Online Education BD

Online Education BD

Share

We are provide all education service.

21/10/2024

#শুরু_হয়ে_গেলো_২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশের পালা।

Admission Date: 28 December 2024
💥এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতিতে যা যা পড়তে হবে তার বিস্তারিত নিয়ে আসছি শীঘ্রই
Hello, future corporate leaders, Once again, there is an opportunity knocking at your door.Army Institute of Business Administration, Savar, run by the Bangladesh Army, is calling for applicants for the July-December session (BBA-12 batch).
The steps start with completing registration. Then you have to sit for an admission test and face a viva.
The eligibility criteria for admission to the BBA program at AIBA Savar require candidates to have passed SSC and HSC exams or their equivalent with a minimum GPA of 3.5 in SSC, 3.25 in HSC, and an accumulated GPA not below 7.00. Candidates with GCE O-Level and A-Level qualifications must have a minimum average grade point of 2.5 and 2.0, respectively, with a minimum sum of GPA of 6.00 and no ‘F’ grade in any subject at any stage of the exam. The application form can be collected from the institute or downloaded from the AIBA website, and a fee of Tk. 765/- needs to be paid through bKash. The admission test syllabus covers Bangla, English, Basic Science, Mathematics, IT, General Knowledge, and Fundamentals of Business Administration.
Feel free to ask any query regarding the admission issue or others in the comment box, inbox or at helpline: +880 1769-098191 See less
Comments
Isran Sayef ·
"Best of luck everyone on your university admission exam! You have worked hard to get to this point, and I have faith that you will do great. Remember to stay calm, trust in yourself, and take breaks when you need to. You got this.
Everyone hope to see you in Army IBA.🔥
আবদনের জন্য যোগাযোগ:
Index Enterprise
১/১, জিলা স্কুল রোড (নাহা রোড), ময়মনসিংহ।
01673-374930

Photos from Online Education BD's post 13/05/2024

#একাদশ_শ্রেণিতে_ভর্তির_আবেদন_শুরু_২৬মে
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফলের ভিত্তিতে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হতে পারে ২৬ মে। আগামীকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিতব্য এক বৈঠকে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর তারিখ, ভর্তি ফিসহ নানা বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র দৈনিক আমাদের বার্তাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানান, ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা বা হাতে হাতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। কেবল অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
আবদনের জন্য যোগাযোগ:
Index Enterprise
১/১, জিলা স্কুল রোড (নাহা রোড), ময়মনসিংহ।
01673-374930

27/03/2024
07/04/2019


প্রথমবারের মত সারাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পত্রিকা অলিম্পিয়াড। আয়োজনে Youthpreneur Network।
মূলত পত্রিকা পাঠে সবাইকে উৎসাহিত করতে এ আয়োজন। উক্ত অলিম্পিয়াডটিতে থাকছে অনেক আয়োজন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১.নিউজপেপার অলিম্পিয়াড(লিখিত একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে আপনার পত্রিকা জ্ঞান যাচাই করা হবে)
২.মিট দ্যা প্রেস(বিখ্যাত সাংবাদিকদের দ্বারা পরিচালিত একটি সেগমেন্ট)
৩.সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি(এটি একটি ওয়ার্কশপ)
৪.ঝটপট কুইজ
এছাড়াও আরো অনেক কিছু।
তো আর দেরি কেন?প্রস্তুত হোন আর অংশ নিন পত্রিকা অলিম্পিয়াডে।
এতে শিক্ষার্থী ছাড়াও সকল বয়সের মানুষ অংশ নিতে পারবে।
ক্যাটাগরি থাকছে ৫ টি।
১.ক-(৩য়-৫ম)
২.খ-(৬ষ্ঠ-৮ম)
৩.গ-(৯ম-১০ ও এসএসসি)
৪.ঘ-(একাদশ -দ্বাদশ)
৫.ঙ-(সার্বজনীন)

অলিম্পিয়াডের প্রশ্নগুলো হবে দেশের স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক গুলোর সাম্প্রতিক বিষয় থেকে।মানবন্টন-৫০ নম্বর।

রেজিস্ট্রেশন ফিঃ 200 টাকা

National Newspaper Olympiad Selection Round - Mymensingh
Public · Hosted by Newspaper Olympiad
Date: Friday, April 19, 2019
Time: 8 AM – 12 PM
Venue: Bangladesh Agricultural University, Mymensingh

রেজিস্ট্রেশন এর জন্য যোগাযোগ করুনঃ
যোগাযোগ: Index Enterprise
১/১, জিলা স্কুল রোড (নাহা রোড), ময়মনসিংহ।
01673374930

বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে-
— at Index Enterprise.


প্রথমবারের মত সারাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পত্রিকা অলিম্পিয়াড। আয়োজনে Youthpreneur Network।
মূলত পত্রিকা পাঠে সবাইকে উৎসাহিত করতে এ আয়োজন। উক্ত অলিম্পিয়াডটিতে থাকছে অনেক আয়োজন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১.নিউজপেপার অলিম্পিয়াড(লিখিত একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে আপনার পত্রিকা জ্ঞান যাচাই করা হবে)
২.মিট দ্যা প্রেস(বিখ্যাত সাংবাদিকদের দ্বারা পরিচালিত একটি সেগমেন্ট)
৩.সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি(এটি একটি ওয়ার্কশপ)
৪.ঝটপট কুইজ
এছাড়াও আরো অনেক কিছু।
তো আর দেরি কেন?প্রস্তুত হোন আর অংশ নিন পত্রিকা অলিম্পিয়াডে।
এতে শিক্ষার্থী ছাড়াও সকল বয়সের মানুষ অংশ নিতে পারবে।
ক্যাটাগরি থাকছে ৫ টি।
১.ক-(৩য়-৫ম)
২.খ-(৬ষ্ঠ-৮ম)
৩.গ-(৯ম-১০ ও এসএসসি)
৪.ঘ-(একাদশ -দ্বাদশ)
৫.ঙ-(সার্বজনীন)

অলিম্পিয়াডের প্রশ্নগুলো হবে দেশের স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক গুলোর সাম্প্রতিক বিষয় থেকে।মানবন্টন-৫০ নম্বর।

রেজিস্ট্রেশন ফিঃ 200 টাকা

National Newspaper Olympiad Selection Round - Mymensingh
Public · Hosted by Newspaper Olympiad
Date: Friday, April 19, 2019
Time: 8 AM – 12 PM
Venue: Bangladesh Agricultural University, Mymensingh

রেজিস্ট্রেশন এর জন্য যোগাযোগ করুনঃ
যোগাযোগ: Index Enterprise
১/১, জিলা স্কুল রোড (নাহা রোড), ময়মনসিংহ।
01673374930

বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে-
— at Index Enterprise.

15/08/2016

সদ্য ঘোষিত ময়মনসিংহ বিভাগে দেশের ১১তম শিক্ষাবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এব্যাপারে প্রাথমিক যাচাই-বাচাইয়ের জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। সরেজমিন জরিপ চালিয়ে তাদের আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৪ই সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহকে বিভাগে রূপান্তর করা হয়। এরপর থেকে সেখানে শিক্ষাবোর্ড স্থাপনের দাবি ক্রমেই জোরালো হয়। দেশের অন্তত চারটি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী বেশি থাকায় বোর্ড স্থাপন যৌক্তিক বলে মনে করেন এই অঞ্চলের মানুষ। পরে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ময়মনসিংহে একটি নতুন শিক্ষাবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইতোমধ্যে প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইনের সভাপত্বিতে এক জরুরি সভা করা হয়। সভায় ময়মনসিংহে নতুন শিক্ষাবোর্ড করার যৌক্তিকতা তুলে ধরার পর প্রাথমিক যাচাই-বাচায়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) চৌধুরী মুফাত আহমেদকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রুহি রহমান, ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যালয় শাখার পরিচালক এলিয়াস হোসেনসহ বিভাগীয় কমিশনার ও ময়মনসিংহের আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে। সভা প্রসঙ্গে আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ঢাকা বোর্ডের সীমানা অনেক বৃহত্তর হওয়ায় অনেককে দূর-দূরান্ত থেকে আসতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সকল সুবিধা সহজভাবে দেয়া সম্ভব হয় না। বিভিন্ন সময় নানা ভোগান্তিতেও পড়তে হচ্ছে তাদের। তাই ময়মনসিংহে শিক্ষাবোর্ড হলে সে অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে। সহজেই তারা বোর্ড সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক যাচাই-বাচাইয়ের জন্য কমিটি করা হয়েছে। আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ে যাচাই-বাছায়ের পর চূড়ান্ত করা হবে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এক লাখ, বরিশাল বোর্ডে ৭১ হাজার, সিলেট বোর্ডে ৭৪ হাজার এবং যশোর বোর্ডে এক লাখ ৩১ হাজার। এর বিপরীতে বৃহত্তর ময়মনসিংহে এ সংখ্যা এক লাখ ৩২ হাজার ৫০০। এ ছাড়া গত বছরের জেএসসি পরীক্ষায় ওই ৪টি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল এই অঞ্চলে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধিক্যের কারণে জোরালো হয়ে ওঠে ময়মনসিংহে শিক্ষাবোর্ড স্থাপনের দাবি। ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ। জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত। ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল। ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ঢাকা বিভাগ ভেঙে নতুন ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের ঘোষণা দেন। দেশে বর্তমানে আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের পাশাপাশি একটি কারিগরি ও একটি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড রয়েছে। ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড স্থাপিত হলে এটি দেশের নবম সাধারণ শিক্ষাবোর্ড হবে। সবমিলিয়ে দেশে শিক্ষাবোর্ডর সংখ্যা হবে ১১টি।

21/06/2016

কলেজে একাদশ শ্রেণীর ভর্তিতে সংকট এড়াতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার। মেধা এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় ভর্তি শেষ হলে (ভর্তি) উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। কোনো কলেজে আসন শূন্য থাকলে শিক্ষার্থীরা সেখানে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সরকার চায় কোনো শিক্ষার্থী যেন ভর্তির বাইরে না থাকে। তাই মেধা তালিকা এবং অপেক্ষমাণ তালিকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর যদি কোনো কলেজে আসন খালি থাকে, তাহলে সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। ২৮ জুনের পর আমরা এই সুযোগটি দেব। ওই তারিখের পর ভর্তি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।’
শনিবার মেধা তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে বিভিন্ন কলেজ। তবে এটা প্রকৃত চিত্র নয় বলে মনে করেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন। তিনি বলেন, কলেজগুলোকে ভর্তি অনলাইনে নিশ্চায়ন করতে বলা হয়েছে। কিন্তু সবাই সঙ্গে সঙ্গে তা করছেন না। এটা জরুরিও নয়। ২২ জুনের মধ্যে করলেও চলবে। তাই যে সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রকৃত ভর্তি হয়েছে, তাদের সবার তথ্য হয়তো আমরা সার্ভারে পাচ্ছি না।
ঢাকার কয়েকটি কলেজে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসে পাওয়া পিন নম্বরসহ ভর্তির কাজ সারছে। আবার একাধিক কলেজে চান্স পাওয়া অনেকেই বিভিন্ন কলেজে দৌড়ঝাঁপ করছে। এমনকি অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা কলেজেও অনেকে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে। বিভিন্ন কলেজ থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, কলেজে ভর্তির ফরম বাবদ টাকা নেয়া হচ্ছে। এমন কলেজগুলোর একটি সরকারি বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের কাছে ফোনে বেশ কয়েকজন অভিভাবক এ অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে কলেজ পরিদর্শক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ভর্তি ফরম বাবদ আলাদা অর্থ নেয়ার বিধান নেই। কেউ নিয়ে থাকলে তা ফেরতের ব্যবস্থা করা হবে।
রাজধানীর কয়েকটি প্রাইভেট কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভর্তিকালে অর্থ আদায়ে তারা নিয়ম মানছে না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভর্তিকালে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৮ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। কিন্তু একবারে দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া আরও একাধিক কলেজ পাওয়া গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত অংকের বেশি নেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি নীতিমালা হচ্ছে, সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা। পৌর (জেলা সদর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫ হাজার টাকা। আধা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে এই ফি ৮ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। কোনোভাবেই উন্নয়ন ফি ৩ হাজারের বেশি হবে না। নীতিমালার বাইরে কেউ অর্থ নিলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এবারের ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জটিলতা ও ঝক্কি মোকাবেলা করছেন। মো. আলাউদ্দিন নামে এক অভিভাবক জানান, তার ভাগ্নে নিকুঞ্জ এবং আফতাবনগরের দুটি কলেজে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। কিন্তু পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে ছিল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সেখানে অপেক্ষমাণ তালিকায় আছে। এখন কী করবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। উত্তরার আরেক অভিভাবক জানান, তার দুই কন্যা ঢাকার নতুন সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজে আবেদন করেছিল। একজন মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। আরেকজন অপেক্ষমাণ তালিকায়। এখন একই প্রতিষ্ঠানে পড়াতে না পারলে তার ব্যয় সংকুলান হবে না। এভাবে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। আবার এমন কয়েকজন শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে, যাদের মেধাতালিকার কলেজ পছন্দ না হওয়ায় এখন ভর্তি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা অপেক্ষমাণ তালিকায় ভর্তি হওয়ার মনঃস্থির করেছে।
এসব বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন বলেন, আমরা মনে করি কেউ ভর্তির সুযোগ বঞ্চিত হবে না। কিন্তু প্রত্যেকের উচিত যে যে ক’টি কলেজে চান্স পেয়েছে, তার মধ্যে একটিতে ভর্তি হয়ে থাকা। আর যদি কেউ অপেক্ষমাণ তালিকার কাছাকাছি থাকে এবং আসন খালি থাকবে বলে নিশ্চিত হয়, তাহলে অপেক্ষা করতে পারে। নইলে ভর্তি হওয়া উচিত। অন্যথায় শিক্ষাজীবন রক্ষায় শেষপর্যন্ত অখ্যাত বা অপছন্দের কলেজে ভর্তি হতে হবে।
মেধাতালিকা থেকে সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম ২২ জুন পর্যন্ত চলবে। একটি কলেজ ও মাদ্রাসায় যে ক’টি আসন আছে, প্রথম তালিকায় সেই ক’জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন নির্বাচিত কলেজগুলোর মধ্যে পছন্দের ভিত্তিতে যে কোনো একটিতে ভর্তি হবে। একজন শিক্ষার্থী একাধিক কলেজে চান্স পেয়ে থাকলেও ভর্তি না হওয়া (কলেজের) আসনগুলো শূন্য দেখানো হবে। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা ওইসব শূন্য আসনে ভর্তি হবে।
প্রথম তালিকার ভর্তির পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২৫ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে ভর্তি করা হবে। অবশিষ্ট আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির সময় ২৮ থেকে ৩০ জুন। ক্লাস শুরু হবে ১০জুলাই

21/06/2016

কলেজে একাদশ শ্রেণীর ভর্তিতে সংকট এড়াতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার। মেধা এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় ভর্তি শেষ হলে (ভর্তি) উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। কোনো কলেজে আসন শূন্য থাকলে শিক্ষার্থীরা সেখানে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সরকার চায় কোনো শিক্ষার্থী যেন ভর্তির বাইরে না থাকে। তাই মেধা তালিকা এবং অপেক্ষমাণ তালিকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর যদি কোনো কলেজে আসন খালি থাকে, তাহলে সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। ২৮ জুনের পর আমরা এই সুযোগটি দেব। ওই তারিখের পর ভর্তি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।’
শনিবার মেধা তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে বিভিন্ন কলেজ। তবে এটা প্রকৃত চিত্র নয় বলে মনে করেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন। তিনি বলেন, কলেজগুলোকে ভর্তি অনলাইনে নিশ্চায়ন করতে বলা হয়েছে। কিন্তু সবাই সঙ্গে সঙ্গে তা করছেন না। এটা জরুরিও নয়। ২২ জুনের মধ্যে করলেও চলবে। তাই যে সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রকৃত ভর্তি হয়েছে, তাদের সবার তথ্য হয়তো আমরা সার্ভারে পাচ্ছি না।
ঢাকার কয়েকটি কলেজে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসে পাওয়া পিন নম্বরসহ ভর্তির কাজ সারছে। আবার একাধিক কলেজে চান্স পাওয়া অনেকেই বিভিন্ন কলেজে দৌড়ঝাঁপ করছে। এমনকি অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা কলেজেও অনেকে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে। বিভিন্ন কলেজ থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, কলেজে ভর্তির ফরম বাবদ টাকা নেয়া হচ্ছে। এমন কলেজগুলোর একটি সরকারি বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের কাছে ফোনে বেশ কয়েকজন অভিভাবক এ অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে কলেজ পরিদর্শক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ভর্তি ফরম বাবদ আলাদা অর্থ নেয়ার বিধান নেই। কেউ নিয়ে থাকলে তা ফেরতের ব্যবস্থা করা হবে।
রাজধানীর কয়েকটি প্রাইভেট কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভর্তিকালে অর্থ আদায়ে তারা নিয়ম মানছে না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভর্তিকালে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৮ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। কিন্তু একবারে দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া আরও একাধিক কলেজ পাওয়া গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত অংকের বেশি নেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি নীতিমালা হচ্ছে, সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা। পৌর (জেলা সদর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫ হাজার টাকা। আধা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে এই ফি ৮ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। কোনোভাবেই উন্নয়ন ফি ৩ হাজারের বেশি হবে না। নীতিমালার বাইরে কেউ অর্থ নিলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এবারের ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জটিলতা ও ঝক্কি মোকাবেলা করছেন। মো. আলাউদ্দিন নামে এক অভিভাবক জানান, তার ভাগ্নে নিকুঞ্জ এবং আফতাবনগরের দুটি কলেজে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। কিন্তু পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে ছিল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সেখানে অপেক্ষমাণ তালিকায় আছে। এখন কী করবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। উত্তরার আরেক অভিভাবক জানান, তার দুই কন্যা ঢাকার নতুন সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজে আবেদন করেছিল। একজন মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। আরেকজন অপেক্ষমাণ তালিকায়। এখন একই প্রতিষ্ঠানে পড়াতে না পারলে তার ব্যয় সংকুলান হবে না। এভাবে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। আবার এমন কয়েকজন শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে, যাদের মেধাতালিকার কলেজ পছন্দ না হওয়ায় এখন ভর্তি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা অপেক্ষমাণ তালিকায় ভর্তি হওয়ার মনঃস্থির করেছে।
এসব বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন বলেন, আমরা মনে করি কেউ ভর্তির সুযোগ বঞ্চিত হবে না। কিন্তু প্রত্যেকের উচিত যে যে ক’টি কলেজে চান্স পেয়েছে, তার মধ্যে একটিতে ভর্তি হয়ে থাকা। আর যদি কেউ অপেক্ষমাণ তালিকার কাছাকাছি থাকে এবং আসন খালি থাকবে বলে নিশ্চিত হয়, তাহলে অপেক্ষা করতে পারে। নইলে ভর্তি হওয়া উচিত। অন্যথায় শিক্ষাজীবন রক্ষায় শেষপর্যন্ত অখ্যাত বা অপছন্দের কলেজে ভর্তি হতে হবে।
মেধাতালিকা থেকে সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম ২২ জুন পর্যন্ত চলবে। একটি কলেজ ও মাদ্রাসায় যে ক’টি আসন আছে, প্রথম তালিকায় সেই ক’জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন নির্বাচিত কলেজগুলোর মধ্যে পছন্দের ভিত্তিতে যে কোনো একটিতে ভর্তি হবে। একজন শিক্ষার্থী একাধিক কলেজে চান্স পেয়ে থাকলেও ভর্তি না হওয়া (কলেজের) আসনগুলো শূন্য দেখানো হবে। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা ওইসব শূন্য আসনে ভর্তি হবে।
প্রথম তালিকার ভর্তির পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২৫ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে ভর্তি করা হবে। অবশিষ্ট আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির সময় ২৮ থেকে ৩০ জুন। ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই

Online Application System 17/06/2016

২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিতদের তালিকা গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করেন।
আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) পাশাপাশি www.xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে এই ফল জানতে পারবে।
এবারে আবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চায়নি। এগুলোতে ভর্তির জন্য একটি আবেদনও জমা পড়েনি। গতবার এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ১৩৯টি। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। গতবার এই সংখ্যা দেড় লাখের বেশি ছিল।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৫ জন। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ১৩ লাখ ১ হাজার ৯৯ জন। এবার মোট ভর্তিযোগ্য কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৮৫টি। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫২৭টি কলেজ, ২ হাজার ৭০১টি মাদ্রাসা ও ১ হাজার ৮৫৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১০টি মাদ্রাসা ও ২টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করেনি। দুটি কলেজের মধ্যে একটি ঢাকা বোর্ডের অধীন ময়মনসিংহের বাবর রাবেয়া নগর কলেজ ও রাজশাহী বোর্ডের অধীন কলেজটি হলো পাবনার শহীদ স্মরণিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আশফাকুস সালেহীন প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা বোর্ডের অধীন কলেজটি একেবারেই নতুন। শেষ সময়ে এসে অনুমোদন পেয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মোট ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৬টি। অর্থাৎ যত শিক্ষার্থী পাস করেছে, তার চেয়ে প্রায় সাত লাখ আসন বেশি আছে। তবে এটা ঠিক যে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কম।
যেভাবে, যখন ভর্তি: শিক্ষার্থীদের ১৮ থেকে ২২ জুনের মধ্যে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে।
ঢাকা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, এবার কলেজগুলোর যত আসন, ততজনকে নির্বাচিত করে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো কোনো শিক্ষার্থী হয়তো কয়েকটি কলেজেও ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী ১৮ থেকে ২২ জুনের মধ্যে যেকোনো কলেজে ভর্তি হতে পারবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, হয়তো একজন শিক্ষার্থী প্রথমে সিটি কলেজে ভর্তি হলো। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সে সিদ্ধান্ত নিল, নির্বাচিত ঢাকা কলেজে ভর্তি হবে, সে সুযোগও সে পাবে। তবে প্রথমবার যে কলেজে ভর্তি হয়েছিল, সেটি বাতিল করতে হবে। এভাবে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা অনুযায়ী নির্বাচিতদের ভর্তি ২৫ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত হবে।
বিলম্ব ফিসহ ভর্তি হওয়া যাবে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত। আর একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কলেজে ভর্তির সময় কেউ বাধা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইচ্ছামতো কেউ বাণিজ্যও করতে পারবে না।

Online Application System

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Mymensingh
2200