Zakir's Science Lab

Zakir's Science Lab

Share

this page is Education for all

19/12/2025

★মানুষের চামড়ায় ক্ষতি/কর ব্যাক/টেরিয়া-



-রোগ: ফোঁ*ড়া, পুঁ/জ, ইম/পেটিগো, সেলু*লাইটিস

বিশেষ ঝুঁকিঃ MRSA হলে চিকিৎসা কঠিন হতে পারে



-রোগ: ইম*পেটিগো, এরিসিপেলাস, নেক্রো/টাইজিং ফ্যাসাইটিস



-রোগঃ ক্ষত সংক্রমণ, পোড়া জায়গার সংক্রমণ

বিশেষঃ নোংরা পানি/ভেজা পরিবেশে বেশি হয়



-রোগঃ গ্যাস গ্যাংগ্রিন (দুর্লভ কিন্তু মারাত্মক)

কারণঃ গভীর ক্ষতে মাটি/দূষণ



-রোগঃ কু/ষ্ঠ (লেপ্রসি)

লক্ষণঃ ত্বকে দাগ, অনুভূতি কমে যাওয়া

★সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণ

-লালচে ভাব, ব্যথা, ফোলা

-পুঁজ বা তরল বের হওয়া

-জ্বর (গুরুতর হলে)

★প্রতিরোধের উপায়

=নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত-শরীর পরিষ্কার রাখা

#ক্ষত হলে পরিষ্কার করে ঢেকে রাখা

#তোয়ালে/রেজার শেয়ার না করা

#দীর্ঘদিন ভেজা কাপড় এড়িয়ে চলা

23/11/2025

এসএসসি-২৬ এর জন্য প্রস্তুতি- রসায়ন (অধ্যায় ৩)
★জ্ঞানমূলক প্রশ্নঃ
#পারমাণবিক সংখ্যা- কোনো মৌলের একটি পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে যত সংখ্যক প্রোটন থাকে সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
#মৌল- যে পর্দাথকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে ঐ পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পর্দাথ পাওয়া যায় না তাকে মৌল/মৌলিক পদার্থ বলে।
#মৌলের_ল্যাটিন_নাম গুলো।
#অরবিট/অরবিটাল কী?
#আইসোটোপ_আইসোটোন_আইসোবার কী?
#যোজনী_যোজনী ইলেক্ট্রন বের করা/ব্যাখ্যা।
#পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ কেন?
#মৌলিক কণিকা কী? তাদের সম্পর্কে ব্যাখ্যা।
#বোড়_পরমাণু মডেল/ রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের তুলনা।
#গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভার সম্পর্কে গাণিতিক ব্যাখ্যা।
#কৌণিক_ভরবেগের অংক।
#অণু_পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য।
#চিকিৎসা ক্ষেত্র আইসোটোপের ব্যবহার।
#ইলেক্ট্রন বিন্যাসের ব্যতিক্রম।
অরবিটাল সম্পর্কে ব্যাখ্যা।

25/09/2025

মৃদুল
ক্লাস-১০

Photos from Zakir's Science Lab's post 25/09/2025

আমার ছাত্রদের হাতে আঁকা কোষীয় অঙ্গাণুসমূহ।

Photos from মোত্তাসিন পাহলভী স্যার এর সমর্থক গোষ্ঠী's post 22/09/2025
17/08/2025

★প্রশ্নঃ সাধারণত সম/যোজী যৌগ সমূহ গ্যা*সীয় অবস্থায় থাকে কেন?
উত্তর:
সাধারণত সমযোজী যৌগ গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে কারণ—
সমযোজী যৌগে অণুগুলোর মধ্যে প্রধানত ভ্যান-ডার-ওয়ালস বল বা হাইড্রো/জেন বন্ধন থাকে, যা খুবই দুর্বল। ফলে অণুগুলো একে অপরের সাথে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকতে পারে না।
দুর্বল আন্তঃআণবিক বলের কারণে এদের গলনাঙ্ক ও স্ফুটাঙ্ক অনেক কম হয়। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এরা গ্যাসীয় অবস্থায় পাওয়া যায়। আয়নিক যৌগের মতো আয়ন গুলোর দৃঢ় না হয়ে, সমযোজী যৌগগুলো আলাদা অণু আকারে থাকে। ফলে অনুগুলো গ্যাস আকারে থাকে।

17/08/2025

প্রশ্নঃ আয়নিক যৌগ সাধারণ তাপ/মাত্রায় কঠিন কেন??
উত্তরঃ
আয়/নিক যৌগ সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন থাকার কারণ হলো এদের মধ্যে আয়নগুলোর মাঝে বিদ্যমান স্থির তড়িৎ-আকর্ষণ বল। আয়নিক যৌগে ধনাত্মক আয়ন ক্যাটায়নও ঋণাত্মক আয়ন অ্যানায়ন থাকে। বিপরীত আধান বিশিষ্ট আয়নের মধ্যে শক্তিশালী তড়িৎ-আকর্ষণ বল কাজ করে। আয়নিক যৌগে আয়নগুলো একটি নিয়মিত ত্রিমাত্রিক স্ফটিক জালক আকারে সাজানো থাকে। এতে প্রতিটি আয়ন চারপাশের ৬টি বিপরীত আয়ন দ্বারা দৃঢ়ভাবে আকৃষ্ট হয়।
এই শক্তিশালী বন্ধন ভাঙতে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়। তাই সাধারণ তাপমাত্রায় আয়*নিক যৌগগুলো ভাঙে না বা তরল হয় না।

#উদ্বাস_কোচিং #নবারুণ_পাবলিক_স্কুল

17/08/2025

রাসায়নিক বন্ধন(এসএসসি), ৫ অধ্যায়।
১ম পর্ব

প্রশ্নঃ১। নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী? এদের স্থিতিশীলতার কারণ কী?

★নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলো পর্যায় সারণির ১৮তম গ্রুপে অবস্থিত গ্যাসীয় মৌলগুলো — যেমন হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn)।
প্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না, তাই এদের নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়।

*স্থিতিশীলতার কারণঃ
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের বহিঃস্ত শক্তিস্তর পূর্ণ থাকে, অর্থাৎ এদের অষ্টক (অথবা হিলিয়ামের ক্ষেত্রে দুইয়ের নিয়ম) পূর্ণ।
হিলিয়ামের (He) বহিঃস্ত স্তরে ২টি ইলেকট্রন থাকে → দুইয়ের নিয়ম পূর্ণ। অন্যদের (Ne, Ar, Kr, Xe, Rn) বহিঃস্ত স্তরে ৮টি ইলেকট্রন থাকে → অষ্টক পূর্ণ।
পূর্ণ ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে এরা রাসায়নিকভাবে খুবই স্থিতিশীল। তাই ইলেকট্রন নেওয়া বা দেওয়ার প্রবণতা নেই, তাই ক্রিয়াশীলতা প্রায় শূন্য থাকে।

প্রশ্নঃ২।আয়নিক বন্ধনের বৈশিষ্ট্য গুলো শেখ।

উত্তরঃ
আয়নিক বন্ধনের বৈশিষ্ট্য--
★ধনাত্মক ক্যাটায়ন ও ঋণাত্মক এনায়নের মধ্যে শক্তিশালী তড়িৎ-আকর্ষণ বল থাকে।

★শক্তিশালী বন্ধনের কারণে এগুলোর গলনাঙ্ক ও স্ফুটাঙ্ক অনেক বেশি হয়।

★কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নেই, কিন্তু গলিত অবস্থায় বা জলীয় দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা থাকে, কারণ তখন আয়নগুলো স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে।

★পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় কিন্তু অপোলার দ্রাবকে অদ্রবনীয়।

প্রশ্নঃ৩। আয়নিক যৌগ সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হলেও সমযোজী যৌগ সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত হয় না কেন?

উত্তরঃ
আয়নিক যৌগ ও সমযোজী যৌগের পানিতে দ্রবণীয়তার পার্থক্যটা মূলত পানির পোলারিটির জন্য।

আয়নিক যৌগ সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয় কারণ
পানির অণু পোলার — এতে আংশিক ধনাত্মক ও আংশিক ঋণাত্মক চার্জ থাকে। অপরদিকে আয়নিক যৌগে ধনাত্মক ক্যাটায়ন ও ঋণাত্মক অ্যানায়ন থাকে। যখন আয়নিক যৌগ পানিতে ঢালা হয় পানির ঋণাত্মক দিক ক্যাটায়নের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং ধনাত্মক দিক অ্যানায়নের দিকে আকৃষ্ট হয়।
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের আকর্ষণ বল গঠিত হয়ে আয়নগুলোকে একে অপর থেকে আলাদা করে, ফলে যৌগ দ্রবীভূত হয়।

*সমযোজী যৌগ সাধারণত দ্রবীভূত হয় না কারণ

সমযোজী যৌ/গের কণাগুলো অ-পোলার অর্থাৎ
পানির অণুর সাথে সমযোজী যৌগের পরমাণু গুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করে না
ফলে পানির পোলার অণুগুলো একে অপরের সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে অ-পোলার অণুকে ঘিরে ধরতে পারে না।

প্রশ্নঃ৪। আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহন করলে ও সমযোজী যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহন করে না ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ
*আয়নিক যৌগে ধনাত্মক ক্যাটায়ন ও ঋণাত্মক অ্যানায়ন থাকে। কঠিন অবস্থায় আয়নগুলো শক্ত ভাবে আটকে থাকে, ফলে মুক্তভাবে চলতে পারে না, তাই বি/দ্যুৎ পরিবাহন হয় না।
কিন্তু গলিত অবস্থায় বা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নগুলো মুক্ত হয়ে তরলের মধ্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করে।
তাই মুক্ত আয়ন চলাচল করলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

*সমযোজী যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহন করে না কেন

সমযোজী যৌগে পরমাণুগুলো ইলেকট্রন শেয়ার করে যুক্ত থাকে ধনাত্মক ও ঋনা/ত্মক তৈরি হয় না।
ফলে পানিতে দ্রবীভূত হলেও এরা মুক্ত আয়ন তৈরি করে না, বরং অণু আকারেই থাকে।
তাই বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্ভব হয় না।

প্রশ্নঃ৫। পানিতে কিভাবে পোলারিটি সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ পানিতে (H₂O) পোলা/রিটি সৃষ্টি হয় মূলত অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের তড়িৎ ঋনাত্মকতার পার্থক্যের জন্য। পানির অনুতে অক্সিজেনের তড়িৎ ঋনাত্মকতা হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি, ফলে সমযোজী বন্ধনে অক্সিজেন ইলেকট্রন জোড়কে নিজের দিকে বেশি টেনে নেয়। এতে অক্সিজেন আংশিক ঋণাত্মক চার্জ এবং হাইড্রোজেন আংশিক ধনাত্মক চার্জ সৃষ্টি হয়।
এভাবে পোলারিটি সৃষ্টি হয়।

প্রশ্নঃ৬। রাসায়নিক বন্ধন কী? বন্ধন গঠনের কারণ কী?
★রাসায়নিক বন্ধনঃ
যে শক্তির বলের ফলে দুটি বা ততোধিক পরমাণুর একত্রে থাকে এবং একটি স্থিতিশীল অ/ণু বা যৌগ তৈরি করে তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে।

★বন্ধন গঠনের কারণঃ
স্থিতিশীলতা অর্জন করার জন্য পরমাণু সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মত স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করতে চায়। বহিঃস্ত ইলেকট্রন পূর্ণ করা ইলেকট্রন দান, গ্রহণ বা শেয়ার মাধ্যমে পরমাণু বহিঃস্ত কক্ষ পূর্ণ করে, এই স্থিতি/শীলতা অর্জনের জন্য রাসায়নিক বন্ধন গঠন করে।

প্রশ্নঃ৭। অষ্টক নিয়ম ও দুইয়ের নিয়ম কাকে বলে?

★দুইএরনিয়মঃ
অণুতে যেকোন পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তরে এক বা একাধিক জোড়া ইলেকট্রন অবস্থান করলে তাকে দুইএরনিয়ম বলে।

★অষ্টকএরনিয়মঃ
অণু গঠনকালে কোনো মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ, বর্জন অথবা ভাগাভাগির মাধ্যমে তার সর্বশেষ শক্তিস্তরে ৮ টি ইলেকট্রন ধারনের মাধ্যমে নিস্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে। একেই অষ্টক নিয়ম বলে।

প্রশ্নঃ৮। ক্যাটায়ন ও এনায়ন কাকে বলে? এগুলো কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ
★ ক্যাটায়নঃ
সংজ্ঞাঃ ধনাত্মক (+) চার্জবিশিষ্ট আয়নকে ক্যাটায়ন বলে।

সৃষ্টিঃকোনো পরমাণু বা অণু ইলেকট্রন দান তার প্রোটনের সংখ্যা ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে বেশি হয়ে যায়। ফলে ধনাত্মক চার্জ তৈরি হয়। ধাতব পরমাণু সাধারণত ইলেকট্রন হারিয়ে ক্যাটায়ন হয়।

উদাহরণ: Na⁺, Ca²⁺, K⁺

★অ্যানায়নঃ
সংজ্ঞাঃ ঋণাত্মক (−) চার্জবিশিষ্ট আয়নকে অ্যানায়ন বলে।

সৃষ্টি: কোনো পরমাণু বা অণু ইলেকট্রন গ্রহণ করলে তার ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের চেয়ে বেশি হয়। ফলে ঋণাত্মক চার্জ তৈরি হয়। অধাতব পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহন করে অ্যানায়ন হয়।

উদাহরণ: Cl⁻, O²⁻


Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Mymensingh