21/08/2015
"২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি
পরীক্ষার সময়সূচী :
ক ইউনিট : ৩০ অক্টোবর, ২০১৫
খ ইউনিট : ০৯ অক্টোবর, ২০১৫
গ ইউনিট : ১৬ অক্টোবর, ২০১৫
ঘ ইউনিট : ০৬ নভেম্বর, ২০১৫
আবেদন করা যাবে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ০৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেবার সুযোগ থাকছে না।
ভর্তির যোগ্যতা :
Ka Unit : GPA 8:00 ( Without Fourth Subject )
KHA Unit : GPA 7:00 ( Without Fourth Subject )
GA Unit : GPA 7:50 ( Without Fourth Subject )
GHA Unit : GPA 7:00 ( Without Fourth Subject )
CHA Unit : GPA 6:50 ( Without Fourth Subject )
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 'ক' ইউনিট পরিক্ষার খুঁটিনাটিঃ
১। পদার্থ, রসায়ন, গনিত, জীববিজ্ঞান এই চারটি বিষয়ের উপর ১২০ মার্কস এর MCQ পরিক্ষা দিতে হবে। সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। অর্থাৎ প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সময় পাওয়া যাবে মাত্র ৪৫ সেকেন্ড।
তবে প্রশ্নগুলো এমনভাবে করা হয় যেন অল্প সময়েই উত্তর করা যায়। তাই প্রশ্নের উত্তরগুলোর আকার অবশ্যই ছোট হবে। ২/৩ স্টেপ এর বড় অংকগুলো পরিক্ষায় আসবেনা।
২। পরিক্ষায় কেলকুলেটর ব্যাবহার করা যাবেনা। তবে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই- এমন প্রশ্ন বা প্রশ্নে এমন ডাটা দেওয়া থাকবে যাতে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন না পরে। তবে যে ক্যালকুলেশন গুলো আমরা সচারচর হাতে করতে অভ্যস্ত নই এমন কিছু ক্যালকুলেশন হাতে করার প্র্যাকটিস করতে হবে ।
৩। মুখস্থ ভিত্তিক কোন প্রশ্ন পরিক্ষায় আসে না। বেসিক কনসেপ্ট/ টপিক থেকেই প্রশ্ন হয়। বেসিক কনসেপ্টগুলো আয়ত্ত করতে পারলে খুব সহজেই পরিক্ষায় উত্তর করা যাবে।
৪।গত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবং এ বছরের সমগ্রিক প্রেক্ষাপটে বলা যায় ১২০ মার্কস এর পরিক্ষায় ৬৫+ পেলে চান্স পাওয়া যাবে এবং ৮৫+ পেলে মেধা তালিকার উপরে দিকে থাকা যাবে এবং যেকোনো বিষয় এ ভর্তি হউয়া যাবে।
৫। পরিক্ষায় ১২০ টি প্রশ্নের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ টি কঠিন প্রশ্ন হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে এই ১০/১৫ টি প্রশ্নের উপর তোমার চান্স পাওয়া বা ভাল সাবজেক্ট পাওয়া নির্ভর করেনা। তাই অযাচিত টপিক পরে সময় নষ্ট করোনা। প্রয়োজনীয় টপিকগুলো বারবার চর্চা কর।
৫। হাজার হাজার প্রশ্ন মুখস্থ করে পরিক্ষায় ভালো করা সম্ভব না। প্রয়োজনীয় টপিকগুলোর কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে পারলে হাজার হাজার প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে।
৬। অযথা, অপ্রয়োজনীয়, মাথা বোঝাইকারি টেকনিক এর পেছনে ছুটলে ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছু হবেনা। শুধুমাত্র এমন টেকনিকগুলো আয়ত্ত করা উচিত যেগুলো পরিক্ষায় প্রয়োগযোগ্য।