Masud Pervez School

Masud Pervez School

Share

Its a privet school

৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষার জরুরি নির্দে 21/09/2024

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি প্রণয়ন, প্রশ্নের ধারা ও মানবণ্টন সংশোধন ও পরিমার্জন করেছে। সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ধারার মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিখনকালীন এবং বার্ষিক পরীক্ষা পরিমার্জিত মূল্যায়ন নির্দেশনার আলোকে অনুষ্ঠিত হবে। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার বিশেষায়িত বিষয়গুলোর এবং ১০ম শ্রেণির মূল্যায়ন কার্যক্রম আগের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা: আবার বদলাচ্ছে পাঠ্যবই, বার্ষিক পরীক্ষা ৩ ঘণ্টা
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সাধারণ নির্দেশনাগুলো হলো—
২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ সালের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে।
মূল্যায়ন কার্যক্রম শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষা দুটি ভাগে অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব তত্ত্বাবধানে শিক্ষকদের দ্বারা শিখনকালীন মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা এবং এনসিটিবির দেওয়া প্রশ্নপত্রের নমুনা অনুসরণ করে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। তবে কোনোক্রমেই এনসিটিবির দেওয়া নমুনা প্রশ্নপত্র হুবহু ব্যবহার করা যাবে না। প্রণীত প্রশ্নের সাহায্যে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন কার্যক্রমের মোট নম্বর হবে ১০০। এর মধ্যে শিখনকালীন মূল্যায়নের গুরুত্ব হবে ৩০ শতাংশ এবং পরীক্ষার গুরুত্ব হবে ৭০ শতাংশ বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক জিপি (চে) নির্ধারণপদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে ।

বার্ষিক পরীক্ষার/মূল্যায়নের নির্দেশনা
বার্ষিক পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ।
লিখিত পরীক্ষার মোট সময় হবে ৩ ঘণ্টা।
লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের নির্দেশিকা, প্রশ্নের কাঠামো ও মানবণ্টন ‘বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনায়’ বিস্তারিত দেওয়া আছে ।
বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনায় প্রদত্ত নমুনা প্রশ্নপত্র দেওয়া আছে।
লিখিত পরীক্ষার উত্তর লেখার জন্য আগের মতো বিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার খাতা সরবরাহ করতে হবে।

বার্ষিক ফলাফল প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক জিপি (চে) নির্ধারণ পদ্ধতি
১.
শ্রেণি উত্তরণের জন্য ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ফলাফল প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের মোট নম্বর হবে ১০০ । এই ১০০ নম্বরের মধ্যে ধারাবাহিক অথবা শিখনকালীন মূল্যায়নের গুরুত্ব হবে ৩০ শতাংশ এবং লিখিত বার্ষিক পরীক্ষার গুরুত্ব হবে ৭০ শতাংশ।
২.
যেহেতু প্রতিটি বিষয়ে ধারাবাহিক অথবা শিখনকালীন মূল্যায়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট নম্বর ৩০ এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দকৃত মোট নম্বর ১০০, সেহেতু একজন শিক্ষার্থীর একটি বিষয়ের বার্ষিক ফলাফল প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে ওই বিষয়ের ধারাবাহিক অথবা শিখনকালীন মূল্যায়নে তার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে লিখিত বার্ষিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৭০ শতাংশ যোগ করে ওই বিষয়ের বার্ষিক ফলাফল বা গ্রেড নির্ণয় করতে হবে।
উদাহরণ: ধরা যাক, বাংলা বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়নে মোট ৩০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থী ‘ক’-এর প্রাপ্ত নম্বর ২৫ এবং লিখিত পরীক্ষার মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে তার প্রাপ্ত নম্বর ৮০ । বাংলা বিষয়ে তার বার্ষিক ফলাফল বা গ্রেড নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত ২৫ নম্বরের সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত ৮০ নম্বরের ৭০ শতাংশ অর্থাৎ (৮০×৭০ শতাংশ) = ৫৬ যোগ করে বাংলা বিষয়ে তার প্রাপ্ত মোট নম্বর হবে (২৫+৫৬) = ৮১ । বাংলা বিষয়ে শিক্ষার্থী ‘ক’-এর জিপি (চে-‌েৎধফব চড়রহঃ) হবে ৫.০০ এবং লেটার গ্রেড হবে অ‍+ ।
বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদানের ক্ষেত্রে নম্বরের পরিসর, গ্রেড পয়েন্ট ও লেটার গ্রেড।

ষষ্ঠ থেকে নবমের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নকাঠামো ও মানবণ্টন প্রকাশ করল এনসিটিবি
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রাপ্ত নম্বর গ্রেড পয়েন্ট লেটার গ্রেড
৮০-১০০ ৫.০০ অ‍+
৭০-৭৯ ৪.০০ অ‍
৬০-৬৯ ৩.৫০ অ‍-
৫০-৫৯ ৩.০০ ই
৪০-৪৯ ২.০০ ঈ
৩৩-৩৯ ১.০০ উ
০০-৩২ ০.০০ ঋ
একটি বিষয়ে সর্বনিম্ন উ গ্রেড পেলে ওই বিষয়ে শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ বলে বিবেচনা করা হবে । ৩ বা ততোধিক বিষয়ে কোনো শিক্ষার্থী উ গ্রেড পেলে সে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হতে পারবে না । তবে বিষয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিশেষ বিবেচনায় তাকে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তরণের সুযোগ প্রদান করতে পারেন। বিশেষ বিবেচনার বিষয়টি শুধু ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষার জরুরি নির্দে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নকাঠামো ও মানবণ্টন, শিখনকালীন মূল্যায়নের পরিমার্জিত নির্দেশনা প্র....

20/04/2024
শিক্ষার্থী আগে, স্কুলে স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধের আহ্বান ইউনেসকোর 14/08/2023

স্কুলে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা–সমালোচনার মধ্য স্কুলগুলোতে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো।

সংস্থাটি বলছে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগে ব্যাঘাত রোধে, শিক্ষার মানোন্নয়নে এবং শিশুদের সাইবারবুলিং থেকে রক্ষায় এটা জরুরি। তাদের ভাষ্য, সবার আগে শিক্ষার্থী।

ইউনেসকো বলছে, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে শিক্ষাগত ক্ষেত্রে কৃতিত্ব কমে যায়। মুঠোফোনের স্ক্রিনে বেশি সময় কাটালে তা শিশুদের মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলে, এর প্রমাণও রয়েছে।

ইউনেসকোর মহাপরিচালক ওদ্রে আজুলে বলেন, ‘এটি (স্মার্টফোন) অবশ্যই শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষাসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত, তাদের ক্ষতির জন্য নয়। আগে শিক্ষার্থীর চাহিদার কথা মাথায় রাখুন, আর শিক্ষকদের সহায়তা করুন।’
জাতিসংঘের সংস্থাটি বলছে, স্কুলে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বানের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া যায় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রযুক্তিই ‘মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির’ অধীন হওয়া উচিত। এগুলো কখনোই শিক্ষকের সঙ্গে মুখোমুখি মিথস্ক্রিয়ার বিকল্প হওয়া উচিত নয়।

ডিজিটাল প্রযুক্তিকে স্বাগত জানানোর বিরুদ্ধে নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করে ইউনেসকো বলেছে, শিক্ষার ফলাফল ও অর্থনৈতিক দক্ষতার ওপর ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাবকে অতিরঞ্জিত করে দেখা হতে পারে।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে, নতুন মানেই সব সময় ভালো নয়। সব পরিবর্তনই প্রতিনিয়ত অগ্রগতি নিয়ে আসে, ব্যাপারটি এমন নয়। কোনো কিছু করা সম্ভব বলেই সেটা করা উচিতও নয়।

পড়ালেখা দিন দিন অনলাইন হচ্ছে; বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশি হচ্ছে। ইউনেসকো নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি শিক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষা খাতে ‘সামাজিক ব্যাপ্তি’র জায়গাটি যেন অবহেলা করা না হয়। যারা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের কথা বলে এর ওপর জোর দেওয়ার কথা বলছেন, তাঁরা হয়তো শিক্ষা আসলে কী, সেই মূল ব্যাপারটিকেই বাদ দিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে ইউনেসকোর মহাপরিচালক ওদ্রে আজুলে বলেন, ডিজিটাল বিপ্লবের মধ্যে অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে ঠিকই। কিন্তু সমাজে এটিকে কীভাবে পরিচালনা করা উচিত, কোন নিয়মে চলা উচিত; তার জন্য যেমন সতর্কতা দরকার, তেমনি শিক্ষা খাতে এটিকে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, সেদিকেও একই মনোযোগ দিতে হবে।

ওদ্রে আজুলে আরও বলেন, এটি (স্মার্টফোন) অবশ্যই শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষাসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত; তাদের ক্ষতির জন্য নয়। আগে শিক্ষার্থীর চাহিদার কথা মাথায় রাখুন, আর শিক্ষকদের সহায়তা করুন। অনলাইন যোগাযোগ মানুষের সঙ্গে মানুষের মিথস্ক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।

ইউনেসকো তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সব দেশকে অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে শিক্ষায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের পেছনে তাদের স্পষ্ট উদ্দেশ্য ও নীতিমালা রয়েছে, এ প্রযুক্তি তাদের জন্য উপকারী এবং এটা কারও কোনো ক্ষতি করছে না; তা হতে পারে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে গণতন্ত্র এবং মানবিক অধিকারের দিকগুলো। যেমন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গ করে বা অনলাইনে বিদ্বেষ ছড়ানোর মাধ্যমে যেন ক্ষতি না করে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

ইউনেসকো বলেছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক দেশ ‘শিক্ষার্থীরা আগে’-এই বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চীনের উদাহরণ টেনে ইউনেসকো বলছে, ডিজিটাল ডিভাইসকে শিক্ষাদানের সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহারের জন্য চীন একটি সীমানা বা কাঠামো নির্ধারণ করেছে। পাঠদানের সময়ের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ডিজিটালি কাজ চলবে।
শ্রেণিকক্ষে বা বাড়িতে অতিমাত্রায় বা প্রযুক্তির অসংগত ব্যবহার; সেটা স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা ল্যাপটপ—যা-ই হোক, তা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে এবং শেখার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছে ইউনেসকো। প্রযুক্তির ফলে লাখো মানুষের সামনে শেখার ও জানার দরজা খুলে গেছে। কিন্তু এর উপকার সবাই সমানভাবে পাচ্ছে না বলেই মতামত ইউনেসকোর। দরিদ্র দেশের মানুষেরা শেখার আওতা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে এবং বঞ্চিত হচ্ছে। তা ছাড়া ডিজিটাল শিক্ষার খরচও বেশি এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত ক্ষতির কথাও প্রায়ই আমরা ভুলে যাই।

ইউনেসকোর ২০২৩ সালের গ্লোবাল এডুকেশন মনিটর এক প্রতিবেদনে বলেছে, ডিজিটাল লার্নিং পণ্য বিক্রি করা বেসরকারি শিক্ষা সংস্থাগুলো ডিজিটাল শিক্ষায় ব্যাপক অর্থায়ন করেছে। বিশ্বজুড়ে শিক্ষানীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ‘উদ্বেগের কারণ’। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা শিক্ষার চেয়ে পণ্য বিক্রির দিকে গুরুত্ব বেশি দিয়ে নিজেদের নীতি ও কার্যক্রম সাজায়।

ইউনেসকো বলেছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক দেশ ‘শিক্ষার্থীরা আগে’–এই বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চীনের উদাহরণ টেনে ইউনেসকো বলেছে, ডিজিটাল ডিভাইসকে শিক্ষাদানের সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহারের জন্য চীন একটি সীমানা বা কাঠামো নির্ধারণ করেছে। পাঠদানের সময়ের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ডিজিটালি কাজ চলবে। আর এতে করে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্ক্রিন–বিরতি পাবে—এ আশায় দেশটি এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

করোনা মহামারির সময়ে লকডাউনে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বব্যাপী এক শ কোটির বেশি শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস শুরু করে। তবে এর মধ্য ইন্টারনেট না থাকায় লাখো দরিদ্র শিক্ষার্থী এ সুবিধা থেকে বাদ পড়েছে।

বিশ্বের ২০০টি শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ইউনেসকো জানিয়েছে, কিছু দেশ আইন বা নির্দেশনার মাধ্যমে স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, যারা ২০১৮ সালের নীতি প্রবর্তন করে স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করে। আর নেদারল্যান্ডস ২০২৪ সালে এ বিধিনিষেধ এনেছে।

নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী রবার্ট ডিজক্রাফ বলেছেন, এতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে সক্ষম হবে, আর ভালোভাবে পড়াশোনার সুযোগ পাবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোন একটি ব্যাঘাত। এ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে হবে।
স্কুলে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা–সমালোচনার মধ্য স্কুলগুলোতে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো।

সংস্থাটি বলছে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগে ব্যাঘাত রোধে, শিক্ষার মানোন্নয়নে এবং শিশুদের সাইবারবুলিং থেকে রক্ষায় এটা জরুরি। তাদের ভাষ্য, সবার আগে শিক্ষার্থী।

ইউনেসকো বলছে, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে শিক্ষাগত ক্ষেত্রে কৃতিত্ব কমে যায়। মুঠোফোনের স্ক্রিনে বেশি সময় কাটালে তা শিশুদের মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলে, এর প্রমাণও রয়েছে।

জাতিসংঘের সংস্থাটি বলছে, স্কুলে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বানের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া যায় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রযুক্তিই ‘মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির’ অধীন হওয়া উচিত। এগুলো কখনোই শিক্ষকের সঙ্গে মুখোমুখি মিথস্ক্রিয়ার বিকল্প হওয়া উচিত নয়।

ডিজিটাল প্রযুক্তিকে স্বাগত জানানোর বিরুদ্ধে নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করে ইউনেসকো বলেছে, শিক্ষার ফলাফল ও অর্থনৈতিক দক্ষতার ওপর ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাবকে অতিরঞ্জিত করে দেখা হতে পারে।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে, নতুন মানেই সব সময় ভালো নয়। সব পরিবর্তনই প্রতিনিয়ত অগ্রগতি নিয়ে আসে, ব্যাপারটি এমন নয়। কোনো কিছু করা সম্ভব বলেই সেটা করা উচিতও নয়।

পড়ালেখা দিন দিন অনলাইন হচ্ছে; বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশি হচ্ছে। ইউনেসকো নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি শিক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষা খাতে ‘সামাজিক ব্যাপ্তি’র জায়গাটি যেন অবহেলা করা না হয়। যারা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের কথা বলে এর ওপর জোর দেওয়ার কথা বলছেন, তাঁরা হয়তো শিক্ষা আসলে কী, সেই মূল ব্যাপারটিকেই বাদ দিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ইউনেসকোর মহাপরিচালক ওদ্রে আজুলে বলেন, ডিজিটাল বিপ্লবের মধ্যে অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে ঠিকই। কিন্তু সমাজে এটিকে কীভাবে পরিচালনা করা উচিত, কোন নিয়মে চলা উচিত; তার জন্য যেমন সতর্কতা দরকার, তেমনি শিক্ষা খাতে এটিকে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, সেদিকেও একই মনোযোগ দিতে হবে।

ওদ্রে আজুলে আরও বলেন, এটি (স্মার্টফোন) অবশ্যই শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষাসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত; তাদের ক্ষতির জন্য নয়। আগে শিক্ষার্থীর চাহিদার কথা মাথায় রাখুন, আর শিক্ষকদের সহায়তা করুন। অনলাইন যোগাযোগ মানুষের সঙ্গে মানুষের মিথস্ক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।

ইউনেসকো তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সব দেশকে অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে শিক্ষায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের পেছনে তাদের স্পষ্ট উদ্দেশ্য ও নীতিমালা রয়েছে, এ প্রযুক্তি তাদের জন্য উপকারী এবং এটা কারও কোনো ক্ষতি করছে না; তা হতে পারে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে গণতন্ত্র এবং মানবিক অধিকারের দিকগুলো। যেমন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গ করে বা অনলাইনে বিদ্বেষ ছড়ানোর মাধ্যমে যেন ক্ষতি না করে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষার্থী আগে, স্কুলে স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধের আহ্বান ইউনেসকোর স্কুলে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য স্কুলগুলোতে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ...

শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়ানো হলে কোচিং-প্রাইভেটের প্রয়োজন হতো না: কুইন 29/06/2022

আমরা শিক্ষার্থীদের থেকে এমন অভিযোগ শুনতে চাইনা। এ বিষয়ে আমরা সোচ্চার৷
অভিযোগ থাকলে আমাদের জানান।

শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়ানো হলে কোচিং-প্রাইভেটের প্রয়োজন হতো না: কুইন ‘দেশসেরা কলেজশিক্ষার্থী কুইন বলল, কলেজে পর্যাপ্তসংখ্যক ক্লাস পাই না, অর্থাৎ যত ক্লাসের প্রয়োজন, তা হয় না। শ্রেণি...

Photos 31/05/2022

শিক্ষায় বড় পরিবর্তন, শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুমোদন
বিস্তারিত- https://cutt.ly/WJdCvrZ

২০২৩ সালে এসএসসি এপ্রিলে, জুনে এইচএসসি, পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে 12/04/2022

২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও এ বছরের মতো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই নেওয়া হবে। আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা জুনে অনুষ্ঠিত হবে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এসব কথা জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাসে আগামী বছরের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হবে।

২০২৩ সালে এসএসসি এপ্রিলে, জুনে এইচএসসি, পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও এ বছরের মতো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই নেওয়া হবে।

19/01/2022

এতদ্বারা মাসুদ পারভেজ স্কুলের সকল ছাত্র ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,আগামীকাল ২০-০১-২০২২ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০ ঘটিকা পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর টীকা কার্ড বিতরন করা হবে।
উক্ত দিনেই "নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে" টীকা প্রদান করার জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।
সকল শিক্ষার্থীদের সকাল ১০ ঘটিকার মধ্য বিদ্যালয় হতে টীকা কার্ড সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
বিঃদ্র- এসএসসি পরিক্ষা ২০২১, এসএসসি পরিক্ষা ২০২২ এর ছাত্র ছাত্রীরাও উক্ত নোটিশের আওতাভুক্ত থাকবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Kanurampur, Nandail
Mymensingh

Opening Hours

Monday 10:10 - 15:10
Tuesday 10:10 - 15:10
Wednesday 10:10 - 15:10
Thursday 10:10 - 15:10
Saturday 10:10 - 15:10
Sunday 10:10 - 15:10