জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় “ওরিয়েন্টেশন” প্রোগ্রাম আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গাহি সাম্যের গান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম-এর সভাপতিত্বে তাঁর অফিস কক্ষে রবিবার কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক সভায় উক্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শেষে একইদিন ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ক্লাস শুরু হবে। বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট: www. jkkniu.edu.bd ঠিকানায় পাওয়া যাবে।
Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University
Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University is the first and only public university established in Bangladesh in memory of this country's national poet.
30/11/2016
Inspiration:
গ্রামের কর্দমাক্ত মেঠোপথ। আষাঢ়ের টিপ টিপ বৃষ্টি। লোকজনের চলাফেরা খুব একটা নাই। একহাতে ছাতা অন্য হাতে ৫/৬ বছরের একটা জীর্ন-শীর্ন ছেলেকে টেনে নিয়ে পথ চলছেন ঘোমটা পড়া এক নারী। সময় এবং হাতে বই দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে অনিচ্ছুক ছেলেকে স্কুলে নিতে চেষ্টা চলছে। স্কুলের কাছাকাছি গিয়ে মা আর যেতে পারছেন না। কাকুতি মিনতি করে বুঝিয়ে ছেলেকে স্কুলের দিকে ঠেলে পাঠিয়ে করুন চোখে তাকিয়ে আছেন মা। ছেলে দৃষ্টির অন্তরালে চলে গেলে ধীরে ধীরে পুরনো পথে হাঁটছেন হতাশাক্লিষ্ট মা। তবে কি গণকের কথাই ঠিক-‘এই ছেলের হাতের রেখা বলছে কপালে বিদ্যা নাই।’
আশেপাশের কয়েক গ্রামের অনেক ছেলেমেয়ের বাংলা এবং আরবী শিক্ষার হাতেখড়ি হয়েছে তাঁর হাতে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস একমাত্র ছেলে নিরক্ষর থাকবে। সামান্য পথও আর শেষ হতে চায় না। বারবার আঁচল দু’চোখ স্পর্শ করছে। একটু পরে মায়ের দু’চোখে শ্রাবণের বৃষ্টি ঝরে। বাড়ীর অদূরে বই হাতে ফিরে এসেছে ছেলে, স্কুলে যায় নি। এভাবেই আষাঢ়-শ্রাবণ-ভাদ্র পেরিয়ে আবারও আষাঢ় আসে। মা-ছেলের দৈনন্দিন রুটিনের পরিবর্তন নাই। রাতে বিছানায় কিচ্ছা বলে বলে মা ছেলেকে বোঝায়। সকালে ছেলে সব ভুলে যায়। মা হাল ছাড়েন না। নাছোড়বান্দা মায়ের নিরলস চেষ্টায় ধীরে ধীরে ছেলে স্কুলমুখী হয়। ছেলেটি পড়াশুনায় কিছুটা মনোযোগী হয়।
মা আবারও হতাশ হন যখন বার্ষিক পরীক্ষায় ছেলেটি অংকে মাত্র ০৭ পায়। মা ছেলেকে অংক শেখাতে থাকেন। ধীরে ধীরে ছেলে অন্যান্য বিষয়ের মত অংকেও পাকা হয়ে যায়। শিক্ষকেরা বলতে শুরু করেন ছেলেটা অনেক মেধাবী। মায়ের চোখমুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এক সময় ছেলেটা ক্লাসে ফার্স্ট হতে শুরু করে। ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষা দেয়। দু’দশ গ্রামে পঞ্চাশ বছরে কেউ বৃত্তি পায় নাই। ছেলেটা প্রাথমিক বৃত্তি পায়। সুনাম ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। মায়ের চোখ বার বার ভিজে যায়-আনন্দে। স্কুলে বেতন দিতে হয় না, উল্টো ছেলে সরকারী টাকা পায়।
টানাটানির সংসারে এর চেয়ে সুখের আর কি থাকতে পারে। জুনিয়র বৃত্তি পাবে জানাই ছিল। পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটর খাতা পড়েই বলে দেয়, ছেলেটা ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাবে। সবার অনুমান মায়ের আশা-তাতো আর মিথ্য হতে পারে না। মা কিছুতেই নয়নের মনি একমাত্র ছেলেকে দূরে যেতে দেবেন না। স্থানীয় কলেজ থেকে পাশ করে ছেলে গ্রামের স্কুলের মাষ্টার হয়ে মায়ের চোখের সামনে থাকবে। ছেলে বেঁকে বসে, ঢাকা কলেজে পড়বে। মা কিছুতেই রাজী না। স্বল্প শিক্ষিত বাবা অবশ্য ছেলের পক্ষ নেন। ছেলে এসএসসি পাশ করে।
এবার সত্যিই কলেজে ভর্তির পালা আসে। বাবা-ছেলে মিলে মাকে বোঝায়। সহজ সরল বাবা ভিতরে ভিতরে অনেকটাই নার্ভাস। ঢাকায় অনেক খরচ, কি করে চালাবেন। নিজের জীবনের চেয়েও আদরের ছেলে। ছেলের খুশিই তো মায়ের খুশী। মা রাজী হন। বাবা-মা সংসারের আর্থিক টানাপোড়ন নিয়ে আড়ালে আবডালে আলোচনা করেন। মেয়েদেরও লেখাপড়া করাচ্ছেন। গ্রামের কেউ কেউ মেয়েদের পড়াশুনা বন্ধ করার পরামর্শ ও দেয়। মা-বাবা সাড়া দেন না। ছেলেটি ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়ে যায়।
প্রতি সপ্তাহে চিঠি লেখেন মা। প্রতিমাসেই ছেলে বাড়ি আসে। কলেজে ছেলের বেতন লাগে না। তবে থাকা-খাওয়ার খরচ তো আছে। কখনো ধান-পাট, কখনো বা সুদে ধার করে ছেলের খরচ দেন। কোন কোন সময় জমি বন্ধক রেখেও টাকা দিতে হয়। ছেলে কলেজ শেষ করে। রেজাল্ট দেখে সবাই বোঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চান্স হবে। বাড়িতে গেলে ছেলে মাকে বোঝায় ইংরেজির প্রফেসর হবে। ইংরেজিতে ভর্তিও হয়ে যায়। ইতোমধ্যে বড় মেয়ে পাশ করে স্কুলে মাস্টারি নিয়েছে। স্বামীর ঘর করলেও সংসারে কমবেশি সাহায্য করে। ছেলে হলে থাকে, মাঝে মাঝে টিউশনি করে। বাসায় বাসায় কলিং বেল টিপে পরের ছেলে মেয়ে পড়াতে কার ভাল লাগে, তবু ও করতে হয়। মাঝে মাঝে টিউশনি ছেড়ে দেয়, মাকে চিঠি লেখে।
এর ওর হাত দিয়ে বাড়ি থেকে টাকা আসে। সাথে মাত্রা টেনে টেনে গোটা হাতে লেখা মায়ের চিঠি ‘টাকার চিন্তা করিও না, ভিটেবাড়ি বিক্রি করে হলে ও তোমাকে পড়াব’। ছেলে আবার টিউশনি খুঁজে নেয়। গুলশান-বনানীতে ধনী লোকের বাড়িতে পড়াতে গিয়ে ভাবে তাঁর নিজে ছেলেমেয়েরাও কি এসব বাড়িতে টিউশনি করবে। সরকার পতনের দাবীতে হরতাল অবরোধ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে, হল ভ্যাকান্ট হয়, সেশন জট, অনার্স পাশ হয় না। বন্ধক কিংবা বিক্রি করতে করতে চাষের জমি কমে এসেছে। তবুও নিয়মিত বাড়ী থেকে টাকা আসে। পাশের রুমের সিনিয়র ভাই বিসিএস দিয়ে পুলিশের এএসপি পদে নির্বাচিত হয়েছে। হলের সিনিয়র-জুনিয়র সকলেই সালাম দেয়, সামনে কিংবা আড়ালে তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। এএসপির এতো সন্মান, ছেলেটা মনে মনে সংকল্প করে সেও এএসপি হবে।
ঘোড়ার আগে গাড়ি কেনার মতই গোপনে গোপনে বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। পরীক্ষার সার্কুলার হয়, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতাও ইতোমধ্যে হয়ে গিয়েছে। ফার্স্ট চয়েজ পুলিশ দিতে চায়। চৌদ্দ গোষ্ঠির মধ্যে কেউ পুলিশের চাকরিতে নাই। পুলিশে ঢুকলে গালিগালাজের ট্রেনিং করতে হয়, মানুষ নষ্ট হয়ে যায়। একমাত্র ছেলের এমন ভবিষ্যত মা কিছুতেই মেনে নেবেন না। ছেলের গো সে এএসপি হবে, এবারও সেই সহজ সরল বাবা এগিয়ে আসেন। একটির পর একটি ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত ফল বের হয়। পিএসসি’র টাঙানো নোটিস বোর্ডে প্রেমিকাসহ ছেলেটি নিজের রোল নম্বর খুঁজতে থাকে। পুলিশ ক্যাডারেই খোঁজে।
নিচের দিক থেকে খুঁজতে খুঁজতে না পেয়ে হতাশা বাড়তে থাকে। এতো হতেই পারে না, পরীক্ষা অনেক ভালো দিয়েছে। উপরের দিকে প্রথম রোলটা দেখে নার্ভাস হয়ে যায়, ভুল দেখছে না তো! প্রেমিকাকে দেখতে বলে, নিজেও পকেট থেকে এ্যাডমিট কার্ড বের করে। না, সত্যিই রোল নম্বর মিলে যাচ্ছে! ছেলেটা প্রথম হয়েছে! পরের দিন বাড়িতে ফিরে যায়, অনেকক্ষন মায়ের পাশে বসে থাকে। স্বপ্নের চাকুরীতে জয়েন করে। দিন, মাস, বছর গড়ায়। ধাপে ধাপে ছেলেরও পদ বাড়ে। সেই ছেলে পুলিশ বিভাগের উচ্চ পদে।
এত গুলো বছর গড়িয়েছে, বদলে গেছে অনেক কিছুই। বাবা গত হয়েছেন, মায়েরও বয়স বেড়েছে, নানান রকম রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে। বদলাননি মা, কাজের চাপে বাসায় ফিরতে দেরি হলে মা ঘুমান না, ফোন করে তাড়া দেন। সকালে অফিসে যাওয়ার সময় মা বলেন, ‘সাবধানে যা, সাথে লোক আছে তো।’ হরতাল হলে মা বলেন, ‘এই গোলমালের মধ্যে অফিসে যাওয়ার দরকার কি।’ ছেলে হাসে, মাকে বোঝায়, গোলমালে পুলিশের দায়িত্ব বাড়ে। টিভি খুললেই ছেলেকে দেখা যায়, মা ফোন করেন, ‘তোর মুখটা এতো শুকনা কেন?’ খাবার টেবিলে মা বলেন, ‘এতো কম খাইলি?’ মায়ের সামনে পড়লেই মা বলেন, দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছিস, তোর কোন অসুখ-বিসুখ হয় নাই তো? মাঝে মাঝে নাতি-নাতনিদের ছেলের ছোটবেলার গল্প শোনান। কাছে না থাকলে অসুস্থ শরীর নিয়েও প্রতিদিন ফোন করেন, ছেলের শরীরের খবর নেন।
মায়ের অবস্থা দেখে মনে হয়, তাঁর সেই ছোট্ট ছেলেটি এখনো সেইটুকু রয়ে গেছে। পৃথিবীর সবকিছু বদলায়, বদলায় না শুধু সন্তানের প্রতি মায়ের নিঃস্বার্থ ভালবাসা। এই মমতাময়ী মা আমার মা, আমার গরবিনী মা, পৃথিবীর সকল মায়েরই প্রতিচ্ছবি একই রকম।
লেখক: মনিরুল ইসলাম, কাউন্টার টেরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট প্রধান, অতিরিক্তি পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
30/11/2016
Jatiya kabi kazi nazrul islam university এর সকল ইউনিটের ভাইবা, ভর্তির তারিখ,ভর্তি ফি,কোটা সংক্রান্ত সকল কিছু প্রকাশ করেছে।নিচের ছবিগুলো অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন.......
29/11/2016
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন | Latest BD News কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন November 28, 2016 বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে সোমবার ‘ঙ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। আজ ‘ঙ’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিতির হার শতকরা প্রায় ৭৫ জন...
29/11/2016
ভর্তি পরীক্ষায় সহায়তাকারী আঞ্চলিক এসোসিয়েশনগুলোর পূণর্মিলনী ও চড়ইভাতি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সেশনের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষায় আগত নবীন শিক্ষার্থীদের সহায়তাকারী আঞ্চলিক এসোসিয়েশনগুলোর পূণর্মিলনী ও চড়ইভাতি হয়ে গেল গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। ১৬ জেলার সমন্বয়ে গঠিত সর্ববৃহৎ সংগঠন নর্থবেঙ্গল কমিউনিটি, শেরপুর সেতুবন্ধন, জামালপুর, কিশোরগন্জ ফোরাম,গাজীপুর এসোসিয়েশন, আদিবাসী সংগঠন,খুলনা,নরসিংদী, সিলেট, চন্দ্র্রদ্বীপ বরিশাল এসোসিয়েশন সহ প্রায় ১৬টি এসোসিয়েশনের শতাধিক ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হল সম্মেলিত এসোসিয়েশনের সেতু বন্ধন অনুষ্ঠান। ভর্তি পরীক্ষায় টানা ৫দিনের পরিশ্রম শেষে সকল এসোসিয়েশনের সদস্যদের মধ্যে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজন করা হয়েছিল প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ শেরপুর বনাম কিশোরগন্জ ফোরাম এবং মেয়েদের বল নিক্ষেপ খেলা ।
23/11/2016
বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাপ! :)
23/11/2016
সিট প্লান
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।
কবি নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত বটতলা(ত্রিশাল,ময়মনসিংহ) ঘেঁষে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়।
আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০১৬-১৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা।
ক্যাম্পাসে যেভাবে আসবে→
♦দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে প্রথমে ময়মনসিংহ আসবে। ময়মনসিংহের চরপাড়া থেকে ত্রিশাল আসার জন্য বাস বা সি.এন.জি পাবে। ত্রিশাল নেমে ভ্যান বা রিক্সাওয়ালা মামাকে বললেই হবে ভার্সিটি যাব।
♦যারা ঢাকা থেকে বাসে আসবে তারা মহাখালি থেকে এনা,আলম-এশিয়া, শ্যামলি-বাংলা,ইসলাম পরিবহন নামে ময়মনসিংহের বাস পাবে। বাস থেকে ময়মনসিংহের পূর্বের বাসস্টপ ত্রিশালে নেমে যাবে। এজন্য বাসের কন্টাক্টর মামাকে আগেই বলে রাখবে আমাকে ত্রিশাল বাসস্টপে নামিয়ে দিয়েন। ত্রিশাল নেমে রিক্সাযোগে সরাসরি ক্যাম্পাসে চলে আসবে।
♦দূরত্ব ও ভাড়াঃ
★ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসের দুরত্ব ১০০ কি.মি। ভাড়া ১০০টাকা থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত।
★ময়মনসিংহ শহর হতে ক্যাম্পাসের দূরত্ব ২২কি.মি। আসার জন্য খরচ পড়বে ৪০টাকা থেকে ৬০টাকার মত।
★ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড হতে ক্যাম্পাসের দূরত্ব ১.৫কিমি। রিক্সা ভাড়া ৩০-৪০ টাকা। ভ্যান ভাড়া ১৫-২০ টাকা।
★থাকার ব্যবস্থাঃ
ক্যাম্পাসে অনেকরই হয়তো পরিচিত কেউ নেই। অনেক দূর থেকে আসবে। এজন্য থাকা নিয়ে চিন্তিত। জেনে রাখবে, ভার্সিটির ভাইয়ারা অনেক হেল্পফুল হয়। ক্যাম্পাসের আশেপাশে এসে যেকোন ভাইয়ার কাছে থাকাসহ অন্য কোন ব্যাপারে হেল্প চাইলে আশা করি হেল্প পাবে।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য শুভকামনা রইলো। :)
14/11/2016
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসিই বিভাগের প্রথম ব্যাচের র্যাগ ডে অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং(ইসিই) বিভাগের ১ম ব্যাচ তথা ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা সমাপনী দিবস (র্যাগ ডে) অনুষ্ঠিত হলো ।
আজ ১৪ নভেম্বর রোজ সোমবার সকাল ১০টায় ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে কেক কাটার মধ্যদিয়ে বিভাগীয় প্রধান বিজয় কুমার কর্মকার ‘র্যাগ ডে’র উদ্বোধন করেন ।এসময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ । র্যাগ ডে উপলক্ষ্যে আজ বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যাগ ডে সম্পর্কে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী জহির ও কাজল বলেন,আজ আমাদের শিক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন,একদিক থেকে দিনটি আনন্দের হলেও আরেকদিক থেকে দিনটি বেদনার।
14/11/2016
Our central library! :)
14/11/2016
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুসদয় দত্তের স্মরণে দেশজ চিত্র প্রদর্শনী
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে “ছবিশালা বটতলা” এর আয়োজনে শিল্প সাধক, সংগ্রাহক, লোক সংস্কৃতিবিদ গুরুসদয় দত্তের স্মরণে দেশজ চিত্রকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত।
আজ ১৪ নভেম্বর, সোমবার প্রদর্শনীটি উদ্ধোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোহীত উল আলম। এ সময় তিনি বলেন, স্বদেশী চেতনার পুরোহিত গুরুসদয় দত্ত এর স্মরণে দেশজ শিল্পকলার অধ্যয়নে ও অবলম্বনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীটির সাফল্য কামনা করছি। এবং এ তরুণ শিল্পীদের উদ্যোগ অন্যদেরকেও অনুপ্রাণিত করবে আশা করি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডঃ মোঃ জাহিদুল কবীর, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ডঃ এ কে এম শামসুদ্দিন চৌধুরী, চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নগরবাসী বর্মন, সহকারী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত এবং রাশেদ সুখন সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আই সি এস গুরুসদয় দত্তের উদ্যোগে ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে ‘দ্য ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্টাল আর্ট’ লোকসংস্কৃতিবিদ গুরুসদয় দত্তের সংগৃহীত একশটি উপাদানের সমন্বয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীয় আয়োজন করে। এবং এটি প্রথম বাংলার দেশীয় শিল্পবস্তকর এক প্রদর্শনী করেছিলেন। দেশের আত্মার সঙ্গে পরিচয় সাধনের এই উদ্যোগ বাংলার শিল্প ইতিহাসে দীর্ঘস্থায়ী ফল বয়ে এনেছিল। এর আগে ১৯২৯ সালে ময়মনসিংহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট থাকার সময়ে তিনি এই জেলার লোকনৃত্য ও লোকসংগীত সংগ্রহের উদ্যেশ্যে ময়মনসিংহ ফোক ড্যান্স ও ফোক মিউজিক সোসাইটি গড়ে তুলেছিলেন, এর উদ্যোগে এক ফেস্টিভ্যালের আয়োজন হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ব্রতচারী আন্দোলন করে সারা ভারত জুড়ে পল্লী উন্নয়ন ও সংগঠনের ক্ষেত্রে জোয়ার সৃষ্টি করেছিলেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Trishal
Mymensingh
2220