Saidur's Textile Academy

Saidur's Textile Academy Textile e-learning, Anywhere Anytime

13/08/2020
16/06/2020

ওয়ালমাট
'সেকেন্ড হ্যান্ড' কাপড় বিক্রি করছ.......

করোনা মহামারির মধ্যে নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়লেও দেখা যায় প্রয়োজন ছাড়া কাপড় কিনছেন না অনেকে। এ কারণে লোকসানে পড়ছে অনেক বড় বড় কোম্পানিও। এ পরিস্থিতিতে মুনাফা করার নতুন কৌশল বের করেছে বিশ্বের অন্যতম বড় খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট।নতুন কৌশল হলো সেকেন্ড হ্যান্ড বা ব্যবহৃত কাপড় ও পণ্য বিক্রি করবে তারা। মার্কিন সাময়িকি ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ লক্ষ্য অনলাইন পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠান থ্রেডআপের সঙ্গে জোট বেঁধেছে ওয়ালমার্ট। আগে ব্যবহৃত শ্যানেলের ব্যাগ, মাইকেল কর্সের পোশাক, গুচির আনুষঙ্গিক এবং নাইকির জুতোর মতো ফ্যাশন আইটেম এই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বিক্রি করতে চায় ওয়ালমার্ট।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসনের তথ্য অনুযায়ী, ই–কমার্সের মাধ্যমে বেশি কেনাকেটা করেন যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রকান আমেরিকানরা। অন্যদের তুলনায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ২৬ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেন তাঁরা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বাজারটা ধরতে পারে ওয়ালমার্ট।

নিয়েলসন বলছে, কম দামে ব্র্যান্ডের কাপড় এখন এই মহামারির সময়ে ক্রেতার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে বলে মনে করছে কোম্পানিটি।মহামারির কারণে বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। অনেকের হাতে অর্থ নেই।এ সময় এত দামি পণ্য বা একদম আনকোরা কিছু কেনা কঠিন। আর এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ বিলিয়ন ডলারের পুনর্বিক্রয় (রিসেল) বাজারে প্রবেশ করছে ওয়ালমার্ট।

মাল্টিমিডিয়া সংস্থা কালচারব্যাংক্স মনে করে, যখন ওয়ালমার্টের মতো ট্রেন্ডি অনলাইন স্টোর এই ধারায় প্রবেশ করে, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এটি একেবারের নতুন একটি দিন । বিশেষত শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য দেখলে বিষয়টি আরও বোঝা সহজ। আফ্রিক্যান আমেরিকানরা বা তাদের পরিবারের সদস্যেরা তাদের মোট আয়ের ৩ শতাংশ পোশাকের জন্য ব্যয় করে। অর্থাত তাদের জন্য অর্থ সাশ্রয় করার এবং স্টাইলে থাকার এক দুর্দান্ত উপায় হতে পারে ওয়ালমার্টের নতুন এই প্ল্যাটফর্ম।

থ্রেড আপ ও গ্লোবাল ডাটা রিটেইলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল নাগাদ রিসেল বাজার ৩২ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫১ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০২০

টেক্সটাইল শিক্ষা প্রসারে আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস.....
16/06/2020

টেক্সটাইল শিক্ষা প্রসারে আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস.....

করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরি হারাতে পারে কয়েক লাখ মানুষ। এমন পরিস্থ...
13/06/2020

করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরি হারাতে পারে কয়েক লাখ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে চাকরির বাজারে টিকে থাকতে মহামারি পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি দক্ষতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে-এমনটা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেগুলো ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে। চলুন তেমন কয়েকটি দক্ষতার বিষয়ে জেনে নিই।

নেতৃত্বের দক্ষতা: কোনো জাহাজ যখন সমস্যায় পড়ে থাকে তখন কেবলমাত্র একজন সক্ষম ক্যাপ্টেন সেটিকে সাগরের মধ্য দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। ঠিক তেমনই এই সংকটের সময়ে দৃড় নেতৃত্বের গুণাবলীর ব্যক্তিরা একটি দলকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারেন। সুতরাং শক্ত নেতৃত্বের দক্ষতা সম্পন্ন লোকেরা যারা দলকে পরিচালনা করতে পারে, সতীর্থের থেকে সর্বোচ্চ কাজটি বের করে আনতে পারে এবং তাদেরকে উৎসাহ যোগায় তাদের কদর বেড়ে যাবে। তারা তাদের ক্যারিয়ার সংকটের সময়েও উপরের দিকে তুলতে পারবেন।

প্রযুক্তি দক্ষতা: করোনাভাইরাস মহামারি পরবর্তী সময়ে কর্মীদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করতে পারে এমন একটি দক্ষতা হলো প্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রিত অপারেশন, রোবোটিকস ইত্যাদি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। অতএব গুরুত্বপূর্ণ হলো এই সময়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতা যতটা সম্ভব অর্জন করা।

পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিন: মহামারি শেষ হওয়ার পরও আমাদের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসবে। অফিস কীভাবে কাজ করবে, কীভাবে আমরা কাজ করব ইত্যাদি পরিবর্তিত হবে। সেসব পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারায় সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

আবেগময় বুদ্ধিমত্তা: আবেগময় বুদ্ধিমত্তা হলো সেই গুণ যা একজন ব্যক্তিকে অন্যের আবেগকে আরও ভালভাবে বুঝতে এবং তার আবেগকে ভালভাবে প্রকাশ করতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। সব সেরা নেতাদের এই গুণ রয়েছে। তারা সহানুভূতিশীল এবং কোনো কর্মীর মানসিক স্বাস্থ্য সহজেই অনুমান করতে পারে। আমরা আজ যে সময়টিতে আছি, আবেগময় বুদ্ধি সম্পন্ন কর্মীদের আরও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ই-লার্নিং এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Saidur's Textile Academy টেক্সটাইল...
12/06/2020

তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ই-লার্নিং এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Saidur's Textile Academy টেক্সটাইল শিক্ষা প্রসারে অগ্রণি ভূমিকা পালনে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা থাকবে।

What is GSM?GSM means grams per square meter. Fabric GSM means the weight of one square meter fabric in grams. GSM is al...
08/06/2020

What is GSM?

GSM means grams per square meter. Fabric GSM means the weight of one square meter fabric in grams. GSM is also written as gm/m2. You can calculate GSM for woven and knitted fabric using one of the following methods.

By means of instruments:

Apparatus required
Round GSM cutter and GSM Pad
Weighing Balance.

Method:

- Cut 5 swatches from the different place of the fabric.

- Weight all test swatches accurately and calculate average weight of swatches.

- Multiply the average weight of swatches by 100 to calculate GSM of the sample fabric.
(Normally, the area of round GSM cutter is 1/100 square meters.)

By Using Formula:

No need to worry if you don’t have a GSM cutter. You can still measure fabric weight per square meter by using following formula.

24/05/2020

Textile e-learning, Anywhere Anytime

23/05/2020

Stay Home, Stay Safe

23/05/2020

Please Subscribe in my YouTube Channel for Textile Learning.

Address

Mymensingh
2210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saidur's Textile Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category