্রাফির ক্ষতিকর দিকগুলো আমরা যা জানি, তার প্রায় সবটাই ছেলেদের সমস্যাগুলো জানি। কিন্তু মেয়েদের ওপর এর ক্ষতিকারক দিকগুলো নিয়ে আমরা তেমন একটা জানি না।
খুব ভালো করে শুনুন। পর্নোগ্রাফি আশক্ত মেয়েদের স্বামীরা অধিকাংশই অক্ষম পুরুষে পরিণত হয়। উঁহু, কী বললাম ব্যাপারটা! পর্ন দেখে মেয়েটি, আর অক্ষম হবে তার স্বামী? হাউ ইজ পসিবল! অফকোর্স পসিবল, এবং এটাই হচ্ছে।
জাস্ট ইমাজিন—পর্নোগ্রাফিতে মেইল এক্টরদের পারফরম্যান্স দেখে দেখে মেয়েটি তার স্বামীর কাছ থেকেও অনুরূপ পারফরম্যান্স এক্সপেক্ট করে। কিন্তু নীল পর্দার সেই এক্টিংগুলো যে কাটিং-এডিটিং এর কারসাজি, মেডিসিন, সার্জারি আর ক্যামেরার ভেল্কিবাজির ফল, যা ন্যাচেরালি একজন পুরুষের পক্ষে এচিভ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এবং ভারতীয় উপমহাদেশের পুরুষের পক্ষে তো আরও সম্ভব নয়; তা মেয়েটির সাব-কনসাস মাইন্ড বুঝতে পারে না।

ওখানে ওরা পারলে আমার স্বামী কেন এভাবে পারে না? এই ওভার এক্সপেক্টেশন থেকে শুরু হয় অতৃপ্তি। আর অক্ষমতার অভিযোগে বিদ্ধ করে স্বামীকে। যার আল্টিমেট রেজাল্ট হিসেবে বেচারা স্বামীর কনফিডেন্ট লেভেল ডাউন হয়ে যৌন অক্ষমতায় পতিত হয়। যাকে সাইকো সেক্সুয়াল ডিসফাংশন বলে। যা মূলত তার অক্ষমতা নয়, তার স্ত্রীর এসব বিহ্যাভিয়ার তাকে অমন অক্ষম বানিয়ে দেয়। অতঃপর দাম্পত্যে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার।
বেচারা স্বামী তখন দিশেহারা হয়ে কলিকাতা হারবাল সহ নানা অসাধু ব্যবসায়ী ও করাপ্টেড চিকিৎসকের কবলে পড়ে এলোপাতাড়ি মেডিসিন ও ব্যবস্থা নিয়ে অবস্থা আরও জটিল করে ফেলে।

এতে সাময়িক উপকার পেলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। বরং তখন এসব মেডিসিনের ওপর একপ্রকার ডিপেন্ডেন্সি তৈরি হয়। যা পুরুষের ন্যাচারাল পাওয়ার লস করে ফেলে। এবং একপর্যায়ে মেডিসিন ছাড়া সে একদমই অচল হয়ে পড়ে। অতঃপর তা স্থায়ী অক্ষমতায় পতিত হয়।
ততদিনে স্ত্রীর এই অতৃপ্তির জেরে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। সংসারের প্রতি উদাসীন হয়ে যায়। স্বামীর প্রতি কেয়ারলেস হয়ে যায়। পর্ন আর অন্য পুরুষের প্রতি মাইন্ড কনভার্ট হয়ে যায়। ক্ষেত্র বিশেষ পরকীয়ার অনুপ্রবেশ ঘটে। স্বামীকে সহ্য হয় না। মানসিক নির্যাতনে বেচারা স্বামীকে মৃতপ্রায় করে রাখে। স্বামীর ওপর গলার আওয়াজ চড়া ও মেজাজ কড়া হয়ে যায়।
আর বিকল্প পথে উত্তেজনা প্রশমনের পথে স্বামী বাধা হয়ে দাঁড়ালে সে তখন পুরুষ বিদ্বেষী হয়ে ওঠে। এবং নিজের যৌন উন্মাদনা চরিতার্থ করতে পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বাধাকে ডিঙ্গিয়ে গলায় নারীবাদের শুর তোলে। কথিত নারীমুক্তির নামে হয়ে ওঠে চরম পুরুষ বিদ্বেষী ও একজন সক্রিয় নারীবাদী।
এখানে একথা বলছি না যে, সব নারীবাদীর উত্থান এভাবেই হয়। আমি বলতে চাচ্ছি, এভাবেও অনেক নারীবাদীর উত্থান হয়। অর্থাৎ সামাজিক এই অবক্ষয়গুলো একটা চেইন অফ কমান্ড ফলো করে৷ একটার সাথে আরেকটা রিলেটেড।

বোঝা গেল বিষয়টি? মেয়েদের পর্ন এডিকশন ঠিক কীভাবে তাদের ও গোটা সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?
মেয়েদের সমকামীতার ব্যাপারটি না হয় আপাতত স্কিপ করলাম। যার ম্যাক্সিমাম আইডিয়া ও প্র‍্যাক্টিস তারা এই পর্নোগ্রাফি থেকেই পেয়ে থাকে। আরও আছে, যা এখানে বলা সম্ভব হচ্ছে না। কেবল যেটুকু না বললেই নয় সেটুকুই বলা।

কাজেই, মেয়েদের দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটি খুবই সিরিয়াস কিন্তু অত্যন্ত অবহেলিত একটি টপিক।
হে বোনেরা! ছেলেদের পাশাপাশি আপনারাও নিজেদের দৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। দিনের আলোতেও, গভীর রজনীতেও। রবের আদেশও তাই। নবীর নির্দেশনাও তাই।

ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ!

বীর্যপাত: শুধু আনন্দ নয়, চাপমুক্তির এক গোপন দরজাআমরা সাধারণত বীর্যপাতকে শুধু শারীরিক আনন্দের শিখর হিসেবেই দেখি। কিন্তু গ...
05/10/2025

বীর্যপাত: শুধু আনন্দ নয়, চাপমুক্তির এক গোপন দরজা

আমরা সাধারণত বীর্যপাতকে শুধু শারীরিক আনন্দের শিখর হিসেবেই দেখি। কিন্তু গবেষণা বলছে, এটি কেবল তৃপ্তির উৎস নয়—বরং শরীর ও মনের চাপ (Stress) কমানোর এক প্রাকৃতিক উপায়।

🔥 কেন বীর্যপাত চাপ কমায়?

এন্ডোরফিন মুক্তি (Endorphins):
বীর্যপাতের সময় শরীর প্রচুর হ্যাপিনেস হরমোন বা এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে। এগুলো ব্যথা কমায়, শরীরকে আরাম দেয় এবং মনে এক ধরণের শান্তি আনে।

প্রোল্যাক্টিন ও অক্সিটোসিনের খেলা:
এই হরমোনগুলো মিলনের পর শরীরকে গভীর শিথিলতা দেয়। ফলস্বরূপ, মানসিক চাপ ও অস্থিরতা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।

রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি:
যৌন উত্তেজনা ও বীর্যপাতের সময় শরীর জুড়ে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়, যা পুরো দেহকে অক্সিজেন ও এনার্জি যোগায়—এটি মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

✨ ফলাফল কী?

বীর্যপাতের পর শুধু আনন্দ নয়, আসে এক ধরণের মানসিক হালকা ভাব।

ঘুম দ্রুত আসে এবং গভীর হয়।

উদ্বেগ ও টেনশন কমে গিয়ে মনের ভেতর তৈরি হয় প্রশান্তি।

👉 তাই বলা যায়, বীর্যপাত শুধু যৌন সুখের সীমায় আটকে নেই—এটি আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক স্ট্রেস-রিলিফ মেকানিজম। সঠিক সময়ে, সঠিক উপায়ে এর অভিজ্ঞতা হতে পারে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ।

Address

Passport Office , Naogaon
Naogaon
6500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Sabbir Islam moon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Md. Sabbir Islam moon:

Shortcuts

Share