11/02/2026
মোহাম্মদপুরবাসী কি সত্যিই দেউলিয়া হয়ে গেছে?
ঢাকা-১৩ আসনের মানুষ কি এতটাই অযোগ্য হয়ে পড়েছে—যে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বাইরে থেকে একজন লোক এনে আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে হবে?
একটু ভাবুন তো!
যে ব্যক্তির অস্থায়ী-স্থায়ী ঠিকানা দুটোই গুলশানে, সে কীভাবে মোহাম্মদপুরে এসে আমাদের প্রতিনিধি সাজবে?
যার সকাল-সন্ধ্যা কাটে গুলশানের বাতাসে, সে কীভাবে বুঝবে মোহাম্মদপুরের মানুষের কষ্ট, চাহিদা, আবেগ আর বাস্তবতা?
ঢাকা-১৩ এর মানুষের পালস বুঝতে হলে তো এখানকার গলি-ঘুপচি, বাজার, মসজিদ, মাদরাসা, শ্রমজীবী মানুষের জীবন—এসব বুঝতে হবে।
গুলশানের এসি রুমে বসে মোহাম্মদপুরের রাজনীতি বোঝা যায় না ভাই!
আসলে এটা শুধু একজনকে এনে দাঁড় করানো না—
এটা মোহাম্মদপুরবাসীর প্রতি সরাসরি অপমান।
এটা ঢাকা-১৩ এর মানুষকে অযোগ্যতার কাতারে দাঁড় করিয়ে দেওয়া।
এটা আমাদের সম্মান, আমাদের মর্যাদাকে পদদলিত করার নাম।
কিন্তু মোহাম্মদপুরের মানুষ বোকা না।
ঢাকা-১৩ এর মানুষ অন্ধ না।
এই এলাকার মানুষ জানে—কে মাটির মানুষ, আর কে কাগুজে নেতা!
আর এই অপমানের জবাব ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই দেওয়া হবে।
জবাব আসবে ভোটের মাধ্যমে, গণরায়ের মাধ্যমে।
মোহাম্মদপুরের সন্তান মোহাম্মদপুরেই থাকবে, নেতৃত্বও মোহাম্মদপুর থেকেই উঠে আসবে।
ইনশাআল্লাহ, আগামী ১২ তারিখে ঢাকা-১৩ এর জনগণ আল্লামা মামুনুল হককে রিকশা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করে এই ষড়যন্ত্র আর অসম্মানির দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে দিবে!
রিকশা মার্কায় ভোট দিন—মোহাম্মদপুরের সম্মান বাঁচান। 🚲🔥
10/02/2026
ভোটের মাঠে কে এগিয়ে?
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নাকি মির্জা আব্বাস
27/01/2026
🔍 বিশেষ জরিপ | ঢাকা-১৭ 🔥
ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী দৌড় এখন চরম উত্তেজনাকর!
একদিকে জামায়াতের প্রার্থী
➡️ ডা. এস এম খালেকুজ্জামান
অন্যদিকে আলোচনার কেন্দ্রে
➡️ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক জিয়া
কে এগিয়ে?
কার পক্ষে জনমত?
রাজনীতির মাঠে কে কাকে টেক্কা দেবে—
সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ঢাকা-১৭!
📊 রাজনৈতিক আলোচনা এখন তুঙ্গে!
🗳️ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কৌতূহল।
#বিশেষ_জরিপ #ঢাকা১৭
#ঢাকা১৭নির্বাচন #নির্বাচন২০২৬
#ডা_এসএম_খালেকুজ্জামান #তারেক_জিয়া
#জামায়াত #বিএনপি
#রাজনীতিরখবর
25/01/2026
ঢাকা জেলার ইফতারি ও সাহরীর সময়সূচী
10/12/2025
জনমত জরিপে অংশগ্রহণ করুন !
21/11/2025
উপরের তলা (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম) থাকলে মানুষ প্রায়ই সিঁড়ি ধরে নেমে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু বাস্তবতা নিচের তলা ভেঙে উপরের তলা পড়তে পারে। কম্পন শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দায় যাওয়া বিপজ্জনক। বের হওয়ার চেষ্টা করবেন না! সিঁড়িতে লোকের ভীড়, ধাক্কাধাক্কি, অন্ধকার – ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা আহত হয়। Think Fast!
Drop–Cover–Hold On:
বেডরুমে থাকলে খাটের নিচে, ড্রয়িং বা ডাইনিং-এ থাকলে মজবুত টেবিলের নিচে, কোনো আশ্রয় না পেলে দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন! বারান্দায় যাবেন না—রেলিং ভেঙে পড়তে পারে
বাথরুম নিরাপদ হতে পারে; বালতি উল্টো করে মাথার ওপর দিয়ে বসে থাকলে অনেকে বেঁচেছে! হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা খুঁজে পাবেন মাথার ওপর রাখুন।
যদি আপনি ১ম/২য় তলায় থাকেন (এটাই সবচেয়ে ভাগ্যবান):
কম্পন শুরু হলেই দরজা খুলে রাখুন (দরজা জ্যাম হলে বের হতে পারবেন না) ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নেমে রাস্তায় চলে আসুন কিন্তু রাস্তায় এসে বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না – ১০০ ফুট দূরে সরে যান! ভবন ছেড়ে খোলা মাঠে চলে যান!
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে চিৎকার করবেন না—ধুলো ঢোকে, গলা শুকায়, হুইসেল থাকলে বাজান, না থাকলে দেয়ালে বা পাইপে ৩ বার টোকা দিন (আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল) মোবাইল টর্চ অন রাখুন, কথা বলবেন না—ব্যাটারি বাঁচান,মুখে কাপড় চেপে ধরুন, ধুলো ঢোকা কমবে!
আজ থেকেই যা করবেন, বিছানার পাশে জুতা রাখুন, বেডের পাশে হেলমেট ও হুইসেল রাখুন, ভারী আলমারি, টিভি বা ফ্রিজের অবস্থান এমন রাখুন যাতে পড়ে গেলে আঘাত না হয়,গ্যাস সিলিন্ডার চেইন দিয়ে বেঁধে রাখুন, দরজা কখনো অটো-লক হবে না, চাবি কাছে রাখুন!
ঢাকা, একটি ঘনবসতিপূর্ণ শহর, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টগুলো শহরের প্রধান আবাসন। একটি লাইন মনে রাখুন:
আমি ৪র্থ তলার উপরে – তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি — প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।
প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর। প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে।
জীবনকে কখনও কখনও খুব কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি কত শক্তিশালী, আর মানুষ কত সহজেই ভেঙে যেতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের কিছু করার থাকে না, কিন্তু একটু সচেতনতা, একটু প্রস্তুতি!
দুর্যোগ দেখলে বোঝা যায়!
জীবন মানে শুধু শ্বাস নেওয়া না,
জীবন মানে সচেতন