Hefzul Kabir

Hefzul Kabir https://www.facebook.com/hefzul.kabir
Thanks Everyone for liking this page. Stay all time with us. A

আ. স. ম. হেফজুল কবীর একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী ভূগোলবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দমোহন কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য এবং তাঁর ক্যাডার আইডি ৭৫৬৫। ​

শিক্ষাজীবনে, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি (ভূগোল) ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি জগন্নাথ বি

শ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে রাজশাহী সরকারি কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ​

শিক্ষক হিসেবে তাঁর অবদানের পাশাপাশি, তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা বই রচনা করেছেন:​


বিশ্ব আঞ্চলিক ভূগোল – এই বইটি অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা হয়েছে। ​

জলবায়ু পরিবর্তন: প্রশমন ও অভিযোজন – এই বইটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও তার মোকাবিলায় বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করে। ​

তিনি তাঁর শিক্ষাদান ও গবেষণা

31/07/2026
25/07/2026
আমাদের সমাজে রাজনীতি শব্দটি উচ্চারণ করলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে এক জটিল হিসাব-নিকাশ, কূটকৌশল আর বাকচাতুর্যের দৃশ্য। সাধারণ...
24/07/2026

আমাদের সমাজে রাজনীতি শব্দটি উচ্চারণ করলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে এক জটিল হিসাব-নিকাশ, কূটকৌশল আর বাকচাতুর্যের দৃশ্য। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে—"রাজনীতি মানেই একটু চালাকি! লজ্জা করলে হয় না!!" বাহ্যিক দৃষ্টিতে কথাটিকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করেন। কারণ সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে নীতি-নৈতিকতা বাদ দিয়ে যেভাবে ফায়দা লুটার প্রবণতা দেখা যায়, তাতে চালাকিকেই সফলতার চাবিকাঠি বলে মনে হতে পারে। তবে প্রশ্ন হলো—রাজনীতির মূল সংজ্ঞা এবং এর নৈতিক ভিত্তি কি সত্যিই কেবল চালাকি আর নির্লজ্জতার ওপর প্রতিষ্ঠিত?
রাজনীতির প্রকৃত রূপ বনাম বর্তমান চালচিত্র
রাজনীতি হলো মূলত জনকল্যাণ, সমাজ সংস্কার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পবিত্র শিল্প। প্রখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটলের মতে, "মানুষ সামাজিক জীব এবং রাজনীতি তার স্বভাবজাত।" কিন্তু কালক্রমে ক্ষমতার মোহ এবং স্বার্থান্বেষী মহellsর কারণে রাজনীতি তার মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।
• বর্তমান যুগে অনেক রাজনীতিবিদের কাছে নীতি, আদর্শ ও জনসেবার চেয়ে ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থ উদ্ধারই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
• এই প্রতিযোগিতায় যারা সরল, সৎ এবং নীতিবান, তারা অনেক সময় কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
• অন্যদিকে, যারা চতুর, opportunist (সুবিধাবাদী) এবং কথা দিয়ে কথা না রাখার শিল্পে পটু, তারাই রাজনীতিতে দ্রুত এগিয়ে যান। এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপট থেকেই জন্ম নিয়েছে "রাজনীতি মানেই চালাকি" এই ধারণাটি।
"লজ্জা করলে হয় না"—এর অন্তরালের সত্য
রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে নির্লজ্জ হতে হয় বা সব ধরনের নৈতিকতা বিসর্জন দিতে হয়—এই ধারণাটি মূলত পচাগলা রাজনৈতিক ব্যবস্থার ফসল। ১. ক্ষমতার লড়াই: ক্ষমতার মসনদে বসার জন্য অনেক সময় আদর্শের সাথে আপস করতে হয়, গিরগিটির মতো রঙ বদলাতে হয়। তখন সৎ সাহস বা লজ্জাবোধকে ঝেরে ফেলতে বলা হয়। ২. মিথ্যা ও প্রলোভন: সাধারণ মানুষকে নানা রকম আকাশচুম্বী প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আদায় এবং পরবর্তীতে তা ভুলে যাওয়ার প্রবণতাকে অনেকে ‘স্মার্টনেস’ বা ‘চালাকি’ হিসেবে চালিয়ে দেন।
জনকল্যাণমূলক রাজনীতি এবং নৈতিকতা
যদি রাজনীতি কেবলই চালাকি এবং নির্লজ্জতার নাম হতো, তবে মেন্ডেলা, গান্ধী কিংবা হযরত ওমর (রা.)-এর মতো মহান রাষ্ট্রনায়কদের আদর্শ মানবজাতির ইতিহাসে অমর হয়ে থাকত না। তাদের রাজনীতি ছিল সততা, ত্যাগের মহিমা এবং ইনসাফের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তারা কোনো চালাকি বা নির্লজ্জতা দিয়ে নয়, বরং মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে হৃদয় জয় করেছিলেন। রাজনীতিতে কূটকৌশল বা দূরদর্শিতা (Diplomacy) থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা বা নৈতিকতার পতন না ঘটায়।
উপসংহার
"রাজনীতি মানেই একটু চালাকি! লজ্জা করলে হয় না!!"—এই উক্তিটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্করণের এক চরম করুণ সত্যকে ফুটিয়ে তোলে। তবে এটি কোনো আদর্শ রাজনীতির মানদণ্ড হতে পারে না। একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের জন্য রাজনীতিকে এই সংকীর্ণতা থেকে বের করে আনতে হবে। রাজনীতিতে চালাকি বা প্রতারণার সংস্কৃতি যত কমবে, সাধারণ মানুষের আস্থা তত বাড়বে। তাই মেধার সাথে সততা এবং চালাকির জায়গায় দেশপ্রেম যুক্ত হলেই কেবল রাজনীতি তার আসল মর্যাদা ফিরে পেতে পারে।

24/07/2026

মারা যাওয়ার আগে লোকটা শুধু একটাই কথা বলেছিল' আমার ফুফুকে একবার নিয়ে আসো. আমি ক্ষমা চাইব।
ঘরে তখন নীরবতা।
কিন্তু কেউ তাকে সত্যিটা বলতে পারছিল না।
কারণ, যাকে সে খুঁজছিল, সেই বৃদ্ধা ফুফু কয়েক মাস আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।
বছরখানেক আগে সেই ফুফুই বলেছিলেন,
বাবা, আমার তো আর কেউ নেই। এই তিন বিঘা জমিটা তোমার নামে লিখে দিচ্ছি। শুধু শেষ বয়সে আমাকে দুমুঠো ভাত আর একটু দেখাশোনা করো।লোকটি সবাইকে সাক্ষী রেখে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আপনি আমার মায়ের মতো থাকবেন।
কিন্তু জমির কাগজ হাতে পাওয়ার পর সব বদলে গেল।

Address

M Ali Road
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hefzul Kabir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category