ChemPhys পাঠশালা

বুয়েট, মেডিকেল, ঢাবিসহ দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখা শুরু হোক ঈশ্বরগঞ্জ থেকেই।

22/10/2023

SSC-2024
৯০ দিনে রসায়ন সম্পূর্ণ সিলেবাস!
ক্লাস শুরু: ২৫ অক্টোবর (ফ্রী ক্লাস)
সময়: সকাল ৯ টায়
স্থান:উচাখিলা স্কুলের পিছনের গেইট সংলগ্ন
★প্রতি ব্যাচে সর্বোচ্চ ২৫ জন
★ফ্রী ক্লাসের সাথে থাকবে লেকচার শীট।

আপনাদের ছোট ভাইবোন ও পরিচিতদের সাজেস্ট করবেন, ধন্যবাদ🖤

২৫- জারন-বিজারন
২৬- লিমিটিং বিক্রিয়ক
২৭- লা শাতেলিয়ার নীতি
২৮-তড়িৎবিশ্লেষ্যকোষ ও গ্যালভানিক কোষ
২৯- সমযোজী বন্ধন & দ্রবনীয়তা
৩০- আয়নীকরণ শক্তি & ইলেকট্রন আসক্তি

এই দিনগুলো তে এই টপিকঃ গুলার উপর ফ্রী ক্লাস হবে। ফ্রী ক্লাস গুলোও যদি কেউ ভালো করে করতে পারে ফাইনালে 40+ মার্কস কমন পড়বে।

17/10/2023

২০২৪ সালের এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে স্কুলগুলোকে। - শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
✔️আর আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে। চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

14/10/2023

এসএসসি ২০২৪ ব্যাচ (পদার্থ & রসায়ন)
৯০ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস!
ক্লাস শুরু: ২৫ অক্টোবর (প্রথম ৫ দিন ফ্রী)
উচাখিলা: স্কুলের পিছনের গেইট সংলগ্ন (শুধু কেমিস্ট্রি)
ঈশ্বরগঞ্জ: কালীবাড়ি রোড ( ইচ্ছে খাবার রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন)
★প্রতি ব্যাচে সর্বোচ্চ ২৫ জন

আপনাদের ছোট ভাইবোন ও পরিচিতদের সাজেস্ট করবেন, ধন্যবাদ🖤

03/10/2023

পরমাণু, অণু কিংবা বস্তুর ভিতরে ইলেকট্রনের জগত বা ইলেক্ট্রনের গতি প্রকৃতি বুঝতে হলে সেই জগতের স্কেলে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ পাঠাতে হবে। সেই জন্য খুবই ছোট সময়ের পালস তৈরী দরকার। কতটা ছোট? এত ছোট যে ১ এর পরে ১৮টা শূন্য দিলে যে নম্বর সেটা দিয়ে ১ সেকেন্ডকে ভাগ দিলে যে সময় হয় সেই সময়ের পালস। এই ১ অ্যাটোসেকেন্ড এর পালস তৈরির প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেক্ট্রনের গতি প্রকৃতি দেখার জন্য মানব জাতিকে তিনজন পদার্থবিদ নতুন সরঞ্জাম দিয়েছেন। তারা হলেন পিয়েরে আগোস্টিনি (ফরাসী), ফেরেঙ্ক ক্রাউস (জার্মানি) এবং অ্যান ল'হুইলিয়ার (ফ্রান্সের কিন্তু কাজ করেন যুক্তরাষ্ট্রে)! কি অসাধারণ কাজ। এইবারের ৩ জন বিজয়ীই ইউরোপিয়ান।

ইলেক্ট্রনকে বুঝতে হলে ওদের লেভেলে নামতে হবে। যে যাকে বুঝতে চায় তাকে সেই লেভেলে নেমে আসতে হবে। শিক্ষক হয়ে ছাত্রকে বুঝাতে হলে শিক্ষককে ছাত্রের লেভেলে নামতে হবে, সরকারকে জনগণের লেভেলে নামতে হবে।

24/09/2023

এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় নম্বরভিত্তিক মূল্যায়ন বাদ দেওয়া হচ্ছে।

সমাপ্তি ঘটছে জিপিএ-৫ কিংবা গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়ার যুদ্ধেরও। এখন থেকে শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নে ব্যবহার হবে পারফরম্যান্স ‘ইনডিকেটর’, অর্থাৎ বিশেষ পারদর্শিতার ‘চিহ্ন’। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দিয়ে এ প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন শুরু হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন, ফল হিসেবে যে ইনডিকেটর বা চিহ্ন দেওয়া হবে, তা থেকে বোঝা যাবে- কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয় বা কাজে বেশি দক্ষ। ‘ভালো’, ‘মধ্যম’ বা ‘খারাপ’ ফল বলে কোনো কথা বা বার্তাও সেখানে থাকবে না। কোনো শিক্ষার্থী খেলাধুলায় পারদর্শী হতে পারে, কেউ হতে পারে ছবি আঁকায়। কারও কথা বলার দক্ষতা বেশি থাকতে পারে। তাদের এসব দক্ষতা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ পছন্দ করে পড়তে উৎসাহ দেওয়া হবে। এতে শিক্ষার্থী যে বিষয়ে দক্ষ ও আগ্রহী, সে বিষয়ে পড়বে এবং কর্মজীবনে সেই ক্ষেত্রেই কাজ করবে। চাকরির বাজারে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ কর্মী বাড়লে, কমবে বেকারত্বও।

20/09/2023

তুল্য রোধ কত🥺

14/09/2023

???

12/09/2023
10/09/2023

টেস্ট পরবর্তী সময়ে পদার্থ রসায়ন পড়ার জন্য ময়মনসিংহ-ঈশ্বরগঞ্জ ম্যারাথন দৌড় এবার বন্ধ হোক।
♻ পদার্থ & রসায়ন
♀ ChemPhys পাঠশালা ||
এই প্রোগ্রামটি SSC 2024 ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য। তবে SSC 2025 ব্যাচও করতে পারবে। কেমিস্ট্রি ও ফিজিক্সের উপর ফুল সিলেবাসের SSC প্রস্তুতির একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রাম এটি।
☢ কোর্সের ফিচারসমূহ: (শুধু রসায়ন অথবা পদার্থের জন্য)
⭕ ৫০ এর অধিক ক্লাস (৪০ টি অধ্যায়ভিত্তিক ক্লাস,১০ টি CQ & MCQ ক্লাস)
⭕ বোর্ড বইয়ের প্রাকটিস প্রব্লেম ও প্রশ্ন সমাধান
⭕ বইয়ের পিছনের MCQ সমাধান
⭕ বোর্ড CQ & MCQ সলভ
⭕ অধ্যায়ভিত্তিক এক্সাম ১০ টি
⭕ ফাইনাল মডেল টেস্ট ২ টি (CQ+MCQ)
⭕ প্রাকটিস শিট (All in One)
☢ কোর্সটি শেষ হবার ডেডলাইন : SSC 24 ব্যাচের পরীক্ষা পূর্ব পর্যন্ত।
☢ ক্লাস শুরু : ২০ অক্টোবর
🎇 পদার্থ ও রসায়নের ২ টি করে ব্যাচ থাকবে
১. এডভান্সড কোর্সঃ টেস্টের পূর্বেই মুটামুটি সিলেবাস শেষ হয়ছে।
২.বেসিক কোর্সঃ সব অধ্যায়ের আংশিক ধারনা আছে এমন স্টুডেন্ট।
এক্সপেরিয়েন্সড মেন্টরের সাথে,তোমার কেমিস্ট্রি ফিজিক্সের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে আজই যুক্ত হও ChemPhys পাঠশালার সাথে।

08/09/2023

টেস্ট পরবর্তী সময়ে পদার্থ রসায়ন পড়ার জন্য ময়মনসিংহ-ঈশ্বরগঞ্জ ম্যারাথন দৌড় এবার বন্ধ হোক।

♻ পদার্থ & রসায়ন
♀ ChemPhys পাঠশালা ||

এই প্রোগ্রামটি SSC 2024 ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য। তবে SSC 2025 ব্যাচও করতে পারবে। কেমিস্ট্রি ও ফিজিক্সের উপর ফুল সিলেবাসের SSC প্রস্তুতির একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রাম এটি।

☢ কোর্সের ফিচারসমূহ: (শুধু রসায়ন অথবা পদার্থের জন্য)
⭕ ৫০ এর অধিক ক্লাস (৪০ টি অধ্যায়ভিত্তিক ক্লাস,১০ টি CQ & MCQ ক্লাস)
⭕ বোর্ড বইয়ের প্রাকটিস প্রব্লেম ও প্রশ্ন সমাধান
⭕ বইয়ের পিছনের MCQ সমাধান
⭕ বোর্ড CQ & MCQ সলভ
⭕ অধ্যায়ভিত্তিক এক্সাম ১০ টি
⭕ ফাইনাল মডেল টেস্ট ২ টি (CQ+MCQ)
⭕ প্রাকটিস শিট (All in One)

☢ কোর্সটি শেষ হবার ডেডলাইন : SSC 24 ব্যাচের পরীক্ষা পূর্ব পর্যন্ত।

☢ ক্লাস শুরু : ২০ অক্টোবর

🎇 পদার্থ ও রসায়নের ২ টি করে ব্যাচ থাকবে
১. এডভান্সড কোর্সঃ টেস্টের পূর্বেই মুটামুটি সিলেবাস শেষ হয়ছে।
২.বেসিক কোর্সঃ সব অধ্যায়ের আংশিক ধারনা আছে এমন স্টুডেন্ট।

এক্সপেরিয়েন্সড মেন্টরের সাথে,তোমার কেমিস্ট্রি ফিজিক্সের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে আজই যুক্ত হও ChemPhys পাঠশালার সাথে।

05/09/2023

যে শান্তকে দলে নেওয়ায় নির্বাচকদের সবাই গালাগালি করত..
এখন সেই শান্ত ইঞ্জুরির কারনে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় সবাই আফসোস করতেছে!

কি সুন্দর পরিবর্তন! 💖

তাই লেগে থাকুন, আজ যে ইনসাল্ট বা অবজ্ঞা করে, কাল আপনার মূল্য বেড়ে যাবে।

আপনার সময় আসবেই ইনশাআল্লাহ.....

04/09/2023

এইচএসসি ২০২৪ পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ! (২০২৩ সালের শর্ট সিলেবাস অনুযায়ী)

02/09/2023

পানি গঠনের ইতিহাস😜

02/09/2023

আয়নিক বন্ধন😐

01/09/2023

Solve it...

30/08/2023

হিলিয়াম (ইংরেজি: Helium, গ্রিক হ্যালিওস্‌ "সূর্য" থেকে) পর্যায় সারণির ২য় মৌল। এর প্রতীক He। এটি পর্যায় সারণি ১ম পর্যায়ের শূন্য গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। ভরের দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয় হালকা মৌলিক পদার্থ। একমাত্র হাইড্রোজেন এর চেয়ে হালকা। হিলিয়াম একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এই মৌলিক পদার্থের পারমাণবিক সংখ্যা ২।

#আবিষ্কার
👉১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী পিয়ের জনসেন ভারতের গুন্ট‌ুরে একটি সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের জ্যোতির্বলয়ের বর্ণালীতে হিলিয়াম আবিষ্কার করেন। এর কিছুদিন পরেই এটি একটি মৌল হিসেবে চিহ্নিত হয়। ব্রিটিশ রসায়নবিদ স্যার এডওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যাণ্ড এবং স্যার জোসেফ নরম্যান লকইয়ার এটির নাম দেন হিলিয়াম। ব্রিটিশ রসায়নবিদ স্যার উইলিয়াম র‌্যামজে প্রথম পৃথিবীতে প্রাপ্ত পদার্থ থেকে এটি নিষ্কাশন করেন। তিনি ক্লিভাইট নামে একটি ইউরেনিয়াম খনিজে হিলিয়াম শনাক্ত করেন। ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ রসায়নবিদ স্যার আর্নেস্ট রাদারফোর্ড দেখান যে আলফা কণা হল হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস।

👉নাম, প্রতীকঃ হিলিয়াম, He
👉পারমাণবিক সংখ্যাঃ 2
👉আদর্শ পারমাণবিক ভরঃ 4.002602(2)
👉মৌলের শ্রেণীঃ নিষ্ক্রিয় গ্যাস
👉শ্রেণী, পর্যায়, ব্লকঃ group 18 (noble gases),
পর্যায় 1, s-ব্লক
👉ইলেকট্রন বিন্যাসঃ 1s2, per shell: 2

হিলিয়াম অণু একটি পরমাণুবিশিষ্ট। মৌলসমূহের মধ্যে কেবল হাইড্রোজেন এর চেয়ে হালকা। হিলিয়াম -২৭২.২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ২৬ একক বায়ুমণ্ডলীয় চাপেরও বেশি চাপে জমে কঠিন হয়। এটি -২৬৮.৯ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ফুটতে শুরু করে। এর ঘনত্ব ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ও একক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ০.১৬৬৪ গ্রাম/লিটার। হিলিয়ামের আণবিক ভর ৪.০০২৬।

সব গ্যাসের মধ্যে হিলিয়াম গ্যাসকে তরল করা সবচেয়ে কঠিন। স্বাভাবিক বায়ুচাপে একে কঠিনীভূত করা অসম্ভব। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে তরল হিলিয়াম হিমায়ক হিসেবে এবং পরীক্ষণে পরম শূন্যের কাছকাছি তাপমাত্রা উৎপাদনে ও পরিমাপে ব্যবহার করা হয়। তরল হিলিয়ামের উপরের বাষ্প দ্রুত সরিয়ে নিয়ে একে স্বাভাবিক বায়ুচাপে প্রায় পরম শূন্যের কাছাকাছি তাপমাত্রায় শীতল করা সম্ভব। পরম শূন্যের সামান্য উপরের তাপমাত্রায় হিলিয়াম ২ বা অতিতরল হিলিয়ামে পরিণত হয়। এই অতিতরল হিলিয়ামের অদ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান; এর কোন হিমাংক নেই, এবং এর সান্দ্রতা শূন্য। এটি খুব সহজেই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ছিদ্র ও ফাটলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যেতে পারে। হিলিয়াম-৩ নামের ৩ ভরবিশিষ্ট আইসোটোপটির স্ফ‌ুটনাংক সাধারণ হিলিয়ামের চেয়েও নিচে অবস্থিত এবং তরল অবস্থায় অত্যন্ত ভিন্ন রকম আচরণ করে।

হাইড্রোজেনের পরেই হিলিয়াম মহাবিশ্বের সবচেয়ে সহজলভ্য মৌল। কিন্তু পৃথিবীতে এর পরিমাণ অত্যন্ত কম। ভূগর্ভস্থে প্রাকৃতিক গ্যাসের সাথে মিশ্র অবস্থায় একে পাওয়া যায়। অত্যন্ত হালকা বলে নিঃসরণের পর এটি বায়ুমণ্ডল ত্যাগ করে তাই এই গ্যাসটিকে আর ধরে রাখা যায় না। সমুদ্র সমতলে হিলিয়াম প্রতি দশ লক্ষ ভাগে ৫.৪ ভাগ পাওয়া যায়। উচ্চ উচ্চতায় এই পরিমাণ খানিকটা বাড়ে। বায়ুমণ্ডলের প্রতি দশ লক্ষভাগে একটি হিলিয়াম-৩ মৌল কণা থাকে। অনুমান করা হয় যে এটি ৩ ভরবিশিষ্ট ট্রিটিয়ামের তেজস্ক্রিয় ক্ষয় থেকে তৈরি । হিলিয়ামের সাধারণ আইসোটোপ, হিলিয়াম-৪ সম্ভবত শিলাসমূহের তেজস্ক্রিয় আলফা কণা নিঃসরণের থেকে উদ্ভ‌ূত। প্রাকৃতিক গ্যাস হিলিয়ামের প্রধান বাণিজ্যিক উৎস। এতে প্রায় ০.৪ শতাংশ হারে হিলিয়াম থাকে।

#ভৌত_বৈশিষ্ট্য
👉দশাঃ গ্যাস
👉গলনাঙ্কঃ (at 2.5 MPa) 0.95 কে ​(−272.20 °সে, ​−457.96 °ফা)
👉স্ফুটনাঙ্কঃ 4.22 K ​(−268.93 °সে, ​−452.07 °ফা)
👉ঘনত্বঃ 0.1786 গ্রা/লি (০ °সে-এ, ১০১.৩২৫ kPa)
👉তরলের ঘনত্বঃ m.p.: 0.145 g·cm−৩
👉পরম বিন্দুঃ 5.19 কে, 0.227 MPa
👉ফিউশনের এনথালপিঃ 0.0138 kJ·mol−১
👉বাষ্পীভবনের এনথালপিঃ 0.0829 kJ·mol−১
👉তাপ ধারকত্বঃ 5R/2 = 20.786 J·mol−১·K−১
👉বাষ্প চাপ (defined by ITS-90)
P (Pa) ১ ১০ ১০০ ১ k ১০ k ১০ k
at T (K) 1.23 1.67 2.48 4.21

#পারমাণবিক_বৈশিষ্ট্য
👉তড়িৎ-চুম্বকত্বঃ no data (পলিং স্কেল)
👉সমযোজী ব্যাসার্ধঃ 28 pm
👉ভ্যান ডার ওয়ালস ব্যাসার্ধঃ 140 pm

#বিবিধঃ
👉কেলাসের গঠন
​hexagonal close-packed (hcp)Hexagonal close-packed জন্য কেলাসের গঠন{{{name}}}
👉শব্দের দ্রুতিঃ 972 m·s−১
👉তাপীয় পরিবাহিতাঃ 0.1513 W·m−১·K−১
👉চুম্বকত্বঃ diamagnetic[১]
👉ক্যাস নিবন্ধন সংখ্যাঃ 7440-59-7

👉সবচেয়ে স্থিতিশীল আইসোটোপ
মূল নিবন্ধ: হিলিয়ামের আইসোটোপ
iso NA অর্ধায়ু DM DE (MeV) DP
3He 0.000137%* He 1টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
4He 99.999863%* He 2টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
Atmospheric value, abundance may differ elsewhere

#রাসায়নিক_বিক্রিয়া
👉অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মত হিলিয়ামও রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয়। এর একমাত্র ইলেকট্রন খোলসটি ইলেকট্রনে পূর্ণ। ফলে অন্যান্য রাসায়নিক মৌলের সাথে এর বিক্রিয়া হওয়া অত্যন্ত দুরূহ। বিক্রিয়া ঘটলেও, উৎপন্ন যৌগগুলি অস্থায়ী প্রকৃতির হয়ে থাকে। হিলিয়ামের সাথে নিয়ন এবং হাইড্রোজেনের যৌগের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেছে। অন্যান্য যৌগও প্রস্তাবনা করা হয়েছে। মহাবিশ্বে হিলিয়াম অত্যন্ত সহজলভ্য বলে এই বিক্রিয়াগুলি মহাবিশ্ব তত্ত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

#ব্যবহার
👉হিলিয়াম অদাহ্য বলে বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাসের বদলে এটি ব্যবহার করা হয়। এর উত্তোলন ক্ষমতা হাইড্রোজেনের ৯২ শতাংশ, তবে এটি হাইড্রোজেন অপেক্ষা দ্বিগুণ ভারী।

রসায়ন সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাবেন আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর পোষ্টের মাধ্যমে দেওয়ার চেষ্টা করবো।
👉পোস্ট ভালো হলে লাইক এবং শেয়ার করে thx লিখে উৎসাহিত করবেন ❤️
ধন্যবাদ সবাইকে

27/08/2023

মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি যে মৌলটি পাওয়া যায়, তার নাম হাইড্রোজেন। গ্রিক শব্দ হাইড্রো এবং জিন থেকে হাইড্রোজেন শব্দের উৎপত্তি। হাইড্রো অর্থ পানি, আর জিন মানে উৎপাদক বা সৃষ্টিকারী। অর্থাৎ, হাইড্রোজেন শব্দের মানে পানি সৃষ্টিকারী। এটিই পর্যায় সারণির প্রথম মৌল। পারমাণবিক সংখ্যা ১। প্রতীক H। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর লস অ্যালোমস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির মতে, মহাবিশ্বে যত পরমাণু আছে, তার ৯০ শতাংশেরও বেশি হাইড্রোজেন। ভরের হিসেবে এটি মহাবিশ্বের মোট ভরের চার ভাগের এক ভাগ।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রির মতে, হাইড্রোজেন জীবনের জন্য অপরিহার্য। প্রায় সব জীবিত বস্তুর মধ্যেই আছে হাইড্রোজেনের উপস্থিতি। নক্ষত্রের মধ্যেও এ মৌলটির প্রভাব আছে। নক্ষত্রের ভেতরে প্রোটন-প্রোটন বিক্রিয়া ঘটে এবং কার্বন-নাইট্রোজেন চক্রের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদিত হয়। হাইড্রোজেনের ফিউশন বিক্রিয়ায় দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু জোড় বেঁধে হিলিয়াম গঠন করে। এ সময় মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে প্রচুর শক্তি।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন নেই। হাইড্রোজেন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যাকর্ষণের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে হারিয়ে যায়। আমাদের গ্রহে হাইড্রোজেন প্রধানত অক্সিজেন ও পানির পাশাপাশি জীবন্ত উদ্ভিদ, পেট্রোলিয়াম এবং কয়লার মতো জৈব পদার্থের সঙ্গে সংমিশ্রিত হয়।

মানুষের পক্ষে প্রথম হাইড্রোজেন তৈরির রেকর্ড বহু পুরনো। ১৫ শতকের প্রথমার্ধে সুইডিশ বিজ্ঞানী থিওফ্রাসটাস প্যারাসেলসাস (Theophrastus Paracelsus) প্রথম হাইড্রোজেন আবিষ্কার করেন। তিনি সালফিউরিক এসিডের মধ্যে আয়রন বা লোহা দ্রবীভূত করে দেখেন, একটা গ্যাস বের হচ্ছে। এই পরীক্ষার পর তিনি বলেন, ‘দমকা হাওয়ার মতো বাতাস বেরিয়ে আসে।’ তবে তিনি হাইড্রোজেনের কোনো বৈশিষ্ট্য আবিষ্কার করতে পারেননি।

এরপর কেটে গেছে প্রায় দেড়শ বছর। হাইড্রোজেন নিয়ে আর কারও কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা এ সময়ের ইতিহাসে পাওয়া যায় না। ১৬৫০ সালে জেনেভার বিজ্ঞানী টারকুয়ে দে মেয়ার (Turquet De Mayerne) প্যারাসেলসাসের পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি করেছিলেন। তিনি আবিষ্কার করেন, হাইড্রোজেন দাহ্য।

প্যারাসেলসাস বা দে মেয়ার কেউই হাইড্রোজেনকে একটি নতুন মৌল বা উপাদান হিসাবে চিহ্নিত করতে পারেননি। আসলে প্যারাসেলসাস বিশ্বাস করতেন, পৃথিবীতে মাত্র তিনটি উপাদান আছে। লবন, সালফার ও পারদ। এ ছাড়া অন্যান্য যে মৌল পাওয়া যায়, তার সবই এই তিন উপাদানের মিশ্রণের।

১৬৭১ সাল। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট বয়েল লোহার সঙ্গে অ্যাসিড নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন। তিনি দেখতে পান, হাইড্রোজেন শুধু বাতাসের সংস্পর্শে জ্বলে ওঠে। (বাতাস বলতে এখানে অক্সিজেনের কথা বলা হয়েছে)। তবে তিনিও একে মৌল হিসেবে চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হন।

গবেষকেরা হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। এ প্রযুক্তির সাহায্যে হাইড্রোজেন গ্যাসকে দূষণমুক্ত শক্তির উৎস হিসাবে ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন করা হবে।
১৭৬৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরি ক্যাভেন্ডিসের হাত ধরে হাইড্রোজেন স্বতন্ত্র মৌল হিসাবে স্বীকৃতি পায়। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে জিঙ্ক বা দস্তার বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন আবিষ্কার করেন হেনরি। তিনি এটাও লক্ষ্য করেছিলেন যে হাইড্রোজেনকে পোড়ালে পানি উৎপাদন হয়।

১৭৮৩ সালে ফরাসি রসায়নবিদ অ্যান্টোনি ল্যাভয়সিয়ে (আসলে ওনার নাম, অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে) প্রথম হাইড্রোজেনের নামকরণ করেন। নামটি কীভাবে এলো, অর্থাৎ কোন শব্দ থেকে এলো তা ওপরে ইতিমধ্যে জানিয়েছি।

১৮০৬ সালের কথা। হাইড্রোজেন ততদিনে একটি স্বতন্ত্র মৌল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়ে গেছে। এরকম সময়ে ব্রিটিশ রসায়নবিদ হামফ্রে ডেভি বিশুদ্ধ পানির মধ্যে শক্তিশালী বিদ্যুৎ প্রবাহ চালালেন। দেখলেন, পানি থেকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন উৎপাদন হয়েছে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা যায়, বিদ্যুৎ কোনো যৌগ থেকে মৌলকে আলাদা করতে পারে। ডেভি বুঝতে পেরেছিলেন, পদার্থগুলো একটি বৈদ্যুতিক কারণে একত্রে আবদ্ধ ছিল। তিনি রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃত রহস্য আবিষ্কার করেছিলেন।

হাইড্রোজেনের তিনটি সাধারণ আইসোটোপ আছে। প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম। প্রোটিয়াম-ই সবচেয়ে প্রচলিত, সাধারণ হাইড্রোজেন। এর নিউক্লিয়াসে শুধু একটি প্রোটন আছে। ডিউটেরিয়াম একটি স্থিতিশীল আইসোটোপ। এর নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রন আছে। ১৯৩২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিদ হ্যারল্ড ইউরি (Harold Urey) এটি আবিষ্কার করেন। ট্রিটিয়াম একটি অস্থিতিশীল আইসোটোপ। নিউজিল্যান্ডের পদার্থবিদ আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং অস্ট্রেলিয়ান দুই পদার্থবিদ মার্কাস লরেন্স (Sir Marcus Laurence Elwin Oliphant) ও পল কার্ল মারিয়া (Paul Karl Maria Harteck) ১৯৩৪ সালে ট্রিটিয়াম আবিষ্কার করেন। ট্রিটিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন আছে। অর্থাৎ, হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলোর মধ্যে পার্থক্য শুধু নিউট্রনে। সেজন্যই এদের আইসোটোপ বলে (আইসোটোপ মানে সমপ্রোটিন বিশিষ্ট)। হাইড্রোজেনের (মানে প্রোটিয়ামের) নিজস্ব কোনো নিউট্রন না থাকলেও ডিউটেরিয়ামে একটি ও ট্রিটিয়ামে দুটি আছে। পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হয় ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।

হাইড্রোজেন অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিলে অনেকগুলো যৌগ তৈরি করতে পারে। যেমন পানি (H2O), অ্যামোনিয়া (NH3), মিথেন (CH4), চিনি (C12H22O11), হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2), হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) ইত্যাদি। অ্যামোনিয়া তৈরিতে ব্যবহৃত হয় হাইড্রোজেন। নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে সার উৎপাদন করে, কৃষকেরা এটি ব্যবহার করেন। হাইড্রোজেনের আরও নানা ধরনের ব্যবহার আছে। রকেটের জ্বালানি, ধাতব আকরিক হ্রাস করা কিংবা গ্যাস বেলুনও হাইড্রোজেন দিয়ে ফুলানো হয়। যদিও হাইড্রোজেন দিয়ে গ্যাস বেলুন ফোলানো উচিত নয়। যেকোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

গবেষকেরা হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। এ প্রযুক্তির সাহায্যে হাইড্রোজেন গ্যাসকে দূষণমুক্ত শক্তির উৎস হিসাবে ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন করা হবে। এই শক্তি গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহনের জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

তথ্য কণিকা:

১. বৃহস্পতি ও অন্যান্য দানব গ্যাসীয় গ্রহের প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন।

২. মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাকাশে নভোচারী পাঠাতে রকেটের জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করেছিল হাইড্রোজেন।

৩. তরল হাইড্রোজেন অত্যন্ত ঠান্ডা এবং এটি ত্বকের সংস্পর্শে এলে মারাত্মক শীতল হতে পারে।

৪. হাইড্রোজেন বাতাসের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ হালকা।

৫. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ৩০০ কোটি ঘনফুট হাইড্রোজেন উৎপাদন করে।

৬. যে কোনো গ্যাসের তুলনায় হাইড্রোজেন গ্যাসের ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

৭. হাইড্রোজেন একমাত্র উপাদান যার তিনটি আইসোটোপ আছে।

৮. হাইড্রোজেন বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন গ্যাস।

৯. হাইড্রোজেন একমাত্র পরমাণু যার জন্য শ্রোডিঙ্গার সমীকরণের সঠিক সমাধান আছে।

১০. জীবিত প্রাণীর ওজনের প্রায় ১০ শতাংশ হাইড্রোজেন।

১১. তরল হাইড্রোজেনের ঘনত্ব যেকোনো তরল পদার্থের চেয়ে কম।

১২. হাইড্রোজেন একমাত্র মৌল যার নিউট্রন নাই।

১৩. একমাত্র হাইড্রোজেনের অ্যান্টিম্যাটার বা প্রতিপদার্থ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।

১৪. বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের সময় যে তিনটি উপাদান তৈরি হয়েছিল তার একটি হাইড্রোজেন। অন্য দুটি হিলিয়াম ও লিথিয়াম।

১৫. হাইড্রোজেন ধনাত্বক ও ঋণাত্বক দুই ধরণের আধানই গঠন করতে পারে।

লেখক: সম্পাদনা দলের সদস্য, বিজ্ঞানচিন্তা

সূত্র: লাইভ সায়েন্স ডট কম, উইকিপিডিয়া, থটকো ডট কম ও কেমিকুল ডট কম

Photos from ChemPhys পাঠশালা's post 26/08/2023

নটর ডেম কলেজ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা।

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

কালিবাড়ি রোড, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ।
Mymensingh

Other Tutors/Teachers in Mymensingh (show all)
বিজ্ঞান কি এতোই সোজা ? বিজ্ঞান কি এতোই সোজা ?
Jamtola Moar, Gafargoan
Mymensingh, 2230

We are ready to guide you properly and try to give you best.

English Teacher, Zohir Sir English Teacher, Zohir Sir
Nizkalpa
Mymensingh, 2200

আমি একজন ইংরেজি শিক্ষক। আমার এই পেইজে ইংরেজি গ্রামার, সাহিত্য ও ভাষা শিখতে পারবেন। পেইজটি ফলো দিন।

Meaning of Math Meaning of Math
Mymensingh, 8001

I want to teach mathematics with fun.

30 Minutes Math 30 Minutes Math
Mymensingh

Wish you Wealth

Sojib academic math care programme Sojib academic math care programme
Mymensingh

মৌলিক গণিত আমাদের মূলমন্ত্র

নারী উন্নয়ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারী উন্নয়ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
Jamtola Mor, Kashor Road, Mymensingh, Sadar, Mymensingh,।
Mymensingh, 2200

কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

Pharmacology Study Pharmacology Study
Vabokhali Puraton Bazer
Mymensingh, 2200

Hi, I am Ubaidul Islam.I am study at Mats in diploma third year

Ajoy English Link Ajoy English Link
Mymensigh, Dhaka
Mymensingh

English Programmes - > Varsity & Medical Admission English > Job English & HSC English

Jahangir Alam Noman Jahangir Alam Noman
Kochuar Ghat Road, Near Bhati Para Primary School, Parail
Mymensingh, 2200

Lecturer, English Department Bigha Ahmadia Fazil (degree) Madrasah

Azharul's Creativity Azharul's Creativity
Mymansingsh
Mymensingh

This is an educational page where we upload computer related educational videos

Monsur Cadet Academy "Led by Cadet College Ex. Teacher" Monsur Cadet Academy "Led by Cadet College Ex. Teacher"
Mymensingh
Mymensingh, 2200

Abul Monsur Associate Professor (Retired) Mymensingh Girls' Cadet College