বাংলাদেশ থেকে সৌদিআরব কাজ করার জন্যে কিছু পুরুষ ও মহিলা নিয়োগ দেওয়া হবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা ইনবক্সে যুগাযোগ করুন।
বিউটি পার্লার Online jobs কর্নার
(Female) Jobs এর সন্ধানে আমরা ধির বিশ্বস্ত।
ছেলে ও মেয়ের মুখের কালো দাগ দূর করার উপায় জেনে নিন
মুখের ত্বক ফর্সা করার উপায়
আপনার মুখের দাগ দূর করে রঙ ফর্সা করতে ব্যবহার করবেন লেবু। লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবে কাজ করে। আর স্কাবার হিসেবে ব্যবহার করবেন চিনি। একটু খেয়াল করবেন, অ্যান্টি স্পট ফেয়ারনেস ক্রিম লেবুর কথা বলে।
মুখের কালো দাগ দূর করে রঙ ফর্সা করার উপায়
স্বাভাবিক ত্বক আর শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বকের জন্য দুটি আলাদা পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক
যদি আপনার ত্বক স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত হয়ে থাকে , তাহলে আপনাকে মাত্র ৫ মিনিটের একটি কাজ করতে হবে । মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিবেন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিবেন। তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিবেন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধু/চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রস মুখে লাগিয়ে তারপর শুকিয়ে নিবেন। লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়ুন। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিবেন।
জানতে চাই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ান সহজ ৩ টি ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহারে খুব অল্প সময়ে
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর কোন রকম অস্বস্তি কর অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত মুখ ধুয়ে ফেলবেন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।]
শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক
যদি আপনার ত্বক শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তাহলে আপনার ৩০ মিনিট সময় লাগবে। মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিবেন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিবেন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে। তাহলে একটি বাটিতে পাকা লেবুর রসের (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সাথে মুলতানি মাটি ও মধু /চিনি মিশিয়ে নিবেন। এই মিশ্রণটি ধোয়া মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে শুকিয়ে নিবেন। তারপর ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিবেন। নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের কালো দাগ মিলিয়ে যাবে।
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর কোন রকম অস্বস্তি কর অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত মুখ ধুয়ে ফেলবেন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।]
তবে লেবুর দিয়ে এই রূপচর্চাটি কেবল রাতের বেলায় করতে হবে। কারণ সূর্যের আলো আপনার ত্বকে রিঅ্যাকশন করতে পারে। রাতের বেলায় লেবুর দিয়ে এই রূপচর্চাটি করলে সূর্যের আলো বা গরমে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা। এবং ত্বকও সম্পূ
প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে হাত ও পা ফর্সা করার টিপস
১. মধুর সাথে শশার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানান।পায়ে ও হাতে লাগান, ত্বকের উন্নতি হবে।
২. ওলিভ ওয়েল ম্যাসাজ করলে হাত ফর্সা হয় আর নরমও থাকে।আরও ভাল ফল পেতে গেলে, এর সাথে একটু কেশর মিশিয়ে নিলে ভাল হয়।
৩. নারকোল জল হাত ও পা ফর্সা করার জন্য খুব ভাল।কোনও কালো দাগ কমাতে হাতে নারকোল জল সপ্তাহে দুবার লাগান।
৪. শশার রস লেবুর সাথে মেশান।হাতে ও পায়ে মাখুন।এতে চামড়া ফর্সা হবেই।
৫. ত্বকে দই লাগালে হাত ফর্সা ও নরম হয়।এটা জিঙ্ক ও ল্যাকটিক এ্যাসিডের উৎস যেগুলো ত্বককে ফর্সা করে।
৬. একটা টমেটো গ্রাইন্ডারে বেটে পেস্ট বানান।হাতে ও পায়ে এই বাটাটি লাগান।এটা আপনার ত্বকের বর্ণ ঠিক রাখবে ও আপনার চেহারায় শিগগিরি একটা ঔজ্জ্বল্য আনবে।
৭. একটা টমেটো গ্রাইন্ডারে বেটে পেস্ট বানান।হাতে ও পায়ে এই বাটাটি লাগান।এটা আপনার ত্বকের বর্ণ ঠিক রাখবে ও আপনার চেহারায় শিগগিরি একটা ঔজ্জ্বল্য আনবে।
৮. আপনার ত্বক যদি তেলতেলে হয়,ফর্সা হাত পা পাওয়ার সেরা উপায় ডিম।ডিমের সাদা অংশ সপ্তাহে দুবার লাগান ও ফল দেখুন।
৯. টমেটোর সাথে ওটমিল ও দই-র মিশ্রণ বানান।এটা শরীরে লাগালে স্বাভাবিক ভাবে ফর্সা হওয়া যায়।হাত ও পায়ের জন্য এটা ভাল।এটা মৃত কোষ দূর করতেও সাহায্য করে।
১০. ফর্সা হাত,পা পাওয়ার জন্য বাড়িতে যা সব করা হয় তার মধ্যে এটা সবচেয়ে ভাল।মধু,গুঁড়ো দুধ ও পেঁপের মিশ্রণ বানান।খুব তাড়াতাড়ি দেখবেন ত্বকের রঙ বদলাচ্ছে।
১১. কাঁচা দুধ চামড়ার রঙ হালকা করে হাত পা ফর্সা করতে খুব কার্যকরি।
১২. রাতভর কিছু আলমন্ড বাদাম ভিজিয়ে রাখুন, তারপর ভাল করে বেটে নিন।পায়ে ও হাতে এটা লাগান।এটা সব ঘরোয়া পদ্ধতির মধ্যে অন্যতম সেরা।
১৩. মূলতানী মাটির সাথে চন্দন মিশিয়ে একটা মসৃণ পেস্ট বানান। মুখে ও হাতে লাগান।
১৪. গোটা জিরে জলে ফোটান।জলটা ছেঁকে নিন।এই জলটা দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।ফর্সা ত্বক পাবেন খুব তাড়াতাড়ি।এক সপ্তাহ এটা করুন - ভাল ফল পাবেন।
১৫. দুধ বা দই-র সাথে মুসুর ডাল মেশান।হাত পায়ে লাগান।১৫মিনিট রেখে দিন।এটা আপনার বর্ণ উজ্জ্বল করা ছাড়াও আপনাকে অপূর্ব সুন্দর করে তুলবে।
বিউটি পার্লার online jobs কর্নার
অলিভ ওয়েল ও গোলাপ জল দিয়ে দ্রুত ফর্সা হবার ক্রিম বানান ঘরেই
অলিভ অয়েল
অনেকেই হয়তো ভেবে থাকেন যে তৈলাক্ত ত্বকে তেল ব্যবহার করলে ত্বকের আরো বেশি ক্ষতি হবে কিংবা ব্রণ উঠবে। কিন্তু অলিভ অয়েলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বককে সজীব এবং পরিষ্কার করে। সূর্যরশ্মির ক্ষতির থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এ তেল। অলিভ অয়েল সেনসিটিভ স্কিনের জন্যও নিরাপদ। নারকেল তেল এবং ফিস অয়েলের মাধ্যমে এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ফল পাবেন।
গোলাপ জল
খুব অল্প সময়ে সুন্দর ত্বক পেতে গোলাপ জল অনন্য। ব্রণ বা লালচে ভাব আক্রান্ত ও ফেটে যাওয়া মুখের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। গোলাপ জলে আছে আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান। বিষণ্ণতা দূর করে শিথিলতাও এনে দিতে এর কোনো বিকল্প নেই। তবে গোলাপ জল রাতে ব্যবহার করাই ভালো। কারণ দিনের বেলা যে জীবাণুগুলো মুখের মধ্যে বাসা বাঁধে এগুলোকে ধ্বংস করতে এর কোনো বিকল্প নেই। এমনকি এ জল ব্যবহারে মুখের বিষাক্ত উপাদানও দূর হয়। গোলাপ জলের সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপ জল বর্ণ উজ্জ্বল করে আর নারকেল তেল ত্বককে বানায় কোমল।
গোলাপ ফুল কিনে পাপড়িগুলো আলাদা করে একদিন পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর প্রতিদিন মুখে ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে যতোবার মুখ ধোবেন, ততোবারই গোলাপ জল ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন এ জলে মুখ ধোয়ার সময় কোনো ধরনের সাবান ব্যবহার করবেন না।
কোকো বাটার
লোশন বা ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোকো বাটার। এটা যেহেতু খাওয়াও যায়, তাই এ দিয়ে তৈরি লিপ বাম ব্যবহারের নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কোকো বাটারের সঙ্গে ভার্জিন অয়েল বাড়িতে বানানো সবচেয়ে ভালো রাতের ক্রিম। দু’সপ্তাহ প্রয়োগ করে দেখুন, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বেই। তাছাড়া ১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার, ১ টেবিল চামচ কোকো বাটার, ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা, ২ টেবিল চামচ কর্ড লিভার অয়েল এবং ২ টেবিল চামচ রসুনের তেল মিশিয়ে ক্রিম তৈরি করে নিন। যা দিনে একবার ব্যবহার করলে দূর হবে কালো দাগ।
গ্রিন টি
আপনি কি জানেন গ্রিন টি’র ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল করতে অবিশ্বাস্য গুণের কথা? এক কাপ গ্রিন টিতে নারকেল তেল, লেবু আর আলমণ্ড তেল দিন। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সপ্তাহে একবার লাগান।
অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী)
অ্যালোভেরা অন্যতম সেরা ও নিরাপদ ত্বক চর্চার ক্রিম। ত্বক বর্ণোজ্জ্বল বানাতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা ও ল্যাভেন্ডার তেল মিশি
আলু পাতলা করে কেটে অথবা কাঁচা আলুর রস তারপর দেখুন এখানে
২ টেবিল চামচ বেসন, ২ চিমটি কাঁচা হলুদ , ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস আর এক চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে ৫ মিনিট ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর ২০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে মনে রাখবেন, হলুদ সবার ত্বকের জন্য নয়। তাই আগে একটু টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু না শত্রু।
কাঁচা আলুর রস অথবা আলু পাতলা করে কেটে অথবা আলুর পাল্প দিনে ২বার করে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।
টিপসগুলো মেনে চলার আগে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন উপাদানগুলোর সাথে আপনার ত্বক মানিয়ে নিতে পারে কিনা। আগে অল্প করে হাতে লাগিয়ে দেখবেন কোন ধরণের চুলকানি কিংবা জায়গাটা লাল হয়ে যাচ্ছে কিনা, তারপর পছন্দসই প্যাকটি বেছে নিন।
01/11/2020
পার্লার jobs কর্নার
01/11/2020
সুন্দরয টা একটো বেসি হলেও ভাল লাগতেছে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Muktagash
Mymensingh