Fulbaria teacher's Forum

Fulbaria teacher's Forum

Share

Science, education related posts will be posted as well as these be available here

29/09/2025

আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, এটা শুধু ফরিদপুর বা বাংলাদেশের একটা সাধারণ জায়গা নয়, এটা পৃথিবীর বিরলতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থানগুলোর একটা!

কেন বিরল?
এই স্থানটা কর্কট ক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer, ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ) এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার (90° East Meridian) একেবারে সঠিক ছেদবিন্দু (Intersection Point)। পৃথিবীর মানচিত্রের এই দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক রেখা ঠিক এই বিন্দুতেই একে অপরকে অতিক্রম করেছে, যা ফরিদপুরে; গ্রাম ভাংগারদিয়া, ইউনিয়ন নুরল্ল্যাগঞ্জ, থানা: ভাংগা।

পৃথিবীতে এমন ছেদবিন্দু আর কয়টা আছে?
পৃথিবীতে কর্কট ক্রান্তি এবং মকর ক্রান্তি রেখা মূল চারটা দ্রাঘিমারেখাকে (০°, ৯০° পূর্ব, ৯০° পশ্চিম এবং ১৮০°) ছেদ করে। কিন্তু সেই বিন্দুগুলোর প্রায় সবগুলোই পড়েছে মহাসাগর বা দুর্গম মরুভূমির (যেমন: সাহারা মরুভূমি) বুকে, যেখানে সাধারণ মানুষের পক্ষে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।

ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলার এই স্থান সম্ভবত বিশ্বের একমাত্র ছেদবিন্দু, যা স্থলভাগে, সবুজ শ্যামল পরিবেশে এবং এত সহজগম্য একটা জায়গায় অবস্থিত। এইদিক থেকে এটা এক কথায় অনন্য!

ছায়াহীন দিবস (Zero Shadow Day)-এর রহস্য:
এই স্থানটার আরও একটা অবিশ্বাস্য দিক হলো, বছরের একটা বিশেষ দিনে এখানে কোনো ছায়া পড়ে না! প্রতি বছর ২১ জুন (Summer Solstice বা কর্কট সংক্রান্তি), ঠিক দুপুরবেলা সূর্য যখন একদম মাথার ওপর আসে, তখন এই বিন্দুতে দাঁড়ানো কোনো মানুষ বা বস্তুর কোনো ছায়া মাটিতে পড়ে না। এই ঘটনাকে "Zero Shadow Day" বা ছায়াহীন দিবস বলা হয়।

ভাবতেই অবাক লাগে, বিশ্বের মানচিত্রের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ, বিরল এবং মহাজাগতিক তাৎপর্যপূর্ণ স্থান আমাদের এই বাংলারই এক শান্ত গ্রামে লুকিয়ে আছে।

'গ্রাম দেখি'র যাত্রায় এমন একটা স্থানে দাঁড়ানোর ব্যাপারটা ছিল এক অনণ্য সাধারণ অভিজ্ঞতা।🌕

27/07/2025

৯০ টি বাংলা শব্দার্থ 🛟 এগুলো অবশ্যই পড়ে রাখা উচিত | ©️

০১ ) ‘ অভিরাম ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ সুন্দর ।
০২ ) ‘ নীপ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ কদম ।
০৩ ) ‘ অর্বাচীন ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ নির্বোধ ।
০৪ ) ‘ সারমেয় ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ কুকুর ।
০৫ ) ‘ হর্ষ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ আনন্দ ।
০৬ ) ‘ কাদম্বিনী ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ মেঘমালা ।
০৭ ) ‘ অপলাপ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ অস্বীকার ।
০৮ ) ‘ বীজন ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ পাখা ।
০৯ ) ‘ সনাতন ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ চিরন্তন ।
১০ ) ‘ কুটুম্ব ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ আত্মীয় ।
১১ ) ‘ সুধাকর ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ চন্দ্র ।
১২ ) ‘ যুগপৎ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ একই সময়ে ।
১৩ ) ‘ বিহঙ্গ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ পাখি ।
১৪ ) ‘ জঙ্গম ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ গতিশীল ।
১৫ ) ‘ সদন ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ নিবাস ।
১৬ ) ‘ অলীক ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ মিথ্যা।
১৭ ) ‘ অবলা ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ নারী ।
১৮ ) ‘ শোণিত ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ রক্ত ।
১৯ ) ‘ নিনাদ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ শব্দ ।
২০ ) ‘ অন্তরায় ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ বাধা ।
২১ ) ‘ আধার ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ আশ্রয় ।
২২ ) ‘ রসাল ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ আম ।
২৩ ) ‘ নীপবৃক্ষ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ কদমগাছ ।
২৪ ) ‘ বারিধি ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ সমুদ্র ।
২৫ ) ‘ প্রসবণ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ ধরনা ।
২৬ ) ‘ আততায়ী ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ গুপ্তঘাতক
২৭ ) ‘ চরিতার্থ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ সফল ।
২৮ ) ‘ জণয়িতা ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ জন্মদাতা ।
২৯ ) ‘ জিগর ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ হৃদয় , মণ , প্রাণ ।
৩০ ) ‘ আঁটশে ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ মাছের আশের গন্ধযুক্ত ।
৩১ ) ‘ মীন সন্তান ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ মাছ ।
৩২ ) ‘ ধোঁয়াশা ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ ধোঁয়া ও কুয়াশার মিলিত ফল ।
৩৩ ) ‘ ওয়াগণ ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ মালগাড়ি ।
৩৪ ) ‘ কল্কি ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ তামাক ভরে তাতে আগুন দেওয়া হয় এমন পাত্র ।
৩৫ ) ‘ জনান্তিকে ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ সংগোপনে / জনগণের আড়ালে ।
৩৬ ) ‘ পাটাতন ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ নৌকা বা জাহাজের কাঠের মেঝে ।
৩৭ ) ‘ পতন্জলি ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ পাণিণি ব্যাকরণের ভাস্যকর ।
৩৮ ) ‘ আরক্ত ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ লালছে ।
৩৯ ) ‘ বর্ষীয়সী ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ অতিশয় বৃদ্ধা
৪০ ) ‘ রায়ট ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ দাঙ্গা ।
৪১ ) ‘ এল নিনি ও ’ শব্দের অর্থ কি ? ➫ ক্ষুদে শিশু ।
৪২ ) ‘ বামেতর ’ শব্দের অর্থ কি

Mobile uploads 16/02/2025
16/02/2025

নব্বই দশকের দ্বিতীয় শ্রেনীর পাঠ্যপুস্তকের বাংলা বই।
যাদের শৈশবে সোনালী স্মৃতিতে মিশে আছে বইটি তারা মুহূর্তেই হারিয়ে যাবে স্মৃতিময় অতীতে....

17/10/2022

সৌদি আরবের ইমাম সউদ ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় সেমিস্টারে পুরো ফ্যাকাল্টিতে ফার্স্ট হলেন। আরব দেশের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন নন-আরব ফার্স্ট হলেন, এটা যেনো চমক লাগানো সংবাদ। সাংবাদিক সাক্ষাৎকার নেবার জন্য ছুটলেন সেই ছাত্রের কাছে। সাক্ষাৎকারটি পরদিন ছাপা হয় রিয়াদের সেরা দৈনিক ‘আর-রিয়াদ’ পত্রিকায়। সেই ছাত্রের গড় নাম্বার ছিলো ৯৭, চারটি বিষয়ে পেয়েছিলেন ১০০ তে একশো।
ইমাম সউদের সেই কৃতি ছাত্র হলেন ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)। ১৯৮৬ সালে তিনি ইমাম সউদ ইউনিভার্সিটি থেকে লিস্যান্স, ১৯৯২ সালে মাস্টার্স, ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশী, যিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় গড়ে ৯৬ মার্ক পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরপর দুইবার বাদশাহ আযিযের কাছ থেকে সেরা ছাত্রের পুরস্কার গ্রহণ করেন।
সৌদি আরবের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেরা ছাত্রের খেতাব পাবার পাশাপাশি তাঁর সামনে সুবর্ণ সুযোগ ছিলো সেখানে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ার। ইংরেজিতে পারদর্শী হবার ফলে চাকরির অফার পেয়েছিলেন ইংল্যান্ড, অ্যামেরিকা, অস্ট্রেলিয়া থেকেও। কিন্তু, তিনি কী করলেন? পিএইচডি সমাপ্ত করেই ব্যাগ গুছাতে শুরু করলেন।

তাঁর জীবনী-লেখক তাঁকে পরামর্শ দিলেন, “সৌদিতে সম্পূর্ণ সময়টা পড়ালেখা করেই কাটালেন, ব্যাংক-ব্যালেন্স বলতে কিছুই নেই। কিছুদিন সৌদিতে থেকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে দেশে গেলে হয় না?”
দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) বললেন:
“পিএইচডি শেষ করে দেশে যাবো বলে আল্লাহর সাথে আমি ওয়াদা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছু দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হলো। আমি আল্লাহর সাথে কৃত আমার ওয়াদা রক্ষা করতে চাই।”

পড়ালেখার সুবাদে প্রায় ১৭ বছর থেকেছেন সৌদি আরব। ১৯৯৮ সালে যখন দেশে ফিরবেন, নিশ্চয়ই অনেক শপিং করবেন, কাপড় কিনবেন, সৌদি আরব থেকে আতর থেকে শুরু করে এমনসব জিনিস কিনবেন, যেগুলো সাধারণত দেশে গেলে পাওয়া যায় না। কিন্তু, না। তাঁর দুশ্চিন্তা হলো, এই ১৭ বছরে যেসব বই তিনি পড়েছেন, সংগ্রহ করেছেন, সেগুলো তো দেশে গেলে পাওয়া যাবে না। সেগুলো দেশে নিয়ে যাবেন কিভাবে?

বিমানে একজন মানুষ তো সর্বোচ্চ ২৫-৩০ কেজির পণ্য নিতে পারে। তাঁর বইগুলোর ওজন তো এর ১০০ গুণ বেশি। তিনি বইগুলো দেশে নিয়ে যাবার জন্য কার্টুনে ভরে ট্রান্সপোর্টে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করলেন।
প্রা

11/05/2022

আধুনিক কেমিষ্ট্রি বা রসায়ন শাস্ত্রে আল কেমী একটি রহস্যময় বিদ্যা। আল কেমী হলো নানান ধাতুর সমন্বয়ে স্বর্ণ তৈরী। আধুনিক রসায়ন শাস্ত্রের বিজ্ঞানীরা এখনো এই আবিষ্কারের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু সাতশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে একজন মুসলিম বিজ্ঞানী এমন একটি আবিষ্কারে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলেছিলো পুরো দুনিয়ায়।

আবু মুসা জাবির ইবনে হায়য়ান কে বলা হয় আধুনিক রসায়নের জনক। ৭২১ খ্রিষ্টাব্দে ইরানে জন্মগ্রহণকারী এই শিয়া মুসলিম পন্ডিতকে পাশ্চাত্য বিশ্ব চেনে জেবার নামে।

একাধারে রসায়নবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষশাস্ত্রজ্ঞ, সংখ্যাতাত্ত্বিক, ঔষধশাস্ত্রবিদ অন্যদিকে আধ্যাত্মবাদী সূফী ছিলেন জাবির।

তার গুরু ছিলেন ইমাম জাফর আস সাদিক। উল্লেখ যোগ্য অবদান হলো, ভারসাম্য তত্ত্ব (ʿইল্ম আল-মিজান), কৃত্রিম উৎপাদন তত্ত্ব (ʿইল্ম আল-তকবীন), ধাতুর গন্ধক-পারদ তত্ত্ব, রসায়নে জৈব উপাদানের প্রয়োগ।

জাবির ইবনে হাইয়ানই সর্ব প্রথম নাইট্রিক এসিড আবিষ্কার করেন। সালফিউরিক এসিডও তাঁর আবিষ্কার। তিনি 'কিতাবুল ইসতিতমাস' এ নাইট্রিক এসিড প্রস্তুত করার ফর্মুলা বর্ণনা করেন। নাইট্রিক এসিডে স্বর্ণ গলে না। নাইট্রিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রনে স্বর্ণ গলানোর ফরমুলা তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন। নাইট্রিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রনে স্বর্ণ গলানোর পদার্থটির নাম যে " একোয়া রিজিয়া " এ নামটিও তাঁর প্রদত্ত।

জাবির ইবনে হাইয়ান নানাভাবেই তাঁর রাসায়নিক বিশ্লেষণ বা সংশ্লেষনের নামকরণ বা সজ্ঞা উল্লেখ করেছেন। পাতন, উর্ধ্বপাতন, পরিস্রাবণ, দ্রবণ, কেলাসন, ভস্মীকরণ, গলন, বাষ্পীভবন ইত্যাদি রাসায়নিক সংশ্লেষণ বা অনুশীলন গবেষণার কি কি রূপান্তর হয় এবং তাঁর ফল কি তিনি তাও বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি চামড়া ও কাপড়ে রঙ করার প্রণালী, ইস্পাত প্রস্তুত করার পদ্ধতি, লোহা, ওয়াটার প্রুফ কাপড়ে বার্নিশ করার উপায়, সোনার জলে পুস্তকে নাম লেখার জন্য লৌহের ব্যবহার ইত্যাদি আবিষ্কার করেন।

তিনি ৮০৩ খ্রীষ্টাব্দে মৃত্যুবরন করেন।

ছবি: জাবির ইবনে হায়য়ান

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Mymensingh