17/12/2022
Off Topic.
Job Opportunity.
To Ensure a glorious carrier. National University Affiliatef
Directed by: Advanced Foundation Bangladesh (AFB)
17/12/2022
Off Topic.
Job Opportunity.
01/10/2019
#ভর্তি_বিজ্ঞপ্তি
২০১৯ - ২০২০ শিক্ষাবর্ষ
=================
২০১৫/২০১৬/২০১৭ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০১৭/২০১৮/২০১৯ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তি চলছে। ভর্তির শেষ তারিখঃ ০৯ অক্টোবর, ২০১৯।
27/08/2019
অফ টপিক
ময়মনসিংহ টাউন হল মোড়(শহিদ মিনার মাঠে) শুরু হয়েছে ১৫ দিন ব্যাপি ফলদ ও বৃক্ষ মেলা
আজ তার ১০ম দিন
আর ৫ দিন পর শেষ হবে
17/06/2019
C B S T........
BBA 14th Batch
6 th Semester
Probable Questions on International Business.
17/06/2019
অফ টপিক
সবচেয়ে বেশি বায়ু দূষণ সাভারে, কম কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে
মেগাসিটি রাজধানী ঢাকা শহরের চেয়ে সাভারের বায়ু বেশি দূষিত। ঢাকা শহরে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (বায়ুমান মানমাত্রা) ১১৫ হলেও সাভারে এর পরিমাণ ১৩৫। ঢাকার চেয়ে আরও বেশি বায়ু দূষণকারী শহর রংপুর। এ শহরে বায়ুমান মানমাত্রা ১২৮।
শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও গত শনিবার (১৫ জুন) পরিবেশ অধিদফতরের বায়ুমান মানমাত্রা মনিটরিং স্টেশন সূত্রে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড, লেড, নাইট্রোজেন অক্সাইড ও প্রলম্বিত বস্তু কণার কারণে বায়ুদূষিত হয়।
পরিবেশ অধিদফতরে তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন শহরের মধ্যে বায়ুমান মানমাত্রা চট্টগ্রামে ৩৫, গাজীপুর ৮৩, নারায়নগঞ্জ ৮৫, সিলেট ৩৯, বরিশাল ৩৯, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা ২৭। দূষক প্যারামিটার পিএম ২ দশমিক ৫ ধরে এ হিসাব করা হয়।
পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহাম্মদ জানান, নিয়মিত বায়ুমান মনিটরিংয়ের জন্য রাজধানীসহ সারাদেশে তাদের ১৬টি স্টেশন চালু রয়েছে। তার মধ্যে ঢাকায় ৪টি (ফার্মগেট, সংসদ ভবন, দারুস সালাম ও সাভার), চট্টগ্রামে ২টি; খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও নরসিংদীতে ১টি করে সার্বক্ষণিক বায়ু মনিটরিং স্টেশন রয়েছে।
স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ বিবেচনায় বায়ুমান মানমাত্রার পরিমান শূন্য থেকে ৫০ হলে ভালো, ৫১ থেকে ১০০ হলে মধ্যম, ১০১ থেকে ১৫০ হলে সাবধানতা/সতর্কীকরণ, ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুব অস্বাস্থ্যকর ও ৩০১ থেকে ৫০০ পর্যন্ত অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়।
বায়ুমানের হিসাবে রাজধানী ঢাকা, সাভার এবং রংপুর শহরে স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের স্থান সাবধানতা/ সতর্কীকরণ লেবেলে রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ মধ্যম। স্বাস্থ্য উদ্বেগ সবচেয়ে কম কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ। এ ছাড়া স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ কমের শহরের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, বায়ুদুষণের ফলে মানুষের শ্বাসযন্ত্র, হৃদরোগ, ক্যানসার ও ডায়াবেটিস বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ছাড়া বাযুদূষণ মাতৃগর্ভে ভ্রূণের ক্ষতিসাধনসহ শিশুর বুদ্ধিমত্তা বিকাশ ব্যাহত করে।
সোর্স: http://www.kaleralo.com/archives/32748
সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ময়মনসিংহ বাস্তবায়নে সবাই এগিয়ে আসবে এটাই প্রত্যাশা।
সবচেয়ে বেশি বায়ু দূষণ সাভারে, কম কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে | Kaler Alo নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো: মেগাসিটি রাজধানী ঢাকা শহরের চেয়ে সাভারের বায়ু বেশি দূষিত। ঢাকা শহরে এয়ার কোয়ালিটি ই.....
ইন্টার্নশিপ থেকে জব না হওয়ার প্রধান কারণ হল এমন প্রতিষ্ঠান কে বেছে নেয়া যেসব প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ থেকে জবে রিক্রুট করেনা। যেমন ধরুন সরকারি ব্যাংক এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান । সরকারি ব্যাংকে কখনোই আপনাকে ইন্টার্নশিপ থেকে জবে নিবেনা। প্রাইভেট ব্যাংকেও তেমন নেয় না ১০%-২০% সম্ভাবনা থাকে। প্রাইভেট ব্যাংকে আপনাকে তখন নিবে যখন নতুন কোনো ব্রাঞ্চ যদি ওপেন হয় তখন যদি আপনাকে টার্গেট দিয়ে ফিল্ডে গিয়ে বেশী বেশী একাউন্ট এনে দিতে পারেন এবং আপনার ব্যাংকের ম্যানেজার যদি VP/SAVP পদমর্যাদার হন তখন যদি তাকে খুশী করতে পারেন তখন আপনার জন্য জবের জন্য সুপারিশ করতে পারেন। আমি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে এভাবেই জবের অফার পেয়েছিলাম তবে অনেক খাটুনি আছে(আমি প্রায় ১২লাখ টাকা ডিপোজিট করে দিতে পেরেছিলাম বিভিন্ন ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে একাউন্ট ওপেন করে দেয়ার মাধ্যমে) । আমি ইন্টার্নশিপ করার আগে আমার পরিচিত এক বড় ভাই শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ডিপোজিট করে দিতে পেরেছিলেন প্রায় ৫,০০০ একাউন্ট ওপেন করার মাদ্ধমে। এর অন্যতম কারণ ছিল ব্যাংকটি ছিল Export processing zone(ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায়) এবং চট্টগ্রাম ইপিজেডে প্রথম ইসলামী ব্যাংকের শাখা ছিল শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের এর প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যাংক ছিল না এবং সব ছিল কারেন্ট একাউন্ট(ব্যবসায়ীক একাউন্ট)।
বিঃদ্রঃ এখানে টাকাটা ফ্যাক্ট না এখানে একাউন্ট টাই আসল বিশেষ করে কারেন্ট একাউন্ট ।
এখন আসি Multinational /International ব্যাংক সম্পর্কে। HSBC, CITI bank(American), standard Chartered Bank ইত্যাদি ব্যাংকে যদি ইন্টার্নশিপ করতে পারেন এবং ভালো পারফর্মেন্স দেখাতে পারেন তাহলে জবের অফার পাবেন।
আরও একটি কারণ হল অধিকাংশ ছেলেমেয়ে অলস ইন্টার্নশিপে কাজ করতে চায় না এবং কপি পেস্ট সহজে রিপোর্ট রেডি করার জন্য ব্যাংকে GB সেকশনে কাজ করতে চায়।
তাহলে কথা হল যারা ইন্টার্নশিপ থেকে জব পেতে চায় তারা কোথায় ইন্টার্নশিপ করবে?
উত্তর হল বিদেশি প্রতিষ্ঠান এবং নামকরা দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। বিবিএ এমবিএ এর স্টুডেন্ট দের জন্য BSRM,KSRM, Hatil,Otobi,স্কয়ার গ্রুপ,প্রান গ্রুপ,যমুনা গ্রুপ, ইত্যাদি এরকম অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখান থেকে বেশীর ভাগ ছেলেমেয়ে ইন্টার্নশিপ থেকে চাকুরী পায়। আর বিদেশি নামকরা প্রতিষ্ঠান গুলো তে একবার ইন্টার্নশিপ করতে পারলে এবং সিভি জমা দিয়ে রাখলে জব এর জন্য ডাকা হয়। কারণ বিদেশী রা কাজের মূল্যায়ন করে। GSk,Unilever, Rekit বেনক্যার,COATS ইত্যাদি এরকম অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এবং এছাড়া আপনার যদি পরিচিত কেউ থাকে EPZ এবং কমার্শিয়াল জোনে যেমন সাভার,গাজিপুর,নারায়নগঞ্জ,চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্নফুলি ইপিজেড, কোরিয়ান ইপিজেড, বন্দরেে অসংখ্য বিদেশি কোম্পানি, গার্মেন্টস,বায়িং হাউজ এসবে যদি ইন্টার্শিপ করতে পারেন তাহলে উনারা আপনাকে রেখে দিবে অথবা ইন্টার্নশিপের পর সিভি দিয়ে রাখলে জব হয় অথবা জব রিক্রুটে আপনাকে অগ্রাধিকার দিবে ।
এছাড়া যারা সমাজবিজ্ঞান, সমাজত্বত্ত, anthropology, সাইকোলজি অর্থাৎ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী এবং নার্স, Medical Assistant(MATS) কোর্সের শিক্ষার্থী তাদের জন্য save the children, UNDP,UNHCR, জাতিসংঘ ভুক্ত অংগসংগঠন এবং বিদেশী মানবাধিকার,পরিবেশবাদী, NGO সংগঠন গুলোতে বিডিজবসের মাদ্ধমে ইন্টার্নশিপের জন্য নেয়া হয় এদের চাহিদা অনেক বেশি এবং ইন্টার্নশিপ শেষে জবের জন্য যেকোনো সময় ডাকা হয় । মাসিক ২০,০০০ টাকা থেকে ৪৫,০০০ টাকা ভাতা পাওয়া যায়। আমি এপ্লাই করেছিলাম বিবিএ এর পরে এক্সট্রা ইন্টার্নশিপ করার জন্য দিন প্রতি ১,০০০ টাকা এবং বিদেশী দের সাথে দোভাষী হিসেবে থাকার জন্য বাট উনারা TALLY কোর্স চেয়েছিলেন যেটি আমার তখন ছিল না।
ভালো থাকবেন সবাই।
11/06/2019
11/06/2019
২০১৯ সালের বিবিএ অনার্স (প্রফেশনাল) ১ম বর্ষ ১ম সেমিস্টার পরীক্ষার ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
( বাস্তবতা যারা মেনে নিতে পারেন না পোস্ট টা তাদের জন্য না!! )
BBA / MBA করা অসংখ্য স্টুডেন্ট Internships কে গুরুত্ব দেয় না।
Internship থেকে জব হয় এটা কেউ বিশ্বাস করেনা ।
আমি বিশ্বাস করেছিলাম এবং সেটার প্রতিদান আমি পেয়েছি নিজের যোগ্যতা প্রমানের মাধ্যমে ।
NU থেকে Professional BBA তে তখন ৮ম সেমিস্টারে বন্ধুরা সবাই মামা/খালু/কাকা/ ভাই/ বোন অর্থাৎ লবিং যাদের ছিল সবাই ইন্টার্নশিপ অনেক আগেই পেয়ে গেছে । প্রতিদিন Facebook এ পিক আপলোড দেয় , ম্যাসেজ করে জানায় । বাট ওইসময়ে আমার কেউ ছিল না , গ্রাম থেকে এসে শহরে পড়ালেখা করছি শহরে কেউ ছিল না আপন কেউ ।
একজন আত্মীয়(সম্পর্কে আমার মামা হতেন) কে ম্যানেজ করেছিলাম উনি অগ্রণী ব্যাংকে ক্যাশিয়ার পদে জব করতেন । আমাকে একদিন উনার ব্যাংকে ডেকে বললেন দেখ বাবা তুমি NU তে পড় আর আমাদের এখানে NU এর স্টুডেন্ট দের ইন্টার্নশিপ দেইনা আমার নিজের ও তো ১ টা প্রেস্টিজ আছে ম্যানেজার কে কি বলবো । আমাদের কলিগের অনেকের আত্মীয় স্বজন পাবলিকে পড়ে ওরা এটা নিয়ে হাসাহাসি করবে তোমাকে অনেক প্যারা দিবে । আসলেও তাই আমার পরিচয় জানতে পেরে ওইখানেই কয়েকজন হাসাহাসি করছিল । আমি বিষয় টা পজিটিভলি নিয়েছিলাম তাই বাড়িতে আম্মু কে ফোনে মিথ্যা কথা বললাম "আম্মু আসলে মামা যেখানে জব করেন ওইখানে অলরেডি ৭ জন ইন্টার্নশিপ করছে এখন আর পসিবল না । "
আমার বাবা সরকারী চাকুরী করতেন উনি বললেন তুমি বাড়িতে এসে ইন্টার্নশিপ করো বাট আমার বাড়ি থেকে এসে
বার বার ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট কারকশন করা পসিবল না ।
তখন ছিল রমজান মাস বর্ষার প্রারম্ভ বলা যায় । পুরো রমজান মাসে প্রায় অনেক গুলো ব্যাংকে সিভি দিয়েছিলাম । NRB ব্যাংক আমাকে ২ মাস বিভিন্ন ভাবে ঘুরিয়ে সেটা Chittagong আগ্রাবাদ ব্রাঞ্চে পাঠালো সেখানে একজন বাবার বয়সী ম্যানেজার আমাকে ৩০ মিনিট সবার সামনে ব্যাঙ্গ করে কথা বলছিলেন !!!! কেন জানেন ? উনি নাকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট দের পছন্দ করেন না ব্যস। সেখানেও হল না ।
আমি আমার লাইফে সবচেয়ে কঠিন অবস্থা পার করছিলাম তখন । বন্ধুদের অনেকের ইন্টার্নশিপ শেষ পর্যায়ে , আবার কেউ ১০-১২ দিন গিয়ে সার্টিফিকেট পেয়ে গেছে । আর আমি শুধু ছুটছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাস্ট ১ টা ইন্টার্নশিপের আশায় । অনেক সময় এত টাই ভেঙ্গে পড়েছিলাম যে কান্না করতাম ইভেন এখন যে পোস্ট টা লিখেছি অলরেডি চোখের কোনে পানি জমে আছে ।
অনেক কষ্টে ১ টা ইন্টার্নশিপ করার আশ্বাস পেলাম চট্টগ্রামের বন্দর টিলায় (কর্ণফুলী ইপিজেড এর কাছে) আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাঙ্কে । শাখাটি মাত্র একসপ্তাহ হল উদ্ধোধন হয়েছে ভিতরে তখনো কাজ চলছিল একজন দারোয়ান বললেন আপনি আগামিকাল আসেন ওইদিন আমাদের ম্যানেজার স্যার(SAVP) থাকবেন উনি অনেক ভাল মানুষ আশাকরি আপনাকে নিরাশ করবে না । যথারীতি আমি পরের দিন ফরমাল গেটাপ নিয়ে সিভি সাথে করে নিয়ে উপস্থিত হলাম । পরিচয় জানতে চাইলে আমি ধীরে সুস্থে আমি আমার পরিচয় বললাম কিছুক্ষন পর আমাকে উনি বসতে বললেন । তারপর প্রায় ৩০ মিনিট ঢরে আমার ১ টা ভাইভা নিলেন এটা ওটা জিজ্ঞেস করে নাভিশ্বাস তুলে ফেললেন ফাইনান্স ও ব্যাংকিং, মার্কেটিং থেকে অনেক প্রশ্ন করলেন ৭৫% উত্তর দিতে পেরেছিলাম । তারপর একসময় বললেন আমাদের ব্যাংকে তোমাকে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দিতে পারি এক শর্তে আমাকে প্রতিদিন ১০ টা করে ব্যাংক একাউন্ট এনে দিতে হবে ব্যাংকে কাজের পাশাপাশি । আমি রাজি হয়ে গেলাম । তারপরের ৩ দিন আমাকে কিভাবে কি করতে হবে ১ ঘণ্টা করে বিভিন্ন কিছু শেখালেন উনাদের ইসলামী ব্যাংকিং এর নিয়ম কানুন , প্রোডাক্ট সম্পর্কে শেখালেন, বই দিলেন ফটোকপি করে সেগুলো যাতে শিখে আসি তারপর স্যার যেদিন ফ্রি থাকবেন আমাকে ডেকে পড়া কি শিখছি সেটা নিয়ে প্রশ্ন করতেন ।
১ম ২ সপ্তাহ আমি স্যার দের সাথে যেতাম বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে , বাজারে , দোকানে ৩ য় সপ্তাহ থেকে স্যার বললেন এবার তোমার পালা তুমি প্রতিদিন অন্তত ১ টা করে কারেন্ট একাউন্ট এনে দিবে সাথে চারটা করে ডিপিএস ২ টা করে সেভিংস একাউন্ট ।
আমার বাসা ছিল হালিশহর সেখান থেকে বন্দর টিলা যেতে জ্যাম না থাকলে ৪৫-৫০ মিনিট আর জ্যাম থাকলে দেড় ঘণ্টা লাগত । আর ব্যাংক থেকে ছুটি পেতাম পাঁচ টা বাজে রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল ইপিজেড এরিয়া হওয়ার কারণে। ব্যাংক থেকে ছুটি নিয়ে গাড়ি পেতে লাগত ১ ঘণ্টা সময় লাগতো বাসায় পৌঁছতাম রাত ৮ টায় ।
ব্যাংকে আমি যদি জাস্ট ৫ মিনিট লেট করতাম স্যার আমাকে বকা দিতেন অথচ আরও ৬ জন ইন্টার্ন ছিল ওরা কেউ আসতো ১১ টায় কেউ ১২ টায় আবার কেউ সপ্তাহে ১-২ দিন আসতো(কারন ওরা লবিং দিয়ে এসেছিল তাই ) ।
যাইহোক আমি প্রতিদিন চেষ্টা করতাম ৩০ মিনিট আগে গিয়ে উপস্থিত থাকতাম তারপর একঘণ্টা জিবি সেকশনে কাজ করে ১১ টায় বের হতাম একাউন্ট খুঁজতে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছিল , দুপুরে এসে স্যার কে দেখাতে হত কয়টা একাউন্ট পেয়েছি । কারেন্ট একাউন্ট না পেলে স্যার মুখ গোমরা করে থাকতেন । তারপর যোহরের নামাজ পড়ে লাঞ্চ করে ১ ঘণ্টা আবারো জিবি সেকশনে তারপর অপারেশন ম্যানেজার আমাকে পরবর্তী দিন কি করতে হবে,কম্পিউটারে আবাবিল সফটওয়্যারে কাজ শেখাতেন ।
আমার হার্ড ওয়ার্ক ও বিশ্বস্ততা দেখে আমাকে ইনভেস্টমেন্ট ও ক্যাশে বসতে বলতেন যাতে আমি কিছু কাজ শিখতে পারি । বাট ক্যাশে কোন কাজ করিনি জাস্ট শিখতাম কারন ওইটা সেন্সিটিভ এরিয়া ছিল (আমি তখন সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে আরালে বসে বই নিয়ে পড়তাম কারন তখন আমার এক্সাম চলছিল । স্যার যদি
সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখতেন আমি বসে আছি তখন পিওন দিয়ে নয়ত ফোন দিয়ে রুমে ডাকতেন অনেক কিছু শেখাতেন )।
যাইহোক একসময় সবার প্রিয় হয়ে উঠলাম অপারেশন ম্যানেজার আমাকে বদলি হওয়ার সময় গিফট দিলেন । ইন্টার্নশিপের সার্টিফিকেট পাওয়ার ৩ দিন আগে এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে ৩ টা ডিপিএসে প্রতিমাসে ২ লাখ করে ৬ লাখ টাকা একাউন্ট করালাম । উনি বললেন আপনার ব্যবহার আমার ভালো লেগেছে তাই আমি একাউন্ট করলাম । এভাবে ব্যাংকে ১২ লাখ টাকার ডিপোজিট করেছিলাম । স্যার অনেক খুশি ছিলেন বাট বিনিময়ে পেয়েছিলাম শুধু সার্টিফিকেট । স্যার আমাকে বিগত ৩ মাসের সকল কাজের পারফর্মেন্স এপ্রাইজাল এবং উপস্থিতি সহ নিয়ে আমেরিকান ফরম্যাটে অরিজিনাল সার্টিফিকেট দিলেন । বললেন যদি কখনো বিদেশে যাও চাকুরী করতে অথবা দেশে চাকুরী করলে এই সার্টিফিকেট দেখালে তোমার জব হওয়ার জন্য অনেক হেল্প করবে ।
এরপর বিবিএ(ফাইনান্স) রেজাল্ট দিল ফার্স্ট ক্লাস পেলাম। স্যার এর সাথে একদিন দেখা করলাম উনি তখন ও আর নিজাম ব্রাঞ্চের ম্যানেজার । এরমদ্ধে আমি DU/CU/IBA তে MBA এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম । ভর্তি পরীক্ষা দিলাম এর মধ্যে আমার রেজাল্ট ও এর মধ্যে হয়ে গেল মেরিট লিস্টে ১৩ নাম্বার পজিশনে ছিলাম MBA তে ভর্তি হলাম । এর মধ্যে ম্যানেজার স্যার আমাকে বললেন রাঙ্গামাটি তে ১ টা ব্রাঞ্চ ওপেন হবে আমাদের তুমি কি জব করবে ? আমিতো খুশিতে কি বলবো কান্না করে দিলাম এরপড় বাকিটা ইতিহাস ...!!!
একটা কথা মাথায় রাখবেন বন্ধুদের উল্টা পাল্টা কথায় কান না দিয়ে পরিশ্রম করে যান লেগে থাকুন, তাৎক্ষনিক পুরস্কারের আশা করবেন না, নম্র থাকুন , আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন আপনি সফল হবেন ।
আমার ফ্রেন্ড(বিবাহিত এক বাচ্চার মা) ও ইন্টার্নশিপ থেকে EPZ এ Shenzhen চাইনিজ কোম্পানি তে এখন planning manager পদে চাকুরী করছে ২৫,০০০ টাকা সেলারি আগামি ৩ মাস পর চাইনা অথবা নাইজেরিয়া তে স্পেশাল ট্রেনিং এর জন্য পাঠাবে তাই I IELTS করতে বলেছে এবং পাসপোর্ট রেডী করতে বলেছে ।
আমার আরেক ফ্রেন্ড সেও বিবাহিত এক বাচ্চার মা Corvo company তে ইন্টার্নশিপ থেকে জব পেয়েছে ।
আমার স্কুল বেলার ফ্রেন্ড BSRM এ ইন্টার্নশিপ থেকে জব পেয়ে এখন চায়না তে ট্রেনিং করছে ।
আমার স্যার এর বড় ভাই GSK Bangladesh Limited এ assistant manager পদে চাকুরী করছেন । উনি বলেন জানো আমি ওই কোম্পানি তে কুত্তার মত খাটছি , ৯ বার ঢাকা গেছি ওই খানে ইন্টার্নশিপ এর জন্য অবশেষে ৩ বছর পর উনাকে জব অফার করছে । এগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন । এরকম হাজারো উদাহরণ আছে আমরা বলিনা কেন জানেন কারণ আমাদের সমাজের মানুষ অনেক অলস ফ্রিতে চাকুরী পেতে চায় , শর্টকাট সাজেশন দিয়ে পাশ করতে চায় তাদের কাছে আমাদের এইসব কথার ২ পয়সা মূল্য নেই ।
# ভালো_থাকবেন_সবাই
23/05/2019
CSE
6th & 8 th
Semester final examination date