World Wide Mymensingh

World Wide Mymensingh

Share

PRACTICE,SHARE,PROMOTE. WE are work on a science group called ‘World Wide Mymensingh’ (WWM). we'll over come one day.

We r work on to connect itch and every science project,project ideas,school to school.our vision is to connect everyone who are working on science project.

27/02/2026

Celebrating my 12th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

27/02/2026

যখন বাংলা অবিভক্ত ছিল।
জেলা অনুযায়ী মানচিত্র। জেলাগুলো খেয়াল করুন।

06/02/2026

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ময়মনসিংহ

18/08/2025

ময়মনসিংহের মুদ্রণ যন্ত্রের ইতিহাস : ১৫৯ বছর আগে এই অঞ্চলে মুদ্রণ শিল্পের গোড়াপত্তন হয়.......

ময়মনসিংহে মুদ্রণযন্ত্র আসে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে। সেটির নাম ছিল বিজ্ঞাপনীযন্ত্র। সে যন্ত্র থেকে একই নামে একটি পত্রিকা বেরহতো। এক বছর পরই বিজ্ঞাপনী ঢাকার বংশী বাজারে চলে যায়। পরে ময়মনসিংহে আসে ভারত মিহির যন্ত্র। একই সময় আনন্দযন্ত্র। আনন্দযন্ত্র স্থাপিত হয় মুক্তাগাছার বাঁশাটি গ্রামে। সে যন্ত্র থেকে সুহৃদ নামে একটি কাগজ ছাপা হতো। ভারত মিহির থেকে সাপ্তাহিক ভারত মিহির বেরহতো। ভারত মিহির থেকে ছাপা হতো সঞ্জীবনী,রজনী,কুমুদী, আর্যপ্রদীপ, আর্যপ্রভা, ল রিপোর্ট।
১৮৮১ সালে শেরপুরে চারুযন্ত্র স্থাপিত হয়। হরচন্দ্র চৌধুরীর মধ্যমপুত্র চারুচন্দ্র চৌধুরীর নামে যন্ত্রটির নামাকরণ হয়েছিল। চারুযন্ত্র থেকে চারু বার্তা বেরহতো। এ যন্ত্র থেকেই গিরীশচন্দ্র সেনের কুরআন শরীফের অনুবাদের একাংশ আমপারা মুদ্রিত হয়েছিল। এ যন্ত্র থেকে মুদিত হয়েছিল সুসঙ্গের জমিদার রাজাসিংহের মনসামঙ্গল, মীর মশারফের বিশাদ সিন্ধু। ১২৯১ বঙ্গাব্দে অমরচন্দ্র দত্ত চারু বার্তা সম্পাদক হয়ে যন্ত্রসহ পত্রিকাটি শেরপুর থেকে ময়মনসিংহে স্থানান্তর করেন। ১৮৭৯ সালে আবার শেরপুরে ফিরে যায় চারুযন্ত্র ও চারু বার্তা। ১৮৯৩ সালে চারু বার্তা বন্ধ হয়ে যায়। ১৮৯৪ সালে ময়মনসিংহ থেকে চারু মিহির প্রকাশ হতে শুরু করে। চারুযন্ত্র মৃত্যুঞ্জয় স্কুল রোডে স্থাপিত হয়। সেখান থেকেই ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি চালু ছিল। শেষ সম্পাদক ছিলেন মাখনলাল লাহিড়ী।
আর একটি তথ্য না দিলেই নয়- চারু মিহির বিলির জন্য ডাক বিভাগের কাছ থেকে একটি অবিলি পোস্ট অফিস চেয়ে এনে ছিল সম্পাদক। পত্রিকা অফিসের একটি কক্ষে সে অফিসের কাজ চলতো।
সে পোস্ট অফিসটির নাম ছিল চারু মিহির পোস্ট অফিস। মৃত্যুঞ্জয় স্কুল রোডে সে অফিসটি আমি প্রায় ৩/৪ বছর আগেও দেখেছি।
সেই চারু মিহিরের মুদ্রণযন্ত্র মৃত্যুঞ্জয় স্কুল রোডের কোথাও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা স্বাভাবিক।
বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রত্নসম্পদ হিসাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

লিখা ঃ গবেষক Ali Ahemmod Khan Ayub

17/08/2025

ছবিতে যা দেখতে পাচ্ছেন সেটির মতো উত্তম, উপকারী, কার্যকরী, সুন্দর অথচ ভয়ংকর তৈলবীজ এই পৃথিবীতে আর ২য় টি নেই!

পৃথিবীর এক সর্বোত্তম বি/ষ লুকিয়ে আছে এই ছোট বীজগুলির ভেতরে। যার কোনো এন্টিডোট আবিষ্কৃত হয়নি এখনো!

এই ভয়ংকর বীজটি হচ্ছে ভ্যান্না বীজ বা রেড়ির বীজ (Castor bean)।
এর তেলকে বলে ভ্যান্নার/রেড়ির তেল (Castor oil)।
রেড়ির বীজে রিসিন (Ricin) নামক মারাত্মক বি/ষা/ক্ত প্রোটিন থাকে। রিসিন পটাসিয়াম সায়ানাইডের চেয়ে প্রায় ১,০০০–৬,০০০ গুণ বেশি শক্তিশালী!

তেল নিষ্কাশনের সময় বি/ষা/ক্ত রিসিন তেলে থাকে না। কারণ রিসিন পানিতে দ্রবণীয়, তেলে নয়। ফলে রেড়ির তেল বি/ষা/ক্ত নয়। তাই মেডিসিনাল ডোজে কোল্ড প্রেসিং প্রক্রিয়ায় নিষ্কাশিত রেড়ির তেল সম্পূর্ণ নিরাপদ। আর টপিক্যাল ইউজে অর্থাৎ চুল ও ত্বকে লাগানো তো অত্যন্ত উপকারী।

হাজার হাজার বছর ধরে ভ্যান্নার তেলের গুণ এবং বি/ষ বাঁচিয়ে কিভাবে এই তেল নিষ্কাশন করতে হয় তা মানুষ জানত।
হাজার হাজার বছর ধরে এটি আয়ুর্বেদ, ইউনানি চিকিৎসা ও রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

ভ্যান্নার তেল/ক্যাস্টর অয়েলের গুণাগুণ:
- লেবার পেইনে ছটফট করা মেয়েদের এই তেল খাওয়ালে ইউটেরাসে কেমিক্যাল রিয়্যাকশনের ফলে অল্প সময়ের মধ্যে শিশু ভূমিষ্ট হয়। প্রাচীনকাল থেকেই লেবার ইনডাকশনে (প্রসব সহজ করার জন্য) এটি ব্যবহার হচ্ছে।
- রেড়ির তেল পাওয়ারফুল একটি জোলাপ (Laxative)। সাংঘাতিক কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা যে কারো জন্য প্রেস্ক্রিপশন ড্রাগের উত্তম বিকল্প এই প্রাকৃতিক তেল। এটি অন্ত্রের সংকোচন বাড়িয়ে মলত্যাগে সাহায্য করে।
- এই তেল চুল, দাঁড়ি, ভ্রু ও চোখের পাতা ঘন করার মহৌষধ! এটি চুলের গোড়া শক্ত করে। সেইসাথে চুল ও ত্বকের খুবই উত্তম এক ময়েশ্চারাইজার।

21/07/2025

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক‍্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় জরুরী প্রয়োজনে ন‍্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে ইমার্জেন্সি হটলাইন চালু করা হয়েছে।
হটলাইন নম্বর- ০১৯৪৯০৪৩৬৯৭

সুত্রঃ Chief Adviser GOB

Photos from World Wide Mymensingh's post 04/06/2025

ময়মনসিংহ জেলার উল্লেখযোগ্য ঈদগাঁহের ঈদের নামাজের সময়সূচি

Photos from World Wide Mymensingh's post 07/04/2025

Global Strike For Gaza in Mymensingh

05/04/2025

ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।

মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।

সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।

সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..

গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।

সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'

– ফাইজান বিন হক

16/02/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Mymensingh