পাঠশালা - The Door to the Future

পাঠশালা - The Door to the Future Pathshala is the first & only English Version School established at Nakla Upazila in Sherpur district.

With a high ambition of providing holistic education to the children of this area, Pathshala has started its journey since January-2022.

আজ পাঠশালার শেষ দিন।কাল থেকে ছুটি।বিগত দুই বছর যে সকল সন্মানিত অভিভাবকগন আমাদের প্রতি আস্থা রেখে তাঁদের সন্তানদের এই বিদ...
07/12/2023

আজ পাঠশালার শেষ দিন।
কাল থেকে ছুটি।

বিগত দুই বছর যে সকল সন্মানিত অভিভাবকগন আমাদের প্রতি আস্থা রেখে তাঁদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাঠশালার সকল শিক্ষার্থীদের জন্য আমার অফুরান ভালোবাসা আর শুভকামনা জানাই। ওরা মানুষের মতো মানুষ হবে, নিজ পরিবার আর দেশের নাম একদিন উজ্জল করবে এই দোয়া, আশীর্বাদ রইলো। শৈশবের স্মৃতিতে ওদের জীবনের প্রথম বিদ্যালয় হিসেবে পাঠশালার কথা ওরা স্মরণ করবে - এই ভাবনা আমাকে আবেগ তাড়িত করে।

২০২১ এর ০৯ ডিসেম্বর পাঠশালার উদ্বোধন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আরেফিন সিদ্দিকী। স্যারের প্রতি আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার মতন সামান্য একজন মানুষের অনুরোধে আপনি যে উদারতা দেখিয়েছেন তা আমৃত্যু শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নকলার সন্মানিত ব্যাক্তিবর্গ, আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ সহ, সকলেই আমার প্রতি যে স্নেহ-সম্মান দেখিয়েছেন, শুভকামনা জানিয়েছেন, তার জন্য আমি চির ঋণী। নকলার সুধী সমাজ, সন্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ যারা আমাকে প্রতিনিয়ত নানাভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন, সাহায্য সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত, যে সকল শিক্ষকবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে পাঠশালার পথচলায় পাশে ছিলেন তাঁদের সকলের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পাঠশালার পাঠদান প্রক্রিয়ায় আপনাদের অবদান আমি শ্রদ্ধাভরে আজীবন স্মরণ রাখবো।

সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম রাসেল
অধ্যক্ষ
পাঠশালা

[২০২৩ শিক্ষা বর্ষের বার্ষিক পরীক্ষার রিপোর্ট কার্ড বিতরণের কিছু স্থিরচিত্র]

12/11/2023

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন:

১. যে শিশু উপহাস নিয়ে বাঁচে, সে ভীরু হয়ে বড় হয়।
২. যে শিশু সমালোচনার মধ্যে বড় হয়, সে শুধু নিন্দা করতে শেখে।
৩. যে শিশু সন্দেহের মধ্যে বড় হয়, সে প্রতারণা করতে শেখে।
৪. যে শিশু বিরোধিতার মধ্যে বড় হয়, সে শত্রুতা করতে শেখে।
৫. যে শিশু স্নেহের মধ্যে বড় হয়, সে ভালবাসতে শেখে।
৬. যে শিশু উৎসাহ পেয়ে বড় হয়, সে আত্মবিশ্বাসী হয়।
৭. যে শিশু সত্যের মধ্যে বড় হয়, সে সুবিচার করতে শেখে।
৮. যে শিশু প্রশংসার মধ্যে বড় হয়, সে অন্যদের গুণ ধারণ করতে শেখে।
৯. যে শিশু ভাগ করে খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়, সে সুবিবেচক হয়।
১০. যে শিশু ধৈর্যের মধ্যে বড় হয়, সে সহনশীল হয়।
১১. যে শিশু সুখী পরিবেশে বড় হয়, সে ভালোবাসা ও সৌন্দর্য শেখে।

25/10/2023
24/09/2023

পরিসংখ্যানে আমাদের পথশিশুরা 🥲

27/08/2023
18/07/2023
পাঠশালা - The Door to the Future এর সকল ছাত্র ছাত্রী, সন্মানিত অভিভাবক, শিক্ষকবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ী সহ সকলক...
28/06/2023

পাঠশালা - The Door to the Future এর সকল ছাত্র ছাত্রী, সন্মানিত অভিভাবক, শিক্ষকবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ী সহ সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ❣️

জন্মদিনে কবি সুফিয়া কামাল এর স্মৃতির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি ❣️
20/06/2023

জন্মদিনে কবি সুফিয়া কামাল এর স্মৃতির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি ❣️

প্রিয় অভিভাবকগণ,আসসালামুআলাইকুম। পবিত্র ঈদুল আযহা ও সরকার ঘোষিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে  আগামী বুধবার , ২১ জুন, ২০২৩ ...
20/06/2023

প্রিয় অভিভাবকগণ,

আসসালামুআলাইকুম।

পবিত্র ঈদুল আযহা ও সরকার ঘোষিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে আগামী বুধবার , ২১ জুন, ২০২৩ থেকে বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই, ২০২৩ পর্যন্ত পাঠশালার সকল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটির পর শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠশালা খুলবে রবিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৩। ছুটির পূর্বে শেষ কার্য দিবস মঙ্গলবার , ২০ জুন ২০২৩।

বিঃ দ্রঃ পবিত্র ঈদুল আযহার এই ছুটি বিবেচনায় নিয়ে সন্মানিত সকল অভিভাবকদের জুন-২০২৩ এর মাসিক বেতন সহ বিগত সকল বকেয়া আগামী ২২ জুন-২০২৩ এর মধ্যে পরিশোধের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে।

সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলে, মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও নিম্নোক্ত পার্সোনাল নাম্বারগুলিতে আপনারা বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে পারবেন। অর্থ প্রেরণের সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীর নাম বা স্টুডেন্ট আইডি রেফারেন্স এ উল্লেখ করতে হবে।
বিকাশঃ ০১৬১২৯৭৯৭৩৩ | নগদঃ ০১৭১২৯৭৯৭৩৩

পাঠশালা পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

কবি ফররুখ আহমদ : আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর ‘যেখানে উত্তাল স্রোতে দিশাহারা মত্ত এ নাবিকসমুদ্রের ঘন বনে নাহি খুঁজে পায় তার...
10/06/2023

কবি ফররুখ আহমদ : আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর

‘যেখানে উত্তাল স্রোতে দিশাহারা মত্ত এ নাবিক
সমুদ্রের ঘন বনে নাহি খুঁজে পায় তার দিক
শুধু দেখে বহু দূরে জোনাকির উজ্জ্বল প্রদীপ
জ্বলিয়া মাটির মেয়ে মরীচিকা তালে পরে টীপ,
যার লাগি প্রতি রগে জেগে উঠে টান
মৃত্তিকা সে নাবিকের প্রাণ।’

কবি ফররুখ আহমদ কথাগুলো তার গ্রন্থ ‘হে বন্য স্বপ্নেরা’ সমগ্র শিরোনামে লিখেছেন। বইটি প্রকাশিত হয় নভেম্বর ১৯৭৬ সালে।

কবি ফররুখ আহমদ ১০ই জুন ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তার মৃত্যু হয়েছিল ১৯শে অক্টোবর ১৯৭৪ সাল। বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক কবি ফররুখ আহমদ। যদিও তাকে অনেকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসাবে তাঁর কিছু সমালোচকও আছেন।

আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, মাইকেল যদি মহাভারত, রামায়ণ নিয়ে তার কাব্য রচনার মূল বিষয় নির্ধারণ করতে পারেন, তবে ফররুখ কেন আলিফ লায়লা, হাতেম তাই বা মুসলিম সাহিত্যের গভীর বিষয় নির্ধারণ করতে পারবেন না!

সমালোচকদের এক কেন্দ্রীক চিন্তা এখানে যুক্তিতে মোটেই টিকে না। প্রথম দিকে কবি ফররুখ বামপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তিনি মুসলিম রেনেসাঁর সমর্থক হয়ে পড়েন।

ফররুখ তার লেখনিতে ‘মুহূর্তের কবিতায়’ বলেন,

‘যখন শুনেছি আমি মৃত্যু আছে সূর্যেরও সমান
অগণন জ্যোতিষ্কের ভাগ্যলিপি মৃত্যু দিয়ে ঘেরা,
তখনি হয়েছে মনে এ আকাশ রহস্যের ডেরা,
তখনি হয়েছে মনে এ জীবন ক্ষণিকের গান।’

কবি নজরুলের যখন সাহিত্য জীবনের সমাপ্তি তখন কবি ফররুখের আগমন। নজরুল এসেছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অস্থিরতা, খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনের সময়।

ফররুখ এসেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা, পাকিস্তান আন্দোলন ও দুর্ভিক্ষের করুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে।

কবি ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ভাষার উপর তার কবিতা আজও পাঠকে মোহিত করে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কবির অকুন্ঠ সমর্থন জাতিকে উদীপ্ত করে।

আল্লামা ইকবালের ভাবশিষ্য নিজ জাতির সমস্যাকে চোখে আঙুল দিয়ে ফররুখ আমাদের দেখিয়ে তার লেখনির মাধ্যমে বলেছিলেন,

‘হে মাঝি এবার তুমিও পেয়ো না ভয়
তুমিও কুড়াও হেরার পথিক তারকার বিস্ময়
ঝরুক এ ঝড়ে নারঙ্গী পাতা তবু পাতা অগণন
ভিড় করে সেথা জাগছে আকাশে হেরার রাজতোরণ।’

কবি ফররুখ ছিলেন সাম্যের কবি, দরিদ্রের কবি নিপীড়িত মানবতার কবি। স্বধর্ম আর স্বজাতির প্রতি ভালবাসা কবিকে কখনও বিশ্বমানবতার কল্যাণ কামনায় বিরত করেনি।

সাম্যবাদ কিংবা গণতন্ত্রেও চরম উদ্দেশ্য সামাজিক শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা থেকে কবিকে বিরত করেনি। ফররুখ কবি জীবনে নিঃশ্বাসের মধ্যে সমস্যার মূল সমাধান খুজে পেয়েছিলেন।

তাই তার কলম ও কন্ঠে বার বার অভাব, অভিযোগ, অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে ধ্বনিত হয়েছে। বিশ্ব মানবতার কন্ঠে কবি কন্ঠ বলে উঠে-

“লোহুতে পার্থক্য নাই বণি আদমের
শিরায় শিরায় আর ধমনীতে দেখি বহমান
এক রক্ত ধারা।”

ফররুখ ছিলেন অতি উঁচু মাপের আধুনিক কবি। পশ্চিমা আধুনিক কবিদের রচনার আঙ্গিক ও বিশুদ্ধতা ফররুখের কবিতায় দৃশ্যমান।

কবি হাসান হাফিজুর রহমান ‘আধুনিক কবি ও কবিতা’ বই ১৯৯৩ সালে কবি সম্পর্কে বলেন, “ফররুখ আমাদের কাব্য সাহিত্যে আধুনিক উত্তোলণে প্রকৃত সাহায্যটা করেছেন তার কাব্যভাষা এবং অঙ্গিকের প্রয়োগে।”

চিত্রকল্প ও প্রতীকের ব্যবহারে ফররুখ ছিলেন অনন্য। তাই কবির ভাষায়-

“রাত্রির অগাধ বনে ঘোরে একা আদম-সুরত
তীব্রতর দৃষ্টি মেলে তাকায় পৃথিবী
জাগো জনতার আত্মা ওঠো। কথা কও।
কতোকাল আর তুমি ঘুমাবে নিসাড় নিস্পন্দ।”

কবি ফররুখ আহমদ ছিলেন শোষণের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ, আইয়ুব শহীর বিরুদ্ধের গণআন্দোলন প্রভৃতি সকল স্তরে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তার লেখনি আমাদের সেই সময় অনেক বেশী অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

কিন্তু তিনি রাষ্ট্রের সকল সম্মান পেয়েছেন। একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পদক, স্বাধীনতা পদক, আমজীপদ, ইউনেস্কো পদক সহ সকল মর্যাদাবান সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছিলেন।

কিন্তু স্বাধীনতাযুদ্ধ ও পরবর্তী তার লেখনির মাধ্যমে যে তরুণ সমাজ সৃষ্টি করতে চেয়ে ছিলেন তাতে বেশ বেগ পেতে হয়। তিনি তখন আর সমাজের সঙ্গে কেন যেন মিলিয়ে বলে নিজকে ধরে রাখতে হোঁচট খেয়েছেন।

অর্থনৈতিক দৈন্যতা সকল কবি, সাহিত্যিকদের জীবনে থাকে। নজরুলের সবচেয়ে বেশী ছিল। কবি ফররুখও জীবনের শেষ অভাবের তীব্রতা বেশ অনুভব করেছিলেন।

কিন্তু তিনি ছিলেন স্বাধীনচেতা, আত্ম মর্যাদাবান ব্যক্তিত্ব, শির উঁচু করে পুরো জীবন কাটিয়েছেন। তখনকার সরকার ও সাহিত্যমোদী ব্যক্তিগণ ও তেমন কবিকে সহযোগীতা করে নাই।

তবুও কবি আমাদের প্রিয়, তার সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যে অমর। কালজয়ী। আমাদের ভবিষ্যত গড়ার অনুপ্রেরণার বাতিঘর।

জন্মদিনে কবি ফররুখ আহমদ এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

[দৈনিক যুগান্তর থেকে সংগৃহীত ও সংকলিত]

Address

Green Road, Nakla , Sherpur
Nakla
2150

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801978792010

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পাঠশালা - The Door to the Future posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to পাঠশালা - The Door to the Future:

Shortcuts

Share

Category