24/09/2016
Islamar potha asar alo
আল্লাহর জন্য সব কর।
24/09/2016
26/07/2015
১) রামাযানের নতুন চাঁদ দেখার
ক্ষেত্রে বিদ্আত:
রামাযানের নতুন চাঁদ দেখার
ক্ষেত্রে দেখা যায়, কিছু লোক
চাঁদের দিকে হাত উঁচু করে শাহাদাত
আঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করে থাকে।
এটা বিদআত। কেননা, কুরআন-সুন্নাহতে
এর কোন ভিত্তি নাই।
তবে নতুন চাঁদ দেখলে নিম্নোক্ত
দুআটি পাঠ করা সুন্নাত:
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻫِﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺑِﺎﻟْﻴُﻤْﻦِ ﻭَﺍﻹِﻳﻤَﺎﻥِ ﻭَﺍﻟﺴَّﻼَﻣَﺔِ ﻭَﺍﻹِﺳْﻼَﻡِ
ﺭَﺑِّﻰ ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল
আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস
সালামাতি ওয়াল ইসলাম। রাব্বী
ওয়া রাব্বুকাল্লাহ”। (মুসনাদে আহমদ)
অর্থ: হে আল্লাহ, এ চাঁদকে আমাদের
মাঝে বরকত, ঈমান, শান্তি-
নিরাপত্তা ও ইসলামের সাতে উদিত
কর। আমার ও তোমার রব আল্লাহ।”
২) সেহরী সংক্রান্ত বিদআত:
দেখা যায়, রামাযান মাসে শেষ
রাতে মুআযযিনগণ মাইকে উচ্চ
আওয়াযে কুরআন তেলাওয়াত, গযল,
ইসলামী সঙ্গীত ইত্যাদি গাওয়া শুরু
করে। অথবা টেপ রেকর্ডার চালিয়ে
বক্তাদের ওয়াজ, গজল বাজাতে
থাকে। সেই সাথে চলতে থাকে
ভায়েরা আমার, বনেরা আমার, উঠুন,
সাহরীর সময় হয়েছে, রান্না-বান্না
করুন, খাওয়া-দাওয়া করুন” ইত্যাদি বলে
অনবরত ডাকাডাকি। অথবা
কোথাওবা কিছুক্ষণ পরপর উঁচু আওয়াজে
হুইশেল বাজানো হয়।
এর থেকে আরো আজব কিছু আচরণ
দেখা যায়। যেমন, এলাকার কিছু যুবক
রামাযানের শেষ রাতে মাইক নিয়ে
এসে সম্মিলিত কন্ঠে গযল বা
কাওয়ালী গেয়ে মানুষের বাড়ির
দুআরে দুআরে গিয়ে চাঁদা আদায়
করে। অথবা মাইক বাজিয়ে রাস্তায়
রাস্তায় ঘুরতে থাকে। এ ছাড়াও
এলাকা ভেদে বিভিন্ন বেদআতী
কার্যক্রম দেখা যায়।
আমাদের জানা উচিত, শেষ রাতে
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা
নিচের আসমানে নেমে আসেন। এটা
দুআ কবুলের সময়। আল্লাহ তাআলার
নিকট এ সময় কেউ দুআ করলে তিনি তা
কবুল করেন। মুমিন বান্দাগণ এ সময়
তাহাজ্জুদের নামায পড়েন, কুরআন
তেলাওয়াত করেন, মহান আল্লাহ
তাআলা তায়ালা দরবারে
রোনাযারী করে থাকেন। সুতরাং এ
সময় মাইক বাজিয়ে, গযল গেয়ে বা
চাঁদা তুলে এ মূল্যবান সময়ে ইবাদতে
বিঘ্নিত করা নিঃসন্দেহে গুনাহর
কাজ। এতে মানুষের ঘুমে ব্যাঘাত
ঘটানো হয়। যার ফলে অনেকের
সেহরী এমনকি ফজরের নামায পর্যন্ত
ছুটে যায়। এই কারণে অনেক
রোযাদারগণ সেহরীর শেষ সময় পর্যন্ত
বিলম্ব না করে আগে ভাগে সেহরী
শেষ করে দেয়। এ সবগুলোই গুনাহের
কাজ।
তাহলে আমাদেরকে জানতে হবে
ক্ষেত্রে সুন্নত কী?
এ প্রকৃত পক্ষে সুন্নাত হচ্ছে, সেহরীর
জন্য দুটি আযান দেয়া। দুটি আযান
দেয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত ছিল। ১ম আযান
সেহরী খাওয়ার জন্য এবং ২য় আযান
সেহরী খাওয়া শেষ করার জন্য এবং
এজন্য দুজন মুআজ্জিনও নিয়োগ করা
ছিল। যেমন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেছেন:
« ﺇِﻥَّ ﺑِﻼَﻻً ﻳُﺆَﺫِّﻥُ ﺑِﻠَﻴْﻞٍ ، ﻓَﻜُﻠُﻮﺍ ﻭَﺍﺷْﺮَﺑُﻮﺍ ﺣَﺘَّﻰ ﻳُﺆَﺫِّﻥَ ﺍﺑْﻦُ
ﺃُﻡِّ ﻣَﻜْﺘُﻮﻡٍ »
“বেলাল রাতে আযান দেয়। অত:এব
তোমরা বেলালের আযান শুনলে
পানাহার করতে থাক ইবনে উম্মে
মাকতুমের আযান দেয়া
পর্যন্ত।”( বুখারি:১৯১৮ )
সুনানুন নাসাঈর হাদীসে বর্ণিত, নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেন:
ﺇِﻥَّ ﺑِﻠَﺎﻟًﺎ ﻳُﺆَﺫِّﻥُ ﺑِﻠَﻴْﻞٍ ﻟِﻴُﻮﻗِﻆَ ﻧَﺎﺋِﻤَﻜُﻢْ ﻭَﻟِﻴَﺮْﺟِﻊَ ﻗَﺎﺋِﻤَﻜُﻢْ
ﻭَﻟَﻴْﺲَ ﺃَﻥْ ﻳَﻘُﻮﻝَ ﻫَﻜَﺬَﺍ ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼُّﺒْﺢِ
“বেলাল আযান দেয় এজন্য যে, যেন
ঘুমন্ত লোক জাগ্রত হয় আর তাহাজ্জুদ
আদায়কারী ফিরে আসে অর্থাৎ
নামায বাদ দেয় এবং সেহরী খায়।”
সুতরাং এ দুটির বেশি কিছু করতে
যাওয়া বিদআত ছাড়া অন্য কিছু নয়।
এজন্যই ওলামাগণ বলেছেন: যখন একটি
সুন্নত উঠে যায় তখন সেখানে একটি
বিদআত স্থান করে নেয়।” আমাদের
অবস্থাও হয়েছে তাই। সুন্নত উঠে
গিয়ে সেখানে নিজেদের মনগড়া
পদ্ধতি স্থান দখল করে নিয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে পুনরায় সুন্নতের
দিকে ফিরে আসার তাওফীক দান
করুন। আমীন।
৩) সেহরী খাওয়ার সময় মুখে নিয়ত
উচ্চারণ করা বিদআত:
সেহরী খাওয়া একটি ইবাদত। আর যে
কোন ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য নিয়ত
অপরিহার্য শর্ত। কারণ, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন:
« ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻷَﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَّﺎﺕِ »
সকল আমল নিয়তের উপর
নির্ভরশীল।” (সহীহ বুখারী)
তাই রোযা রাখার জন্য নিয়ত থাকা
অপরিহার্য। তাই নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
ﻣَﻦْ ﻟَﻢْ ﻳُﺒَﻴِّﺖْ ﺍﻟﺼِّﻴَﺎﻡَ ﻗَﺒْﻞَ ﺍﻟْﻔَﺠْﺮِ ﻓَﻠَﺎ ﺻِﻴَﺎﻡَ ﻟَﻪُ
“যে রাতে (ফজরের আগে) রোযা
রাখার নিয়ত করে নি তার রোযা
হবে না।” (সুনান নাসাঈ, আল্লামা
আলবানী হাদীসটিকে সহীহ
বলেছেন।)
৪) বিলম্বে ইফতার করা:
কিছু রোযাদারকে দেখা যায়,
স্পষ্টভাবে সূর্য ডুবে যাওয়ার পরও অতি
সর্তকতার কারণে আরও কিছুক্ষণ পরে
ইফতার করে। এটি স্পষ্ট সুন্নত
বিরোধীতা। কারণ, নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন :
« ﻻَ ﻳَﺰَﺍﻝُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﺑِﺨَﻴْﺮٍ ﻣَﺎ ﻋَﺠَّﻠُﻮﺍ ﺍﻟْﻔِﻄْﺮَ »
মানুষ ততদিন কল্যাণে উপর থাকবে
যতদিন তাড়াতাড়ি ইফতার
করবে।” (বুখারী: ১৯৫৭ ও মুসলিম:১০৯৮)
নিজে জানুন এবং অন্যকে জানানোর
সুযোগ করে দিন।
মাহে রমজান
যে সকল কারনে রোযার
ক্ষতি হয়নাঃ
১। ভুলক্রমে পানাহার করা।
২। আতর সুগন্ধি ব্যবহার
করা বা ফূল ইত্যাদির ঘ্রাণ
নেওয়া।
৩। নিজ মুখের থু থু কফ
গিলে ফেলা।
৪। মাথা ,শরীর বা মুখে
তেল,
ক্রিম,লোশন
ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৫। ঠান্ডার জন্য গোসল করা।
৬। ঘুমে স্বপ্নদোষ হওয়া।
৭। মিসওয়াক করা।
৮। অনিচ্ছকৃত ভাবে
বমি
৯। চোখে ওষধ ,
সুরমা বা ড্রপব্যবহার
করা(খুব প্রয়োজন হলে)।
১০। ইনজাকশন নেয়া (খুব
প্রয়োজন হলে)।
১১। অনিচ্ছাকৃত
ভাবে গলা মশা, মাছি,
ধোঁয়া বা ধুলাবালি প্রবে
১২। কুলি করা অবস্থায়
অনিচ্ছাকৃত ভাবে পেটে পানি
গেলে।।
তারাবীহ নামাযের চার রাকাত
পরের
দোয়া::::
সোবহানা যিলমুলকি ওয়াল
মালাকূতি
সোবহানা যিল ইযযাতি ওয়াল
আযমাতি'ওয়াল কুদরতি ওয়াল
কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারুতি"
সোবহানাল মালেকিল
হাইয়্যিল্লাযী
লা ইয়ানামু
ওয়াল ইয়ামুতু আবাদান আবাদা.সুব্বুহুন
কুদ্দুসুন
রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি
ওয়াররুহ |
18/03/2015
ﺔــــﻴـــ ﺮﺑ ـﻌـ واﻟ ة ــــ ﻴـﻤـ ﺎﻟ ـﻌـ اﻟ ﻒـــﺤـﺼـ اﻟ ﻦ ــــ ﺎوﻳ ـﻨـﻋ >
رﻮﻬﺷ 6 ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺎﻴﻨﻴﻏو ﺲﻧﻮﺗ ةارﺎﺒﻣ ﻢﻜﺣ ﻒﻗﻮﻳ فﺎﻛ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟا ﻲﻓ ﻪﻜﻟﺎﺷ ﻊﻣ لدﺎﻌﺘﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳ ﺦﻧﻮﻴﻣ نﺮﻳﺎﺑ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟﺎﺑ ترﻮﻔﻜﻧاﺮﻓ مﺎﻣأ لدﺎﻌﺘﻟا ﺦﻓ ﻲﻓ ﻂﻘﺴﻳ جرﻮﺒﺴﻔﻟﻮﻓ • ﺔﻴﺴﻧﺮﻔﻟا ﺔﻄﺑاﺮﻟا ﻲﺋﺎﻬﻨﻟ ﻞﻫﺄﺘﻳو ﻞﻴﻟ ﺔﺒﻘﻋ ﻰﻄﺨﺘﻳ نﺎﻣﺮﻴﺟ نﺎﺳ • اﺮﺘﻠﺠﻧإ سﺄﻛ ﻲﻓ جﺪﻳﺮﺒﻣﺎﻛ ﻖﺤﺴﻳ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ • ﺎﻴﻟﺎﻄﻳإ سﺄﻛ ﻲﻓ ﺎﻣور طﺎﻘﺳﻹ ﺎﻨﻴﺘﻧرﻮﻴﻓ دﻮﻘﻳ ﺰﻴﻣﻮﺟ ﻮﻳرﺎﻣ • ﻲﺒﻳﺮﻀﻟا بﺮﻬﺘﻟا ﺔﻤﻬﺗ ﻲﻟﺎﺤﻟا ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋﺮﻟ ﻪﺟﻮﺗ ﺔﻴﻧﺎﺒﺳﻻا ﺔﻤﻜﺤﻤﻟا • رﺎﻤﻴﻧ ﺔﻣزأ ةرﺎﺛﺈﺑ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻢﻬﺘﻳو مﺎﻬﺗﻻا ﺾﻓﺮﻳ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋر • ﺎﻜﻳﺮﻣا ﻰﻟإ ﻖﻳﺮﻔﻟا ﻦﻋ ﻞﻴﺣﺮﻟا ﻦﻠﻌﻳو يﺰﻴﻨﻳدوأ ﺮﻴﻫﺎﻤﺟ مﺪﺼﻳ ﻲﻟﺎﺗﺎﻧ يد • لﻮﺑﺮﻔﻴﻟ ﻊﻣ هﺪﻘﻋ ﺪﻳﺪﻤﺗ ﻰﻠﻋ ﻖﻓاﻮﻳ ﻮﻴﻨﻴﺗﻮﻛ ﺐﻴﻠﻴﻓ ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ راﺮﺳأ ءﺎﺸﻓإ ﺐﺒﺴﺑ ﻲﺴﻴﻣو ﻲﻜﻳﺮﻧاو ةرادﻺﻟ رﺬﺘﻌﻳ ﻮﻴﺛﺎﻣ • ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻲﻓ ﻪﺗﺮﻴﺴﻣ ﻲﻬﻨﻴﺳ ﺐﻋﻼﻟا نأ ﻒﺸﻜﺗ وﺪﻟﺎﻧور لﺎﻤﻋأ ﻞﻴﻛو • ﻖﻳﺮﻔﻠﻟ ﺔﺒﺴﻨﻟﺎﺑ ﺔﻠﻜﺸﻣ ﺪﻌﻳ ﻢﻟ ﻲﺴﻴﻣ : فﺮﺘﻌﻳ ﻲﻜﻳﺮﻧإ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ برﺪﻣ • اﺪﻏ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻊﻣ ﻪﺗﺎﻳرﺎﺒﻣ ﻰﻟوأ ضﻮﺨﻴﺳ درﺎﺠﻳدوأ ﺔﻴﺠﻳوﺮﻨﻟا ةﺮﻫﻮﺠﻟا • زﺮﺠﻨﻳر كرﺎﺑ ﺰﻨﻳﻮﻛ ﺐﻳرﺪﺗ ﻦﻣ ﻞﻴﻘﺘﺴﻳ بﺎﻧﺪﻳر يرﺎﻫ : ﺎﻴﻤﺳر • ﺔﻴﻠﻴﺒﺷإ ةارﺎﺒﻤﻟ ﺎﻔﻠﻴﺳ سﺎﻛﻮﻟ ءﺎﻋﺪﺘﺳا ﻦﻠﻌﻳ لﺎﻳﺮﻟا برﺪﻣ ﻲﺗﻮﻠﻴﺸﻧا • ﻦﻴﻌﺠﺸﻣ ﻊﻣ ﻪﻛﺎﺒﺘﺷﻻ يدرﺎﻜﻳا ﺦﺑﻮﻳ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا برﺪﻣ ﻲﻨﻴﺸﻧﺎﻣ • 2019 مﺎﻋ ﻰﺘﺣ باﺮﺗ ﻦﻴﻔﻴﻛ سرﺎﺤﻟا ﻊﻣ هﺪﻗﺎﻌﺗ دﺪﻤﻳ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﺖﺧاﺮﺘﻧإ • ﺰﻠﻣﺎﻫ ﺲﺗﺎﻣ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻟا مﺪﻌﺑ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻴﻟا ﺢﺼﻨﻳ ﺰﻔﻳﺮﺠﻳرﺎﻫ • ﺪﻋاﻮﻘﻟا ﻪﻗﺮﺨﻟ ﻚﻟذو ﺲﻴﻧ ﻪﻘﻳﺮﻔﻟ ﺐﻌﻠﻟا ﻦﻋ ﺔﻓﺮﻋ ﻦﺑ ﻒﻗﻮﻳ ﺎﻔﻴﻔﻟا • ﺔﻴﻟوﺪﻟا مﺎﻈﻧ حﻼﺻا تﺎﺿوﺎﻔﻣ فﺎﻘﻳإ راﺮﻗ ﻦﻣ ﺔﺒﺿﺎﻏ ﺔﻴﺑوروﻻا ﺔﻳﺪﻧﻷا ﺔﻄﺑار • تﻻﺎﻘﺘﻧﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﺐﻋﻻ ﺮﺸﺘﻴﻠﻓ ﻦﻳراد ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﺶﺘﻴﻣوﺮﺑ ﺖﺳو • ةرﺎﻋﻹا ﻞﻴﺒﺳ ﻰﻠﻋ ﻮﻛﺎﻧﻮﻣ ﻰﻟإ ﻢﻀﻨﻳ ﻲﺴﻧﺮﻔﻟا ﺎﻴﻠﻴﺳرﺎﻣ ﺐﻋﻻ سﻮﺒﻣﺎﻛوأ • ﻟﻼﻋﺐ اﻟﻜﺜﻴﺮة اﻻﻧﺘﻘﺎدات اﺳﺘﻤﺮار ﺑﻌﺪ ً ﻣﺠﺪدا ﺑﻴﻞ ﻋﻦ ﻳﺪاﻓﻊ أﻧﺸﻴﻠﻮﺗﻲ • ﻲﺳﺎﻴﻘﻟا دﺮﻄﻟا ﻢﻏر يﺪﻨﻟﻮﻬﻟا يروﺪﻟا ﻲﻓ اﺪﻳﺮﺑ ﻰﻠﻋ زﻮﻔﻳ ﻦﻓﻮﻫﺪﻨﻳا • ﺰﻤﻠﻴﻔﻟ جﺎﻌﻟا ﻞﺣﺎﺳ ءﺎﻘﻟ ﻞﺒﻗ ﺰﻴﻛﺮﺘﻟﺎﺑ ﻪﻴﺒﻋﻻ ﺐﻟﺎﻄﻳ ﺔﻴﻃاﺮﻘﻤﻳﺪﻟا ﻮﺠﻧﻮﻜﻟا برﺪﻣ • ﺎﻔﻴﻔﻟا ﻞﺧاد ﻒﻳﻮﺨﺘﻟا ﺔﻓﺎﻘﺛ ﻰﻠﻋ ءﺎﻀﻘﻟا ﺐﺠﻳ : ﻦﻴﺴﺤﻟا ﻦﺑ ﻲﻠﻋ • ﺖﺨﻟرﺪﺗﻻ وﺪﻟﺎﻧور ﺮﻴﻌﻳو ﺶﻳرﺎﻤﻴﺟ ﻊﻓاﺪﻣ ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﻲﻟﺎﻐﺗﺮﺒﻟا ﻮﺗرﻮﺑ • ﺔﺒﻛﺮﻟا ﻲﻓ ﺔﺤﺟﺎﻧ ﺔﻴﺣاﺮﺟ ﺔﻴﻠﻤﻌﻟ ﻊﻀﺨﻳ داﺪﻴﺳﻮﺳ لﺎﻳر ﻢﺟﺎﻬﻣ • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻦﻴﺗارﺎﺒﻤﻟ ﺎﺟوزﻻ ﺮﻴﻴﺑ جرﻮﺒﻣﺎﻫ ﻢﺟﺎﻬﻣ ﺪﻌﺒﺗ ﺔﺑﺎﺻﻻا • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻢﺳﻮﻤﻟا ﺔﻳﺎﻬﻧ ﻰﺘﺣ ﺲﺗﺎﻔﺸﻴﺑ ﻲﺑﺮﺼﻟا ﻪﻌﻓاﺪﻣ ﺪﻘﻔﻳ نﻮﻴﻟ • ﺎﻴﻨﻴﻏ مﺎﻣأ نﺎﻴﺟ بﺎﻴﻏ ﺾﻳﻮﻌﺗ ﻰﻠﻋ ردﺎﻗ ﻮﺴﺗأ : ﺎﻧﺎﻏ ﻊﻓاﺪﻣ هﺎﺴﻨﻣ • ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﻦﻣ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا ﻰﻟا ﻢﻀﻨﻳ نﻮﺳرﺪﻧا ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻤﻘﻟا ةارﺎﺒﻣ ﺔﺠﻴﺘﻧ ﺪﻤﺘﻌﻳو ﻲﻠﻫﻷا ىﻮﻜﺷ ﺾﻓﺮﻳ يﺮﺼﻤﻟا دﺎﺤﺗﻻا • يﺮﺼﻤﻟا يروﺪﻟﺎﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳو ﻲﺒﻧإ مﺎﻣأ ﻂﻘﺴﻳ ﻲﻠﻫﻷا •
ﺔــــﻴـــ ﺮﺑ ـﻌـ واﻟ ة ــــ ﻴـﻤـ ﺎﻟ ـﻌـ اﻟ ﻒـــﺤـﺼـ اﻟ ﻦ ــــ ﺎوﻳ ـﻨـﻋ >
رﻮﻬﺷ 6 ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺎﻴﻨﻴﻏو ﺲﻧﻮﺗ ةارﺎﺒﻣ ﻢﻜﺣ ﻒﻗﻮﻳ فﺎﻛ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟا ﻲﻓ ﻪﻜﻟﺎﺷ ﻊﻣ لدﺎﻌﺘﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳ ﺦﻧﻮﻴﻣ نﺮﻳﺎﺑ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟﺎﺑ ترﻮﻔﻜﻧاﺮﻓ مﺎﻣأ لدﺎﻌﺘﻟا ﺦﻓ ﻲﻓ ﻂﻘﺴﻳ جرﻮﺒﺴﻔﻟﻮﻓ • ﺔﻴﺴﻧﺮﻔﻟا ﺔﻄﺑاﺮﻟا ﻲﺋﺎﻬﻨﻟ ﻞﻫﺄﺘﻳو ﻞﻴﻟ ﺔﺒﻘﻋ ﻰﻄﺨﺘﻳ نﺎﻣﺮﻴﺟ نﺎﺳ • اﺮﺘﻠﺠﻧإ سﺄﻛ ﻲﻓ جﺪﻳﺮﺒﻣﺎﻛ ﻖﺤﺴﻳ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ • ﺎﻴﻟﺎﻄﻳإ سﺄﻛ ﻲﻓ ﺎﻣور طﺎﻘﺳﻹ ﺎﻨﻴﺘﻧرﻮﻴﻓ دﻮﻘﻳ ﺰﻴﻣﻮﺟ ﻮﻳرﺎﻣ • ﻲﺒﻳﺮﻀﻟا بﺮﻬﺘﻟا ﺔﻤﻬﺗ ﻲﻟﺎﺤﻟا ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋﺮﻟ ﻪﺟﻮﺗ ﺔﻴﻧﺎﺒﺳﻻا ﺔﻤﻜﺤﻤﻟا • رﺎﻤﻴﻧ ﺔﻣزأ ةرﺎﺛﺈﺑ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻢﻬﺘﻳو مﺎﻬﺗﻻا ﺾﻓﺮﻳ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋر • ﺎﻜﻳﺮﻣا ﻰﻟإ ﻖﻳﺮﻔﻟا ﻦﻋ ﻞﻴﺣﺮﻟا ﻦﻠﻌﻳو يﺰﻴﻨﻳدوأ ﺮﻴﻫﺎﻤﺟ مﺪﺼﻳ ﻲﻟﺎﺗﺎﻧ يد • لﻮﺑﺮﻔﻴﻟ ﻊﻣ هﺪﻘﻋ ﺪﻳﺪﻤﺗ ﻰﻠﻋ ﻖﻓاﻮﻳ ﻮﻴﻨﻴﺗﻮﻛ ﺐﻴﻠﻴﻓ ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ راﺮﺳأ ءﺎﺸﻓإ ﺐﺒﺴﺑ ﻲﺴﻴﻣو ﻲﻜﻳﺮﻧاو ةرادﻺﻟ رﺬﺘﻌﻳ ﻮﻴﺛﺎﻣ • ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻲﻓ ﻪﺗﺮﻴﺴﻣ ﻲﻬﻨﻴﺳ ﺐﻋﻼﻟا نأ ﻒﺸﻜﺗ وﺪﻟﺎﻧور لﺎﻤﻋأ ﻞﻴﻛو • ﻖﻳﺮﻔﻠﻟ ﺔﺒﺴﻨﻟﺎﺑ ﺔﻠﻜﺸﻣ ﺪﻌﻳ ﻢﻟ ﻲﺴﻴﻣ : فﺮﺘﻌﻳ ﻲﻜﻳﺮﻧإ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ برﺪﻣ • اﺪﻏ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻊﻣ ﻪﺗﺎﻳرﺎﺒﻣ ﻰﻟوأ ضﻮﺨﻴﺳ درﺎﺠﻳدوأ ﺔﻴﺠﻳوﺮﻨﻟا ةﺮﻫﻮﺠﻟا • زﺮﺠﻨﻳر كرﺎﺑ ﺰﻨﻳﻮﻛ ﺐﻳرﺪﺗ ﻦﻣ ﻞﻴﻘﺘﺴﻳ بﺎﻧﺪﻳر يرﺎﻫ : ﺎﻴﻤﺳر • ﺔﻴﻠﻴﺒﺷإ ةارﺎﺒﻤﻟ ﺎﻔﻠﻴﺳ سﺎﻛﻮﻟ ءﺎﻋﺪﺘﺳا ﻦﻠﻌﻳ لﺎﻳﺮﻟا برﺪﻣ ﻲﺗﻮﻠﻴﺸﻧا • ﻦﻴﻌﺠﺸﻣ ﻊﻣ ﻪﻛﺎﺒﺘﺷﻻ يدرﺎﻜﻳا ﺦﺑﻮﻳ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا برﺪﻣ ﻲﻨﻴﺸﻧﺎﻣ • 2019 مﺎﻋ ﻰﺘﺣ باﺮﺗ ﻦﻴﻔﻴﻛ سرﺎﺤﻟا ﻊﻣ هﺪﻗﺎﻌﺗ دﺪﻤﻳ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﺖﺧاﺮﺘﻧإ • ﺰﻠﻣﺎﻫ ﺲﺗﺎﻣ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻟا مﺪﻌﺑ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻴﻟا ﺢﺼﻨﻳ ﺰﻔﻳﺮﺠﻳرﺎﻫ • ﺪﻋاﻮﻘﻟا ﻪﻗﺮﺨﻟ ﻚﻟذو ﺲﻴﻧ ﻪﻘﻳﺮﻔﻟ ﺐﻌﻠﻟا ﻦﻋ ﺔﻓﺮﻋ ﻦﺑ ﻒﻗﻮﻳ ﺎﻔﻴﻔﻟا • ﺔﻴﻟوﺪﻟا مﺎﻈﻧ حﻼﺻا تﺎﺿوﺎﻔﻣ فﺎﻘﻳإ راﺮﻗ ﻦﻣ ﺔﺒﺿﺎﻏ ﺔﻴﺑوروﻻا ﺔﻳﺪﻧﻷا ﺔﻄﺑار • تﻻﺎﻘﺘﻧﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﺐﻋﻻ ﺮﺸﺘﻴﻠﻓ ﻦﻳراد ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﺶﺘﻴﻣوﺮﺑ ﺖﺳو • ةرﺎﻋﻹا ﻞﻴﺒﺳ ﻰﻠﻋ ﻮﻛﺎﻧﻮﻣ ﻰﻟإ ﻢﻀﻨﻳ ﻲﺴﻧﺮﻔﻟا ﺎﻴﻠﻴﺳرﺎﻣ ﺐﻋﻻ سﻮﺒﻣﺎﻛوأ • ﻟﻼﻋﺐ اﻟﻜﺜﻴﺮة اﻻﻧﺘﻘﺎدات اﺳﺘﻤﺮار ﺑﻌﺪ ً ﻣﺠﺪدا ﺑﻴﻞ ﻋﻦ ﻳﺪاﻓﻊ أﻧﺸﻴﻠﻮﺗﻲ • ﻲﺳﺎﻴﻘﻟا دﺮﻄﻟا ﻢﻏر يﺪﻨﻟﻮﻬﻟا يروﺪﻟا ﻲﻓ اﺪﻳﺮﺑ ﻰﻠﻋ زﻮﻔﻳ ﻦﻓﻮﻫﺪﻨﻳا • ﺰﻤﻠﻴﻔﻟ جﺎﻌﻟا ﻞﺣﺎﺳ ءﺎﻘﻟ ﻞﺒﻗ ﺰﻴﻛﺮﺘﻟﺎﺑ ﻪﻴﺒﻋﻻ ﺐﻟﺎﻄﻳ ﺔﻴﻃاﺮﻘﻤﻳﺪﻟا ﻮﺠﻧﻮﻜﻟا برﺪﻣ • ﺎﻔﻴﻔﻟا ﻞﺧاد ﻒﻳﻮﺨﺘﻟا ﺔﻓﺎﻘﺛ ﻰﻠﻋ ءﺎﻀﻘﻟا ﺐﺠﻳ : ﻦﻴﺴﺤﻟا ﻦﺑ ﻲﻠﻋ • ﺖﺨﻟرﺪﺗﻻ وﺪﻟﺎﻧور ﺮﻴﻌﻳو ﺶﻳرﺎﻤﻴﺟ ﻊﻓاﺪﻣ ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﻲﻟﺎﻐﺗﺮﺒﻟا ﻮﺗرﻮﺑ • ﺔﺒﻛﺮﻟا ﻲﻓ ﺔﺤﺟﺎﻧ ﺔﻴﺣاﺮﺟ ﺔﻴﻠﻤﻌﻟ ﻊﻀﺨﻳ داﺪﻴﺳﻮﺳ لﺎﻳر ﻢﺟﺎﻬﻣ • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻦﻴﺗارﺎﺒﻤﻟ ﺎﺟوزﻻ ﺮﻴﻴﺑ جرﻮﺒﻣﺎﻫ ﻢﺟﺎﻬﻣ ﺪﻌﺒﺗ ﺔﺑﺎﺻﻻا • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻢﺳﻮﻤﻟا ﺔﻳﺎﻬﻧ ﻰﺘﺣ ﺲﺗﺎﻔﺸﻴﺑ ﻲﺑﺮﺼﻟا ﻪﻌﻓاﺪﻣ ﺪﻘﻔﻳ نﻮﻴﻟ • ﺎﻴﻨﻴﻏ مﺎﻣأ نﺎﻴﺟ بﺎﻴﻏ ﺾﻳﻮﻌﺗ ﻰﻠﻋ ردﺎﻗ ﻮﺴﺗأ : ﺎﻧﺎﻏ ﻊﻓاﺪﻣ هﺎﺴﻨﻣ • ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﻦﻣ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا ﻰﻟا ﻢﻀﻨﻳ نﻮﺳرﺪﻧا ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻤﻘﻟا ةارﺎﺒﻣ ﺔﺠﻴﺘﻧ ﺪﻤﺘﻌﻳو ﻲﻠﻫﻷا ىﻮﻜﺷ ﺾﻓﺮﻳ يﺮﺼﻤﻟا دﺎﺤﺗﻻا • يﺮﺼﻤﻟا يروﺪﻟﺎﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳو ﻲﺒﻧإ مﺎﻣأ ﻂﻘﺴﻳ ﻲﻠﻫﻷا •
ﺔــــﻴـــ ﺮﺑ ـﻌـ واﻟ ة ــــ ﻴـﻤـ ﺎﻟ ـﻌـ اﻟ ﻒـــﺤـﺼـ اﻟ ﻦ ــــ ﺎوﻳ ـﻨـﻋ >
رﻮﻬﺷ 6 ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺎﻴﻨﻴﻏو ﺲﻧﻮﺗ ةارﺎﺒﻣ ﻢﻜﺣ ﻒﻗﻮﻳ فﺎﻛ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟا ﻲﻓ ﻪﻜﻟﺎﺷ ﻊﻣ لدﺎﻌﺘﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳ ﺦﻧﻮﻴﻣ نﺮﻳﺎﺑ • ﺎﺠﻴﻠﺳﺪﻧﻮﺒﻟﺎﺑ ترﻮﻔﻜﻧاﺮﻓ مﺎﻣأ لدﺎﻌﺘﻟا ﺦﻓ ﻲﻓ ﻂﻘﺴﻳ جرﻮﺒﺴﻔﻟﻮﻓ • ﺔﻴﺴﻧﺮﻔﻟا ﺔﻄﺑاﺮﻟا ﻲﺋﺎﻬﻨﻟ ﻞﻫﺄﺘﻳو ﻞﻴﻟ ﺔﺒﻘﻋ ﻰﻄﺨﺘﻳ نﺎﻣﺮﻴﺟ نﺎﺳ • اﺮﺘﻠﺠﻧإ سﺄﻛ ﻲﻓ جﺪﻳﺮﺒﻣﺎﻛ ﻖﺤﺴﻳ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ • ﺎﻴﻟﺎﻄﻳإ سﺄﻛ ﻲﻓ ﺎﻣور طﺎﻘﺳﻹ ﺎﻨﻴﺘﻧرﻮﻴﻓ دﻮﻘﻳ ﺰﻴﻣﻮﺟ ﻮﻳرﺎﻣ • ﻲﺒﻳﺮﻀﻟا بﺮﻬﺘﻟا ﺔﻤﻬﺗ ﻲﻟﺎﺤﻟا ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋﺮﻟ ﻪﺟﻮﺗ ﺔﻴﻧﺎﺒﺳﻻا ﺔﻤﻜﺤﻤﻟا • رﺎﻤﻴﻧ ﺔﻣزأ ةرﺎﺛﺈﺑ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻢﻬﺘﻳو مﺎﻬﺗﻻا ﺾﻓﺮﻳ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ ﺲﻴﺋر • ﺎﻜﻳﺮﻣا ﻰﻟإ ﻖﻳﺮﻔﻟا ﻦﻋ ﻞﻴﺣﺮﻟا ﻦﻠﻌﻳو يﺰﻴﻨﻳدوأ ﺮﻴﻫﺎﻤﺟ مﺪﺼﻳ ﻲﻟﺎﺗﺎﻧ يد • لﻮﺑﺮﻔﻴﻟ ﻊﻣ هﺪﻘﻋ ﺪﻳﺪﻤﺗ ﻰﻠﻋ ﻖﻓاﻮﻳ ﻮﻴﻨﻴﺗﻮﻛ ﺐﻴﻠﻴﻓ ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ راﺮﺳأ ءﺎﺸﻓإ ﺐﺒﺴﺑ ﻲﺴﻴﻣو ﻲﻜﻳﺮﻧاو ةرادﻺﻟ رﺬﺘﻌﻳ ﻮﻴﺛﺎﻣ • ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻲﻓ ﻪﺗﺮﻴﺴﻣ ﻲﻬﻨﻴﺳ ﺐﻋﻼﻟا نأ ﻒﺸﻜﺗ وﺪﻟﺎﻧور لﺎﻤﻋأ ﻞﻴﻛو • ﻖﻳﺮﻔﻠﻟ ﺔﺒﺴﻨﻟﺎﺑ ﺔﻠﻜﺸﻣ ﺪﻌﻳ ﻢﻟ ﻲﺴﻴﻣ : فﺮﺘﻌﻳ ﻲﻜﻳﺮﻧإ ﺔﻧﻮﻠﺷﺮﺑ برﺪﻣ • اﺪﻏ ﺪﻳرﺪﻣ لﺎﻳر ﻊﻣ ﻪﺗﺎﻳرﺎﺒﻣ ﻰﻟوأ ضﻮﺨﻴﺳ درﺎﺠﻳدوأ ﺔﻴﺠﻳوﺮﻨﻟا ةﺮﻫﻮﺠﻟا • زﺮﺠﻨﻳر كرﺎﺑ ﺰﻨﻳﻮﻛ ﺐﻳرﺪﺗ ﻦﻣ ﻞﻴﻘﺘﺴﻳ بﺎﻧﺪﻳر يرﺎﻫ : ﺎﻴﻤﺳر • ﺔﻴﻠﻴﺒﺷإ ةارﺎﺒﻤﻟ ﺎﻔﻠﻴﺳ سﺎﻛﻮﻟ ءﺎﻋﺪﺘﺳا ﻦﻠﻌﻳ لﺎﻳﺮﻟا برﺪﻣ ﻲﺗﻮﻠﻴﺸﻧا • ﻦﻴﻌﺠﺸﻣ ﻊﻣ ﻪﻛﺎﺒﺘﺷﻻ يدرﺎﻜﻳا ﺦﺑﻮﻳ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا برﺪﻣ ﻲﻨﻴﺸﻧﺎﻣ • 2019 مﺎﻋ ﻰﺘﺣ باﺮﺗ ﻦﻴﻔﻴﻛ سرﺎﺤﻟا ﻊﻣ هﺪﻗﺎﻌﺗ دﺪﻤﻳ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﺖﺧاﺮﺘﻧإ • ﺰﻠﻣﺎﻫ ﺲﺗﺎﻣ ﻲﻧﺎﻤﻟﻷا ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻟا مﺪﻌﺑ ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻴﻟا ﺢﺼﻨﻳ ﺰﻔﻳﺮﺠﻳرﺎﻫ • ﺪﻋاﻮﻘﻟا ﻪﻗﺮﺨﻟ ﻚﻟذو ﺲﻴﻧ ﻪﻘﻳﺮﻔﻟ ﺐﻌﻠﻟا ﻦﻋ ﺔﻓﺮﻋ ﻦﺑ ﻒﻗﻮﻳ ﺎﻔﻴﻔﻟا • ﺔﻴﻟوﺪﻟا مﺎﻈﻧ حﻼﺻا تﺎﺿوﺎﻔﻣ فﺎﻘﻳإ راﺮﻗ ﻦﻣ ﺔﺒﺿﺎﻏ ﺔﻴﺑوروﻻا ﺔﻳﺪﻧﻷا ﺔﻄﺑار • تﻻﺎﻘﺘﻧﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﺐﻋﻻ ﺮﺸﺘﻴﻠﻓ ﻦﻳراد ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﺶﺘﻴﻣوﺮﺑ ﺖﺳو • ةرﺎﻋﻹا ﻞﻴﺒﺳ ﻰﻠﻋ ﻮﻛﺎﻧﻮﻣ ﻰﻟإ ﻢﻀﻨﻳ ﻲﺴﻧﺮﻔﻟا ﺎﻴﻠﻴﺳرﺎﻣ ﺐﻋﻻ سﻮﺒﻣﺎﻛوأ • ﻟﻼﻋﺐ اﻟﻜﺜﻴﺮة اﻻﻧﺘﻘﺎدات اﺳﺘﻤﺮار ﺑﻌﺪ ً ﻣﺠﺪدا ﺑﻴﻞ ﻋﻦ ﻳﺪاﻓﻊ أﻧﺸﻴﻠﻮﺗﻲ • ﻲﺳﺎﻴﻘﻟا دﺮﻄﻟا ﻢﻏر يﺪﻨﻟﻮﻬﻟا يروﺪﻟا ﻲﻓ اﺪﻳﺮﺑ ﻰﻠﻋ زﻮﻔﻳ ﻦﻓﻮﻫﺪﻨﻳا • ﺰﻤﻠﻴﻔﻟ جﺎﻌﻟا ﻞﺣﺎﺳ ءﺎﻘﻟ ﻞﺒﻗ ﺰﻴﻛﺮﺘﻟﺎﺑ ﻪﻴﺒﻋﻻ ﺐﻟﺎﻄﻳ ﺔﻴﻃاﺮﻘﻤﻳﺪﻟا ﻮﺠﻧﻮﻜﻟا برﺪﻣ • ﺎﻔﻴﻔﻟا ﻞﺧاد ﻒﻳﻮﺨﺘﻟا ﺔﻓﺎﻘﺛ ﻰﻠﻋ ءﺎﻀﻘﻟا ﺐﺠﻳ : ﻦﻴﺴﺤﻟا ﻦﺑ ﻲﻠﻋ • ﺖﺨﻟرﺪﺗﻻ وﺪﻟﺎﻧور ﺮﻴﻌﻳو ﺶﻳرﺎﻤﻴﺟ ﻊﻓاﺪﻣ ﻊﻣ ﺪﻗﺎﻌﺘﻳ ﻲﻟﺎﻐﺗﺮﺒﻟا ﻮﺗرﻮﺑ • ﺔﺒﻛﺮﻟا ﻲﻓ ﺔﺤﺟﺎﻧ ﺔﻴﺣاﺮﺟ ﺔﻴﻠﻤﻌﻟ ﻊﻀﺨﻳ داﺪﻴﺳﻮﺳ لﺎﻳر ﻢﺟﺎﻬﻣ • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻦﻴﺗارﺎﺒﻤﻟ ﺎﺟوزﻻ ﺮﻴﻴﺑ جرﻮﺒﻣﺎﻫ ﻢﺟﺎﻬﻣ ﺪﻌﺒﺗ ﺔﺑﺎﺻﻻا • ﺔﺑﺎﺻﻻا ﺐﺒﺴﺑ ﻢﺳﻮﻤﻟا ﺔﻳﺎﻬﻧ ﻰﺘﺣ ﺲﺗﺎﻔﺸﻴﺑ ﻲﺑﺮﺼﻟا ﻪﻌﻓاﺪﻣ ﺪﻘﻔﻳ نﻮﻴﻟ • ﺎﻴﻨﻴﻏ مﺎﻣأ نﺎﻴﺟ بﺎﻴﻏ ﺾﻳﻮﻌﺗ ﻰﻠﻋ ردﺎﻗ ﻮﺴﺗأ : ﺎﻧﺎﻏ ﻊﻓاﺪﻣ هﺎﺴﻨﻣ • ﺔﻴﺋاﻮﺘﺳﻻا ﺪﺘﻳﺎﻧﻮﻳ ﺮﺘﺴﺸﻧﺎﻣ ﻦﻣ نﻼﻴﻣ ﺮﺘﻧا ﻰﻟا ﻢﻀﻨﻳ نﻮﺳرﺪﻧا ﻲﻠﻳزاﺮﺒﻟا • ﺔﻤﻘﻟا ةارﺎﺒﻣ ﺔﺠﻴﺘﻧ ﺪﻤﺘﻌﻳو ﻲﻠﻫﻷا ىﻮﻜﺷ ﺾﻓﺮﻳ يﺮﺼﻤﻟا دﺎﺤﺗﻻا • يﺮﺼﻤﻟا يروﺪﻟﺎﺑ طﺎﻘﻨﻟا ﻒﻳﺰﻧ ﻞﺻاﻮﻳو ﻲﺒﻧإ مﺎﻣأ ﻂﻘﺴﻳ ﻲﻠﻫﻷا •
১.ফেরাউন মুসা (আঃ) কে বলেছিল আমাকে খোদা মেনে নাও, তোমাকে মুক্ত করে দেব । ২.নমরুদ বলেছিল ইবরাহিম (আঃ) কে তোমার পথ ত্যাগ করে আমাদের পথে চলে আসো তোমাকে সব দেব । অথবা মৃত্যুকে গ্রহন কর । ৩.মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) কে আবু জেহেল গং বলেছিল তোমার এক আল্লাহর ইবাদত ও তার দ্বীন প্রচার ছেড়ে লাত মানাতের পুজা কর !! তোমাকে আরবের সাম্রাজ্য দেব। ৪.অনেক সাহাবীকে লোভ দেখানো হয়েছে মুহাম্মাদের (সাঃ) এর পথ ত্যাগ করে আসলে সুন্দরী রমণী ও ধন- দৌলত দেব। ৫.ইমাম আবু হানিফা (রহ.) কে ক্ষমতার লোভ দেখানো হয়েছে । বিনিময়ে খলিফার কথামত চলতে হবে । তারা কেউই কোন অবস্থায়ই আল্লাহর উপর থেকে ভরসা হারান নি। আর আমরা দুনিয়ার মোহে ভূলে যাই আমাদের সৃষ্টিকর্তার কথা। কর্মব্যস্ততায় ভূলে যাই নামাযের কথা। নিজ স্বার্থের জন্য সত্য চেপে যাই কিংবা মিথ্যা বলতে দ্বিধা করি না। অপরের বিরুদ্ধে কুটনামি করতে আমাদের বিন্দুমাত্রও খারাপ লাগে না। আমরা ভূলে যাই আমাদের প্রতিটি কর্মই আমাদের আমলনামায় লিখা হচ্ছে। আমরা ভূলে যাই একদিন আমাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে। আমরা ভূলে যাই আমাদেরকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। এই দুনিয়া একটি পরীক্ষাক্ষেত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আল্লাহর আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
তাবলীগ সম্পর্কে জরুরী সতর্কবাণী
**********************
পবিত্র হাদিছ শরীফে সতর্ক করে দেয়া
হয়েছে যে, ইসলামের নামে ৭৩টি দল
হবে এবং ছুন্নী নামে অভিহিত
ইসলামের প্রকৃত দল ব্যতীত ৭২টিই হবে
ঈমানের বিপরীত, পথভ্রষ্ট ও
জাহান্নামী। অতীতের খারেজী,
রাফেজী, শিয়া ও বর্তমানের ওহাবী,
মওদুদী, কাদিয়ানী, তবলিগী প্রভৃতি
দলমত স্পষ্টভাবে সেসব বাতেল
ফেরকার অন্তর্গত যারা নানাবিধ
বিজাতীয় মতবাদের সহায়তায় প্রকৃত
ইসলাম ধ্বংসের জন্য ইসলামের নামে
প্রতারণা করে যাচ্ছে। ইসলামের মূল
বিষয় ঈমান বাদ দিয়ে ঈমানের কোন
শর্ত অমান্য করে কোন আমল এবাদত হয় না,
মুসলিম দাবী ও হয় না। অথচ এসব দল
ঈমানের বিভিন্ন মৌলিক বিষয়ে
বিপরীত মত প্রচার করে, অপরদিকে আইন-
আমল-মছলার প্রদর্শনী করে মানুষকে
প্রতারণা করে। কোরআন ও হাদিছ
শরীফের অপব্যাখ্যাকারী দ্বীন
বিকৃতিকারী মুসলিম ঐক্যবিনাশী এসব
দলমতে যোগ দিয়ে ছুন্নী তথা প্রকৃত
মুসলিম দাবী করা যাবে না বরং
বিশ্বাসঘাতক ও দ্বীনের শত্রু সাব্যস্ত
হতে হবে।
অনেকে না জেনে ভাল কাজ মনে
করে তবলীগে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন
বিধায় আমরা এই বিনাশী ফেতনা
সম্পর্কে সজাগ করে দিচ্ছি যে, এ দলের
প্রতিষ্ঠাতা দিল্লির ইলিয়াছ
মেওয়াতী তাঁর মলফুজাত বইতে নবুওত
এবং নবী-রাসুল সম্পর্কে ঈমান
ধ্বংসাত্বক কুফরী উক্তি করেছে,
ইসলামের পাঁচ মূলনীতি রদবদল করে
মনগড়া ছয় মূলনীতি চালুর ধৃষ্টতা
করেছে, পবিত্র কোরআনের
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বৈরাগ্য
প্রবর্তন করে ঘরবাড়ী-মাতাপিতা-
স্ত্রী ও সন্তানের ফরজ দায়িত্ব লংঘন
করে যাযাবরের মত ঘুরে মুসলিম
পরিবার ও সমাজকে দেউলিয়া করে
দিচ্ছে, মসজিদগুলোকে মিথ্যা
প্রচারের আস্তানা ও নোংরা বসত
বাড়ী বানিয়ে অপবিত্র করছে,
দ্বীনের অপব্যাখ্যা ও বিকৃতির মাধ্যমে
মানসিক অস্বাভাবিকতা ও জীবনের
ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে, ইসলাম
পরিপন্থী বিভিন্ন মতবাদের
আধিপত্যের স্বার্থে ও মুসলিম
জাতিকে ধ্বংস করার জন্য এরা
দ্বীনের পূর্ণাংগতা বিনষ্ট করে
দ্বীনের রাজনৈতিক দিক অস্বীকার
করে দ্বীনকে অরাজনৈতিক গন্ডীবদ্ধ
করছে,আল্লাহতালার আউলিয়া
কেরামের শানে অবমাননা করে
তাদের বরকতময় মাজার জিয়ারতে
বাধা দিয়ে ইসলামের আধ্যাত্মিক
দিক তাসাউফের আলো থেকে
মুসলমানদের বঞ্চিত করছে, হাদিছ
শরীফে ফরজ ঘোষিত মেয়েদের
শিক্ষা রুদ্ধ করে এবং স্বাভাবিক
পর্দার পরিবর্তে অতিপর্দার অবরোধ
করে এরা মুসলিম মেয়েদের মানসিক
পঙ্গু করে মুসলিম সমাজকে বিকলাংগ
করে দিচ্ছে, যেন এ জাতি দুনিয়ার
অন্যান্যের সামনে দাঁড়াতে না
পারে, সর্বোপরি এ ঘৃণ্য দল কৌশলে
নবু্ও্ত রেছালাতের বিভিন্ন সিফাত
অস্বীকার করে মানুষকে ঈমানের মূল
মহান প্রিয় নবী সম্পর্কে বিভ্রান্ত করে
আত্মিক হত্যা করে আল্লাহতালা
থেকে বিচ্ছিন্ন করছে। বাহ্যিক
ছদ্মবেশের আড়ালে এ দলটি ভয়ংকর
ক্রিমিনালের আখড়াও বটে, যেমন
লোমহর্ষক নিদারাবাদ গণহত্যার কুখ্যাত
খুনী তাজুল ঐ দলেরই আমীর ছিল।
আমি চ্যালেঞ্জ করছি এটা ইসলামী দল
নয়, মিথ্যা-মুর্খতা-কুসংস্কার ও
প্রতারণা। এ দলে গিয়ে ঈমান
হারাবেন না, ইসলামকে বিকৃত ও
ধ্বংসে সহায়ক হবেন না। এতে গিয়ে
আল্লাহ তায়ালার রহমত নয়, লা'আনত ও
গজব এবং দোজাহানে ধ্বংসই কেবল
হতে হবে। যারা ইসলাম মনে করে
প্রতারিত হয়ে ওহাবী মতবাদ ভিত্তিক
ইলিয়াছি তাবলিগী ফেরকায়
জড়িয়ে গেছেন তাদেরকে আমরা এই
গোমরাহী বর্জন করে ফিরে আসার
আহ্বান করছি। সর্বস্তরের মুমিন ভাই-
বোনদের আমরা দ্বীন ধ্বংসাত্মক এ
মহামারী প্রতিরোধে আবেদন
জানাচ্ছি। এতদাসঙ্গে বাতিল
ফেরকা ও বিজাতীয় মতবাদ ভিত্তিক
ভ্রান্ত দলমত ত্যাগ করে যুগের সঠিক
দিকদর্শন, দ্বীনের মূল আকিদা প্রকৃত
আদর্শ ও পূর্ণাঙ্গতার ধারক
মাইজভাণ্ডার বাংলাদেশ এ ঐক্যবদ্ধ
হয়ে প্রিয় নবী কেন্দ্রীক জীবন-সমাজ ও
রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে
আল্লাহতালার প্রকৃত পথে
দোজাহানের অগ্রগতির ধারায়
এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি
আল কুরআনের ভাষাশৈলী
আলকুরআন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন
একজন ব্যাক্তির উপর নাযিল হয়েছে যার
কোন অক্ষরজ্ঞান ছিল না। আল্লাহ
তাআলা ইচ্ছা করেই এমনটি এই জন্য করেছেন
যাতে প্রমাণিত হয় যে, এ গ্রন্থটি এমন
চমকপ্রদ আলংকারিক ভাষা ও শৈলী বহন
করে যা কোন নিরক্ষর লোকের ব্যক্তিগত
ভাষা হতে পারে না। যে সময় কুরআন নাযিল
হয়, সে সময় আরবে খ্যাতিমান কবি-
সাহিত্যিকদের অভাব ছিল না। কিন্তু
তারপরও আল্লাহ যখন কুরআনের অনুরূপ কুরআন
সৃষ্টির জন্য চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলেন; তখন
এসব কবি-সাহিত্যিক অপারগতা প্রকাশ
করে বলল; ‘লাইসা হাযা মিন কালামিল
বাশার’ (এটা কোন মানব রচিত বাণী নয়)-এর
ভাষা, রচনাশৈলী ও বিন্যাস পদ্ধতি উঁচু
মানের। এ গন্থে উঁচু স্তরের
শিল্পকলা বিদ্যমান, যা কুরআনের বিশেষ
কোন অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়
বরং গোটা কুরআনে তা সমভাবে বিস্তৃত।
কুরআনের সাহিত্যশৈলী মানবরচিত
সাহিত্যশৈলীর আওতায় পড়ে না। মানবরচিত
সাহিত্যশৈলীতে যেমন গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা,
উপন্যাস, নাটক ও পৌরাণিক কাহিনী লক্ষ্য
করা যায় কিন্তু কুরআন এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।
মি· বেল-এর মতেঃ ‘কুরআনে মুহাম্মদ(স)
কে একজন কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়
না বরং তাঁর কাজ ছিল আল্লাহর
বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। এ জন্যেই
কুরআনের ভাষা যতটা না শিল্প-সৌন্দর্য
মন্ডিত, তার চেয়ে বেশি উপদেশমূলক।’
যুগে যুগে আরব সাহিত্যিক ও ভাষাবিদগণ
কুরআনের ভাষা ও
সাহিত্যশৈলী সম্পর্কে দারুণভাবে মুগ্ধ
হয়েছেন। তাঁদের মতে, কুরআনের ভাষা ও
সাহিত্যশৈলীর কোন তুলনা নেই।
এটি শাশ্বত ও চিরন্তন মুজিযা, যার
চ্যালেঞ্জ সর্বকালের জন্য প্রযোজ্য।রাসূল
(স)-এর প্রতি আল্লাহর সম্ভাষণে আরেক
ধরনের ভাষাশৈলী পাওয়া যায়। যেমন
আল্লাহর বাণীঃ ‘ইয়া আইয়্যুহাল
মুযযাম্মিল’ (হে চাদরাবৃত রাসুল!) (আলকুরআন,
৭৩:১) ‘ইয়া আইয়্যুহাল
মুদ্দাস্সির’ (হে বস্ত্রাবৃত রাসুল!) (আলকুরআন,
৭৪:১) এ আয়াত দু’টিতে আল্লাহ তাঁর প্রিয়
রাসুলকে যথাক্রমে ওহে চাদরাবৃত ও
ওহে বস্ত্রাবৃত হিসেবে সম্ভাষণ করেছেন।
সাধারণ কবি-সাহিত্যিকগণ নির্দিষ্ট কোন
বিষয়ের উপরই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখেন।
খুব কম কবি-সাহিত্যিকই আছেন যারা এই
সীমা অতিক্রম করতে পারেন। যদি কেউ
চেষ্টাও করে থাকেন, তবে তা তাঁর নিজস্ব
বিষয়ের তুলনায় ততটা মানসম্পন্ন হয় না ।
অন্যদিকে কুরআনের সাহিত্যিক মান এ
সীমাবদ্ধতার সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে।
বিভিন্নমূখী এমনকি পরস্পর
বিপরীতধর্মী বিষয়ের প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ
আলকুরআন, যেখানে প্রতিটি বিষয়ের
বর্ণনাশৈলী সাহিত্যের মান
বিচারে সমমানের।কুরআনের উন্নত ভাষা ও
সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষ
তথা সাহিত্যে সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে কুরআন
অবতীর্ণের সমসাময়িক সময়ে আরবের কাফির
মুশরিকগণ কখনও কুরআনকে কাব্য, আবার
কখনো যাদু বলে আখ্যায়িত করতো।
শৈল্পিক সৌন্দর্যমণ্ডিত কুরআন
দ্বারা প্রভাবিত হয়েও কাফির মুশরিকদের
অনেকেই হেদায়েত গ্রহণ করেনি। আবার
অনেকে দ্বিধাহীন চিত্তে দাখিল হয়েছেন
পবিত্র ইসলামে।হযরত ওমর (রা) নিজেই
স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে, ‘যখন
আমি কুরআন শ্রবণ করলাম তখন আমার
মধ্যে এক ভাবন্তর সৃস্টি হলো, যার
কারণে আমি কাঁদতে লাগলাম এবং ইসলাম
গ্রহণ করে ফেললাম’। ওয়ালিদ বিল
মুগীরা বলেছেনঃ ‘কুরআনের
মধ্যে যাদুকরী প্রভাব বিদ্যমান,
তোমরা কি লক্ষ্য করনি কিভাবে কুরআন
একজন মানুষকে তার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-
বান্ধব থেকে পৃথক করে দেয়? মুমিনগণ কুরআন
পাঠ করার পর যে প্রতিক্রিয়া তাদের
মধ্যে সৃষ্টি হয়, সে সম্পর্কে কুরআনেই
বলে দেয়া হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছেঃ ‘কুরআন
পাঠে তাদের লোম
কাটা দিয়ে ওঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের
প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের শরীর ও মন
আল্লাহর যিকিরে একাকার হয়ে যায়’। কুরআন
সম্পর্কে তাদের এ ধরনের মন্তব্যের
মধ্যে দিয়ে আজও একটি প্রশ্ন জাগে যে,
কুরআনে ভাষা ও সাহিত্যশৈলী কেন
এতো মনোহর? এট কি আল-কুরআনের অনুপম
সাহিত্যশৈলীর কারণে না অন্য কিছু?
গবেষণায় প্রতীয়মান হয় যে, কুরআনের
প্রতি এই আকর্ষণ কেবল মহান আল্লাহ
তাআলার ভাষা ও সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষের
কারণেই।আল কুরআনের বাচন-ভঙ্গি, শব্দচয়ন
সর্বোপরি বক্তব্য প্রকাশের স্বচ্ছতা ও
চমৎকারিত্ব সম্পর্কে মনীষী মেল বলেন, ‘এ
কথা স্বতঃসিদ্ধ যে, কুরআনের ভাষা,
স্বচ্ছতা ও ঔজ্জ্বল্যের দিক দিয়ে চূড়ান্ত
সোপানে উন্নীত। মুহাম্মদ (স) কুরআনের
অলৌকিকত্ব দিয়ে নবুওয়াতের
সত্যতা প্রমাণ করতে পেরেছেন। বড় বড়
ব্যক্তি ও পণ্ডিতদের তিনি চ্যালেঞ্জ
করেছেন। হাজার হাজার মানুষ
সে যুগে কুরআনের ভাষা ও শৈলীর
বিপরীতে চমকপ্রদ কিছু
সৃষ্টি করে বিজয়ী হতে প্রচণ্ড উৎসাহী ছিল।
কিন্তু কুরআন তাদেরকে মাত্র একটি আয়াত
বা সুরা রচনা করতে চ্যালেঞ্জ করেছিল।
জবাবে তারা নিশ্চুপ, নিস্তব্ধ ও নীরব ছিল।
অন্যদিকে আলী ইবন রব্বান আততাবারীর
ভাষায় ‘আল-কুরআনের ক্রটিবিহীন
রচনাশৈলী ও সাহিত্যরীতি জগতের কোন
ভাষায় বা গ্রন্থে মিলবে না’।আল-কুরআনের
রচনাশৈলী ও
সাহিত্যরীতি সম্পর্কে ইবনে জারীর
আততাবারীর অভিমত হচ্ছেঃ ‘আল-কুরআনের
চিরন্তন বাণী একটি অবিনশ্বর মুজিযা,
যা চিরদিন অক্ষুণ্ন থাকবে। মানুষের
প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার দ্বারাও এ
চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা সম্ভব হবে না।
কুরআনের রচনাশৈলী ও ভাষার লালিত্য এতই
অসাধারণ যে, যা অন্যসব আসমানী কিতাবের
গুণাবলিকে ম্স্নান করে দেয়। তদানীন্তন
আরবের কত খ্যাতনামা কবি, আর যুগ
যুগান্তরের কত সাহিত্যরথী ও
বাগ্মীদেরকে হতবাক করে দিয়েছে।
কুরআনের বিরুদ্ধে তাদের সকল ধারণা ও
প্রচেষ্টা একান্তভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত
হয়েছে।কুরআনের ভাষা ও
সাহিত্যশৈলী সম্পর্কে জন নেইশ কি বলেন,
সেটাও আমরা জেনে নিতে পারি। উইজডম
অফ কুরআন গ্রন্থে তিনি লিখেন,''The Quran
is its Original Arabic dress has a seductive
beauty and charm of its own couched in
concise and exalted style. Its brief pregnant,
sentences, often rhymed possess and
expressive force and explosive energy which it
is extremely difficult to convey by literal word
for word translation." John Naish M.A. (oxon)
D.D. The wisdom of the Quran, Oxford
1937ফ্রান্সের ভাষাবিদ এডওয়ার্ড মোনটেট
মনে করেন কুরআনের ভাষা ও
সাহিত্যশৈলী অনিন্দ্য সুন্দর ও অতুলনীয়।
মানবীয় কোন সাহিত্য কর্মের সাথে এর
তুলনা হয় না। তিনি বলেনঃ"All those who are
acquainted with the Quran in Arabic agree in
praising the beauty of this religious book; its
grandeur of form is so sublime that no
translation into any European Language can
allow us to appreciate it".(Edward Montet,
Traduction francaise du Coran, Pari 1929,
Introduction, P-53)অতএববলা যায়, আল-
কুরআনেরঅনিন্দ্য সুন্দর ভাষা ও
সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষের কারণেই আল-
কুরআন প্রাণবন্ত
এবং আগাগোরা চিত্তস্পর্শী। তাই কুরআন
পাঠকালে পাঠকের হ্নদয় ভরে যায় স্বর্গীয়
আনন্দে। নিঃসন্দোহে আল-কুরআন
ভাষাশৈলীর উৎকৃষ্টতম নিদর্শন। আর, এই
মহাগ্রন্থে বিধৃত প্রতিটি শব্দ ও বাণীর
আবেদন মানবজীবনে চিরকালীন
এবং সর্বব্যপী।*************************
ড· মুহাম্মদনজরুল ইসলাম খান আলমারুফ
অনেক দিন পর। আপনাদের
কাছে ফিরে এলাম।
ভালও লাগলে কমমেনট করবেন।
♠♠♦♦♠♦♠♦♦♦♦♦♠♠♦♠♦
একটা বিখ্যাত গল্প আছে, কেউ
কেউ হয়ত শুনে থাকবেন ৷
গল্পটা চারটি গরুকে নিয়ে ৷
তিনটি কালো, একটি সাদা ৷
তারা একটা শ্বাপদসংকুল
এলাকায় বাস করতো ৷ এজন্য
নিরাপত্তার
খাতিরে তারা একসাথে থাকত
এবং একে অপরের প্রতি সতর্ক
দৃষ্টি রাখতো ৷ যার
ফলে তারা টিকে ছিল ৷
একদিন কালো তিনজন একত্র হল
এবং বলল ‘এই সাদা গরুটার জন্য
আমরা ধরা পড়ে যাব ৷
আমরা কালো বলে রাতের
বেলা শত্রু আমাদের
দেখতে পায়না, কিন্তু
তাকে দেখতে পায় ৷ চল ঐ
গরুটাকে আমরা পরিত্যাগ
করি ৷ তারপর আমরা তিনজন
একসাথে থাকবো ৷’ যেমন
কথা তেমন কাজ ৷ সেদিন
থেকেই
কালো গরুগুলো সাদাটাকে বয়কট
করল, তিনজন একপাশে থাকত আর
বেচারা সাদা গরু আরেক
পাশে ৷
সেখানকার নেকড়ে, এই গরুদের
মধ্যে অনৈক্য
বুঝে ফেললো এবং সে সাদা গরুটার
উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো ৷ যখন
নেকড়ে সাদা গরুটার গোশত
খুলে খুলে খাচ্ছিল, তখন
কালো গরুগুলো কোন
বাধা দিলনা ৷
তারা তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের
ভাইকে টুকরো টুকরো হতে দেখছিল
৷
পরের
রাতে নেকড়ে কালো গরুগুলো উপর
আক্রমণ করলো, কারণ তাদের
শক্তি কমে গেছে ৷ এজন্য
নেকড়ে একটা কালো গরুকে ছিনিয়
হলো ৷
পরের রাতে নেকড়ের জন্য
কাজটা আরো সহজ হয়ে গেল,
কারণ গরু আছেই মাত্র দু'টো ৷
নেকড়ে খুব সহজে আরেকটা গরু
খেয়ে নিল ৷
শেষ রাতে গরু বাকি রইল মাত্র
একটা ৷ গরুটা ভয়ে এদিক ওদিক
ছুটোছুটি করলো, কিন্তু তার
কোন সাহায্যকারী নেই ৷
নেকড়ে বুঝল
গরুটা দৌড়াদৌড়ি করে হাঁপিয়ে এ
পড়ে যাবে, তাই সে মনের
আনন্দে পায়চারি করতে লাগলো ৷
সময় সুযোগমত সে গরুটার উপর
ঝাঁপিয়ে পড়লো ৷ জীবনের
শেষ
মুহূর্তে এসে গরুটা একটা কথা বলেছি
খুবই শিক্ষণীয় কথা ৷
সে বলেছিল,
‘আমিতো সেদিনই খাদ্য
হয়েছি, যেদিন
সাদা গরুটাকে খাওয়া হয়েছে ৷’
অর্থাৎ গরুটা বুঝতে পেরেছিল,
যেদিন
সে সাদা গরুটাকে সাহায্য
করেনি, সেদিনই সে নিজের
মৃত্যুর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ৷
আশা করি কাহিনীটি থেকে আপন
শিক্ষা পেয়ে গেছেন ৷ প্রথমত,
এই গল্পের সাথে বর্তমান
উম্মাহর অনেক মিল
পাওয়া যাবে ৷
আমরা দেখতে পাচ্ছি একের
পর এক মুসলিম জাতির/দেশের
পতন ঘটছে ৷ আমরা কি করছি?
আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি ৷
যখন
ফিলিস্তিনকে কেড়ে নেয়া হল,
আমরা কিছুই করিনি ৷ এরপর
একের পর এক জাতি বিপদের
মুখে পড়তে লাগল - কাশ্মীর,
চেচনিয়া, ফিলিপাইনের
মুসলিম এবং সর্বশেষ ইরাক ৷
ইরাকে যখন হত্যাযজ্ঞ চলছে,
তখন আমরা কিছুই করিনি ৷
এখানেই শেষ নয়,
পরবর্তীতে আরো জাতিকে ধরা হব
কাকে ধরা হবে তা আল্লাহ্ই
ভাল জানেন ৷
গল্পটা থেকে বুঝা যায়,
যে মুসলিম জাতিগুলো এখনও
টিকে আছে সেগুলো প্রথম
জাতিটার পতনের
সাথে সাথেই পরাস্ত হয়েছে ৷
দ্বিতীয়ত, এ গল্প
থেকে অনৈক্যের ফলাফল
বুঝা যায় ৷ গরুগুলো যতদিন
একসাথে ছিল, ততদিন শত্রু কিছু
করতে পারেনি। কিন্তু যেই
তারা একজনকে ছেড়ে দিল,
তখন কি হল? তারা সকলেই
হেরে গেল৷
রসূলুলৱাহ্ (সা.) বলেছেন, ‘এই
উম্মত হল একটি দেহের মত ৷
যদি দেহের কোথাও
ব্যথা লাগে,
তাহলে গোটা দেহ
জ্বরাক্রান্ত হয় ও
ঘুমাতে পারেনা ৷' (বুখারী)৷
অর্থাৎ কারও হাত
বা পায়ে আঘাত লাগলে,
সে ব্যথার
কারণে ঘুমাতে পারেনা,
এবং তার দেহ
ব্যথা সারাতে গিয়ে জ্বরগ্রস্থ
হয়ে পড়ে ৷ পূর্ব, পশ্চিম বা উত্তর,
দক্ষিণের মুসলিম
জাতি ব্যথা পেলে, আপনারও
এমন ব্যথা লাগা উচিত যেন
আপনার নিজ পরিবার আহত
হয়েছে ৷ আপনি যদি শুধু নিজের
এবং আপনজনদের
নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত
হন - তবে একটা সমস্যা আছে,
তখন আপনাকে আর দেহের
(উম্মাহ) অংশ বলা যায় না ৷
মুসলিমরা রাষ্ট্র, মাযহাব,
দলাদলি নিয়ে বিভক্ত
হতে পারে, কিন্তু তাদের বড়
পরিচয় তারা মুসলিম
(যদি না তারা পথভ্রষ্টদের
মধ্যে কেউ হয়) ৷
অনেকে দাবী করেন ‘আমি ও
আমার দল মুসলিম’,
অন্যরা যেহেতু তাদের দলের
অনুসরণ করেন না তাই
অন্যরা মুসলিম না ৷ আপনি যতক্ষণ
না কোন
ভাইকে বা বোনকে কাফের
প্রমাণ করতে পারবেন, ততক্ষণ
সে মুসলিম [একজন মানুষের
অন্তরে ঈমান আছে কি নেই
তা দেখার ক্ষমতাও আমাদের
নেই বা তা দেখার নির্দেশও
আমাদের দেয়া হয়নি ৷ রসূল
(সা) আমাদের বাহ্যিক আমল
দেখে মুসলিম সনাক্ত
করতে বলেছেন ৷ যেমন: নামায,
যাকাত, হজ্জ ইত্যাদি]৷
আমরা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য
চাই ৷ ঐক্য বলতে বলছিনা দল,
মাযহাব সব বাদ
দিয়ে সবাইকে একটা জামাতের
অনুসরণ করতে হবে ৷
সেটা হয়তো এই মুহূর্তেই সম্ভব নয়
৷ ঐক্য বলতে আমরা বলছি,
আপনি যে মুসলিম গোষ্ঠীর
(বা group-এরই) হননা কেন,
যে মাযহাবের হননা কেন -
আপনি বিপদে আপনার ভাইয়ের
পাশে এসে দাড়াঁবেন - এটাই
ঐক্য!
মুসলিমদের মধ্যে একেকটা দল
একেক রকম কাজ করছে - এই
বিভিন্নতার দরকার আছে ৷
মুসলিমদের আজ সব
ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে ৷
কেউ হয়তো দাওয়াহর কাজ
করছে, কেউ ইল্ম অর্জন করছে,
কেউ এবাদতে মশগুল আছে ৷
মানুষ বিভিন্ন রকমের, তাই
কাজও বিভিন্ন রকম হবে ৷
মানুষের দক্ষতাও একেক রকম,
কেউ ভাল আলেম, কেউ ভাল
ইমাম আর কেউ বা ভাল শিক্ষক ৷
কেউ কেউ আছেন
যারা কথা কম বলেন, কাজ
বেশি করেন ৷ সব ধরনের
লোকেরই দরকার আছে ৷
তাই অন্য মুসলিম ভাইদের
সাথে আপনার চিন্তাধারার
মিল নাও থাকতে পারে,
কিন্তু তাদের
বিপদে আপনি সাহায্য করবেন -
একেই বলে একতা ৷
আমাদের তাই রসূল (সা)
হাদীসটির কথা স্মরণ রেখে ও
সারা পৃথিবীর মুসলিমদের
দুর্দশার কথা চিন্তা করে কষ্ট
লাগা উচিত ৷ ফিলিস্তিন,
ইরাক বা কাশ্মীরে কি হচেছ
সে ব্যাপারে আপনাকে সচেতন
হতে হবে, যদিও তা আপনার
দেশ নয় ৷ এসব মুসলিম দেশের
কয়েকটির মধ্যে বিরোধ
থাকতে পারে, যুদ্ধ
বা রাজনৈতিক সমস্যাও
থাকতে পারে ৷ কিন্তু তাই
বলে আপনার মনোভাব একই
থাকবে,
যা সমস্যা তা সরকারের মধ্যে,
সে দেশের
মুসলিমরাতো আপনার ভাই ৷
যে মুসলিমদের
নিয়ে ভাবেনা সে তাদের
অন্তর্ভুক্ত নয় ৷
রসূল (সা.) বলেছেন, ‘একজন মানুষ
যাকে ভালবাসে (কেয়ামতের
দিন) তার সাথে থাকবে ৷’
আপনি যদি মুসলিমদের
ভালবাসেন, তবে মুসলিমদের
সাথে থাকবেন (জান্নাতে),
আর যদি কাফিরদের
ভালবাসেন, তবে আপনার
আবাস হবে তাদেরই
সাথে (জাহান্নামে) ৷
রসূল (সা.) বলেছেন,
কেয়ামতের দিন আল্লাহ
বলবেন ‘তোমরা যার
উপাসনা করতে তার পিছু পিছু
যাও৷’ তাই যে ক্রুশের
উপাসনা করত, সে ক্রুশের
কাছে যাবে,
যে প্রতিমা পূজা করত,
সে প্রতিমার কাছে যাবে ৷
এরপর আল্লাহ এসব
মিথ্যা উপাস্যদের
জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন
এবং তাদের অনুসারীরাও
তাদের পিছু পিছু যাবে ৷
গল্পটা থেকে তৃতীয়ত
আমরা বিশ্বাসঘাতকতার
পরিণাম জানতে পারি,
জানতে পারি একজন
মুসলিমকে পরিত্যাগ করার কুফল
৷ রসূল (সা) বলেছেন, 'যে তার
মুসলিম ভাইকে অত্যাচার
করেনা,
বিশ্বাসঘাতকতা করেনা এবং পরিত্
করেনা সেই (প্রকৃত) মুসলিম
৷' (বুখারী ও মুসলিম) ৷
সাফল্যের একমাত্র
চাবিকাঠি কি হতে পারে? নিশ্চই
আল্লাহকে অন্ধের মত ভালোবাসা,
উনার উপর অন্ধের মত বিশ্বাস
রাখা, আর উনার উপর শর্তবিহীন
আস্থা রাখা। আমরা আল্লাহর
ভয়ে নামাজ,কালাম, রোজা, হজ্জ,
যাকাত
এইগুলা দেই/করি কিন্তু কেউ
কি আল্লাহকে ভালোবেসে একবারো নামাজ
পড়েছেন? নামাজ
শেষে দু'আয়
কি একবারো আল্লাহকে মন
ভরে Thanks for
everything বলেছেন?
---------------------------------------------
আপনি যদি নিজেকে একজন 'মুসলিম'
হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ
করেন, তাহলে এই প্রশ্নটি আপনার
জন্য।
পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসের
বর্ণনায় এই
কথা অকাট্যভাবে প্রমানিত
যে আসহাবে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)
বা সাহাবীরা,
তাবেঈ'রা এবং তাব-ই-
তাবেঈ'রা সবচেয়ে উত্তম
এবং মহিমান্বিত আল্লাহ পাকের
কাছে সবচেয়ে বেশী মর্যাদার
অধিকারী।
অথচ পার্থিব দৃষ্টিতে –
তাঁদের শিক্ষার চেয়ে আমাদের
শিক্ষা বেশী,
তাঁদের টাকা-পয়সার
চেয়ে আমাদের টাকা-পয়সা বেশী,
তাঁদের জীবন পদ্ধতির
চেয়ে আমাদের জীবন
পদ্ধতি বেশী আধুনিক।
তাঁদের কাছে পবিত্র কুরআন ও হাদীস
ছিল, আমাদের কাছেও আছে।
তাঁরা সালাত, সাওম ও হাজ্জ্ব পালন
করতেন, যাকাত আদায় করতেন।
আমরাও একই বিষয়গুলো পালন করার
চেষ্টা করি।
তারপরেও তাঁরা আমাদের
চেয়ে কোটি গুন 'উত্তম' অবস্থায়
পৃথবীতে ছিলেন। আর আমরা, বর্তমান
মুসলিমরা,
পুরো পৃথিবীতে সীমাহীন
নির্যাতন, লাঞ্চনা, নিগ্রহ আর
অপমানের
শিকার হয়ে 'বেঁচে' আছি।
কেন? অথচ আমাদের তো এত
'উন্নতি'র পরেও এত নিকৃষ্ট অবস্থায়
থাকার কথা ছিল না যখন নুন্যতম
সালাত, সাওম, যাকাত ও হাজ্জ্ব
আমরা একদম ছেড়ে দেই নি।
তাহলে এমন কি কাজ
আমরা (জ্ঞানতঃ কিংবা মনের
অজান্তে)
ছেড়ে দিয়েছি যা 'উত্তম যুগের
মানুষরা' মহিমান্বিত আল্লাহ
পাকের 'বিধান' মনে করে পালন
করেছেন?
সব 'থেকে'ও কি নেই আমাদের আজ?
একবারের জন্য হলেও নিজেকে এই
প্রশ্ন করেছেন?
উভয় জীবনে সাফল্য
কি আমরা কামনা করি না।
কার্টেসি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Balashwar, Fulbaria
Mymensingh
2216