BCS written preparation

BCS written preparation

Share

এই পেইজে বিসিএস লিখিত বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন।

26/04/2026

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক সহ অন্যান্য ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি: মোস্ট হাইলাইটেড ফোকাস রাইটিং 🔥🔥

যে ৩০টি ফোকাস রাইটিংগুলো আপনার পড়া উচিত....

1. অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ (Bangladesh’s Economic Development: prospects and Challenges)

2. বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধি (Inclusive & Sustainable Development of Bangladesh)

3. বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন: চ্যালেঞ্জ ও করণীয় (Sustainable Development of Bangladesh: Challenges & Ways to Improve).

4. গ্রামীণ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অগ্রগতি (Rural Development & Poverty Reduction in Bangladesh)

5. এলডিসি উত্তরণ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ (LDC Graduation: Challenges & Prospects)

6. নবায়নযোগ্য শক্তি

7. স্মার্ট বাংলাদেশ: ভবিষ্যতের স্বপ্ন (Smart Bangladesh: Dream of the Future)

8. AI যুগে বাংলাদেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

9. ফ্যামিলি কার্ড: ব্যাক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।

10. ইরান যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সামগ্রিক প্রভাব।

11. দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

12. ডি-ডলারাইজেশন

13. বাংলাদেশের উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা (Role of Information Technology in Development of Bangladesh)

14. Merger of Banks in Bangladesh: Prospects & Challenges)

15. বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সমাধান (Banking Sector of Bangladesh: Current Situation, Problems & Solutions)

16. খেলাপি ঋণ: প্রভাব ও প্রতিকার (Non-Performing Loan: Impacts & Remedies)

17. ব্যাংকে সুশাসনের গুরুত্ব (Importance of Good Governance in Banking)

18. টেকসই উন্নয়নে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা (Role of Commercial Banks in Sustainable Development)

19. ব্যাংকিং খাতে ৪র্থ শিল্পবিপ্লব (4IR in Banking Sector: Impact & Challenges)

20. Cashless Bangladesh : Prospects & Challenges

21. এসএমই উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা (Role of Banks in SME Development)

22. মুদ্রাস্ফীতি: কারণ ও প্রতিকার (Inflation: Causes & Measures)

23. রেমিট্যান্সের ভূমিকা (Remittance: Driving Force of Economy)

24. বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI in Bangladesh: Impacts & Challenges)

25. জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশ (Climate Change: Impact on Bangladesh)

26. COP-30 সম্মেলন (COP-30: Expectation & Achievement).

27. ৪র্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশ (4IR in Bangladesh: Possibilities & Challenges)

28. নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable Energy: Prospects & Challenges)

29. জ্বালানি সংকট (Energy Crisis: Causes & Solutions)

30. আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে নারী (Women in Financial Inclusion).

👉👉চাকুরির পরীক্ষার নিয়মিত পরামর্শ বা গাইডলাইন পেতে আমাকে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ ❤️



✍️✍️
ব্যাসদেব দে

19/02/2026

আসন্ন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বিষয় ভিত্তিক ফিন্যান্স (কলেজ) এর কোর্স শুরু করতে যাচ্ছি।
লাইভ ক্লাস -৪৫ টি
পরীক্ষা থাকবে ১২ টি
চূড়ান্ত মডেল টেস্ট থাকবে ৩ টি
পয়লা মার্চ থেকে ক্লাস শুরু হবে।

যোগাযোগ : 01740408118

প্রভাষক ( ১৬ তম নিবন্ধন -৩য় বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত )
জোরারগঞ্জ মহিলা কলেজ
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
বিবিএ,এমবিএ, ফিন্যান্স,জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

08/02/2026

১) হার্টল্যান্ড তত্ত্ব (Heartland Theory)
যে শক্তি ইউরেশিয়ার কেন্দ্র (Heartland) নিয়ন্ত্রণ করবে, সে বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করবে।
→ স্থলভাগের শক্তিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

২) রিমল্যান্ড তত্ত্ব (Rimland Theory)
ইউরেশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল (Rimland) নিয়ন্ত্রণই বিশ্ব ক্ষমতার চাবিকাঠি।
→ সমুদ্র ও স্থল—উভয় শক্তির সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।

৩) ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory)
একটি দেশ কমিউনিজমে পতিত হলে পাশের দেশগুলোও একে একে পতিত হবে।
→ শীতল যুদ্ধকালে ব্যবহৃত ধারণা।

৪) কন্টেইনমেন্ট তত্ত্ব (Containment Theory)
কমিউনিজমকে ছড়িয়ে পড়তে না দিয়ে সীমাবদ্ধ করে রাখা।
→ যুক্তরাষ্ট্রের শীতল যুদ্ধ নীতি।

৫) মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine)
ইউরোপ আমেরিকা মহাদেশে হস্তক্ষেপ করবে না।
→ আমেরিকা মহাদেশে মার্কিন প্রভাব প্রতিষ্ঠা।

৬) ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine)
কমিউনিজমের হুমকিতে থাকা দেশগুলোকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা।
→ কন্টেইনমেন্ট নীতির সূচনা।

৭) কার্টার ডকট্রিন (Carter Doctrine)
পারস্য উপসাগরে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি।
→ তেল ও জ্বালানি নিরাপত্তা কেন্দ্রীক নীতি।

৮) বুশ ডকট্রিন (Bush Doctrine)
সন্ত্রাসবাদ রুখতে প্রয়োজনে আগাম সামরিক আঘাত।
→ ৯/১১–পরবর্তী মার্কিন নীতি।
সংগৃহীত

06/02/2026

What is OSI Model?

OSI এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Open Systems Interconnection. নেটওয়ার্কে যখন এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ হয়, তখন OSI মডেলের প্রতিটি লেয়ার পার হতে হয়। OSI মডেলে মোট সাত (০৭) টি লেয়ার থাকে এবং তিনটি (০৩) ভাবে বিভক্ত। উপরের তিনটি (০৩) লেয়ারকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার, নিচের তিনটি (০৩) লেয়ার কে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার, আর মাঝের লেয়ার কে বলা হয় কোর (Core) লেয়ার। নেটওয়ার্কে আমরা যত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি তার সবই ব্যবহার হয় উপরের তিনটি লেয়ারে (Application), আর নেটওয়ার্কে যত হার্ডওয়্যার (Router, Switch, Firewall) ব্যবহার করা হয়, তার সবই নিচের তিনটি (০৩) লেয়ারে ব্যবহার করা হয়, আর সফটওয়্যার লেয়ার এবং হার্ডওয়্যার লেয়ারের মাঝে ইন্টারফেসিং করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার। এইজন্য ট্রান্সপোর্ট লেয়ারকে Core লেয়ার বলা হয়। নিচে OSI মডেলের লেয়ার গুলার নাম দেয়া হয়েছে।

1. Physical Layer
2. Data Link Layer
3. Network Layer
4. Transport Layer
5. Session Layer
6. Presentation Layer
7. Application Layer

৭. এপ্লিকেশন লেয়ার :

এটি হলো ওএসআই মডেলের সপ্তম লেয়ার। এপ্লিকেশন লেয়ার ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করে এবং নেটওয়ার্ক ডাটা প্রসেস করে।এপ্লিকেশন লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে রিসোর্স শেয়ারিং, রিমোট ফাইল একসেস, ডিরেক্টরী সার্ভিস ইত্যাদি। এপ্লিকেশন লেয়ারের কিছু প্রটোকল এর পোর্ট এড্রেস দেওয়া হলো

প্রটোকল এফটিপি টিএফটিপি টেলনেট ডিএইচসিপি ডিএনএস পপ আইম্যাপ এসএমটিপি এইচটিটিপি
পোর্ট এড্রেস ২০/২১ ৬৯ ২৩ ৬৭/৬৮ ৫৩ ১১০ ১৪৩ ২৫ ৮০
পোর্ট নাম্বারগুলো মনে রাখার চেষ্টা করতে হবে। কারণ সিসিএনএ পরীক্ষায় সাধারণত এ ধরনের প্রশ্ন থাকে , যেমন এইচটিটিপি এর পোর্ট নাম্বার কত?

৬.প্রেজেন্টেশন লেয়ার :

এই লেয়ার নেটওয়ার্ক সার্ভিসের জন্য ডাটা ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করে। এই লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে ডাটা কনভার্শন,ডাটা কমপ্রেশন, ডিক্রিপশন ইত্যাদি। এই লেয়ারে ব্যবহিত ডাটা ফরম্যাট গুলো হলো .জেপিজি, .এমপিইজি ইত্যাদি।

৫. সেশন লেয়ার :

সেশন লেয়ারের কাজ হলো উৎস এবং গন্তব্য ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলা , সেই সংযোগ কন্ট্রোল করে এবং প্রয়োজন শেষে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। ডাটা পাঠানোর জন্য ৩ ধরনের কন্ট্রোল ব্যবহার করা হয় ।

সিম্পলেক্স : সিম্পলেক্স এ ডাটা একদিকে প্রবাহিত হয়।
হাফ ডুপ্লেক্স : হাফ ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একদিকের ডাটা প্রবাহ শেষ হলে অন্যদিকের ডাটা অন্য দিকের ডাটা প্রবাহিত হয়ে থাকে।
ফুল ডুপ্লেক্স : ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একইসাথে উভয়দিকে ডাটা প্রবাহিত হতে পারে।

৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার :

ওএসআই মডেলের চতুর্থ লেয়ার ট্রান্সপোর্ট লেয়ার । এই লেয়ারের কাজ হলো সেশন লেয়ারের কাছ থেকে পাওয়া পাওয়া ডাটা নির্ভরযোগ্যভাবে অন্য ডিভাইসে পৌছানো নিশ্চিত করে। এই লেয়ারে ডাটা পৌছানোর জন্য দু’ধরনের ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে:

কানেকশন ওরিয়েন্টেড:
কানেকশন ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে একটি একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে। ইহা টিসিটি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

কানেকশনলেস:
কানেকশনলেস ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে কোন একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে না। ইহা ইউডিপি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার :

নেটওয়ার্ক লেয়ারের কাজ হলো এড্রেসিং ও প্যাকেট ডেলিভারি। এই লেয়ারে ডাটা প্যাকেটে নেটওয়ার্ক এড্রেস যোগ করে এনক্যাপসুলেশনের মাধ্যমে। এই লেয়ারে রাউটার ব্যবহিত হয়ে থাকে এবং রাউটিং টেবিল তৈরি করে থাকে।

২. ডাটালিংক লেয়ার :

OSI Model এর দ্বিতীয় লেয়ার হলো; ডাটা লিঙ্ক লেয়ার। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার অনেকটা নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতো করে ,কাজ করে। নেটওয়ার্ক লেয়ার ডাটা ট্রান্সফার করে থাকে, একই নেটওয়ার্ক এর বাহিরে। কিন্তু ডাটা লিঙ্ক লেয়ার ডাটা প্যাকেট ট্যান্সফার করে থাকে একই নেটওয়ার্ক এর ভিওরে। অথ্যার্ৎ দুটি ডিভাইস যদি, একই নেটওয়ার্ক এর আন্ডারে থাকে ,তাহলে ডাটা লিঙ্ক লেয়ার এর সাহায্যে ডাটা প্যাকেট ট্রান্সমিট করা সম্ভব। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার >নেটওয়ার্ক লেয়ার থেকে ডাটা প্যাকেট নেয় এবং ডাটা গুলোকে ছোট ছোট আকারে ভাগ করে, যেটিকে বলা হয় ফ্রেম। নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতোই , এই ডাটা লিঙ্ক লেয়ার , ডাটা প্রবাহ, ডাটা নিয়ন্ত্রন, এরর কন্ট্রোল ইত্যাদি করে থাকে।বলতে পারেন, এই লেয়ার , দুটি ডিভাইসের মধ্যে লজিক্যাল লিঙ্ক তৈরি করে।

১. ফিজিক্যাল লেয়ার :

ফিজিক্যাল লেয়ার OSI Model এর প্রথম লেয়ার যেটি কিনা, সর্বনিম্নে অবস্থান করে। এর নাম থেকে, আপনি আন্দাজ করতে পারেন, এই লেয়ার কি কাজ করে। এই লেয়ার দুটি ফিজিক্যাল ডিভাইস এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এবং ফিজিক্যাল কানেকশণ (কোন ক্যাবল এর সাহায্যে) এর সাহায্যে ডাটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করা হয়। এই লেয়ার ডাটাকে বিট স্ট্রিমে রুপান্তর করে থাকে অর্থাৎ ডাটাকে 0 এবং 1 এ .রুপান্তর করে থাকে। ডাটাকে বিট টু বিট আকারে ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে।

এই লেয়ারে ব্যবহৃত ডিভাইস গুলো হলোঃ

*হাব.
*ট্যুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
*ফাইবার অপটিক ক্যাবল
*কোএক্সিয়াল ক্যাবল
*ইত্যাদি।

অনেক সময় একটি প্রশ্ন আসে এপ্লিকেশন লেয়ার অথবা নেটওয়ার্ক লেয়ার OSI model এর কততম লেয়ার সহজেই মনে রাখার জন্য এই বাক্যটি মনে রাখতে পারেন।

All People Seem To Need Data Processing. এখানে

7. A= Application layer
6. P= Presentation layer
5. S= Session layer
4. T= Transport layer
3. N= Network layer
2. D= Data link layer
1. P=Physical layer

30/12/2025

RCEP (Regional Comprehensive Economic Partnership)

স্বাক্ষর ও কার্যকর:
স্বাক্ষর: ১৫ নভেম্বর ২০২০
কার্যকর: ১ জানুয়ারি ২০২২

সদস্য দেশ: মোট ১৫টি দেশ

আসিয়ান (ASEAN) ১০ দেশ: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া

অতিরিক্ত ৫ দেশ: চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড

RCEP-এর মূল বৈশিষ্ট্য ও লক্ষ্য:

1. মুক্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণ:

শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা কমানো।

পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় সহজতর করা।

2. আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণ:

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি একীভূত অর্থনৈতিক বাজার তৈরি।

3. বিনিয়োগ ও সেবা খাত উন্নয়ন:

তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিকমিউনিকেশন, আর্থিক খাতের মতো খাতে বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সহজ করা।

4. সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করা:

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সময় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা।

5. ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (SMEs) সহায়তা:

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ করা।

6. আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি:

অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন।

7. বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব বৃদ্ধি:

সদস্য দেশগুলো বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৩০% এবং বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধারণ করে।

অতিরিক্ত কিছু বেসিক তথ্য:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত: RCEP-এ নেই।

প্রধান সুবিধা: শুল্ক হ্রাস, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক ব্যবসা সহজতর করা।

চ্যালেঞ্জ: বিভিন্ন দেশের উন্নয়ন স্তরের পার্থক্য এবং প্রতিযোগিতার চাপ।

RCEP-এর আকার: এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (FTA), যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাবশালী।

ব্যবসায়িক সুযোগ: কৃষি, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল, সেবা খাত, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ব্যবসা ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক।

বাজার সংযুক্তি: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সরবরাহ শৃঙ্খল সহজ, ব্যবসা ও বিনিয়োগ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

27/12/2025

বিসিএস প্রিলি + লিখিত + ভাইভা
CEDAW থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women, সংক্ষেপে যা CEDAW হিসেবে পরিচিত। বাংলায় এটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘নারীর প্রতি সব বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও)’। ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক সনদটি গৃহীত হলেও ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর করা শুরু হয়। সে কারণে ‘৩ সেপ্টেম্বর’ অর্থাৎ যে তারিখ থেকে এটি কার্যকর করা হয় সেই তারিখটিকে ‘সিডও’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সিডওর তিনটি মৌলিক নীতি : ১. সমতার নীতি ২. বৈষম্যহীনতার নীতি ৩. শরিক রাষ্ট্রগুলোর দায়বদ্ধতার নীতির ওপর ভিত্তি করে রচিত সনদে রয়েছে ৩০টি ধারা। এক থেকে ১৬ পর্যন্ত ধারাগুলোতে ঘোষিত হয়েছে নারীর সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গৃহীত নীতিগুলো। ১৭ থেকে ২২ ধারায় বর্ণিত হয়েছে ‘সিডও’র কর্মপন্থা ও শরিক রাষ্ট্রগুলোর দায়বদ্ধতা পালনের পন্থাগুলো।

২৩ থেকে ৩০ ধারা ‘সিডও’ প্রশাসনসংক্রান্ত।

সিডও সনদের ১ থেকে ১৩ ধারা অর্থাৎ নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঘোষিত সমতার নীতির ধারার ২ নম্বর ধারাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটিকে Heart of the Convention বলে চিহ্নিত করা হয়। ২ নম্বর ধারায় যে পাঁচটি উপধারা আছে, সেখানে বলা হয়েছে : রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইনের মধ্যে নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণের নীতি ঘোষণা করতে হবে। আইন যথাযথ প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়বদ্ধতা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করতে হবে। যেসব আইন-বিধি-প্রথা নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক অবস্থান তৈরি করে তা দূরীকরণে উপযুক্ত আইন গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ রাষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে।

শতাব্দীব্যাপী নারী আন্দোলনের অভিযাত্রা ও বিংশ শতাব্দীর মানবাধিকার আন্দোলনের অনুকূল পরিবেশে জাতিসংঘ নারী আন্দোলনের অগ্রগতির নানা উদ্যোগের ফসল ‘সিডও সনদ’। এই সনদ প্রণয়ন বা কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপ নারী জাতির মর্যাদাবিষয়ক কমিশন ও সাধারণ পরিষদের মধ্যে পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন সময় আলোচনা ও পর্যালোচনার পর গৃহীত হয় ‘সিডও সনদ’। বিভিন্ন রাষ্ট্র সনদে স্বাক্ষর শুরু করে ১৯৮০ সালে। বাংলাদেশ এই দলিলে স্বাক্ষর করে ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর। এই স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ‘সিডও সনদ’ বাস্তবায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। যদিও বাংলাদেশ ‘সিডও সনদে’ স্বাক্ষর করার সময় চারটি ধারা সংরক্ষণ করে, অর্থাৎ এই চারটি ধারা বাস্তবায়নে সেই সময় অপারগতা প্রকাশ করে। নারী আন্দোলনের চাপের ফলে ১৯৯৬ সালে ১৫(ক), ১৬-১-এর (গ) ধারার সংরক্ষণ এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। ২ নম্বর ধারার কথা এর আগে বিস্তারিত বলা হয়েছে। ১৬-১(চ) ধারায় নারীর বৈষম্যের ক্ষেত্রে বিরাজমান পারিবারিক, বিবাহ ও নাগরিক অধিকারের নীতিগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং নারীর মানবাধিকার অর্থাৎ সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সিডওর যে ধারাগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মূল প্রতিকূলতাকেই সংরক্ষণ করা হয়েছে।

07/10/2025

🔥নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 🔥
🌸 সমন্বিত ১১ ব্যাংক / আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
Senior Officer
🌸 পদের সংখ্যা: ১,০১৭টি।
🌸 আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ নভেম্বর, ২০২৫।

Photos from BCS written preparation's post 07/10/2025

49th BCS seat plan

07/10/2025

49th BCS Viva voce possibility date

05/10/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mymensingh