একটা সাধারন করোনারোগী( আইসিইউ ব্যতীত) সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হলে ৭ দিনে তার জন্য প্রায় ১ লক্ষ টাকা খরচ হয়। (যেটা বিনামুল্যে দেয়া হচ্ছে)
বিস্তারিতঃ
কোভিড-১৯ আক্রান্ত একজন রোগী সরকারী হাসপাতালে ৭ দিন ভর্তি থাকায় তার পিছনে খরচের হিসাব
আমি ময়মনসিংহ মেডিকেলের কোভিড-১৯ ইউনিটে কর্মরত আছি। করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করছি গত ২ মাস যাবত। রোগীর চিকিৎসা, ওষুধ প্রদান ও খাবার সহ সব কিছুর ব্যবস্থাপনা সরাসরি দেখেছি। অনেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সরকার কে নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তি করেন, ব্যর্থতাই বেশি দেখেন, সমালোচনায় মুখে ফেনা তুলেন। তাদের জন্য আজ একটা হিসেব দেখাবো।
প্রথমেই আসি
১. অক্সিজেন খরচ-
আক্রান্তের ব্যপকতা ও রোগীর অবস্থা অনুযায়ী একজন রোগীর মিনিটে ২ লিটার থেকে ১৫ লিটার অক্সিজেন লাগে। কোন কোন রোগীর হাই ফ্লো ন্যাসাল ক্যানোলা দিয়ে মিনিটে ৬০ লিটার অক্সিজেন দেয়া হয়। একজন রোগীর গড়ে মিনিটে ৫ লিটার অক্সিজেন লাগলে ঘন্টায় লাগে ৩০০ লিটার। ২৪ ঘন্টা বা ১ দিনে লাগে ৭২০০ লিটার। যদি রোগী ৭ দিন ভর্তি থাকে তাহলে ৫০৪০০ লিটার। সিলিন্ডার হিসেবে প্রতি লিটার অক্সিজেনের দাম ন্যূনতম ১ টাকা হলে ৭ দিনে ঐ রোগীর পিছনে অক্সিজেন বাবদ খরচ ৫০৪০০ টাকা।
২. অ্যান্টিবায়োটিক-
একটা ভালো মানের অ্যান্টিবায়োটিক ইঞ্জেকসনের(Inj. Moxaclav) দাম ৩০০ টাকা করে দিনে ৩ টা লাগলে ৯০০ টাকা। ৭ দিনে ৬৩০০ টাকা। সাথে মুখে খাওয়ার এন্টিবায়োটিক(Tab. Clarin 500) ৪০ টাকা করে দিনে ২ বারে ৮০ টাকা। ৭ দিনে ৫৬০ টাকা। সর্বমোট এন্টিবায়োটিক বাবদ ৬৮৬০ টাকা। তাছাড়া কোন কোন রোগীকে আরও দামি এন্টিবায়োটিক দিতে হয় যেমন Inj. Meropen যার দাম ১৩০০ টাকা করে দিনে ৩ টা দিতে হয়। মানে সেক্ষেত্রে ১ দিনেই শুধু এন্টিবায়োটিক খরচ ৩৯০০ টাকা। ৭ দিনে কত হবে নিজেই ভাবেন।
৩. এন্টিভাইরাল-
এটার দাম গড়ে ৫০০০ টাকা। ৫ দিনে ৬ টা ডোজ লাগে। ৬ ডোজের দাম ৩০০০০ টাকা।
৪. অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট-
এটার দাম ৩৫০ টাকা প্রায়। দিনে ২ টা করে দিতে হয়। তাহলে ৭ দিনে খরচ আসে ৪৯০০ টাকা।
৫. ভিটামিন-
এ বাবদ ৭ দিনে ১০০ টাকার মত লাগে।
৬. এন্টিহিস্টামিন ও অন্যান্য-
ফেক্সো, মনটিন, ডক্সিভা, স্টেরয়েড, অমিপ্রাজল এ বাবদ রোগীর আরও ৫০০ টাকার মত লাগে।
তাহলে ৭ দিনে একজন রোগীর পিছনে শুধু অক্সিজেন ও ওষুধ বাবদ সরকারের খরচ ৯২৭৬০। তাছাড়া রোগীর খাবার, আবাসন বাবদ খরচ তো আছেই। সব মিলিয়ে সরকারী হাসপাতালে গড়ে একজন রোগীর পিছনে ৭ দিনে খরচ প্রায় গড়ে ১ লাখ টাকা। কোন রোগীর হয়তো কম বা কারো হয়তো আরো বেশি। আমি গড়ে ১ লাখ টাকা খরচ হয় দেখলাম।
ডাক্তারঃ
করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, সার্বিক দেখাশুনা, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রতি ইউনিটে ২৪ ঘন্টা এমবিবিএস ডাক্তার থাকেন যারা বিসিএস ক্যাডার। তাদের সুপারভিশনে থাকেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। যারা দিনে ২ বার ওয়ার্ডে এসে সংকটাপন্ন রোগী দেখাসহ সব রোগীর খোজ খবর নেন, পাশাপাশি ফোনে ২৪ ঘন্টা যোগাযোগ রাখেন। আপনারা জানেন করোনা আক্রান্ত হয়ে অনেক ডাক্তার মারা গিয়েছেন। পিপিই পড়লে মনে হয় কেউ গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে, সমস্ত শরীর ঘেমে টপটপ করে পানি পড়তে থাকে। এই অবস্থায় কয়েক মিনিট থাকা দায়, কিন্তু ডাক্তারগন টানা ২-৩ ঘন্টা রাউন্ড দেন। মাস্কগুলো এমনভাবে এয়ার টাইট করে লাগাতে হয় যে মুখে দাগ হয়ে যায় আর অসম্ভব ব্যাথা করে। করোনার স্যাম্পল পরীক্ষা, রিপোর্ট করা, কোভিড পজিটিভ রোগীর সাথে ফোনে কথা বলা, টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান, কন্টাক্ট ট্রেসিং, কেইস স্টাডি করা, গবেষনা (IEDCR) সহ সব কিছু করছে ও লিডিং দিচ্ছে ডাক্তার। তাছাড়া রোগী ও স্বজনদের কাউন্সিলিং, রোগী আশঙ্কাজনক হলে আইসিইউ তে পাঠাতে সহযোগিতা করা ইত্যাদি দায়িত্বের বাইরেও অনেক কিছু করতে হয়। এত সব কষ্ট সহ্য করেও চিকিৎসা দিয়ে যান কারন আক্রান্ত হওয়ার পর যুদ্ধটা একান্ত আমাদের, আমরা পিছু হটলে কে আছে রোগীদের জন্য লড়বে। সৃষ্টকর্তার নাম নিয়ে তাই প্রতিটি চিকিৎসক লড়ে যান একটা প্রানের জন্য। অনেকে নিজের পরিবার থেকে আলাদা থাকেন কর্তব্যকালীন সময়ে। অনেক নারী চিকিৎসক নিজের ৩-৪ বছরের বাচ্চা রেখে টানা ১৫ দিন ডিউটি করেন। কিছুদিন আগে একজন গর্ভবতী নারী চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়ে গর্ভের বাচ্চাসহ মারা যান। এর চেয়ে বড় আত্মত্যাগ আর কি হতে পারে?
নার্স সহ অন্যান্য হাসপাতাল স্টাফঃ
আমাদের নার্সগন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দিনে অন্তত ৪ বার করোনা ওয়ার্ডে পিপিই পড়ে ঢুকতে হয় ওষুধ দেয়ার জন্য। প্রায় ২ ঘন্টার উপর লাগে সবাই ওষুধ দিতে। এছাড়া যখনই প্রয়োজন হয় ওয়ার্ডে যান নির্বিঘ্নে। তাছাড়া রোগী ও তার স্বজনদের হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেন উনারা।
এছাড়া হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়, ক্লিনার থেকে শুরু করে প্রতিটি কর্মচারী অকুতোভয় সৈনিকের মত নির্ভীকভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
সর্বোপরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সরকার এত অল্প সময়ে যে সিস্টেম গড়ে তুলেছে তা আমাদের মত দেশের জন্য অকল্পনীয়।
তারপরেও নিন্দুকের তীর্যক মন্তব্যের শেষ নেই।
সরকার, চিকিৎসক, সংস্থ্যা, মন্ত্রণালয় সরকারের সকল বিভাগ নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছে। এটা বিশ্বব্যপি মহামারি। অনেক উন্নত দেশ নাস্তানাবুদ হয়েছে করোনার ছোবলে।
এই করোনা কালীন সময়ে আপনার পরিচিত বা বন্ধু ডাক্তার থাকলে তার কাছ থেকে অবশ্যই চিকিৎসা পেয়েছেন। উপকারটা মনে রাখবেন ও কৃতজ্ঞ থাকুন।
আসুন সরকারের সমালোচনা না করে সরকারকে সহযোগিতা করি।
Doctors are ultimate front line fighter against COVID-19. So respect your doctor.
Lets fight in the name of almighty creator.
Curtesy-
Dr. Sohanur Rahman
MBBS, BCS(37th)
Humans of CBMCB
To Highlight our glorious medical school 'CBMCB' with historical successes.
26/01/2021
আমি ডাঃ আশিষ কুমার মোদক,"কমিউনিটি বেজড্ মেডিকেল কলেজ,বাংলাদেশ (CBMCB,Mymensingh)" থেকে আমার এমবিবিএস শেষ করি।থার্ড প্রফের পর থেকে আমি সাইক্লিং শুরু করি।তারপর আমার সারা বাংলাদেশ সাইকেলে ঘুরার একটা স্বপ্ন পেয়ে বসে।
ফাইনাল প্রফ পরীক্ষার পর ৬৪ জেলা ঘুরে শেষ করার একটা পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই করা ছিলো।
আমার ভ্রমনের উদ্দেশ্য দেশকে জানা,দেশের প্রতিটি জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো দেখা,বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মিশা।
আমার অবস্থান থেকে যথেষ্ট পরিমান সময় নিয়ে ভ্রমন করার চেষ্টা করেছি।
কতদিন লাগবে এটার চেয়ে,কতটা বেশি সময় নিয়ে দেশকে দেখবো সেটাকেই গুরুত্ব দিয়েছি।খুলনা থাকতে আমার এমবিবিএস এর রেজাল্ট দিয়েছিলো,এর আগে যথেষ্ট পরিমাণ সময় নিয়ে প্রায় সবগুলো জেলার দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।
আমার এই ৬৪জেলার ভ্রমনের প্রধান শ্লোগান ছিলো "গাছ লাগান,পৃথিবী বাঁচান"
এরকম শ্লোগান নিয়ে অনেকেই গেলেও সময় সুযোগের অভাবে গাছ লাগাতে পারে না।
তবে আমি নিজ খরচে প্রায় ২০০+ গাছ লাগিয়েছি,৫০+ জেলায়।গাছগুলো লাগিয়েছি স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি,মেডিকেল কলেজ,দর্শনীয় স্থান,মাদ্রাসা ও মসজিদে।এমন স্থানে গাছ লাগিয়েছি যেন গাছগুলো নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
আশা করি সবগুলো গাছই যথেষ্ট পরিচর্চা পাবে।
এভাবে সাইকেলে ট্রাভেলিং করে আবার গাছ লাগানো একটা বাড়তি ঝামেলা মনে হতে পারে।তবে আমি এই ঝামেলাটাকে খুবই উপভোগ করেছি,সবার কাছে ভালোবাসা এবং দোয়া পেয়েছি।কাজটার প্রসংশা করেছেন সব বয়সের,সকল পেশার মানুষ।
এটাই আমার এবারের ভ্রমনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
আমি দেশ ভ্রমন করেছি দেশের অদেখা সৌন্দর্য গুলো দেখার জন্য,অজানা কিছু জানার উদ্দেশ্যে।
এই ভ্রমনে আমি আমার পরিবার থেকে যথেষ্ট সাপোর্ট পেয়েছি,আমার পরিবারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
সারা দেশে সবার কাছে অনেক সাপোর্ট,উৎসাহ এবং সহযোগিতা পেয়েছি।সবাইকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আর যার কাছে সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট,উৎসাহ এবং সহযোগিতা পেয়েছি আমার বন্ধু Mohammad Sabbir Hossain
যেহেতু মেডিকেলে পড়তাম,তাই একাডেমিক ছুটি একটু কম হওয়ায় ঈদ এবং পুজার ছুটিতে সিলেট বিভাগ এবং উত্তরবঙ্গের কিছু জেলা সহ ২২টি জেলা আগে ঘুরে রাখছিলাম।
এবার ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা ২৫শে নভেম্বর শেষ হওয়ার পর একদিন বিশ্রাম নিয়ে ২৭শে নভেম্বর আমার দ্বিচক্রযানটি নিয়ে বেশিয়ে পড়ি দেশ দেখার নেশায়।
আজকে ২৬শে জানুয়ারী কক্সবাজারের মাধ্যমে আমার ৬৪জেলা ঘুরা শেষ হলো।
হ্যাঁ,আমি পেরেছি,সুস্থভাবে এবং কোনোরকম দূর্ঘটনা ছাড়া আমার মিশন শেষ হয়েছে।
দেশ সফর শেষ,এবার শুরু হবে পেশাগত সফর।
আমি ডাক্তার হয়েছি,সবাই দোয়া করবেন যেন পেশাগত সফরে যেন সফলতা অর্জন করতে পারি।
বড় ডাক্তার হতে পারি আর না পারি,ভালো ডাক্তার যেন হতে পারি।
দোয়া করবেন আমি যেন আমার জীবনের প্রতিটি রোগীকে নিজের পরিবারের মতো মনে করে সেবা করতে পারি এবং প্রতিটি রোগীই যেন আমার কাছে চিকিৎসা নেওয়ার শেষে আমাকে উনাদের পরিবারের মানুষ মনে করেন।
আমার জন্য,আমার বাবা-মা এর জন্য সবাই দোয়া করবেন।
আমার ভ্রমনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো-"গাছ লাগান,পৃথিবী বাঁচান"
"করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে,সতর্ক হোন"
20/08/2020
শুভ জন্মদিন সিবি ১ ও শুভ সুচনা একটি সপ্নের।আমরা কজনা আর অত্যান্ত শ্রদ্ধ্যেয় শিক্ষক মন্ডলী নিয়ে শুরু এই সপ্নের পথচলা।
বাউন্ডারি রোড হতে উইনার পার পর্যন্ত।আমরাই জানি তার লুকানো ইতিহাস।
শিক্ষক রাই ছিলেন আমাদের বাপ-মা বড় ভাই–বোন।
কোন সহায়তা আমরা উনাদের কাছ হতে সবসময় পেয়েছি।
তখনকার প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ কে অন্যচোখে দেখা হত।অনেকেই মনে করতো,এরা আর কি ডাক্তারি করবে!
আজ আমি গর্ব করি আমার মেডিকেল কলেজ কে নিয়ে।
প্রফেশনাল পরীক্ষায় শীর্ষ স্থানে আমাদের মেডিকেল কলেজের নাম থাকে,যখন দেখি দেশে বিদেশে আমরা ছড়িয়ে গিয়েছি এবং এক নামে পরিচিত।
আর একজন কিংবদন্তীর কথা না বললেই নয়।
তার সপ্নগুলোকে তিনি বাস্তবায়িত করেছেন। যার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল, আজকের কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ।
যিনি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তার সপ্নকে বুনে গেছেন।যিনি এই মেডিকেল কলেজের প্রধান উদ্যাক্তা ও আমাদের শ্রদ্ধ্যেয় প্রিন্সিপাল স্যার প্রোফেসর ঃ এ.আই.এম মোফাকখারুল ইসলাম।
তার অগনিত সপ্ন নিয়ে আজকের এই সিবিএমসিবি।তার জন্যই আজ আমরা এখানে।
08/06/2020
ডঃ সাখাওয়াত হোসেন (সিবি ৫)কোভিডে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আজ ৮.৩০ মিনিটে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিওন)। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন ছিলেন।
Humans of Cbmcb এর পক্ষ থেকে বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে।
07/06/2019
Dedicated doctors from our campus. We feel proud of our brothers ❤️
#মাত্র_১০০_টাকায়_চিকিৎসা সেবা এবং দরিদ্র রোগীদের #বিনামূল্যে_চিকিৎসা_দানে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে Dr Muhaiminul Kabir Oney, Dr Jahidul Ferdous Joy এবং Dr Abdul Ha-mim পরিচালিত ডাক্তার খানার ময়মনসিংহ শাখা।
সেবাদানে এই ডাক্তারগণের নিঃস্বার্থ অবদান যে কোনো সেবাদানকারীর জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
22/09/2018
https://www.youtube.com/watch?v=r1hTCFUE7aU
গলাবেথা ও টনসিলের সমস্যা II Shustho Thakun Protidin II Dr. K M Reza ul Huq Title : SUSTHO THAKUN Protidin Gola Betha O Tonsil Presenter: Dr. Faiza Rahla Guest: Dr. K.M Reza Ul Huq Producer: Ripon Farazi camera man: Chnnel24 on air t...
"🌙عيد مبــــــــــــــــــــارك🌙
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَر لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ وللَّهِ الحمد🌙⭐
"May this special day bring peace, happiness and prosperity to you and everyone. Eid Mubarak!
""🌙عيد مبــــــــــــــــــــارك🌙
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَر لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ وللَّهِ الحمد🌙⭐
"May this special day bring peace, happiness and prosperity to you and everyone. Eid Mubarak!"
"تقبل الله منا ومنكم صالح الاعمال"
كل عام وأنتم بخير تقبل الله منا ومنكم صالح الاعمال"
كل عام وأنتم بخير
03/06/2017
09/04/2017
We Learn to Serve the People
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Mymensingh