28/08/2025
এবারের এস.এস.সি পরীক্ষায় অত্র স্কুলের ফলাফল বিপর্যয়ে অনেকের মতো আমিও কষ্ট পেয়ে কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কেন যেন আর লিখা হয়নি।
সত্যি বলতে যখন থেকে অনেকের প্রিয় রহমান স্যার নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলে গিয়েছিলেন ঠিক তখন থেকেই যেন এই স্কুলের পড়াশুনার মান কমে যেতে শুরু হয়েছিলো (ব্যক্তিগত মতামত)। স্কুলে পড়াকালীন সময়ে শুনতাম রহমান স্যার একদিন এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হবেন। স্যার প্রধান শিক্ষক হলে স্কুলের জন্য অনেক ভালো হবে, এমনটাই আশা করতাম। তবে স্যার প্রধান শিক্ষক হয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু আমাদের স্কুলের নয় অন্য আরেকটি স্কুলের। একটা কথা থেকেই যায় যে, স্যার কি নিজে থেকেই এই স্কুল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন নাকি স্যারকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিলো? এলাকায় ছিলামনা তাই জানাও হয় নাই। তবে স্কুলের বর্তমান অবস্থার কথা মনে হলে এই প্রশ্নটা মাথায় ঘুরপাক খায় বারংবার।
নাম শুনে থাকলেও আব্দুর রহমান স্যার কিরকম শিক্ষক ছিলেন সে সম্পর্কে বর্তমান জেনারেশনের ছাত্র-ছাত্রীদের ধারণা নেই। তবে যারা তার সান্নিধ্য পেয়েছে তারা সবাই জানে মোঃ আব্দুর রহমান স্যার একজন শিক্ষক হিসেবে ছিলেন অসাধারণ ও অতুলনীয়। একজন আদর্শ শিক্ষকের যেরকম গুণাবলী থাকা প্রয়োজন তার সবকিছুই স্যারের মধ্যে ছিলো।
বিঃ দ্রঃ ছবিটা প্রায় দুই বছরের বেশী সময় আগে একটি সামাজিক কাজে স্যারকে দাওয়াত দিতে গিয়ে নান্দাইলে অবস্থিত স্যারের নিজ বাসায় তোলা হয়েছিলো।
স্যারের জন্য দোয়া চাই, পাশাপাশি আমাদের এই স্কুলটার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
সবার জন্য শুভ কামনা।
25/11/2023
সাবেক হয়ে যাওয়া কতশত ছাত্র-ছাত্রীর মনের কথা😊
10/04/2023
শিক্ষকদের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধটা এখন অনেক কমে গেছে।
17/06/2022
অল্প বৃষ্টিতেই পুকুরে পরিণত নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠটি। নতুন ভবন হলেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সর্বশেষ কবে এই মাঠের সংস্কার হয়েছিল তা হয়তো কারও মনে নেই। এতো বড়বড় ভবন দিয়ে কি হবে যদি অত্র অঞ্চলের মানুষের প্রিয় ও বৃহত্তম মাঠটিই অবহেলার শিকার হয়?
16/06/2022
ফ্রি সময় তাই প্রিয় স্কুল ও স্কুলে কাটানো কিছু স্মৃতি সবার সাথে শেয়ার করতেই আমার এই লিখা😊
২০০২ সালে নান্দাইল রোড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে যখন নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম তখন আমি মাত্র ১১ এগারো বছরের বালক। আমাদের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ক্লাশরুমটা ছিলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একদম কাছাকাছি। ক্লাশরুমের সামনে একটা বড় কদম গাছসহ এক সারিতে বেশ কয়েকটা গাছ ছিলো। স্কুলে কাটানো ১ম বছরটা হৈ-হুল্লুড়েই কাটিয়ে দিলাম। প্রাইমারীতে পড়াকালীন সময়ে ঐ ক্লাশরুমটা কাছাকাছি থাকায় প্রায় সময়ই মরহুম উমর ফারুক (মৌলভী স্যার) স্যারের পিটুনী দেয়া দেখতাম উঁকি মেরে। হাই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর আর উঁকি-ঝুঁকি মেরে দেখা লাগে নাই। কারন নিজেই প্রিয় স্যারের হাতে মার খেয়েছি আর স্যারের হাতে মার খায়নি এরকম ছাত্র হিসাব করলে খুব কমই পাওয়া যাবে। প্রিয় মৌলভী স্যারের কারণেই অন্য নামাজ পড়তাম আর না পড়তাম টিফিন টাইমে যোহরের নামাজ আদায় করতাম (টুপিতো সবসময় পকেটে থাকতো)। তখনকার নান্দাইল রোড বাজার আর এখনকার নান্দাইল রোড বাজারের মধ্যে বেশ তফাৎ। কারন তখনকার নান্দাইল রোড বাজারটা বেশ জমজমাট ছিলো।
৭ম শ্রেণীতে আমাদের ক্লাশরুমটা ছিলো পশ্চিমের একদম উত্তর সাইডে। স্কুলের পিছনে কার যেন একটা আমলকী গাছ ছিলো (দিপ্তী ম্যাডামের বাসার কাছে)। আমরা প্রায় সময়ই দল বেঁধে আমলকী খেতে যেতাম।
২০০৪ সালে ৭ম শ্রেনী শেষ করে আমি এই স্কুল ছেড়ে ময়মনসিংহের স্বনামধন্য মুকুল নিকেতনে উচ্চ বিদ্যালয়ে আবার ৭ম শ্রেণীতেই ভর্তি হয়েছিলাম। ১ বছর ঐ স্কুলের হোস্টেলে থাকার পর নিজেকে বেশ বন্দী মনে হওয়ায় আবার নিজের এলাকার প্রিয় স্কুলে ফেরত আসলাম। কিন্তু মাঝখানে ১টা বছর হারিয়ে ফেললাম কারণ যখন ৮ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে ফেরত আসলাম আমার সহপাঠীরা তখন ৯ম শ্রেণীতে পড়ে। আস্তে আস্তে ৮ম শ্রেণীর সবাই আমার বন্ধু হয়ে গেলো। ৮ম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমাদের সবারই একটা নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছিলো। যেগুলো আগে দেখতাম। ক্লাশরুমটা ছিলো সেই কদম গাছের প্রায় সোজাসুজি। আমাদের ক্লাশ নিতে স্যার যখনই আসতো তখনই আমাদের ক্লাশের ছাত্রীরা স্যারকে অনুসরণ করে আমাদের ক্লাশে ঢুকতো। এখন মনে হয়না এরকমটা হয়।
৯ম শ্রেণীতে উঠে রেজিস্ট্রেশন করলাম। বস্তাপঁচা ছাত্র হয়েও এক সহপাঠীর সাথে একপ্রকার জিদ করেই বিজ্ঞান বিভাগ নিয়েছিলাম। ৬ জন ছেলে আর ৪ জন মেয়ে আমাদের ব্যাচে বিজ্ঞান বিভাগে ছিলো। আমাদের বিজ্ঞান বিভাগের ক্লাশটা হতো ১০ম শ্রেণীর ক্লাশরুমের পাশেই। রহমান স্যার পদার্থ বিজ্ঞান ও উচ্চতর গনিত (আমি নিই নাই) ক্লাশ নিতেন, তপন স্যার নিতেন জীববিজ্ঞান আর বাবুল স্যার নিতেন রসায়ন ক্লাশ। ৯ম-১০ম শ্রেণীতে পড়াশুনা করিনি বললেই চলে। ১০ম শ্রেণীতে পড়ার সময় তৎকালীন হেড মাস্টার (মোঃ আব্দুল হালিম) মাঝে মাঝে ক্লাশ নিতে আসতেন।
স্কুলে কাটানো শেষের সময়টাতে খুব ভয়ে ছিলাম ফরম ফিলাপ করতে পারবো কিনা তা নিয়ে। যাহোক, দুইটা বিষয়ে ফেল করায় ফরম ফিলাপ করতে পারলাম (এখন মনে হয় ফেইল করলে ফরম ফিলাপ হয়না)। আব্বার মান-সম্মানের কথা তখন কেন যেন মাথায় আসতো খুব বেশী। তাই এস.এস.সি পরীক্ষার আগে শেষ তিন-চার মাস ভালই পরিশ্রম করেছিলাম। তবে কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়ার মোড়ে অবস্থিত ক্যামব্রিজে কোচিং করাটা ছিলো আমার এস.এস.সি পাশ করার টার্নিং পয়েন্ট। আলহামদুলিল্লাহ... আল্লাহর অশেষ রহমত আর সবার দোয়ায় এই স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করলাম ২০০৮ সালে। অবশ্য প্রিয় রহমান স্যার আমার পয়েন্ট শুনার পর তেমন খুশী হতে পারেননি। সত্য কথা বলতে আমাদের সময় এস.এস.সি পরীক্ষাটা তুলনামূলক সহজ হয়েছিলো। আমি পাশ করায় আমার এলাকার অনেকেই অবাক হয়েছিলো। কারন তারা আমাকে সবসময় আড্ডাবাজি আর খেলাধূলাতেই দেখতে পেতো।
স্কুলের খাবার: আমার মনে পড়ে স্কুলে পড়াকালীন সময়ে আম্মার কাছ থেকে ৫-১০ টাকা নিয়ে যেতাম। সে সময় সবাই মিলে হেঁটেই স্কুল/বাড়ী যাতায়াত করতাম। টিফিন টাইমে রুবেল ভাইয়ের দোকানে গিয়ে ২ টাকা দামের একটা মিষ্টি সিংগারা কিংবা কেক খেতাম । তখনকার সময়ে ১-২ টাকা দিয়ে নারিকেলের আইসক্রীম খেতে পারতাম। আর ঐ আইসক্রীমের স্বাদের কথা কি বলবো। যারা খেয়েছে শুধু তারাই জানে। প্রাইমারীর বন্ধু মোস্তফার আব্বার একটা ঝালমুড়ির দোকান ছিলো। স্কুলের সবাই এখান থেকেই ঝালমুড়ি খেতো।
আমি এবং আমার সহপাঠিরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা স্কুলের সেরা শিক্ষকদের প্রায় সবকজনকেই পেয়েছিলাম। মোশারফ স্যার, মৌলভী স্যার, শান্তি স্যার কিংবা রহমান স্যার যাদের কথা আমাদের পরের প্রজন্মের অনেকেই জানেনা।
স্কুলে স্যারদের পিটুনী: বেশ কিছুদিন পূর্বে আমাদের এই স্কুলের এক ছাত্রকে মাইর দেয়ার কারনে তার অভিভাবককৃত শিক্ষক লাঞ্চনার সংবাদটি শুনে আমার মনে বেশ ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিলো । তাই স্যারদের হাতে মাইর খাওয়া মুহুর্তগুলো চোখে ভাসছে আর ভাবছি আমরা কিংবা আমাদের সিনিয়রদের অভিভাবকরা যদি এরকম হতো!
তখন স্যারদের হাতে মাইর খেয়ে বাড়িতে গিয়ে বললে আরো মাইর খাওয়া লাগবে ভেবে নীরব থাকাটাকেই আমরা শ্রেয় মনে করতাম। ৭ম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমি আমার স্কুল জীবনের সেরা পিটুনীটা খাই স্কুলের তৎকালীন সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু তপন কুমার সাহা রায় স্যারের হাতে। বেশীরভাগ সময় গম্ভীর হয়ে থাকা তপন স্যারের হাতে যারা মার খেয়েছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন রাগ উঠলে তিনি কিরকম ভয়ংকর হয়ে উঠতেন। শুধু তপন স্যার নয় স্কুলের প্রায় সব শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতের পিটুনী কিংবা চড়-থাপ্পর এই শরীরে পড়েছে। তাতে কি এমন ক্ষতি হয়েছে! স্যার-ম্যাডামদের মারের কথা মনে হলে ফিরে যেতে মন চায় সেই চিন্তাভাবনাহীন স্কুলজীবনটাতে। মনে মনে ভাবি তাদের শাসনগুলো বুঝে সময়মতো নিজেকে সংশোধন করলে হয়তো আজ আরো ভাল কিছু করতে পারতাম।
স্কুলের সাপোর্টিং স্টাফ হিসেবে ছিলেন মোমেন কাকা, মান্নান কাকা ও সোলেমা আন্টি। তাদের মধ্যে মান্নান কাকা মারা গিয়েছেন। বাজারে গেলে মাঝে মাঝে হাসিমুখের মোমেন কাকার সাথে দেখা এবং কুশলাদি বিনময় হয়।
আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকা (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়):
প্রধান শিক্ষক- হেলিম স্যার
সহকারী প্রধান শিক্ষক- তপন স্যার
সিনিয়র শিক্ষক (ইংরেজী)- মরহুম মোশারফ স্যার
ধর্মীয় শিক্ষক- মরহুম উমর ফারুক (মৌলভী) স্যার
সিনিয়র সহাকারী শিক্ষক (ইংরেজী)- শান্তি স্যার
সিনিয়র সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান)- বাবুল স্যার
সিনিয়র সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান)- রহমান স্যার
সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা (বাংলা)- নাহার ম্যাডাম
সিনিয়র শিক্ষক (হিসাব শাখা)- ইলিয়াছ উদ্দীন (কেরানি) স্যার
সহকারী শিক্ষক (গনিত)- হারিস স্যার
সহকারী শিক্ষক (বাংলা)- হাবিবুল্লাহ স্যার
সহকারী শিক্ষক (গনিত)- শামুছুল স্যার
সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা)- মুজিবুর স্যার
সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী)- ফারুক স্যার
সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি)- লাকী ম্যাডাম
সহকারী শিক্ষিকা- দিপ্তী ম্যাডাম
সহকারী শিক্ষিকা (বাংলা)- নাজনীন ম্যাডাম
প্রিয় সেই স্কুল, স্কুলের মাঠটা আগের মতো নেই। নেই আমার প্রিয় স্যারদের অনেকেই। প্রিয় স্কুলের প্রিয় সেই মানুষগুলো যে যেখানেই থাকুক, ভাল থাকুক এই কামনা করি সবসময়।
সবার কাছে অতীত-বর্তমান স্কুল সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দোয়া চাই।
✍️- শফিউল আলম
এস.এস.সি ব্যাচ- ২০০৮
30/04/2022
আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সকলের আপ্রাণ চেষ্টায় ইফতার মাহফিল সফল(ব্যাচ-২০১৮)।
08/04/2022
সবার পরিচিত মুখ ২০১৯ ব্যাচের রাতুল। তার মেধা এবং পরিশ্রমের সে ফল পেতে শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ, রাতুল সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয় ফেসবুক পেজ প্যানেলের পক্ষ থেকে তোমাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন🌹🌹🌹। আল্লাহ তা'লা তোমাকে মানুষের সেবা করার তৌফিক দান করুক 🤲 আমিন।
26/03/2022
স্বাধীনতার ৫১ বছরে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি যুদ্ধে অবদান রাখা সকল মানুষদের। যুদ্ধে সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
কবিতাটি লিখেছেন-
শফিউল আলম (রাব্বী)
ব্যাচ-২০০৮,নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয়।
17/03/2022
বর্তমান প্রজন্ম হয়তো জানে না, কোনো এক সময় আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার দেওয়া হতো সাবান।
হ্যাঁ, গায়ে মাখার সাবান।
প্রথম পুরস্কার একটি স্যান্ডেলিনা সাবান (বড়)।
দ্বিতীয় পুরস্কার একটি লাক্স সাবান (মাঝারি)
ও তৃতীয় পুরস্কার একটি লাইফবয় সাবান।
কোন আক্কেলে এই পুরস্কার দেওয়া হতো তার উত্তর এতদিন পরেও ভেবে পাইনি। যেকোনো পুরস্কারই সম্মানের। কিন্তু আজগুবি কিছুই সম্মানের নয়। বরং হাস্যকর।
30/12/2021
বিদ্যালয় থেকে ৯৬% পাশ করলো। এটা দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সবারই। কিন্তু এবারের রেজাল্টে দেখলাম সায়েন্স থেকে জিপিএ-২ পেয়েছে। অন্য গ্রুপ থেকে জিপিএ-১ ও পেয়েছে। জিপিএ-৫ নেই একজনও৷
এই ব্যাপক পাশের হারের ফলাফল স্কুলের সুনাম কতটুকু বৃদ্ধি করেছে তা স্কুলই ভালো বলতে পারবে। কারণ এবার চেয়ার টেবিলের পাশের বছর অন্তত হাতেগুনা কয়েকজন জিপিএ-৫ পাওয়ার মত শিক্ষার্থীও কি এই স্কুলে ছিলো না? যদিও এবার নামমাত্র পরীক্ষা হয়েছে৷ পড়াশোনা হয়নি কোভিডের কারণে। দেশের সব স্কুলেইতো এমন অবস্থা।
নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা ও পাঠদানের সাথে সংশ্লিষ্টরা এই দায় এড়াতে পারে না। পুরো দায় তাদেরই৷ প্রতিবছর রেজাল্টে ক্রমবর্ধমান ধ্বসের জন্য লজ্জা হওয়া উচিত।