29/06/2025
Pazlarchar Agnebeena Juba Sanga
a institute of socile welfare
29/06/2025
রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ১৪১ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৫২০ জনে।
সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন আরও ৯০৩ জন। সব মিলে এ পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ৭৩০ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা রোববার দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।
নাসিমা সুলতানা বলেন, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ, ৫ জন নারী। তাদের ২০ জন হাসপাতালে, ১১ জন বাড়িতে মারা গেছেন এবং ১ জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
তাদের ১৬ জন ঢাকা বিভাগের, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২ জন সিলেট বিভাগের, ১ জন বরিশাল বিভাগের, ১ জন রংপুর বিভাগের, ১ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
মৃত এই ৩২ জনের মধ্যে ৩ জনের বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি। এছাড়া ২ জনের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে, ৯ জনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, ১০ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৬ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।
বুলেটিনে জানানো হয়, সারা দেশে ৬০ টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৫০৫ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ, মৃতের হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে আনা হয়েছে ৭১২ জনকে। বর্তমানে সারা দেশে আইসোলেশনে রয়েছেন ৯ হাজার ৭৫৮ জন রোগী।
04/06/2020
এশিয়ায় করোনা ভাইরাস
ত্রিশাল উপজেলার পটভূমি
ত্রিশাল থানা সৃষ্টি হয় ১৯০৯ সালে। ১৯৮৩ সালে ত্রিশাল থানাকে ১২টি ইউনিয়ন ও ৯১টি মৌজা নিয়ে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। আভিধানিকভাবে ত্রিশাল শদের অর্থ তিন শালের সমাহার।ত্রিশাল নামের ইতিহাস সম্পর্কে বেশ কিছু কথা প্রচলিত রয়েছে। জানা যায় যে, এখানে এক সময় কোণ ত্রিশুলধারী ব্যাক্তি এসেছিলেন। আবার অনেকে বলেন এ অঞ্ছলে তিনটি বড় শাল গাছ ছিল যা থেকে এ অঞ্চলের নাম হয় ত্রিশাল। এ তথ্য দুটির কোনটি-ই যুক্তি গ্রাহ্য নয়। যে তথ্যটি সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য তা হচ্ছে এ অঞ্চলে প্রথম যখন মানব বসতি শুরু হয় তখন এখানে নদী নালা, খাল-বিল, হাওরের সংখ্যা ছিল অনেক। পুরো অঞ্চল জুড়ে ছিল গহীন অরণ্য। হিংস্র জীবজন্তু হতে রক্ষার জন্য জনগণ তাদের বাড়ীর দিকে উঁচু প্রাচীর তুলে দিত।আর এ উঁচু দেয়ালকে বলা হত আল। তখন বাড়ীকেও আল বলা হত।ত্রিশালে অনেক বড় বড় আল বা বাড়ী গড়ে উঠেছিল। কোন মানব দল এ অঞ্চলে বাস করতে আসলে তাদের ত্রিশ আল বা বাড়ীর যে কোন একটি বাড়ীর অন্তর্ভুক্ত হতে হত। ত্রিশ আল থেকেই বর্তমানে ত্রিশাল নামের উতপত্তি হয়েছে। আল সম্পর্কে প্রখ্যাত ঐতিহাসিল আবুল ফজল বলেছেন প্রাচীন কালে এ দেশের রাজারা ১০ গজ উঁচু ও ২০ গজ চওড়া প্রকান্ড আল বা বাঁধ নির্মাণ করতেন। ত্রিশাল শব্দটির আভিধানিক অর্থ বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় ত্রি অর্থ তিন এবং শাল অর্থ গৃহ। আভিধানিক অর্থের পাশাপাশি এ অঞ্চলের নামের উৎপত্তি সপর্কে যে সব মত প্রচলিত আছে তার মধ্যে এটি-ই সবচেয়ে বেশী গ্রহণযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয়।
ছবি
পাজলারচর অগ্নিবীণা যুব সংঘ দ্বারা সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি,,,,,,,,,,,,,
কারো রক্তের প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন #০১৭৬২৭৫৬৭৫৫ #০১৭৫২৯৭৪৩০৯ #০১৭৮১৭১০৪৯০ #০১৭২৪৩২৪১৭১ #০১৬৮৪১১৩৮৪৪
ঐতিহাসিক আসহাবে কাহাফ এর ঘটনা ও
তার শিক্ষা
সূরা কাহফের ৯ থেকে ২৬ নং আয়াতে আল্লাহ
তায়ালা এ ঘটনা আলোচনা করেছেন।
(তাওহীদের আলোয় পথ খুঁজে পাওয়া একদল
যুবকের বিষ্ময়কর কাহিনী)
ভূমিকা:
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ তায়ালা যে সমস্ত ঘটনা
উল্লেখ করেছেন, তার প্রত্যেকটি ঘটনাতেই
আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে।
কিন্তু আমাদের অনেকেই সেই ঘটনাগুলো
এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যাতে শিক্ষণীয়
বস্তুগুলো সুস্পষ্ট হয়ে উঠে না। বক্তাগণ এ
সমস্ত ঘটনা বলে শ্রোতাদেরকে কখনও হাসান
আবার কখনও কাঁদান ঠিকই, কিন্তু যেই উদ্দেশ্যে
মহান আল্লাহ্ ঘটনাগুলো উল্লেখ করেছেন,
সেই সুমহান উদ্দেশ্যগুলো অনেক ক্ষেত্রে
অস্পষ্টই থেকে যায়। কুরআনে বর্ণিত আসহাফে
কাহাফ বা গুহাবাসীর আশ্চর্যজনক ঘটনাও কুরআনের
শিক্ষণীয় ঘটনাসমূহের অন্যতম একটি ঘটনা। আসুন
আমরা তাফসীরে ইবনে কাছীর ও কাসাসুল
কুরআনের আলোকে এই শিক্ষণীয় ঘটনা এবং
তার শিক্ষণীয় বিষয়গুলো জেনে নেই।
ঘটনা:
সেই যুগে কোন এক ঈদের দিন জনগণ মূর্তি
পূজার অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে বের হল। এতে
তারা তাদের মূর্তিগুলোর নৈকট্য লাভের জন্য পশু
যবাই বা অন্যান্য যা যা করার তাই করবে। কিন্তু তাদের
সম্ভ্রান্ত ও সম্মানিত বংশের একজন যুবক মূর্তি
পূজার এই মহড়া কোন ক্রমেই মেনে নিতে
পারছিলেন না। তারা যে সমস্ত কল্পিত মাবুদের
উপাসনা করছিল, তা দেখে তিনি বিবেকের কাছে
থমকে দাঁড়ালেন। সন্দেহ তাঁর মনে ঘুরপাক
খাচ্ছিল। তাঁর চিন্তা ও চেতনায় এক নতুন গতির সঞ্চার
হল। তিনি জন সমাবেশ ত্যাগ করে চুপ করে বের
হয়ে গেলেন। একটি গাছের নীচে গিয়ে
পেরেশান হয়ে বসে রইলেন।
কিছুক্ষণ পর তার মতই আরেকজন যুবক এসে তার
সাথে বসে পড়লেন। তার মনেও একই সন্দেহ।
এক এক করে সাতজন যুবক এসে একত্রিত
হলেন। সকলের মনে প্রশ্ন একটাই। নিজ হাতে
গড়া কাঠের ও পাথরের মূর্তি কি করে আমাদের
মাবুদ হতে পারে? কল্যাণ-অকল্যাণের ক্ষমতাই বা
কোথায় পেল তারা? যিনি এই সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি
করেছেন, এই আকাশ-বাতাস তৈরী করেছেন,
যিনি আমাদের জীবন ও মরণের একমাত্র মালিক,
তাঁকে বাদ দিয়ে এগুলোর এবাদত কি করে সম্ভব?
এই সাতজনের মধ্যে কোন প্রকার রক্তের
সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই
ঈমানের বন্ধনে তাদের একজন অন্যজনের
সাথে আটকে গেলেন। তারা সকলেই এক
বাক্যে পরস্পরের নিকট জাতির লোকদের মূর্তি
পূজা ও শির্কের প্রতি মনের সন্দেহের কথা
প্রকাশ করলেন। অতঃপর তারা মহা বিশ্বের মাঝে
তাদের প্রখর দৃষ্টি ঘুরালেন।
লোক লোকান্তরঃ ময়মনসিংহ জেলা
বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ময়মনসিংহ বিভাগের
একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এই জেলার আকার সময়
সময় পরিবর্তিত হয়েছে। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে
ময়মনসিংহে জেলা থেকে টাঙ্গাইল মহুকুমাকে
পৃথক করে একটি জেলা উন্নীত করা হয়।
১৯৮০-এর দশকে আদি ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন
মহুকুমা যথা জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও
নেত্রকোণাকে পৃথক পৃথক জেলায় উন্নীত
করা হয়। এছাড়া জামালপুরের অন্তর্গত
শেরপুরকেও একটি পৃথক জেলায় উন্নীত করা
হয়। এর আগে ব্রিটিশ আমলে ময়মনসিংহ জেলার
কিছু কিছু অংশ সিলেট, ঢাকা, রংপুর ও পাবনা জেলার
অঙ্গীভূত করা হয়েছিল। এই ভাবে ময়মনসিংহ
জেলা যা কিনা ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত
ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ জেলা ছিল তার আকার
ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে আসে।
ময়মনসিংহ জেলা মৈমনসিংহ গীতিকা, মহুয়া, মলুয়া,
দেওয়ানা মদীনা, চন্দ্রাবতী, কবিকঙ্ক,
দীনেশচন্দ্র সেন, মুক্তাগাছার মন্ডার জন্য
বিখ্যাত।
ভৌগোলিক সীমানা
ময়মনসিংহ জেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয়
রাজ্য, দক্ষিণে গাজীপুর জেলা, পূর্বে
নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলা এবং
পশ্চিমে শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইল জেলা
অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
ময়মনসিংহ জেলা ১৩টি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত;
এগুলো হলঃ
ঈশ্বরগঞ্জ
গফরগাঁও
গৌরীপুর
তারাকান্দা
ত্রিশাল
ধোবাউড়া
নান্দাইল
ফুলপুর
ফুলবাড়িয়া
ভালুকা
ময়মনসিংহ সদর
মুক্তাগাছাএবং
হালুয়াঘাট
নামকরণ
মোগল আমলে মোমেনশাহ নামে একজন
সাধক ছিলেন, তার নামেই মধ্যযুগে অঞ্চলটির নাম
হয় মোমেনশাহী। ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার
স্বাধীন সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
তার পুত্র সৈয়দ নাসির উদ্দিন নসরত শাহ’র জন্য এ
অঞ্চলে একটি নতুন রাজ্য গঠন করেছিলেন,
সেই থেকেই নসরতশাহী বা নাসিরাবাদ নামের
সৃষ্টি। নাসিরাবাদ নাম পরিবর্তন হয়ে ময়মনসিংহ হয়
একটি ভুলের কারণে। বিশ টিন কেরোসিন বুক
করা হয়েছিল বর্জনলাল এন্ড কোম্পানীর পক্ষ
থেকে নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এই মাল চলে
যায় রাজপুতনার নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এ নিয়ে
অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
পরবর্তীতে আরো কিছু বিভ্রান্তি ঘটায়
রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে
ময়মনসিংহ রাখা হয়। সেই থেকে নাসিরাবাদের
পরিবর্তে ময়মনসিংহ ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ইতিহাস
ময়মনসিংহ বাংলাদেশের একটি পুরোনো জেলা।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে রাজস্ব আদায়,
প্রশাসনিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিশেষ করে স্থানীয়
বিদ্রোহ দমনের জন্য এই জেলা গঠন করা হয়।
১৭৮৭ সালের ১ মে তারিখে এই জেলা প্রতিষ্ঠিত
হয়। শুরুতে এখনকার বেগুনবাড়ির
কোম্পানিকুঠিতে জেলার কাজ শুরু হয় তবে
পরবর্তী সময়ে সেহড়া মৌজায় ১৭৯১ সালে তা
স্থানান্তরিত হয়। আদি ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্থান
একে একে সিলেট, ঢাকা, রংপুর ও পাবনা জেলার
অংশ হয়ে পড়ে। ১৮৪৫ সালে জামালপুর, ১৮৬০
সালে কিশোরগঞ্জ, ১৮৬৯ সালে টাঙ্গাইল ও
১৮৮২ সালে নেত্রকোনা মহকুমা গঠন করা হয়।
পরে সবকটি মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়।
ময়মনসিংহ শহর হয় ১৮১১ সালে। শহরের জন্য
জায়গা দেন মুক্তাগাছার জমিদার রঘুনন্দন আচার্য।
১৮৮৪ সালে রাস্তায় প্রথম কেরোসিনের বাতি
জ্বালানো হয়। ১৮৮৬ সালে ঢাকা-ময়মনসিংহ
রেলপথ ও ১৮৮৭ সালে জেলা বোর্ড গঠন করা
হয়।
নদীসমূহ
ময়মনসিংহ জেলায় অনেকগুলো নদী আছে।
সেগুলো হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী,
কাঁচামাটিয়া নদী, মঘা নদী, সোয়াই নদী, বানার
নদী, বাইলান নদী, দইনা নদী, পাগারিয়া নদী,
সুতিয়া নদী, কাওরাইদ নদী, সুরিয়া নদী, মগড়া
নদী, বাথাইল নদী, নরসুন্দা নদী, নিতাই নদী,
কংস নদী, খাড়িয়া নদী, দেয়ার নদী, ভোগাই
নদী, বান্দসা নদী, মালিজি নদী, ধলাই নদী,
কাকুড়িয়া নদী, দেওর নদী, বাজান নদী,
নাগেশ্বরী নদী, আখিলা নদী, মিয়াবুয়া নদী,
কাতামদারী নদী, সিরখালি নদী, খিরু নদী, বাজুয়া
নদী, লালতি নদী, চোরখাই নদী, বাড়েরা
নদী, হিংরাজানি নদী, আয়মন নদী, দেওরা
নদী, থাডোকুড়া নদী, মেদুয়ারি নদী, জলগভা
নদী, মাহারী নদী।
শিক্ষা
এখানে ২টি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
বিশ্ববিদ্যালয়), ২টি মেডিক্যাল কলেজ (ময়মনসিংহ
মেডিকেল কলেজ ও কম্যুনিটি বেজড
মেডিক্যাল কলেজ), ১টি প্রকৌশল কলেজ
(ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ), ১টি ক্যাডেট
কলেজ (ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ), ১টি
শারীরিক শিক্ষা কলেজ(ময়মনসিংহ সরকারী
শারীরিক শিক্ষা কলেজ ) ছাড়াও আরো অসংখ্য
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া
08/03/2017
জেনে রাখুন, কারণ এগুলোই পরীক্ষায় প্রায়ই
আসে------
-
১/ ‘নীল দর্পন’ নাটকের রচয়িতা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র।
২/ ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাব্যটির রচয়িতা
কে?
উঃ জসিম উদ্দিন।
৩/ ‘চাচা কাহিনী’ গ্রন্থের রচিয়তা কে?
উঃ সৈয়দ মুজতবা আলী।
৪/ ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কবি কে?
উঃ কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
৫/ ‘জমিদার দর্পন’ নাটক রচনা করেছেন কে?
উঃ মীর মোশারফ হোসেন।
৬/ ‘জিব্রাইলের ডানা’র গল্পকার কে?
উঃ শাহেদ আলী।
৭/ ‘আরেক ফাল্গুন’, হাজার বছর ধরে’,‘বরফ
গলা
নদী’ এগুলো কার রচিত উপন্যাস?
উঃ জহির রায়হান।
৮/ ‘তোতা ইতিহাস’ গ্রন্থটি কোন ভাষা
থেকে
অনূদিত?
উঃ ফারসি।
৯/ ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসের
রচিয়তা
কে?
উঃ ডঃ আলাউদ্দিন আল-আজাদ।
১০/ ‘নরুল দীনের সারাজীবন’ নাটকের
রচয়িতা
কে?
উঃ সৈয়দ শাসসূল হক।
১১/ ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকের
রচয়িতা কে?
উঃ সৈয়দ শামসুল হক।
১২/ ‘খেলা রাম খেলে যারে’ কার রচনা?
উঃ সৈয়দ শামসুল হক।
১৩/ ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের
রচয়িতা
কে?
উঃ অদ্বৈত মল্লবর্মণ।
১৪/ ‘তারাবাঈ’ নাটকটির রচিয়তা কে?
উঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
১৫/ ‘দেওয়ানা মদিনা’ পালার রচয়িতা কে?
উঃ মনসুর বয়াতী।
please বেশি বেশি লাইক কমেন্ট শেয়ার করে পেজটাকে সচল রাখতে সহায়তা করুন পেজটার অবস্থা খুবই খারাপ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Dhanikhula-pazlarchar Road
Mymensingh