20/02/2025
চাকরি হোক বা ফ্রিল্যান্সিং স্কিলই হোক আপনার একমাত্র সুপার পাওয়ার! 🎯 তাই ডিজিটাল ড্রিভেন এই বিশ্বে একটি ডিজিটাল স্কিলে দক্ষতা অর্জন ছাড়া কোন বিকল্প নেই!
আর তাই MOAS ACADEMY ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছে বিশেষ অফার!
বর্তমান চাকরির বাজারে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ব্যাপক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কিল। এই স্কিল শিখে আপনি চাকরি বা ফ্রিল্যান্সিং করার পাশাপাশি নিজের ব্যবসার মাধ্যমে সফল ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
সঠিক প্রশিক্ষণ ও গাইডলাইনের মাধ্যমে শূন্য থেকে একজন প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হওয়ার স্বপ্নপূরণ করুন মোয়াস একাডেমির সাথে।
কোর্সের বিবরণ:
মেয়াদ: ৫ মাস
ক্লাস সংখ্যা: ৪৮টি
কোর্স আউটলাইন:
Digital Marketing Basics
Advance Digital Marketing Strategy
SEO (Search Engine Optimization)
Social Media Marketing
Meta Marketing
Media Buying
Lead Generation
Google Ads
Linkedin Marketing
Email Marketing
Ai in Digital Marketing
Basic English for Digital Marketing
✅ কোর্সের বিশেষ সুবিধাসমূহ:
▪️প্রফেশনাল ইন্সট্রাক্টরদের সরাসরি লাইভ ক্লাস
▪️হাতে-কলমে প্রাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা
▪️সফল ছাত্রছাত্রীদের জন্য ইন্টার্নশিপ/জব প্লেসমেন্ট সুযোগ
▪️ক্লাস শেষে রেকর্ডেড ভিডিও প্রদান
▪️সম্পূর্ণ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট
▪️একটিভ ও প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ
▪️ ২৪/৭ সাপোর্ট ও পরামর্শ
▪️লাইফটাইম সাপোর্ট
Student দের সফলতার হার এবং সম্ভাব্য আয়
প্লেসমেন্ট রেট: ৭০%
শিক্ষার্থী কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে পাশাপাশি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে যাচ্ছে।
গড় আয়: শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২০০ ডলারেরও বেশি আয় করছে
বিশেষ সাফল্য: আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০-১৫ জন কাজ করছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডেড প্রতিষ্ঠানে।
মোয়াস একাডেমির ডিজিটাল মার্কেটিং উইথ ফ্রিল্যান্সিং মাষ্টার কোর্সের ১০ম ব্যাচে ভর্তি চলছে।
01/08/2023
নতুন সাজে আনন্দ মোহন কলেজ।
25/07/2023
We are now 70K ❤️
Congratulations to Ananda Mohan College Helpline আনন্দ মোহন কলেজ হেল্পলাইন Family.
31/05/2023
৬৫ হাজার সদস্যের Ananda Mohan College Helpline আনন্দ মোহন কলেজ হেল্পলাইন গ্রুপ টি পরিচালনা করতে জরুরী ভিত্তিতে ১০ জন মডারেটর প্রয়োজন। প্রার্থীকে অবশ্যই আনন্দ মোহন কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থী হতে হবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা নিম্নে উল্লেখিত লিংকে যেয়ে ফরম টি পূরণ করুন। প্রাথমিক বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করা হবে।
Form Link: https://forms.gle/SRmpV111FcnfJ2Vn7
23/05/2023
এক নজরে বিভিন্ন বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তীর বিজ্ঞপ্তি।
06/04/2023
আনন্দ মোহন কলেজে ১ম বর্ষ অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদনের ফি অনলাইনে কিভাবে প্রদান করবেন তার একটি নির্দেশনা শিউর ক্যাশের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। সবাই দেখে নিবেন।
Visit: www.surecash.net/education-payment
19/01/2023
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ছিলেন মেধাবী মেহেদী হাসান খান। কিন্তু শিক্ষকরা বলেছিলেন, _
মেডিকেল কলেজ ছেড়ে দেওয়া উচিত মেহেদীর। কারণ ডাক্তারীর পড়াশুনা বাদ দিয়ে,দিন-রাত এক করে,খাওয়া-ঘুম ভুলে হোস্টেলের ঘরেই একটা ছোট্ট কম্পিউটার সম্বল করে মেহেদী তখন লড়ছিলেন অন্য লড়াই, বাংলা ভাষার জন্য লড়াই।
১৮ বছর বয়সের যুবক স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলা ভাষাকে সারা পৃথিবীর কাছে খুব সহজে পৌঁছে দেওয়ার। কম্পিউটারে বাংলা লিখতে তাঁর খুব অসুবিধা হয় এবং সেই পদ্ধতি মেহেদীর পছন্দ নয়। তাই তিনি চান এমন একটা সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করেই বাংলা লেখা সম্ভব।
বন্ধুরা মেহেদীকে বলে পাগল, ডাক্তারি পড়তে এসে কেউ সময় নষ্ট করে! তাও আবার নাকি বাংলা লেখার সুবিধার্থে! কিন্তু মেহেদী মেহেদীই। বাংলা ভাষার জন্য তাঁর দেশের মানুষ প্রাণ দিতে পারেন, আর সেই বাংলাকে লেখার দিক থেকে সহজ করতে ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে পারবেন না! হাল ছাড়েননি মেহেদী।
২৬ মার্চ,২০০৩ সাল, মেহেদীর জীবনে শুধু নয়, লক্ষ লক্ষ বাঙালির জীবনের একটি বিশেষ দিন। সেই দিন মেহেদী বিশ্বের সামনে আনলেন ‘অভ্র’ সফটওয়ার। যা আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের সব চেয়ে পছন্দের বাংলা রাইটিং সফটওয়ার। আজ বাঙালির কম্পিউটার, ল্যাপটপ খুললেই স্ক্রিনে একটি স্লোগান ভেসে ওঠে,
‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’
এটিই ডাক্তার মেহেদী হাসান খানের তৈরি করা স্লোগান। তাঁর স্বপ্ন ছিল, ভাষাকে উন্মুক্ত করতে হবে সবার জন্য, বেঁধে রাখা যাবে না জটিলতার নাগপাশে। আজ কিন্তু তিনি ডাঃ মেহেদী হাসান খান। হাজার তাচ্ছিল্য সত্ত্বেও তিনি ‘অভ্র’ আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেছেন ডাক্তারিও। আজ ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘অভ্র কিপ্যাড’। বিদেশীরাও আজ তাদের ভাষাতেই লিখতে পারছে আমাদের বাংলা ভাষা। লেখতে পারছে লেখা হচ্ছে সরকারি ফাইল থেকে পরিচয়পত্র।
মেহেদীর এই আবিষ্কার বাঁচিয়ে দিয়েছে দুই দেশের কোটি-কোটি টাকা। যার জন্য এত কিছু, সেই মানুষটাকে আমরা চিনিই না। চিরকাল প্রচারবিমুখ ৩৪ বছরের এই বিনয়ী তরুণ বাংলা ভাষার জন্য এত বড় অবদান রেখে গেলেও, রয়ে গেলেন প্রচারের আলোর বাইরেই।