দৃশ্যপট- The Scene
কোরআনের আলোকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করুন।
আব্বু, জানো!
-
বদর যুদ্ধের ঘোষণা হয়ে গেছে। সাহাবীগণ জিহাদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন। সা‘দ বিন খাইসামাহও পিছিয়ে থাকলেন না। তিনি মদীনার আনসারগণের বারো নেতার একজন। আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াতে অংশ নিয়েছেন। মুহাজিরগণ মদীনায় আসার পর, তাদের মেহমানদারীতে অংশ নিয়েছেন।
পেয়ারা নবীজি মদীনায় এসে প্রথমে ‘কুলসুম বিন হাদম’-এর ঘরে বসেছিলেন। সেসময় নবীজি সা‘দের ঘরে বসে সাহাবায়ে কেরামকে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। তারপর আবু আইয়ুব আনসারী রা.-এর বাড়িতে যান।
জানো আব্বু,
নবীজি কাকে সা‘দের ভাই বানিয়েছিলেন? আবু সালামাহ বিন আবদুল আসাদকে। তুমি তো জানোই, মক্কা থেকে সাহাবায়ে কেরাম মদীনায় হিজরত করেছিলেন। নবীজি মক্কা থেকে সাহাবীদেরকে মদীনার সাহাবীদের ভাই বানিয়ে দিয়েছিলেন। আজ দুপুরেও তোমাকে বলেছি ব্যাপারটা।
সা‘দের আব্বুর নাম ছিল খাইসামাহ। বদর জিহাদের ঘোষণা শুনে বাবা ঘরে ফিরলেন। ছেলে সা‘দকে বললেন,
-বাবা, সা‘দ! তুমি ঘরে থাকো। নারী-শিশুদের দেখাশোনা করো। আমি জিহাদে যাই।
-জি¦ না, আব্বু, তা হয় না। আমি জান্নাত নিয়ে আপনার সাথে কোনও আপোষ করতে চাই না। জান্নাত ছাড়া অন্য কিছু হলে, আপনার জন্যে ত্যাগ স্বীকার করতে আমার কোনও আপত্তি থাকতো না।
-এখন কী করা যায়? আমি যাবোই পাশাপাশি ঘরেও কেউ একজনকে থাকতে হবে?
-আমরা লটারি করতে পারি!
-ঠিক আছে, তাই হোক।
লটারি করা হল। বাবা হেরে গেলেন। ছেলে জিতে গেল। কী আর করা। অগত্যা বাবাকে হার মেনে নিতে হল। ছেলে সা‘দ সানন্দে জিহাদে চলে গেলেন। নবীজির নেতৃত্বে জিহাদ করতে করতে শহীদ হয়ে গেলেন। বাবার মনে কষ্ট, শহীদ হতে পারলেন না। আল্লাহ তা‘আলা তাকে বেশিদিন কষ্ট পেতে দিলেন না। বাবা খাইসামাহও ওহুদের জিহাদে শাহাদাতের সৌভাগ্য অর্জন করলেন।
আব্বু, কয়েকটা বিষয় লক্ষ্য করেছ?
১: তারা বাপ ও বেটা মিলে জিহাদে যাওয়ার প্রতিযোগিতা করেছিলেন।
২: বাবার কথার উত্তরে ছেলে কী সুন্দর করে জবাব দিয়েছে? সরাসরি মুখের উপর না বলে দেয়নি। আবার বাবার কথায় সায়ও দেয়নি।
চলো, আমরাও শাহাদাতের প্রস্তুতি নিতে শুরু করি!
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু।
✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
05/02/2026
Be careful
05/02/2026
এজন্যই তো এদের থেকে দুর্গন্ধ বের হয়!!
05/02/2026
ঋণ খেলাপি হলে যা হয়!
সত্যি!!
23/01/2026
বড় অংকের ঋণ নেয় মূলত ব্যবসা করতে। ওরা ব্যবসাও করে। লাভও করে। কিন্তু টাকা ফেরত দেয় না। সেই টাকা দিয়ে প্রশাসন কিনে। ফলে, ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে না। ব্যাংক লস করে। ফল করে। দেউলিয়া হয়। মানুষের সঞ্চয় নাই হয়। তারপর সরকারী সহায়তা নিতে হয় ব্যাংকগুলোকে। সরকার সেই টাকা দেয় সাধারণ জনগণের থেকে।
অর্থাৎ এইসব ঋণ খেলাপিরা হইলো লুটেরা। চোর। গরীবের রক্ত চোষা জোক। বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে চাপ দিয়ে এইসব চোরের নমিনেশন ফিরিয়ে এনেছে।
এসবের বিরুদ্ধে আলাপ দিলে - আপনি আবার জাশি ট্যাগ পাচ্ছেন! মানে দাঁড়ায়- এদেশে উচিৎ কথা বলার ঠিকাদার ওরা জাশিকে বানিয়ে দিচ্ছে, পরোক্ষভাবে! লীগ যেমন জাশিকে একমাত্র মুসলমান সম্প্রদায় বানিয়েছিল!
অর্থাৎ সজ্ঞানে চোরের পক্ষ নিতেও মানুষ লজ্জা পাচ্ছে না!
মোরালিটি কতটা ভঙ্গুর হয়ে গেছে আমাদের - চিন্তাও করা যায়??
"বিভেদের রাজনীতি দিন শেষ, আগামীর ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। যারা অতীতে বাংলাদেশকে বিভক্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের রাজনীতি করেছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাদের সেই বিভক্তির রাজনীতির অবসান ঘটেছিল। ঠিক একইভাবে ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন ষড়যন্ত্রকারীদের বিভেদের রাজনীতিও প্রত্যাখ্যাত হবে ইনশা'আল্লাহ।"
- আল্লামা মামুনুল হক
ঢাকা–১৩ আসনে দশ দলীয় জোটের প্রার্থী (রিক্সা প্রতিক)
Yes...
❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Mymensingh