Ideal Teaching Point

Ideal Teaching Point

Share

"Ideal Teaching Point"
Place: Mulbari(Talukderbari), Muktagacha Established Year: 2008 English.

30/09/2022

২০২৩ সাল থেকে বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন কারিকুলাম..

30/06/2021
Photos from Ideal Teaching Point's post 24/05/2021

৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেনির ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে

14/03/2021

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।

Photos from Ideal Teaching Point's post 10/03/2021

'২০ মার্চ, ২০২১ খ্রি. তারিখ হতে (৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি) শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা সংক্রান্ত।

24/12/2020

‘৩১ ডিসেম্বর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে এমন কথা আমি বলিনি। পাঠক ধরার জন্য সাংবাদিক মনগড়া কথা প্রচার করছেন।

- ঢাকা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

20/10/2020
17/10/2020

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নিতে চান উপাচার্যরা

করোনা সংক্রমণের কারণে এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। এ জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূরের নেতৃত্বে তৈরি করা সফটওয়্যারকে কাজে লাগানো হতে পারে।

উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় আজ শনিবার এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে। অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় এই সভা। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা যুক্ত ছিলেন।


সভায় উপস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রথমত নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে সমন্বিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে অনলাইনে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা গুচ্ছ করে এই ভর্তি পরীক্ষা হবে। এ জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের নেতৃত্বে তৈরি করা একটি সফটওয়্যার আজকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেটির প্রশংসা করেছেন অন্যান্য উপাচার্যরা। আশা করা হচ্ছে, এটি ব্যবহার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছোট খাট পরীক্ষা নেওয়া হবে। এরপর সেটি ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। এর আগে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে।

আর ভর্তি পরীক্ষাটি হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের (এমসিকিউ) ভিত্তিতে।

জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মুনাজ আহমেদ নূর প্রথম আলোকে বলেন, প্রত্যেক জিনিসের ভালো-মন্দ আছে। করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য সীমাবদ্ধতা মাথায় নিয়ে এই সফটওয়্যারের ভিত্তিতে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নিতে বলা হয়েছে। এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেটিকে আরও যুগোপযোগী করে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। আর এই সফটওয়্যারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব করা হলেও সেদিন সিদ্ধান্তে পৌঁছাত পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যরা। সেদিনই বলা হয়েছিল এ বিষয়ে উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত হবে। এখন এই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে ইউজিসি।



অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নিতে চান উপাচার্যরা



মোশতাক আহমেদ

ঢাকা

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৫৫

অ+অ-

করোনা সংক্রমণের কারণে এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। এ জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূরের নেতৃত্বে তৈরি করা সফটওয়্যারকে কাজে লাগানো হতে পারে।

উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় আজ শনিবার এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে। অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় এই সভা। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা যুক্ত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সভায় উপস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রথমত নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে সমন্বিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে অনলাইনে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা গুচ্ছ করে এই ভর্তি পরীক্ষা হবে। এ জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের নেতৃত্বে তৈরি করা একটি সফটওয়্যার আজকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেটির প্রশংসা করেছেন অন্যান্য উপাচার্যরা। আশা করা হচ্ছে, এটি ব্যবহার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছোট খাট পরীক্ষা নেওয়া হবে। এরপর সেটি ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। এর আগে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে।

আর ভর্তি পরীক্ষাটি হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের (এমসিকিউ) ভিত্তিতে।

জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মুনাজ আহমেদ নূর প্রথম আলোকে বলেন, প্রত্যেক জিনিসের ভালো-মন্দ আছে। করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য সীমাবদ্ধতা মাথায় নিয়ে এই সফটওয়্যারের ভিত্তিতে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নিতে বলা হয়েছে। এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেটিকে আরও যুগোপযোগী করে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। আর এই সফটওয়্যারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব করা হলেও সেদিন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যরা। সেদিনই বলা হয়েছিল এ বিষয়ে উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত হবে। এখন এই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে ইউজিসি।

বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ রফিকুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে—এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন এই পরীক্ষা অনলাইনে হবে না কি সশরীরে হবে সেটি আরও আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে। তবে অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের তৈরি করা একটি সফটওয়্যার উপস্থাপন করা হয়েছে। অনেক উপাচার্য তাতে ‘কনভিন্স’ হয়েছেন। তবে সরকার ও ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

কবে ভর্তি পরীক্ষা হবে—জানতে চাইলে উপাচার্য মুহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, এটি নির্ভর করছে এইচএসসির মূল্যায়নের ফল কবে প্রকাশ করা হবে তার ওপর। এ বিষয়ে আগামী মাসে আরেকটি সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানা গেছে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষার পরিবর্তে জেএসসি, এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফল মূল্যায়ন করা হবে। এই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি। সরাসরি পরীক্ষা না হওয়ায় তাঁরা সবাই এবার উত্তীর্ণ হবেন।

অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেছেন করোনার কারণে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কীভাবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদ (একাডেমিক কাউন্সিল), ডিনস কমিটিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে শিগগির আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বর্তমানে দেশে ৪৬টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও ৩৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তিনটি গুচ্ছ করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত গুচ্ছ করেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোয় আগের মতোই পরীক্ষা ছাড়া কেবল এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

19/07/2020

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু হবে। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
রোববার (১৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, এ কার্যক্রম ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তির যাবতীয় তথ্য শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলা হয়।
জানা গেছে, এ বছর ভর্তি প্রক্রিয়ায় এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ভর্তিতে আবেদন ফি ও ভর্তি ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ লকডাউনের পর অফিস-কারখানা-যানবাহন চালু করলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছে ৬ অগাস্ট পর্যন্ত।
এদিকে, মে মাসে মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা হলে ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরুর পরিকল্পনার কথা জানায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। কিন্তু ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দেওয়া হলেও মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় একাদশে ভর্তি পিছিয়ে যায়।
জানা গেছে, এবার ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিকের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে। তারাই এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবে।

25/09/2019

সরকারের সব দফতরের তৃতীয় শ্রেণি পদে নিয়োগে ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান—এই চারটি বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এর সর্বনিম্ন পাস নম্বর হবে ৫০ শতাংশ। আর মৌখিক পরীক্ষার নম্বর থাকবে ৩০। নিয়োগ পরীক্ষার নতুন এ বিধান করে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর)‘মন্ত্রণালয়, এর সংযুক্ত বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর ও দফতরের কমন পদে নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯’-এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে এই বিধিমালা প্রণয়ন করেছেন।
নিয়োগ বিধিমালায় তৃতীয় শ্রেণির বিভিন্ন পদে নিয়োগের বয়সসীমা, নিয়োগ পদ্ধতি ও যোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালার তফসিলে এসব পদে নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতিও উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে—উচ্চমান সহকারী, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-কাম-অফিস সহকারী, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও প্লেইন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৭০নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে বাংলা ও ইংরেজিতে ১৫ নম্বরের এবং গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ১৫ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট এবং এর সর্বনিম্ন পাসের হার ৫০ শতাংশ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত হবেন। মৌখিক পরীক্ষার নম্বর হবে ৩০।
এছাড়া স্ব-স্ব পদের জন্য প্রয়োজনীয় সাঁটলিপি ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
এই পদগুলোর মতো ফটোকপি অপারেটর, ডেসপাচ রাইটার ও অফিস সহায়ক পদেও সরাসরি নিয়োগে ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ও ৩০ নম্বরের মৌখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় বাংলা-২০, ইংরেজি-২০, গণিত-২০ ও সাধারণ জ্ঞান-১০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর সময় এক ঘণ্টা। পাসের সর্বনিম্ন নম্বর ৫০ শতাংশ।
নতুন এই বিধিমালার জারির মাধ্যমে ‘দ্য টাইপিস্ট (মিনিস্ট্রিজ, ডিভিশনস অ্যান্ড এটাচড ডিপার্টমেন্টস) রিক্রুটমেন্ট রুলস-১৯৭৮; ‘দ্য স্ট্যানোগ্রাফার অ্যান্ড স্ট্যানো-টাইপিস্ট (মিনিস্ট্রিজ, ডিভিশনস অ্যান্ড এটাচড ডিপার্টমেন্টস)-১৯৭৮ এবং নিম্নমান সহকারী-তথা-মুদ্রাক্ষরিক, প্লেইন পেপার কপিয়ার, ডুপ্লিকেটিং মেশিন অপারেটর, ডেসপাচ রাইটার, দফতরি, এমএলএসএস (মন্ত্রণালয় ও এর সংযুক্ত অধিদফতর) বিধিমালা ১৯৯৩ বাতিল করা হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হ‌য়ে‌ছে ।

বিস্তারিত জানতে গেজেটটি দেখতে পারেন-

www.dpp.gov.bd %PDF-1.7 %쏢 5 0 obj > stream x\F8!17.ۉ7y,^g*XT|3z$^_uO:5)og0v>'gn!7?ySMgj9̿i]TyHÏgG5~qrq' zouPqCY\pm!^`jwo~oC㝨|N2 O/6~-ʪBSz"G0G?(j͐t MCsʹ63DaѝI{8B`L5'_'tkcCvSYm(,b[$z.]:pS)G)+̮hB^K|+M]t$qsqsvr7?Okߠ&CqdVQHRULv hXϛ7@HW٦$8A/㊊ El~PQC߼{l"XykrvRD֓"Ŏ }(%׿Mz"ٓ =Y #2{aAYlU! Az

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Vill: Mulbari(Talukderbari), P. O: Padurbari, Sub-Dist:Muktagachha, Dist: Mymensingh
Mymensingh
2210