সপ্তর্ষি পাঠাগার

সপ্তর্ষি পাঠাগার ''এসো পড়ি বই আলোকিত মানুষ হই ''

01/04/2024
অভিনন্দন অস্ট্রেলিয়া
20/11/2023

অভিনন্দন অস্ট্রেলিয়া

11/03/2023

অন্যের জন্যে গর্ত খুঁড়লে নিজে সে গর্তে পড়তে হয় (ছোট গল্প)

একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল যে বাড়িতে ইঁদুর মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই ভয় পেল। ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য চাইল। মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল- “ ফাঁদটি আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। অতএব আমি এখানে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।

মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর খুব দুঃখিত হল এবং ছাগলের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল।

ছাগল ফাঁদের কথা শুনে বলল-“ওই ফাঁদ বড়দের জন্য নয়। আমি এখানে তোমাকে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।

ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো। সব কথা শুনে গরু বলল-

“ইদুরের ফাঁদ আমার মত বড় প্রাণীর কোন ক্ষতিই করতে পারবেনা। যা আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা- তাতে আমি সাহায্য করতে পারবনা”।

ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার ঘরে ফিরে এলো।

রাতের বেলা বাড়ির কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু একটা ধরা পরেছে। অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত দিতেই উনি হাতে কামড় খেলেন এবং দেখলেন ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ ধরা পরেছে।

তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল। চিকিৎসা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই ভালো না।

পথ্য হিসেবে ডাক্তার মুরগির সূপ খাওয়াতে বল্লেন। সুপের জন্য কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন।

অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ হতে লাগলো। দূর দূরান্ত থেকে আরও অনেকে আত্মীয় স্বজন আসতে লাগলো। বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই করলেন তাদের আপ্যায়ন করার জন্য।

আরও ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার হতে লাগলো। অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের গরুটিকে কসাইখানায় বিক্রি করে দিল।

একসময় বাড়ির কর্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু ইঁদুরটি তার ছোট্ট ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল।

শিক্ষণীয় বিষয়ঃ কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ, হোক সেই বিপদ আমাকে স্পর্শ করুক বা না করুক। বিপদ্গ্রস্থকে সাহায্য করা নৈতিক দায়িত্ব।

প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার
10/01/2022

প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার

আমার দাদার ১০০ বিঘা জমি ছিলো।  আমার বাবার ১০ বিঘা। এর কারণ এই নয় যে বাবারা ১০ ভাই ছিলেন।  কারণ এই যে, বাবা জানতেন দাদা ত...
06/12/2021

আমার দাদার ১০০ বিঘা জমি ছিলো। আমার বাবার ১০ বিঘা।
এর কারণ এই নয় যে বাবারা ১০ ভাই ছিলেন। কারণ এই যে, বাবা জানতেন দাদা তার জন্য ১০ বিঘা জমি রেখে যাবেন। তাই তিনি ঘুম আর খাওয়া ছাড়া পরিশ্রমের কোনো কাজ করেনি।

যে বাবা-মা সন্তানের জন্য নিরাপদ পরিমান সম্পদ রেখে যান তাদের সন্তানদের আমি দিনে দিনে নিঃশেষ হতে দেখেছি। জমিদারের ৩য় জেনারেশন তাই না খেয়ে মরে।

নিশ্চয়তা মানুষকে অলস থেকে অলসতর করে।
আপনি ভাবছেন আপনার রেখে যাওয়া অর্থ আপনার সন্তানকে নিরাপদ আগামী দেবে? ভুল। আপনার অর্থ আপনার ৫ বছরের বাচ্চাকে দামী খেলনা দাবী করার মানসিকতা দেবে। ক্লাস টেনে পড়তেই সে চাইবে আই ফোন। ইন্টারে বাইক। অনার্সে গাড়ি, বিস্তর পকেটমানি, সেশন গ্যাপ দেয়ার অধিকার, দামী ঘড়ি আর শুধু জাংক ফুডেই মাসে ১০ হাজার টাকা।

আপনি না দিলে সে বিরক্ত হবে, আপনাকে কৃপন আর সন্তানের ইমোশোনের গুরুত্ব না দেয়া হার্টলেস বাবা-মা মনে করবে।

আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীটা পরকালের হাশরের ময়দানের মতোই হওয়া উচিত। যার যার পাপ পূর্ণের মতোই যার যার অর্থ, পরিশ্রমের প্রাপ্তি তার হওয়া উচিত।
আপনার কিছু স্বপ্ন ছিলো! আপনি কলেজে পড়ার সময় ভেবেছিলেন দুটো মেয়ের পড়ার খরচ চালাবেন, আমেরিকা না হোক অন্তত নেপাল ঘুরে আসবেন, হজ্বে যাবেন। সেই স্বপ্ন আপনি ভুলে গেছেন সন্তানের নিশ্চিত ভবিষ্যতের ভাবনায়।
আপনার এই ত্যাগ সন্তানের কাছে শুধুই দায়িত্ব পালন। অপরাধ সন্তানের নয় কিন্তু। ভুল আপনার। আপনি তাকে জানিয়েছেন 'যা আমার তার সবই তোমার'!

আমি তা করিনি, করবো না। যা আমার তা শুধুই আমার। আমার মৃত্যুর পর তারা পেলেও পেতে পারে, নাও পেতে পারে৷ আমার যদি কঠিন কোনো অসুখ হয় আমি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ট্রিটমেন্ট নেবো সমস্ত প্রোপার্টি বিক্রি করে। মাত্র ৫ দিন বেশি বেঁচে থাকার জন্য হলেও এটা আমি করব। আমার সন্তানেরা সেটা জানে। তাই তাদের কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই তারা সারভাইভ করা শিখছে, আমি শিখিয়েছি।

আমি শুধু তাদের পড়া আর চিকিৎসা নিয়ে কোনো প্রকার কার্পণ্য করিনি, করবো না। মা হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে অন্য একজন মানুষ যাকে আমি এ ধরণীতে এনেছি তার প্রতি আমার এটুকুই দায়িত্ব। তারপর সে পৃথিবীর সন্তান। তারপর তাকে আরো লক্ষ সন্তানের সাথে দৌঁড় দিতে হবে, নিজের জায়গা নিজেকে তৈরী করতে হবে। যদি পারে সে তবেই জীবনের আনন্দ সে জানবে।
আমার রেখে যাওয়া অর্থ দিয়ে সুখে থাকা আর অন্যের আন্ডারওয়্যার পরে ইজ্জত ঢাকা একই জিনিস৷

আমার সন্তানেরা অন্তত এইটুকু বুঝুক, এইটুকু মেরুদণ্ড তাদের হোক।

সত্যিই যদি সন্তানের ভালো চান তবে তাকে বুঝতে দিন সে একজন পূর্ণ মানুষ। তার দায়িত্ব তার। আপনি তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব পাওয়া একজন আপনজন। সন্তানকে আন্তরিকতা দেখান, অর্থ নয়।

যদি পারেন, জেনে রাখবেন আপনার ১০ বিঘা জমি ছিলো আপনার সন্তানের ১২ বিঘা হবে। আপনারটুকু না নিয়েই হবে।
© তামান্না সেতু

ছবি crocobd.com

বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে ছাপা নোট
04/12/2021

বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে ছাপা নোট

শুভ সকাল সারাদেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের নতুন করে অনলাইন নিবন্ধন চালু হয়েছে যাহারা ইতিপূর্বে ভ্যাকসিন নেননি তাহারা রেজিষ্ট্...
06/07/2021

শুভ সকাল
সারাদেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের নতুন করে অনলাইন নিবন্ধন চালু হয়েছে
যাহারা ইতিপূর্বে ভ্যাকসিন নেননি তাহারা রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন অতিদ্রুত।

এই পোর্টালের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র ও সঠিক মোবাইল নম্বর যাচাইপূর্বক অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। অনলাইনে ...

02/05/2020
নামাজ এর সূরা সমূহ :টাইমলাইনে রেখে দিলাম।
30/04/2020

নামাজ এর সূরা সমূহ :
টাইমলাইনে রেখে দিলাম।

Collected
30/04/2020

Collected

21/02/2020

নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি :

নাম্বার গ্রেড গ্রেড পয়েন্ট
90-100 A+ 4.00
80-89 A 3.50
70-79 B+ 3.00
60-69 B 2.50
50-59 C+ 2.00
40-49 C 1.50
33-39 D 1.00
00- 32 F 0.00

সূত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠ

20/02/2020

২০০৬ সালের শেষের দিকের কথা, মাথায় তখন বই পড়ার পুকা ঢুকেছে।
সারাদিন বই পরি,সকাল সন্ধ্যা রাত!
এর, ওর থেকে বই ধার নিয়ে পড়ি!
একদিন Atiqul মামা ঘোষণা দিল আমরা একটা লাইব্রেরী দিব , ঘোষণা মুতাবেক লাইব্রেরিটা জুয়েল ভাইদের বাসার একটা রুমের কর্নারে শুরু হলো!
Abdullah Al Mahbub, Mohammad Ali Shohel Entarprise, DrAbu Torab Md Saifullah, Shahadat Hossain Nixon, Zahid Sumon, Saidul Haq Sayed ছিলেন একেবারে শুরু থেকে।
“ #সপ্তর্ষি_সাহিত্য_পাঠাগার”

২০০৮ এর ফেব্রুয়ারীর কোন এক সন্ধ্যায় Piash ভাই Razon আর আমাকে ইংরেজি গ্রামার বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন; হটাৎ ঐ কর্নারে রাখা বইগুলোর দিকে চোখ যেতেই - আমার মনস্থির করলাম লাইব্রেরীটাকে আরো বড় করবো।
ঐ সন্ধ্যায়ই চলে গেলাম রাজনের ক্লাসমেট, আমার বন্ধু মনজিল দের বাসায়। ( ২০১৫ সালে মনজিল আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছে)
এরপর চলতে থাকলো একের পর এক মিটিং!!
প্রায় প্রতিদিন স্কুল থেকে এসেই সন্ধ্যা নাগাত সময় দিতাম।
স্যারেরা এগিয়ে আসলেন আমাদের পাশে
Habib Talukder স্যার, সাখায়াত স্যার, জুয়েল স্যার , রায়হান স্যার,মুতাহের স্যার, খায়ের স্যার এর সহযোগিতায় আমরা সপ্তর্ষি পাঠাগার টা ওয়াপদা মোড়ে নিয়ে আসি, রেলওয়ে মসজিদের পাশে।
সোবহান আংকেল খুবি সামান্য ভাড়ায় একটা রুম দিলেন আমাদের।
মাসুম ভাই ( সোবহান আংকেলের ছেলে) প্রায়ই এসে আমাদের খোঁজ খবর নিয়ে যেতেন।
স্যারেদের মতামতের ভিত্তিতে নাম থেকে 'সাহিত্য' কথাটা বাদ দেয়া হলো।
সারোয়ার হোসাইন ভাই আমাদের নতুন লোগোটা ডিজাইন করে দিলেন।
আমরা সবার বাড়ী বাড়ী গিয়ে বই নিয়ে আসতাম!
আশেপাশের সবাই “সপ্তর্ষি পাঠাগার” - এর কথা জানলো,সবাই এগিয়ে আসলো তাদের পুরনো বই দিয়ে সাহায্য করে।
Amatun Noor আপা আমাদের প্রায় ৫০০ এর অধিক বই দিয়েছিলেন! উনার বাবার ব্যাক্তিগত লাইব্রেরী থেকে।
ভালই চলছিল আমাদের পাঠাগার , একটা লোহার বুকসেল্ফ বানানো হল।
গ্রীষ্মের কোন এক সন্ধ্যায় আমরা খিচুড়ির দাওয়ার দিলাম স্যারদের!
ঐ অতিষ্ঠ গরমে খিচুড়ি খেতে খেতে Jewel স্যার আমাদের বললেন উনার রুম থেকে একটা ফ্যান নিয়ে এসে লাগাতে!!
সব কিছুই ঠিক ঠাক ভাবেই চলছিল।
হটাৎ করেই সবাই ব্যাস্ত হয়ে গেলাম।
আমরা আমদের পাঠাগার টা কে সময় দিতে পারছিলাম না ।
Mitul ভাই কোচিং এ Tariq মামা চাকরি নিয়ে, পিয়াশ ভাই রাজনীতি নিয়ে! Saifullah Dip ভাই Mhm Mubassir ভাই Ashikur Rahman ভাই ব্যাস্ত পড়াশোনা নিয়ে
২০১২ তে আমি ঢাকায় চলে গেলাম।

ঠিক তখনই জোনায়েদ ভাই এবং Shahnewaz Kabir Real ভাই হাল ধরলেন লাইব্রেরীর। ঐভাবেই চললো বেশ কিছুদিন।
২০১৩ এর দিকে লাইব্রেরীর দায়িত্বে আসলো জুনিয়রেরা! Hasibur Rahman Monim আমাদের পাঠাগারের বইপোকা! দায়িত্ব নিলো।
২০১৪ তে দায়িত্বে আসলো মনিমের জুনিয়র বায়েজিদ, Mutakabbirul Islam Pranto, Ziqrul Hossain Toton, সাকিব, মাহমুদুল, লাভলু সহ আরো অনেকেই
আমাদের নিজ হাতে গড়া পাঠাগার।

Address

Kawatkhali
Mymensingh
2201

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সপ্তর্ষি পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to সপ্তর্ষি পাঠাগার:

Shortcuts

Share

Category