06/11/2017
" আধুনিক বাংলাদেশ ও বয়স্ক শিক্ষা "
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রথম প্রয়োজন যেসব কিশোর/তরুন/ যুবক শৈশব কালে দারিদ্রের শিকার হয়ে শিক্ষার আঁলো হতে বঞ্চিত হয়েছে, তাদের জন্য শিক্ষার ব্যাবস্থা করা।
(উইকিপিডিয়ার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী),
বাংলাদেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার ৬২.৬৬ ভাগ। এ হিসাব বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত। উইকিপিডিয়া এবং ইউনেস্কোর তথ্য মতে, বাংলাদেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার ৪৭.৫০ ভাগ। বিশ্বে Ranking -এ এর অবস্থান ১৬৪ তম। প্রথমে রয়েছে জর্জিয়া। সাক্ষরতার হার ১০০ ভাগ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যৌথভাবে কিউবা, ইস্টোনিয়া এবং পোল্যান্ড। এদের সাক্ষরতার হার ৯৯.৮০ ভাগ। ৯৯.৭০ ভাগ সাক্ষরতা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বারবাডোস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১৮তে। সাক্ষরতার হার ৯৯ ভাগ। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ১৪৭ ও ১৬০-এ। সাক্ষরতার হার ৬১.০০ ও ৪৯.০০ ভাগ। সাক্ষরতায় সর্বনিম্নে অবস্থানকারী দেশ বারকিনো ফ্যাসো। ১৭৭-এ অবস্থানকৃত এ দেশটির সাক্ষরতার হার ২৩.৬০ ভাগ। ১৭৬ স্থানে রয়েছে মালি। সাক্ষরতার হার ২৪.০০ ভাগ। সতরাং বলা বাহুল্য ২০২১ সন আর বেশি দূরে নয়, জাতি শিক্ষিত না হলে ডিজিটাল প্রযুক্তি বুঝতে পারবে না, চালাতে পারবে না ডিজিটাল যন্ত্র। এর জন্য প্রয়োজন আধুনিক বয়স্ক শিক্ষা, যা তাদের দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজন হয়। যেমন ৩জি মুঠোফোন শিক্ষিত - অশিক্ষত সবাই ব্যবহার করেন। শিক্ষিত ব্যক্তিরা সহজেই চালাতে পারলেও নিরক্ষর ব্যক্তিরা সীমাবদ্ধ স্থানে। অনেকেই মোবাইল নাম্বার সেভ করতে পারেন না। ৩জি কথাটি শুনলেও এর মর্ম বুঝতে পারেন না। এই আধুনিক যুগে এরকম ব্যক্তির সংখ্যা অনেক। পরিশেষে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়তে হবে সোনার বাংলা।